
চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে বরখাস্ত করার পেছনে যে বড় অভিযোগটি সবাইকে অবাক করেছে সেটি হচ্ছে ক্রিকেটার নাসুম আহমেদকে লাঞ্ছিত করা। বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ এ বিষয়ে নিজের ও তাঁর বোর্ডের অবস্থানও পরিস্কার করেছেন, ‘আমরা মানুষ। হিট অব দ্য মোমেন্টে অনেক কিছু হতেই পারে। তবে একজন জাতীয় দলের ক্রিকেটারকে আপনি শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে পারেন না। সে কারণে যে শাস্তি পেতে হয়, সেটাই হচ্ছে।’
জাতীয় দলের ক্রিকেটারের সঙ্গে অসদাচরণ ও আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে বরখাস্ত করা হয়েছে চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে। ইতোমধ্যে তার জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী কোচ ফিল সিমন্স।
এরপর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছেন হাথুরুসিংহে। এই লংকান কোচের মতে, ‘এসব অভিযোগ পূর্বপরিকল্পিত বলে মনে হচ্ছে আমার। নতুন সভাপতি মেয়াদের প্রথম দিনেই প্রধান কোচ অপসারণের ইচ্ছার কথা জানিয়ে বক্তব্য দিয়েছিলেন।’
এসব বিষয়ে ক্রিকেটাররাও কমবেশি জানেন। নাসুম আহমেদকে শারীরিক হেনস্থার বিষয়টি কতটুকু সত্যি? শারিরীক হেনস্তার ঘটনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হোসেন শান্তকে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি এই ব্যাপারে আসলে জানিই না। সত্যি বললাম, আমি জানি না।’
নতুন কোচ ফিল সিমন্সকে নিয়ে অধিনায়ক সরাসরি কোন মন্তব্য করেননি। শান্ত বলেন, ‘যেহেতু পাঁচদিন আগে উনি এসেছেন, খুব বেশি পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত দেননি। উনি নতুন মানুষ, সবকিছু বোঝার চেষ্টা করছেন। আমরা যারা খেলোয়াড়রা আছি বা অধিনায়ক হিসেবে আমি জানি যে কী করতে চাই।’
অধিনায়ক হিসেবে নিজের এবং খেলোয়াড়দের পরিকল্পনাটাই তিনি কোচকে অবহিত করেছেন। মিরপুরে খেলার অভিজ্ঞতা আর প্রতিপক্ষের শক্তির দিক বিবেচনা করে পরিকল্পনা হচ্ছে বলে জানান তিনি, ‘কোচকে আমি আমার পরিকল্পনা শেয়ার করেছি, যেটাতে কোচ একমত। আমরা যেহেতু এই মাঠে অনেক ম্যাচ খেলেছি আমাদের খুব ভালো একটা অভিজ্ঞতা আছে; সেই অভিজ্ঞতাটাই কাজে লাগাব।’
সবমিলে মিরপুর টেস্ট শুরুর আগে প্রিয়’র চেয়ে অপ্রিয় বিষয়ে কথা বলতে হয়েছে বেশি।
No posts available.
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২৮ পিএম
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৩৬ পিএম

আহমেদাবাদ যেন অপয়া ভেন্যু হয়ে উঠছে ভারতের জন্য। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চার বছর ও সাদা বলের আইসিসি ইভেন্টে তাদের তিন বছরের অপরাজিত যাত্রার অবসান ঘটল আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
সুপার এইটের ম্যাচে ভারতকে ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আগে ব্যাট করে ডেভিড মিলার, ট্রিস্টান স্টাবস, ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ঝড়ে ১৮৭ রানের পুঁজি পায় প্রোটিয়ারা। জবাবে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রায় ৪ বছর ও ১৩ ম্যাচ পর পরাজয়ের তেতো স্বাদ পেল ভারত। ২০২২ সালের আসরে সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর ২০২৪ সালে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। এবারও গ্রুপ পর্বে জিতেছিল সব ম্যাচ।
এর বাইরে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিলিয়ে তারা হারল প্রায় তিন বছর ও ১৮ ম্যাচ পরে। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে আহমেদাবাদেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিল তারা। এবার একই মাঠে থামল অজেয় যাত্রা।
ভারতের রাজত্ব থামার দিনে কিছু রেকর্ডে নাম তুলেছে দক্ষিণ আফ্রিকাও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটিই ভারতের বিপক্ষে রানের হিসেবে সবচেয়ে বড় জয়। ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪৯ রানে হেরেছিল ভারত।
আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে এর চেয়ে বড় জয় আছে শুধু একটি। ২০১৯ সালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৯ রানে হেরেছিল ভারত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর চেয়ে কম রানে শুধু একবার অলআউট হয়েছে ভারত। ২০১৬ সালে ঘরের মাঠেই নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৯ রানে।
ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা ছিল যাচ্ছেতাই। প্রথম ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান করতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। এরপর পাল্টা আক্রমণ করেন ব্রেভিস ও মিলার। দুজন মিলে ৫১ বলে গড়েন ৯৭ রানের জুটি।
৩টি করে চার-ছক্কায় ২৯ বলে ৪৫ রান করে আউট হন ব্রেভিস। মিলারের ব্যাট থেকে আসে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৫ বলে ৬৩ রান। পরে ফিনিশিংয়ের দায়িত্ব নেন স্টাবস। ১ চারের সঙ্গে ৩টি ছক্কা মেরে ২৪ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন জাসপ্রিত বুমরাহ।
রান তাড়ায় প্রথম ওভারেই ফর্মে থাকা ইশান কিষানের উইকেট হারায় ভারত। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। নিয়মিত উইকেত হারিয়ে একপর্যায়ে একশর আগে অলআউট হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে যায় সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দল।
১ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৭ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলে দলকে একশ পার করান শিবাম দুবে। আর কেউই ২০ রানও করতে পারেননি।
প্রোটিয়াদের হয়ে ২২ রানে ৪ উইকেট নেন মার্কো ইয়ানসেন। কেশভ মহারাজের শিকার ২৪ রানে ৩ উইকেট।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবং স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামকে নিষিদ্ধ করেছে বিসিবি।
বিসিবির অধিক্ষেত্রভুক্ত সব ধরনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নিয়োগ এবং ক্রিকেট–সম্পর্কিত কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ থাকবেন মঞ্জুরুল। তদন্ত কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশীয় ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা।
রবিবার ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের ভার্চুয়াল সভায় নেওয়া হলো শাস্তির সিদ্ধান্ত। সভা শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শাস্তির সিদ্ধান্তের কথা জানায় বিসিবি।
গত বছরের শেষদিকে জাতীয় দলের সাবেক পেসার জাহানারা অভিযোগ করেন, ২০২২ বিশ্বকাপ চলাকালীন তখনকার নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জু তাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতন, যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলেন তিনি।
অভিযোগের দুই দিন পর তিন সদস্যে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিসিবি। গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয় বিসিবিতে। ২০ দিন পর সে তদন্তের শাস্তির কথা জানানো হয়।
জাহানারা বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন ৫২ ওয়ানডে ও ৮৩ টি-টোয়েন্টি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের সফলতম পেসার তিনিই। সবশেষ তাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা গেছে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। সিডনিতে ক্লাব ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি কোচিং কোর্সও করছেন।

নারী ক্রিকেটারদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে অবশেষে মাঠে গড়তে যাচ্ছে নারী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (ডব্লিউবিপিএল)। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ভার্চুয়ালি মিটিংয়ে টুর্নামেন্টের সূচি ও খেলার স্থান চূড়ান্ত করা হয়েছে।
রবিবার বিসিবির ভার্চুয়ালি (জুম মিটিং) মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শাস্তির সিদ্ধান্তের কথা জানায় বিসিবি।
টুর্নামেন্টের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হবে ৪ থেকে ১৪ এপ্রিল। খেলার স্থান হিসেবে রাখা হয়েছে রাজধানী ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়াম এবং চিটাগংয়ের শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়াম।
নারী বিপিএলের প্রথম আসরে ৩টি দল অংশ নেবে। টুর্নামেন্টের গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিসিবি পরিচালক রুবাবা দৌলা। দলগুলো খেলোয়াড় নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থানীয় ক্রিকেটারদের বাছাই করবে।
আগামী জুনে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এই টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ নারী দলের ক্রিকেটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করবে।

পাকিস্তানের ক্রিকেট প্রশাসনে এখন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে মহসিন নাকভি। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান এবং একই সঙ্গে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। তাঁর অধীনে কয়েকটি সফল টুর্নামেন্ট আয়োজন হলেও সাম্প্রতিক সময়ে নাকভির নেতৃত্বের ধরন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রশ্নটি তুলেছেন ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান মনোজ তিওয়ারি। তাঁর মতে, সিদ্ধান্তে স্পষ্টতার অভাব ও কোচিং স্টাফকে পর্যাপ্ত স্বাধীনতা না দেওয়াই পাকিস্তান দলের অধিনায়ক ও কোচের মধ্যকার টানাপোড়েনের মূল কারণ।
আজ ক্রিকবাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিওয়ারি বলেন,
“কোনো দেশ যদি এগিয়ে যেতে চায়, তাহলে নেতৃত্বকে সিদ্ধান্তে দৃঢ় হতে হবে। স্পষ্টতা থাকতে হবে এবং কোচ ও টিম ম্যানেজমেন্টকে স্বাধীনতা দিতে হবে। আমার মনে হয়, পিসিবি প্রধান সেই পূর্ণ স্বাধীনতা দেননি। বর্তমান কোচ মাইক হেসন দলকে এগিয়ে নিতে চেষ্টা করছেন।”
মন্তব্যের পেছনে প্রেক্ষাপট তৈরি করে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগা হতাশায় একটি বোতল ছুড়ে ফেলছেন। তখন তিনি প্রধান কোচ মাইক হেসনের পাশেই বসে ছিলেন।
তিওয়ারির মতে, এই ঘটনা নিছক ক্ষণিকের হতাশা নয়, বরং ড্রেসিংরুমের ভেতরের গভীর সমস্যার প্রতিফলন। তিনি বলেন,
“শেষ ম্যাচে আমরা দেখেছি, হেসন ও অধিনায়ক সালমান আলি আগার মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছিল। বাবর আজমকে নামানো হয়নি। আগা বোতল ছুড়ে ফেলেন। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, ভেতরে আস্থার ঘাটতি রয়েছে।”
কোচ মাইক হেসন এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নন। তিনি পুরো ঘটনাকে ভিন্নভাবে দেখছেন এবং যেকোনো ধরনের দ্বন্দ্বের কথা সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
হেসনের ভাষ্য,
“ভিডিওটি আমি দেখেছি, কিন্তু বিষয়টি সবাই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করছে। আমি তখন সালমানের সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছিলাম—মোহাম্মদ নওয়াজকে বাঁহাতি ব্যাটার হিসেবে প্রস্তুত থাকতে বলা হবে কি না, সেটা নিয়ে। ঠিক সেই সময় আগা আউট হয়ে হতাশ ছিলেন, তাই বোতলটা মাটিতে ছুড়ে দেন।”
তিনি আরও যোগ করেন, আলোচনাটি ছিল সম্পূর্ণ ব্যাটিং পরিকল্পনা ঘিরে, কোনো ধরনের বিরোধ নয়।
“আমাদের কথোপকথনের সঙ্গে ঘটনার কোনো সম্পর্ক ছিল না। অনেক সময় মানুষ খুব সাধারণ বিষয়কেও ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে ফেলে,”
বলেন হেসন।

মাঝারি লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৮২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে খাদের কিনারায় তখন টিম শ্রীলঙ্কা। দাসুন শানাকাকে ঘিরে প্রার্থনায় মগ্ন লঙ্কানরা।দলপতি অবশ্য অলৌকিক কিছু করে দেখাতে পারেননি। ১৪তম ওভারে আদিল রশিদকে ছক্কা মারতে গিয়েছিলেন। তাতেই উইল জ্যাকস ও টম ব্যান্টনের যৌথ প্রযোজনায় আউট হয়ে ছাড়লেন মাঠ। আশার বেলুন চুপসে গেল নিমিষেই। সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে হাতছাড়া হয়ে যায় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকদের।
পাল্লেকেলে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিং করে ১৪৬ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। মাঝারি স্কোর তাড়ায় নেমে ১৬.৪ ওভারে ৯৫ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।
আগে ব্যাটিংয়ে নাম ইংল্যান্ড এদিন পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট হারায়। ৭ রান করে আউট হন ওপেনার জস বাটলার। ৩ রানে জ্যাকব বেথেল। আউট হওয়ার আগে ৬ রান করেন টম ব্যান্টন।
শুরু থেকে চাপে থাকা ইংলিশরা ক্রমান্বয়ে উইকেট হারাতে থাকে। তবে একপ্রান্ত আগলে এগিয়ে এগুতে থাকেন ফিল সল্ট। দুনিথ ভেল্লালাগের বলে আউট হওয়ার আগে ৬২ রান করেন তিনি। ৪০ বলে খেলা এই ইনিংসটি ছয়টি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো।
ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান উইল জ্যাকসের। তিনি ১৪ বলে ২১ রান করেন। হ্যারি ব্রুক ৭ বলে ১৪ রান করেন, স্যাম কারান ১১ বলে ১১ রান করেন। এছাড়া লিয়াম ডুসন ৬, জোফরা আর্চার শূন্য, আদিল রশিদ ১ ও জেমি ওভারটন ১০ রান করেন।
শ্রীলঙ্কার হয়ে ভেল্লালাগে ৪ ওভারে ২৬ রানে তিন উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নেন দিলশান মধুশাঙ্কা ও মহেশ থিকসানা। একটি উইকেট নিয়েছেন দুশমন্থ চামিরা।
রান তাড়ায় পাওয়ার প্লেতে ৫ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ইংলিশ স্পিনারদের ঘূর্ণিতে দিশেহারা লঙ্কানরা নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে। সাতে নেমে শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন অধিনায়ক শানাকা।
ইংল্যান্ডের তিন স্পিনার উইল জ্যাকস, আদিল রশিদ ও লিয়াম ডসন মিলে নিয়েছেন ৭ উইকেট। সর্বোচ্চ ৩ উইকেট জ্যাকসের। রশিদ ও ডসন নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। ফাস্ট বোলার জফরা আর্চারও পেয়েছেন ২ উইকেট। অন্য উইকেটটি জেমি ওভারটনের।