অন্যান্য

জাতীয় নারী হ্যান্ডবলে পকেটমানি ১০০ টাকা

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

১৪ আগস্ট ২০২৫, ৯:৫৬ পিএম

news-details

বছর পেরোলেই পাকিস্তানে বসবে এসএ গেমসের নতুন আসর। আগামী জানুয়ারির ২৩ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত হবে আসরটি। ওই গেমসের প্রস্তুতির তোড়জোড় সেভাবে এখনও দেখা যায়নি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে। 


তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন। দলগত ইভেন্টে গত জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে সবার আগেই তারা ক্যাম্প শুরু করে দিয়েছে। এবার নারী জাতীয় হ্যান্ডবলেও সেই প্রস্তুতির বাতাস।


রাজধানীর পল্টনের শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী স্টেডিয়ামে শুক্রবার শুরু হচ্ছে ৩৬তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে সার্ভিসেস সংস্থা ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা মিলিয়ে ১৯টি দল। দুই পর্বের প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বের খেলাগুলো হবে ১৬ আগস্ট। যেখানে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ১০টি দল।


বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি, ফরিদপুর, বরগুনা, শেরপুর, কক্সবাজার, বাংলাদেশ পুলিশ, মাদারীপুর, কুষ্টিয়া, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও দিনাজপুর প্রথম পর্বে খেলবে।


দ্বিতীয় পর্বের খেলা কোর্টে গড়াবে ২০ আগস্ট। এই পর্বে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ৯ দল- জামালপুর, নওগাঁ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, পঞ্চগড়, নড়াইল, যশোর, ঢাকা, বগুড়া ও গোপালগঞ্জ।


দুই পর্বের চারটি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল নিয়ে ২৪ আগস্ট হবে সেমিফাইনাল। ফাইনাল ২৫ আগস্ট।


জাতীয় নারী হ্যান্ডবলে চ্যাম্পিয়নসহ রানার্সআপ দলের জন্য বেড়েছে প্রাইজমানি। চ্যাম্পিয়ন দলকে দেওয়া হবে ২৫ হাজার টাকা অর্থ পুরস্কার; রানার্সআপ দল ১৫ হাজার, ৩য় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ১০ হাজার টাকা। এর বাইরে প্রথম ৮টি দলকে উৎসাহ ভাতা হিসেবে দেওয়া হবে ১০ হাজার করে টাকা। আর সেরা খেলোয়াড় পাবেন ট্রফির পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা।


এছাড়াও নারী হ্যান্ডবলে প্রথমবারের মত প্রতি দলের ১৪ জন করে খেলোয়াড়কে ম্যাচ প্রতি ১০০ টাকা করে পকেটমানি দেওয়া হবে। 


জাতীয় নারী হ্যান্ডবল উপলক্ষে আজ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সম্মেলন কক্ষে হয়ে গেল সংবাদ সম্মেলন। এই প্রতিযোগিতা থেকে আসন্ন এসএ গেমসের জন্য খেলোয়াড় বাছাই করা হবে বলেন জানালেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও জাতীয় প্রতিযোগিতা আয়োজন ও উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা কমিটির আহবায়ক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।



এর আগে জাতীয় পুরুষ হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা থেকে অনেক ভালো ভালো খেলোয়াড় বাছাই করেছি। ওই সময় সিলেকশন করা সহজ হয়েছে। এবার নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা থেকেও এসএ গেমসের জন্য খেলোয়াড় সিলেকশন করতে পারব।

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন

No posts available.

bottom-logo

অন্যান্য

নির্বাচন আয়োজনে ফেডারেশনগুলোতে সাড়া কম

 
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঢাকা

৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:৩৭ পিএম

news-details

ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোতে অ্যাডহক কমিটি বিদ্যমান। প্রায় দুই মাস আগে থেকে নির্বাচন আয়োজনের জন্য ৪৯টি ক্রীড়া ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনে চিঠি দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। কিন্তু তেমন কোন সাড়া নেই। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল এহসান। জানা গেছে গলফ ও আর্চারি ফেডারেশন থেকে কেবল নির্বাচন আয়োজনের চিঠি পেয়েছে এনএসসি। 


২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর দেশের সকল জেলা ও বিভাগীয় জেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটি ভেঙ্গে অ্যাডহক কমিটি দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, দেশের সকল ক্রীড়া ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত কমিটি ভেঙ্গে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। তবে নির্বাচনের বিষয়ে তখনো কোন নির্দেশনা ছিল না ক্রীড়া পরিষদের। যার ফলে গত দেড় বছর ধরেই বিভিন্ন ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রম চলছে অ্যাডহক কমিটি দিয়ে। তবে গত বছরের ৩০ অক্টোবর পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল এহসানের সই করা চিঠিতে নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনা দিলেও তেমন কোন সাড়া মিলছে না।


এনএসসির চিঠিতে উল্লেখ ছিল, 

‘দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনয়নের জন্য ৪৯টি জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার (ফেডারেশন/অ্যাসোসিয়েশন/সংস্থা) আগের কমিটি ভেঙে দিয়ে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো নির্বাচন আয়োজন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধির নিকট দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া। সে প্রেক্ষিতে অনতিবিলম্বে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করার অনুরোধ করা হলো।’

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন

bottom-logo

অন্যান্য

'ব্যাটল অব সেক্সেস কাজে লেগেছে'—জয়ের পর সাবালেঙ্কা

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৩:৩৭ পিএম

news-details

ব্রিসবেনে মৌসুমের শুরুতেই নিজের শক্তিমত্তার বার্তা দিলেন আরিনা সাবালেঙ্কা। নিক কির্গিওসের বিপক্ষে সমালোচিত প্রদর্শনী ম্যাচ যে একেবারেই বৃথা যায়নি, সেটির প্রমাণ দিলেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্ট ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালে। মাত্র ৪৮ মিনিটে স্প্যানিশ প্রতিপক্ষ ক্রিস্টিনা বুকসাকে উড়িয়ে দিয়ে সহজ জয় তুলে নিলেন নারী এককের বর্তমান বিশ্ব নম্বর ওয়ান।


মঙ্গলবার দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে বুকসার বিপক্ষে ৬-০, ৬-১ ব্যবধানে জয় পান সাবালেঙ্কা। বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে ৫০ নম্বরে থাকা বুকসার জন্য ম্যাচটি ছিল একতরফা। প্রথম সেট শেষ করতে সাবালেঙ্কার সময় লাগে মাত্র ২২ মিনিট, দ্বিতীয় সেটে আরও ২৬ মিনিটে কাজ সেরে ফেলেন ২৭ বছর বয়সী এই বেলারুশিয়ান তারকা।


এই দাপুটে জয় অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে সাবালেঙ্কার প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য স্পষ্ট সতর্কবার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে। আগামী ১৮ জানুয়ারি শুরু হওয়া বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম সামনে রেখে দারুণ ছন্দেই আছেন তিনি।


ম্যাচ শেষে সাবালেঙ্কা জানান, মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই এমন পারফরম্যান্সের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে ২৮ ডিসেম্বর দুবাইয়ে নিক কির্গিওসের বিপক্ষে খেলা প্রদর্শনী ম্যাচটি। সেই ম্যাচটি নিয়ে সমালোচনা থাকলেও তিনি এটিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন।

সাবালেঙ্কা বলেন, 'যখন আপনি একজন পুরুষ খেলোয়াড়ের বিপক্ষে খেলেন, তখন ম্যাচের তীব্রতা একেবারেই ভিন্ন হয়। বিশেষ করে নিকের মতো খেলোয়াড়, যে প্রায় প্রতি শটে ড্রপ শট খেলে। তখন অনেক বেশি দৌড়াতে হয়, ফিটনেসের দারুণ পরীক্ষা হয়।'


প্রদর্শনী হলেও চ্যালেঞ্জ ছিল বললেন সাবালেঙ্কা , 'আজ মনে হচ্ছিল, চল দৌড়াই। ওই প্রদর্শনী ম্যাচটা মজার ছিল, বড় চ্যালেঞ্জও ছিল।'


কির্গিওসের সঙ্গে ম্যাচটি নিয়ে সাবালেঙ্কার আরেকটি মন্তব্যও আলোচনায় এসেছে। তাঁর মতে, ওই ম্যাচের মূল উদ্দেশ্য ছিল টেনিসকে আরও বেশি দর্শকের সামনে তুলে ধরা। বললেন, 'এটা কারও কাছে কিছু প্রমাণ করার বিষয় ছিল না। আমরা দেখাতে চেয়েছি, টেনিস কতটা বড় হতে পারে।'


ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালের তৃতীয় রাউন্ডে সাবালেঙ্কার প্রতিপক্ষ হতে পারেন জেলেনা অস্টাপেঙ্কো অথবা সোরানা কিরস্তেয়া। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁর সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ম্যাডিসন কিজ। এটি হলে গত বছরের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দেখা যেতে পারে, যেখানে কিজ শিরোপা জিতেছিলেন।


এরই মধ্যে ব্রিসবেনে তৃতীয় রাউন্ডে উঠে গেছেন ম্যাডিসন কিজ। তিনি ৬-৪, ৬-৩ ব্যবধানে হারিয়েছেন স্বদেশি ম্যাকার্টনি কেসলারকে। সাবালেঙ্কার মতো কিজও দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে খেলতে নেমেছিলেন। ম্যাচ শেষে কিজ স্বীকার করেন, শুরুতে নিজের ছন্দ খুঁজে পেতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। 'প্রতিপক্ষ আগে থেকেই একটি ম্যাচ খেলে এলে কাজটা কঠিন হয়ে যায়। একটু মরচে ঝাড়তে সময় লাগে', বলেন কিজ।


এদিকে পুরুষ এককের ড্রতে এসেছে বড় দুটি অঘটন। দ্বিতীয় বাছাই স্পেনের আলেহান্দ্রো দাভিদোভিচ ফোকিনা এবং পঞ্চম বাছাই কানাডার ডেনিস শাপোভালভ টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন।


আমেরিকান ব্র্যান্ডন নাকাশিমা ৭-৬ (৭/৪), ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়েছেন ফোকিনাকে। অন্যদিকে বেলজিয়ান কোয়ালিফায়ার রাফায়েল কোলিনিওন ৬-৪, ৬-২ ব্যবধানে শাপোভালভকে বিদায় করে দেন।


সব মিলিয়ে ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালের শুরুতেই জমে উঠেছে লড়াই, আর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে সাবালেঙ্কার পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে টেনিসবিশ্বের।

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন

bottom-logo

অন্যান্য

জাতীয় কাবাডির পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন বিজিবি, নারীতে শিরোপা পুলিশের

 
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঢাকা

৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:১৭ পিএম

news-details

জাতীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে পুরুষ বিভাগে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং নারী বিভাগে বাংলাদেশ পুলিশ শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছে। পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে হয় এই প্রতিযোগিতা।


শনিবার পুরুষ বিভাগের ফাইনালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ৩৩-২৮ পয়েন্টে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিজিবি। ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। প্রথমার্ধে সেনাবাহিনী আধিপত্য বিস্তার করে ১২-৯ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায়।


বিরতির পর খেলার চিত্র পুরোপুরি বদলে দেয় বিজিবি। দলের তারকা খেলোয়াড় আল আমিনের দুর্দান্ত তিন পয়েন্টের রেইডে বিজিবি ম্যাচে সমতা ফেরায়। এরপর তারা সেনাবাহিনীকে অল-আউট করে তিন পয়েন্টের লিড নেয়। 


শেষ দিকে একটি ‘সুপার রেইড’ থেকে আরও তিন পয়েন্ট অর্জন করে বিজিবি নিজেদের জয় নিশ্চিত করে। সেনাবাহিনী শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও বিজিবির সুসংগঠিত ডিফেন্সের সামনে তারা হার মানতে বাধ্য হয়।


নারী বিভাগের ফাইনালে বাংলাদেশ পুলিশ ৩৬-৩১ পয়েন্টে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপিকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত এই দুই দলের লড়াই ছিল সমানে সমান।




প্রথমার্ধের শেষে ১৭-১২ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল পুলিশ। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আনসারের স্মৃতি একটি চমৎকার ‘সুপার রেইড’ করলে পয়েন্ট দাঁড়ায় ১৯-১৯-এ। এই উত্তেজনাকর মুহূর্তে পুলিশ পুনরায় আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং আনসারকে দ্বিতীয়বার অল-আউট করে বড় ব্যবধান তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত ৫ পয়েন্টের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পুলিশের মেয়েরা।


ফাইনাল খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সেলিম ফকির এনডিসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাবাডি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাবাডি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, বিজিবির পরিচালক ক্রীড়া লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবি এম শাহ রেজা ও কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ।


নারী বিভাগে টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় হয়েছেন রংপুরের অন্তরা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাহিদা। আর পুরুষ বিভাগের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় বিকেএসপির জুলফিকার আকাশ। নারী বিভাগের সেরা ডিফেন্ডার আনসারের স্মৃতি আক্তার আর পুরুষ বিভাগে সেরা ডিফেন্ডার হয়েছেন বিজিবির সবুজ মিয়া। নারী বিভাগে সেরা রেইডার বিজিবির বৃষ্টি বিশ্বাস আর পুরুষ বিভাগে সেরা রেইডার সেনাবাহিনীর রোহান মিয়া। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন নারী বিভাগে পুলিশের শ্রাবনী মল্লিক ও পুরুষ বিভাগে বিজিবির আল আমিন।

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন

bottom-logo

অন্যান্য

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের ভিন্নধর্মী ক্রীড়া আয়োজন

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:০৮ পিএম

news-details

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের উদ্যোগে ঢাকা বিভাগের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই আয়োজন হয় রাজধানীর ধানমন্ডির রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে।


ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার ক্ষুদে ক্রীড়াবিদরা অংশগ্রহণ করেন। সকাল থেকেই ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের বিভিন্ন ইভেন্টে প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর ছিল ক্রীড়া কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণ।


অনূর্ধ্ব-১৪ ও অনূর্ধ্ব-১৬ বয়সভিত্তিক বালক ও বালিকা বিভাগে শতাধিক অ্যাথলেট প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। পাশাপাশি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বল নিক্ষেপ, পিলো পাসসহ একাধিক ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।


প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পেরে উচ্ছ্বসিত ক্ষুদে খেলোয়াড়রা জানান, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন তাদের প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে তারা সব বিভাগের চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে প্রতিযোগিতা আয়োজনের দাবি জানান।




প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) জাহেদা পারভীন বলেন, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং শিশু-কিশোরদের লেখাপড়ার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে দেশীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রতিভা উঠে আসার সুযোগ সৃষ্টি হবে।


আয়োজকরা জানান, এ প্রতিযোগিতা থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের ব্যস্ততার কারণে এবার তা সম্ভব না হলেও আগামীতে বৃহত্তর আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন জাহেদা পারভীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (সচিব) তসলিমা কানিজ নাহিদাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

bottom-logo

অন্যান্য

শুটিং ফেডারেশনের জিএম হায়দারকে এনএসসির অব্যাহতি, ফেডারেশন থেকে বহিষ্কার কলি

 
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঢাকা

৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৫:৩৭ পিএম

news-details

বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক জিএম হায়দার সাজ্জাদকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। নারী শুটারের করা যৌন ও মানসিক নিপীড়নের অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


এনএসসির নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খান স্বাক্ষরিত আদেশে জানানো হয়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে জিএম হায়দার সাজ্জাদকে শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো এবং আদেশটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। এনএসসি আইন ২০১৮ অনুযায়ী এ্যাডহক কমিটির কর্মকর্তাদের যে কোনো সময় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার পরিষদের রয়েছে।


এদিকে একই দিনে শুটিং ফেডারেশন সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে জাতীয় দলের নারী শুটার কামরুন নাহার কলিকে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আরা খানমের স্বাক্ষর করা চিঠিতে কলিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না। চিঠিতে ফেডারেশনের কোড অব কন্ডাক্ট লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।


অলিম্পিক স্কলারশিপের আওতায় থাকা কলির বিষয়টি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকেও জানানো হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনের একটি অংশের ধারণা, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটেই কলির বিরুদ্ধে ফেডারেশনের এই কঠোর অবস্থান।


জিএম হায়দার সাজ্জাদকে ঘিরে শুটারদের অসন্তোষ নতুন নয়। শুটিং ফেডারেশনের এ্যাডহক কমিটি গঠনের আগেই একাধিক শুটার লিখিতভাবে আপত্তি জানিয়েছিলেন তাকে কমিটিতে না রাখার জন্য। এমনকি সার্চ কমিটিও তাকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেনি। তারপরও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রজ্ঞাপনে যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তার নাম প্রকাশ পায়।


ফেডারেশনের সাংগঠনিক বাস্তবতায় সাধারণ সম্পাদকের চেয়ে যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদই ছিলেন কার্যত ক্ষমতার কেন্দ্রে। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই খেলোয়াড়দের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে, বিশেষ করে নারী শুটারদের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক অভিযোগ উঠে আসে। এক পর্যায়ে নিপীড়নের অভিযোগে মানববন্ধন ও আইনি পদক্ষেপও নেন কয়েকজন শুটার।


এই অভিযোগগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে, যার নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক সাঁতারু নিবেদিতা দাস। তবে তদন্ত চলাকালীন সময়েও অভিযুক্ত সাজ্জাদের কাছ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা পায়নি কমিটি। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি লিখিত জবাব দেননি, ফলে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বিলম্ব হচ্ছে।


এনএসসির পাশাপাশি ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি আমলে নিয়ে পৃথক একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ২২ ডিসেম্বর গঠিত সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয় যুগ্ম সচিব লিলি বিলকিস বানুকে। নারী খেলোয়াড়দের যৌন হয়রানির অভিযোগ খতিয়ে দেখাই এই কমিটির মূল দায়িত্ব।


সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী তদন্তাধীন ব্যক্তিকে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার নজির থাকলেও, সাজ্জাদ তদন্ত চলাকালীন সময়েও ফেডারেশনের কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ক্রীড়া প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়েও।

bottom-logo