১৭ নভেম্বর ২০২৪, ৬:২৩ পিএম
চলতি মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া বোর্ডার-গাভাস্কার সিরিজের প্রথম টেস্টে ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হতে হচ্ছে ভারতকে। আঙুল ভেঙে যাওয়ার কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্ট মিস করতে যাচ্ছেন টপ অর্ডার ব্যাটার শুভমান গিল।
ভারত ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এখনও গিলের চোটের ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অনুশীলন ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে স্লিপে নিচু একটি ক্যাচ নিতে গিয়ে তার বুড়ো আঙুলে ফ্র্যাকচারটি নিশ্চিত করা হয়েছে।
আঘাতটি খুব গুরুতর না হলেও পাঁচ দিনের মধ্যে ফিট হওয়াটা গিলের পক্ষে সম্ভব হবে না বলেই ধরা হচ্ছে। ডানহাতি এই ব্যাটারের লক্ষ্য থাকবে এখন আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া অ্যাডিলেডে দ্বিতীয় টেস্টে খেলা।
গিলের চোটের ফলে ভারতকে এখন তাদের ব্যাটিং অর্ডারে নতুন করে সাজাতে হবে। কারণ, পিতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় প্রথম টেস্টে অধিনায়ক ও ওপেনার রোহিত শর্মার খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই। এবার ছিটকে গেলেন তিনে খেলা গিলও।
ফলে প্রথম ম্যাচের আগে শেষ মুহূর্তে রোহিতের বিকল্প, গিলের জায়গায় নতুন তিন নম্বর ব্যাটার ও ছয় নম্বর ব্যাটারকেও ঠিক করতে হবে ভারতকে। এই মুহূর্তে এই তিন পজিশনের জন্য সম্ভাব্য তিনজন দেখা হচ্ছে লোকেশ রাহুল, আভিমান্যু ইশ্বরন ও দেবদূত পাড়্রিকাল, যিনি কিনা ভারত ‘এ’ দলের অস্ট্রেলিয়া সফরের দলেও ছিলেন।
৩১ আগস্ট ২০২৫, ২:৪২ পিএম
জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থমকে যাওয়ার পর এখন বিশ্বজুড়ে নানান ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলে বেড়াচ্ছেন সাকিব আল হাসান। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন কানাডার সুপার সিক্সটি। যেখানে মন্ট্রিয়ল টাইগার্সে খেলবেন সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুপার সিক্সটিতে অংশগ্রহণকারী ছয় দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে টুর্নামেন্টের আয়োজকরা। মন্ট্রিয়লের স্কোয়াডে সবার ওপরেই রাখা আছে বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার সাকিবের নাম।
আপাতত অ্যান্টিগা এন্ড বারবুডা ফ্যালকনসের জার্সিতে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলছেন সাকিব। এর আগে দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে গ্লোবাল সুপার লিগেও (জিএসএল) খেলেছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক।
মাঝে টি টেন ফরম্যাটের ম্যাক্স সিক্সটি ক্যারিবিয়ানে মায়ামি ব্লেজের হয়ে খেলেছিলেন সাকিব। এবার টি টেন ফরম্যাটের আরেকটি টুর্নামেন্টে নাম লিখিয়েছেন তিনি।
কানাডার ভ্যাঙ্কুবারে আগামী ৮ অক্টোবর শুরু হবে কানাডা সুপার সিক্সটি টুর্নামেন্ট। ছয় দল ও ছয় দিনের আসরের পর্দা নামবে ১৩ অক্টোবর।
সাকিব ছাড়াও বিশ্বের অনেক বড় বড় তারকা খেলবেন এই টুর্নামেন্টে। মন্ট্রিয়ল টাইগার্সে সাকিবের সতীর্থ হিসেবে আছেন ইশুরু উদানা, জশ ব্রাউন, অ্যান্ড্রু টাই, টম মুরসরা।
এছাড়া বিভিন্ন দলে নাম লিখিয়েছেন দাভিদ মালান, ক্রিস লিন, শোয়েব মালিক, অ্যালেক্স হেলস, জেসন রয়, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, কুইন্টন ডি কক, মার্টিন গাপটিল, ডেভিড ভিসা, রাসি ফন ডার ডুসেন, মইন আলি, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, ইমরান তাহির, সিকান্দার রাজার মতো বিশ্ব তারকারা।
সংবাদ সম্মেলনের নির্ধারিত সময়ে হাজির নেদারল্যান্ডসের মিডল-অর্ডার ব্যাটার নোয়াহ ক্রোয়েস। প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনার জন্য তার সঙ্গী মিডিয়া ম্যানেজার কোরি রুটগারস। সাধারণত এমনটাই হয়ে থাকে যে কোনো সংবাদ সম্মেলনে। একজন ক্রিকেটারকে সঙ্গে নিয়ে আসেন মিডিয়া ম্যানেজার।
কিন্তু ব্যতিক্রম রোববারের এই সংবাদ সম্মেলন। কারণ ক্রোয়েস আর রুটগারসের পিছু পিছু চলে এলেন ম্যাক্স ও’ডাউড। তবে উত্তরদাতা নয়, ডাচ ওপেনার বসলেন প্রশ্নকর্তা অর্থাৎ সংবাদকর্মীদের নির্ধারিত আসনে। সেখান থেকেই সাংবাদিক পরিচয়ে একাধিক প্রশ্ন করলেন সতীর্থ ক্রোয়েসকে।
মিডিয়া ম্যানেজার রুটগারসও যেন মজা পেলেন ও’ডাউডের কাণ্ডে। তাই প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরুর আগে তিনি সবাইকে জানিয়ে দিলেন, ‘হ্যালো বন্ধুরা, ম্যাক্স আজকে আমাদের সঙ্গে সাংবাদিক হিসেবে যোগ দিয়েছে।’
নতুন এই পরিচয় পাওয়ার পর ও’ডাউডকে দেখে একজন যে কেউ চাইলে বলতেই পারেন ‘এক অঙ্গে কত রুপ।’ কারণ তার মূল পরিচয় এখন নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের ক্রিকেটার। এর পাশাপাশি গানের ডিজে (ডিস্ক জকি) হিসেবেও পরিচিতি আছে তার।
এমনকি নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলে বিভিন্ন ভ্লগিংও করে থাকেন ও’ডাউড। চ্যানেলটি তিনি মূলত খুলেছিলেন ২০০৯ সালে। তবে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করেন না সেভাবে। তবে বাংলাদেশের আসার পর ‘নতুন শুরু’ শিরোনামে ভ্লগ আপলোড করেছেন তিনি।
ক্রোয়েসের সংবাদ সম্মেলনেও ও’ডাউড আসেন একটি ‘গো প্রো’ ক্যামেরা হাতে নিয়ে। সেই ক্যামেরায় রেকর্ড করতে করতেই ক্রোয়েসের জন্য প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন ও’ডাউড। ক্রোয়েসের ডাকনাম ‘টঙ্কার’র রহস্য জানতে চান তিনি।
হাসিমুখে উত্তর দেন ক্রোয়েস।
“ধন্যবাদ ম্যাক্স। আমার পাশে থাকার বদলে তোমাকে সাংবাদিকদের কাতারে দেখে ভালো লাগছে। তুমি জানো আমাদের মিডিয়া ম্যানেজার এই নামটি দিয়েছে। একসময় সে আমাকে ‘ট্রাকস’ ডাকত, বলত আমি নাকি এমএলবি (মেজর লিগ বেসবল) স্লগারের মতো ব্যাট করি। পরে সেটা বদলে গিয়ে হলো ‘টংকার’। এখন মনে হচ্ছে তুমি এই নামের যোগ্য উত্তরসূরী।”
উত্তর পেয়ে খুশি হয়ে যান ও’ডাউড। কিছুক্ষণ পর ক্রোয়েসকে আরেকটি প্রশ্ন করেন তিনি। যেখানে জানতে চান, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে ক্রোয়েসের সবচেয়ে পছন্দের কে? উত্তরে মুস্তাফিজুর রহমানের নাম বলেন মিডল-অর্ডার ব্যাটার।
“ভালো একটা প্রশ্ন করেছ, ম্যাক্সি। আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা যায়, তবে আমার মনে হয় মুস্তাফিজুর রহমানকে এড়িয়ে যাওয়া কঠিন। আমি তাকে গত বছর ২০২৪ বিশ্বকাপে বোলিং করতে দেখেছি, আর মুস্তাফিজের মুখোমুখি হওয়াটা সত্যিই দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল।”
চলতি বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য এক ধরনের 'লাকি চার্ম' হয়ে গেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি একাদশে থাকলেই টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতে বাংলাদেশ। আর সেই ধারায় সাকিব আল হাসানকে টপকে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ডও গড়ে ফেলেছেন মুস্তাফিজ।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ৫৩টি জয়ের ম্যাচে একাদশে ছিলেন মুস্তাফিজ। দেশের হয়ে এটিই সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ড। ১১২ ম্যাচ খেলে এই সাফল্য পেয়েছেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি পেসার।
এতদিন ধরে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতার সাক্ষী ছিলেন সাকিব। দীর্ঘ ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে ১২৯ ম্যাচ খেলে ৫২টিতে দলকে জিততে দেখেছেন সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তাকে ছাড়িয়ে গেছেন মুস্তাফিজ।
আরও পড়ুন
‘লিটনের ভালো খেলা দলের জন্য জরুরি’ |
![]() |
বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টি জয়ের ফিফটি নেই আর কোনো ক্রিকেটারের। তবে খুব কাছেই আছেন লিটন কুমার দাস। ১০৮ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত দলকে ৪৯ ম্যাচে জিততে দেখেছেন বাংলাদেশের বর্তমান টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।
এরই মধ্যে অবসর নিয়ে ফেলা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১৪১ ম্যাচে পেয়েছিলেন ৪৯ জয়ের দেখা। এছাড়া ৩০ বা এর বেশি জয় আছে মুশফিকুর রহিম (৩৭), সৌম্য সরকার (৩৩), তাসকিন আহমেদ (৩৩) ও আফিফ হোসেন ধ্রুবর (৩০)।
নতুন রেকর্ড গড়ার পথে চলতি বছর দলে নিজেকে অপরিহার্যও প্রমাণ করে তুলেছেন মুস্তাফিজ। এই বছর এখন পর্যন্ত ১৩ ম্যাচ খেলে ৬টি জিতেছে বাংলাদেশ। এই ৬টিতেই একাদশে ছিলেন বাঁহাতি কাটার মাস্টার। তাকে বাইরে রেখে খেলা ৭ ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ।
সব মিলিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি জয়ের রেকর্ড ভারতের রোহিত শর্মার। ১৫৯ ম্যাচের ক্যারিয়ারে ১০৯টি ম্যাচে দলকে জিততে দেখেছেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক। আর কোনো ক্রিকেটারের একশ জয় নেই।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই লিটন কুমার দাসের প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ নেই কারও। কিন্তু ধারাবাহিকতার অভাবে সবসময়ই ভুগতে দেখা যায় তাকে। তবে যেদিন ভালো খেলেন লিটন, সেদিন অনায়াসেই জিততে পারে বাংলাদেশ। তাই তাসকিন আহমেদও বললেন, লিটনের ভালো করার গুরুত্ব।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সহজ জয়ের নায়ক তাসকিন। প্রথমভাগে বল হাতে ২৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তিনিই জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।
তবে পরেরভাগে বাংলাদেশের রান তাড়ার কাজ সহজ করে দেন অধিনায়ক লিটন। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে মাত্র ২৬ বলে করেন রেকর্ডগড়া ফিফটি। ক্যারিয়ারের ১৩তম পঞ্চাশছোঁয়া ইনিংসে তিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ২৯ বলে ৫৪ রান করে।
আরও পড়ুন
ওয়াইড বলে এ কেমন আউট! |
![]() |
পুরো ইনিংসে লিটনের ব্যাটিং ছিল নিখুঁত। উইকেটের চারপাশে খেলেছেন চমৎকার কিছু শট। যা মনে করিয়ে দেয়, হয়তো সেরা ছন্দে আছেন লিটন।
কিন্তু এই সিরিজের আগেই পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ মিলিয়ে করেছিলেন মোটে ১৭ রান। আবার এর আগে শ্রীলঙ্কা সফরের প্রথম ম্যাচে অল্পে ফেরার পর পরের দুই ম্যাচে খেলেন ৭৬ ও ৩২ রানের দারুণ দুটি ইনিংস।
এরও আগে ফিরলে পাকিস্তান সফরের এক ম্যাচে খেলেন ৩০ বলে ৪৮ রানের ইনিংস। কিন্তু বাকি দুই ম্যাচ মিলিয়ে করেন মাত্র ২৮ রান। তার আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজে এক ম্যাচে ৪০ করলেও বাকি দুই ম্যাচে ব্যর্থ।
সব মিলিয়ে অধারাবাহিকতার অপর নাম যেন লিটন। তাই নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তাকে রান করতে দেখে বেশ খুশি তাসকিন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়কের প্রশংসাই করেন অভিজ্ঞ এই পেসার।
“লিটন খুব ভালো ব্যাট করেছে। লিটনের ভালো খেলা বা ফর্মে থাকা আমাদের দলের জন্য অনেক জরুরি। সাম্প্রতিক সময়ে ও ফর্মে আসছে এবং ভালো ব্যাটিং করছে। নেটেও দেখছি।”
আরও পড়ুন
৫ উইকেটের আক্ষেপ নেই, সামনে হবে: তাসকিন |
![]() |
ঘরের মাঠে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে এই সিরিজটি মূলত এশিয়া কাপের আগে নিজেদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি দেখে নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের জন্য। সেই অভিযানে প্রথম ম্যাচ বেশ ভালো কাটিয়েছে বাংলাদেশ।
বোলিংয়ে তাসকিনের পাশাপাশি বড় অবদান রাখেন সাইফ হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। পরে ব্যাট হাতে লিটনের ফিফটি ছাড়াও ঝড়ো ইনিংস খেলেন দীর্ঘ দিন পর ফেরা সাইফ। শুরুতে পারভেজ হোসেন ইমন আর তানজিদ হাসান তামিমও করেন ইতিবাচক ব্যাটিং।
তাসকিনের আশা, সম্মিলিত পারফরম্যান্সের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে বড় টুর্নামেন্টেও আসবে সাফল্য।
“এই ধারাবাহিকতা যদি আমাদের এগোতে থাকে, সামনে বড় ইভেন্টেও ভালো করা সম্ভব। স্পোর্টিং কন্ডিশনে যে কোনো এক দিক দিয়ে জেতা সম্ভব নয়। ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং, সবই লাগে। আমাদের মতো দলে সবার অবদান আরও বেশি লাগে। এটা খুব ভালো ব্যাপার যে ব্যাটিং-বোলিং দুটিই ভালো হচ্ছে।”
“সবাই এগিয়ে যাচ্ছি। অনেক মেহনত করছি সবাই, সত্যি বলতে। সামনে অনেক খেলা, এশিয়া কাপের পর আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ আছে। এই ধারাবাহিকতা থাকলে ভালো কিছু হতে যাচ্ছে আশা করি।”
অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে ওয়াইড লাইন থেকেও বেশ দূরে বল করেছিলেন টেরেন্স হাইন্ডস। উইকেট পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই ছিল না ওই ডেলিভারিতে। কিন্তু কল্পনাতীতভাবে তাকে উইকেট উপহার দিলেন শাই হোপ।
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) রোববার ভোরের ম্যাচে ওয়াইড বলে হিট উইকেট হয়ে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছেন গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের উইকেটকিপার-ব্যাটার। আর খুবই বাজে এক ডেলিভারিতে উইকেটের আনন্দে মেতেছেন ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের হাইন্ডস।
আরও পড়ুন
৪২ বলে সেঞ্চুরিতে ১৮ বছর বয়সী পেরিনের রেকর্ড |
![]() |
ম্যাচের প্রথম ইনিংসের ১৫তম ওভারের ঘটনা। ২৯ বলে ৩৯ রানে খেলছিলেন হোপ। ওভারের দ্বিতীয় বলটি অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে স্লোয়ার শর্ট ডেলিভারি করেন হাইন্ডস। ওয়াইড লাইন পেরিয়ে আরও দূর দিয়ে চলে যাচ্ছিল বল।
কিন্তু আগে থেকেই রিভার্স র্যাম্প খেলার কথা ঠিক করে ফেলেছিলেন হোপ। তাতেই ঘটল বিপত্তি। এত দূর দিয়ে যাওয়া বল ব্যাটের নাগালে পাননি অভিজ্ঞ ব্যাটার। উল্টো ব্যাট পুরোটা ঘুরিয়ে ফেলায় নিজেকে আর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি।
সেই একই মোমেন্টামের সঙ্গে ঘোরার পথে স্টাম্পে লেগে যায় হোপের ব্যাট। ফলে ওয়াইড বলেই হিট উইকেট হয়ে যান হোপ। তিনি যখন ফিরছিলেন ড্রেসিং রুমের দিকে, তার হতাশা বাড়িয়ে তখন ওয়াইডের সঙ্কেত দিচ্ছিলেন আম্পায়ার।
বিশ্ব ক্রিকেটে হিট উইকেটের ঘটনা নতুন কিছু নয়। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতেই এখন পর্যন্ত ১৭০ জন হিট উইকেট হয়েছেন। এর মধ্যে ৪০ জন আবার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেই। এমনকি সিপিএলেও এর আগে তিন জন ফিরেছেন হিট উইকেট হয়ে।
আরও পড়ুন
৫ উইকেটের আক্ষেপ নেই, সামনে হবে: তাসকিন |
![]() |
তবে হোপের মতো ওয়াইড বলে হিট উইকেটের ঘটনা নিশ্চিতভাবেই বিশ্ব ক্রিকেটে বিরল।
হোপের বিদায়ের পর বড় সংগ্রহের আশাও মিইয়ে যায় গায়ানার। তবু শেষ ৩ ওভারে ঝড় তুলে ৪৬ রান করে ১৬৩ রানের পুঁজি পায় তারা। তবে অ্যালেক্স হেলস ও কলিন মুনরোর ঝড়ে ১৬ বল বাকি থাকতেই সেটি টপকে যায় টেবিল টপার ত্রিনবাগো।
৯ ঘণ্টা আগে
১০ ঘণ্টা আগে
১১ ঘণ্টা আগে
১১ ঘণ্টা আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৬ দিন আগে
৬ দিন আগে
৬ দিন আগে
৬ দিন আগে
৮ দিন আগে
৮ দিন আগে
১০ দিন আগে