
বোলিংয়ের মতো ব্যাটিংয়ের পাওয়ার প্লেতেও দুর্বার বাংলাদেশ। প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে তারা করে ফেলেছে ৫৭ রান।
ব্যাট হাতে এখন পর্যন্ত সামনে থেকেই দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লিটন কুমার দাস। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে তার সংগ্রহ ১২ বলে ২৭ রান। বাঁহাতি ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ১২ বলে ১২ রানে অপরাজিত।
এর আগে শুরুর দিকে ঝড় তোলার আভাস দিয়ে ৯ বলে ১৫ রান করে আউট হয়েছেন পারভেজ হোসেন ইমন।
আরও পড়ুন
| ক্রোয়েসকে ফিরিয়ে তাসকিনের ৪ উইকেট |
|
১৩৭ রানের লক্ষ্যে ইনিংসের প্রথম তিন বলে দুই চারের পর ছক্কা মারেন ইমন। তবে আরিয়ান দত্তের পরের ওভারে বোল্ড হয়ে যান তরুণ ওপেনার।
এরপর শুরু হয় লিটনের ঝড়। আরিয়ানের তৃতীয় ওভারে পরপর দুই বলে বাউন্ডারি মারেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। পরের ওভারে ড্যানিয়েল ডোরামের বলে রিভার্স সুইপ করে ছক্কা মারেন তিনি।
ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের বাকি ৮৪ বলে করতে হবে ৮০ রান।
No posts available.
১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১২ এম
১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩০ পিএম

পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলে বড় পরিবর্তন আনল করাচি কিংস। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপেনার মুহাম্মদ ওয়াসিমের পরিবর্তে ইংল্যান্ডের বিধ্বংসী ব্যাটার জেসন রয়কে দলে ভেড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
নেপালে আইসিসি মেনস ক্রিকেট বিশ্বকাপ লিগ-২ খেলতে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ায় ওয়াসিম ও খুজাইমা বিন তানভিরকে ছাড়তে হয়েছে কিংসকে। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতেই অভিজ্ঞ রয়কে দলে টানা হয়েছে।
করাচি কিংস এক বিবৃতিতে জানায়, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আগ্রাসী ব্যাটিং ও বিশাল অভিজ্ঞতার জন্য পরিচিত রয় পিএসএলে সবসময়ই ভয়ঙ্কর বিদেশি ব্যাটারদের একজন। টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তার অন্তর্ভুক্তি দলের টপ অর্ডারকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই বিশ্বাস তাদের।
আরও পড়ুন
| আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন রুবেল |
|
পিএসএলে রয় নতুন কেউ নন। ২০১৬ সালে টুর্নামেন্টের প্রথম আসরে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে যাত্রা শুরু। এরপর দীর্ঘ সময় খেলেছেন কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে। এখন পর্যন্ত ৬ আসরে ১ হাজার ২৬০ রান করেছেন ১৪৬.৫১ স্ট্রাইক রেটে। যেখানে রয়েছে ২টি সেঞ্চুরি ও ৮টি ফিফটি।
তার পিএসএল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আলোচিত ইনিংসটি আসে ২০২৩ সালের আসরে। পেশাওয়ার জালমর বিপক্ষে ৬৩ বলে অপরাজিত ১৪৫ রান করে গড়েন পিএসএলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড।
চলতি আসরে দারুণ শুরু করেও ছন্দ হারিয়েছে করাচি কিংস। টানা তিন জয়ের পর শেষ দুই ম্যাচে হেরেছে তারা। বিশেষ করে ওপেনিং জুটির ব্যর্থতা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওয়াসিম পাঁচ ম্যাচে করেছেন মাত্র ৮৬ রান, আর তার সঙ্গী ডেভিড ওয়ার্নার চার ইনিংসে করেছেন ৯৩ রান। যার অর্ধেকই এসেছে এক ম্যাচে।
বর্তমানে পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে থাকা করাচি কিংস আগামী ১৬ এপ্রিল তাদের পরবর্তী ম্যাচে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের।

অবশেষে স্বস্তির খবর প্যাট কামিন্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জন্য। সর্বশেষ পিঠের স্ক্যানের পর ফিটনেস ক্লিয়ারেন্স পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। আর সব ঠিক থাকলে আইপিএলে তিনি ফিরবেন এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে।
সিডনিতে করানো পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ভোগানো তার লাম্বার স্ট্রেস ইনজুরি পুরোপুরি সেরে গেছে। এর আগে ইনজুরির কারণে গত জুলাইয়ের পর থেকে মাত্র একটি ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন কামিন্স।
ফলে আইপিএলের শুরুতে দলের সঙ্গে থাকলেও পরবর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দেশে ফিরে যেতে হয়েছিল তাকে।
নিজের এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কামিন্স জানিয়েছেন, শুক্রবারই ভারতের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন, লক্ষ্য আগামী ২৫ এপ্রিল জয়পুরে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে মাঠে নামা।
আরও পড়ুন
| এক ভেন্যুতে রানের রাজত্ব কোহলির, সেরা পাঁচে মুশফিক ও তামিম |
|
এই ইনজুরির শুরুটা গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের সময়, যদিও বিষয়টি গুরুতর আকার নেয় আগস্টে। পরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাডিলেড টেস্টে একমাত্র ম্যাচ খেলেই ছয় উইকেট নিয়ে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, যা অ্যাশেজ ধরে রাখতে সাহায্য করে অস্ট্রেলিয়াকে।
শুরুর দিকে আশা ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দেখা যাবে তাকে, এমনকি প্রাথমিক দলেও নাম ছিল। কিন্তু বাস্তবে সময়টা হয়ে ওঠেনি অনুকূল- আইপিএলের শুরুটাও তাই মিস করতে হয়েছে।
কামিন্সের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ইশান কিশান। প্রধান কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টোরি জানিয়েছেন, দলের সঙ্গে থেকে অধিনায়কত্ব নিয়ে ইশানের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করেছেন কামিন্স- যা দলকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করেছে।
বর্তমানে পয়েন্ট টেবিলে চতুর্থ স্থানে রয়েছে হায়দরাবাদ, পাঁচ ম্যাচে দুটি জয় নিয়ে।

করোনা মহামারীর ঠিক আগে (২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান সফরে রুবেল হোসেন খেলেছেন শেষ টেস্ট। রাওয়ালপিণ্ডিতে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে খালি হাতে থাকেননি। পেয়েছেন ৩ উইকেট (৩/১১৩)। এরপর পেস বোলার রুবেল হোসেন টেস্টে হয়ে যান ব্রাত্য। এরপরেও ১৪ মাস খেলেছেন সাদা বলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। ২০২১ সালের মহান স্বাধীনতা দিবসে ওয়েলিংটনে প্রিয় প্রতিপক্ষ নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩ উইকেট পেলেও অমিতব্যয়ী বোলিংয়ের অপবাদে ( ১০-০-৭০-৩) থেমে যায় ওডিআই ক্যারিয়ার। ওই সফরে অকল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচেও খরুচে বোলিংয়ের অপবাদ (২-০-৩৩-০)। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ার স্থায়ীভাবে থেমে যায় সেখানেই।
ক্যারিয়ারের শুরুতে চিনিয়েছিলেন গতি দিয়ে। স্পোর্টিং উইকেট পেলে ঘন্টায় ১৪০ থেকে ১৪৬ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারতেন। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারটা তার এক যুগের, ২০০৯ থেকে ২০২১। ২৭ টেস্টে ৩৬ উইকেট, ১০৪ ওয়ানডেতে ১২৯ উইকেট, আর ২৮ টি-টোয়েন্টিতে ২৮ উইকেট। সব মিলে ১৯৩ আন্তর্জাতিক উইকেটের মালিক রুবেল হোসেন ঘরোয়া ক্রিকেটেও গিয়েছিলেন হারিয়ে।
২০২০ সালের পর আর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেননি। খেলেননি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ আসরেও। এর আগের বছর প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে ছয় ম্যাচ খেলে পেয়েছিলেন ৮ উইকেট।
সর্বশেষ বিপিএলের নিলামে রুবেলকে নেয়নি কোনো দল। তবে স্বীকৃত ক্রিকেটে সর্বশেষ ম্যাচ তিনি খেলেছেন তার আগের ২০২৫ সালের বিপিএলে। খুলনা টাইগার্সের হয়ে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে ওই ম্যাচ কাটিয়েছেন উইকেটহীন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পথটা যখন কঠিন, তাসকিন, মোস্তাফিজ, নাহিদ রানা, শরিফুল, তানজিম হাসান সাকিব, ইবাদত, খালেদদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় কুলিয়ে ওঠা যখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে, তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই বলাটাই শ্রেয়।
মাঠে নিতে পারেননি ফেয়ারওয়েল। সেই আক্ষেপটা কিছুটা লাঘব করেছেন বুধবার (১৫ এপ্রিল) ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অবসরের ঘোষণায়। ৩৭-এ দাঁড়িয়ে এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘জাতীয় দল আমার আবেগ। কিন্তু একটা সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতেই হতো। সেই চিন্তা করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই জানালাম। তবে ঘরোয়া আসরের ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। আমার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, গণমাধ্যমকর্মী ও ভক্তদের ধন্যবাদ। বাকি সময়টাতেও এভাবেই আমাকে আপনাদের পাশে রাখবেন এটা আমার বিশ্বাস।’
এক যুগের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মনে রাখার মতো অনেক কিছু করেছেন রুবেল। গ্রামীণফোন পেসার হান্টের আবিস্কার রুবেলের অ্যাকশন অনেকটা শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গার মতো। এই পরিচয়েই তাকে নিয়ে ক্লাব ক্রিকেটে টাগ অব ওয়্যার দেখেছি। ২০০৯ সালে মিরপুরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিষেকেই নিজেকে চিনিয়েছেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তার বোলিংয়ে (৫.৩-০-৩৩-৪) বাংলাদেশ জিতেছে ৫ উইকেটে। পুরনো বলে কারিশমা দেখিয়েছেন, শেষ ৯ বলের স্পেলে ১১ রান খরচায় তুষারা, কুলাসাকেরা, অজন্থা মেন্ডিজকে ফিরিয়ে দিয়ে মিরপুরে ক্রিকেট ভক্তদের উৎসবের উপলক্ষ্য এনে দিয়েছেন।
নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ যখন ওডিআই সিরিজে অবতীর্ন, তার দুই দিন আগে রুবেল হোসেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমর্থকদের পেছনে ফিরে তাকানোর বার্তা দিয়ে গেছেন। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআই ক্রিকেটে ২টি জয়ে রেখেছেন অবদান। ২০১০ সালে মিরপুরে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৩ উইকেটে জয়েও নায়ক রুবেল হোসেন (৯.৩-১-২৫-৪)। ২০১৩ সালে সেই প্রিয় ভেন্যুতে করেছেন ক্যারিয়ারসেরা বোলিং (৫.৫-০-২৬-৬)। ওডিআই ক্রিকেটে মাশরাফির সঙ্গে যৌথভাবে সেরা বোলিং ইনিংসে বসিয়েছেন রুবেল ভাগ।
২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউ জিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে সামনে রেখে হ্যাপি নামের এক নায়িকা রুবেলের প্রাণ অতিষ্ঠ করে ফেলেছিল। ওই নায়িকার মামলায় রুবেলকে কারাবাস পর্যন্ত বরণ করতে হয়েছে। বাংলাদেশ দলের টাম্পকার্ডকে ছাড়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল যাবে কিভাবে ? এই শঙ্কা কাটাতে বিসিবি এবং তৎকালীন সরকারের রুবেলকে দিয়েছে আইনী সহায়তা। তাতেই রুবেল জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে এসে বিশ্বকাপে করেছেন বাজিমাত। অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫ রানে জিতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে বাংলাদেশ পেয়েছে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট। ম্যাচটা যখন হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম, তখন স্টুয়ার্ট ব্রড এবং এন্ডারসনকে ইয়র্কারে রুবেল হোসেনের বোল্ড আউটের দশ্য দেখে অ্যাডিলেডের প্রেস বক্স থেকে দেখেছি বাংলাদেশ দলের উচ্ছ্বাস! দেখেছি পতাকা হাতে ল্যাপ অব অনার। ক্রিকেটের বৈশ্বিক কোনো আসরে বাংলাদেশের সেরা উৎসবের বিজ্ঞাপন হয়ে থাকবে রুবেল হোসেনের ওই দুটি ডেলিভারি।

কিছু ক্ষণ, নির্দিষ্ট একটি দিন কিংবা কিছু মাঠ—যা ব্যাটারদের প্রিয়, তীর্থস্থানতুল্য। যেদিন, যেসম কিংবা যে মাঠে নিপুণ চিত্রশিল্পী হয়ে ওঠেন একেকজন ব্যাটার। যতক্ষণ তার ব্যাট চলে, মনে হয় কোনো অভিজ্ঞ চিত্রশিল্পী তার ক্যানভাসে সুনিপুণ তুলির আঁচড় দিয়ে চলেছেন। দেখতে যা ভারি চমৎকার।
ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলের প্রিয় স্টেডিয়াম যেমন বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী। এই মাঠের বাইশগজ তার জন্য এতই পয়া, যা বিরাট কোহলিকে কিং কোহলিতে রূপ দিতে সাহায্য করেছে। বেঙ্গালুরুর এই মাঠে আজ একটি কীর্তি গড়েছেন কোহলি।
বুধবার লখনৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে খেলতে নামে বেঙ্গালুরু। ম্যাচে লখনৌকে অল্পতেই বেধে বড় জয়ের পথে দলটি। এদিন ৪৯ রানের ইনিংস খেলেন কোহলি। তাতে টি-টোয়েন্টিতে এক ভেন্যুতে সর্বাধিক রান মালিক বনে যান তিনি।
কোহলি এখন পর্যন্ত বেঙ্গালুরুর এই স্টেডিয়ামে ১০৯ ইনিংস খেলেছেন। ৪ সেঞ্চুরিতে এখানে তার রান ৩ হাজার ৭৫১ রান। সাউদাম্পটনে এরচেয়েও বেশি অর্থাৎ ১১৭ ইনিংস খেলে ৩ হাজার ৫৮৫ রান করেছিলেন জেমস ভিন্স। তার সেঞ্চুরি দুটি।
নির্দিষ্ট এক ভেন্যুতে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে রান সংগ্রাহকদের কাতারে সেরা পাঁচে বাংলাদেশের দুইজন মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবাল রয়েছেন। তিন নম্বর স্থানটি মুশফিকের। এই উইকেটকিপার ব্যাটার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়অমে ১৪০টি টি-টোয়েন্টি স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। যাতে তার রান সংখ্যা ৩ হাজার ৪৫৯।
পঞ্চমে থাকা তামিম ইকবাল যিনি ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন। বাংলাদেশে ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির পরিচালকের দায়িত্ব পালন করা এই বাঁ-হাতি ব্যাটার সিঙ্গল এক ভেন্যু অর্থাৎ হোম অব ক্রিকেট মিরপুর শেরে বাংলায় ১১০টি কুড়ি কুড়ি ম্যাচ খেলেছেন। ২ সেঞ্চুরিতে তার প্রাপ্ত রান ৩ হাজার ২৩৮ রান। চতুর্থস্থানে থাকা নামটি অ্যালেক্স হেলসের। ইংলিশ ব্যাটার নটিংহ্যামে ১০৯ ম্যাচ খেলে ৩ হাজার ২৪১ রান করেছেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন রুবেল হোসেন। বুধবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক আবগঘন বার্তায় ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা দেন ৩৬ বছর বয়সী এই পেসার।
ফেসবুকে রুবেল রেখেন,
‘বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছি ২৭ টেস্ট, ১০৪ ওয়ানডে এবং ২৮ টি টোয়েন্টি। জাতীয় দল আমার আবেগ। কিন্তু একটা সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতেই হতো। সেই চিন্তা করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই জানালাম।’
২০০৯ সালে অভিষেক হওয়া রুবেল লাল-সবুজ জার্সিতে ১০৪ ওয়ানডেতে ১২৯ উইকেট শিকার করেছেন। টেস্টে ২৭ ম্যাচে তাঁর ঝুলিতে ৩৬ উইকেট এবং ২৮ টি-টোয়েন্টিতে নিয়েছেন ২৮ উইকেট। ২০২১ সালের মার্চ-এপ্রিলে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সবশেষ আন্তর্জাতিক সিরিজ খেলেন রুবেল।
জাতীয় দলে অনিয়মিত হয়ে পড়লেও ঘরোয়া ক্রিকেটে সক্রিয় ছিলেন রুবেল। সবশেষ ২০২৪ সালে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে তাকে মাঠে দেখা গিয়েছিল। ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) সবশেষ স্বীকৃত ম্যাচ খেলেন রুবেল।
২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপে রুবেলের এক ম্যাজিকাল স্পেলে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে বাংলাদেশ। অ্যাডিলেডে ইংলিশদের বিপক্ষে তাঁর ৫৩ রানে ৪ উইকেটের সেই বিধ্বংসী স্পেল বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছিল।
জাতীয় দলের জার্সিতে পথচলা থেমে গেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন রুবেল। বাগেরহাট এক্সপ্রেস খ্যাত এই পেসার বলেন,
‘ঘরোয়া আসরের ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। আমার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, গণমাধ্যমকর্মী ও ভক্তদের ধন্যবাদ। বাকি সময়টাতেও এভাবেই আমাকে আপনাদের পাশে রাখবেন এটা আমার বিশ্বাস।’