২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১:৩১ পিএম

সোমবার ঢাকায় শেষ হয়েছে ১০ দিনব্যাপী নারী কাবাডি বিশ্বকাপ। সফল এই আয়োজন বিশ্ব কাবাডি অঙ্গন দীর্ঘ দিন মনে রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। আয়োজনের কৃতিত্বের দাবিদার সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন (বিকেএফ) এবং তাদের সহযোগিরা।
এর আগে ২০১২ সালে ভারতের পাটনায় প্রথমবার হয়েছিল নারী কাবাডি বিশ্বকাপ। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় পর বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন আবারও নারী কাবাডিকে বিশ্বমঞ্চে ফিরিয়ে এনেছে।
বিশ্বকাপ খেলে যাওয়া ইরানের খেলোয়াড় আসমা ফাখরি বলেন,
‘বাংলাদেশ খুব ভালোভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে। এখানকার মানুষ খুবই আন্তরিক। এখানে সবাই মিলে সময়টা খুব উপভোগ করেছি। আশা করি ভবিষ্যতে সব দেশ বাংলাদেশকে অনুসরণ করে এমন আয়োজন করবে।’
শিরোপা জয়ী ভারতীয় নারী কাবাডি দলের কোচ তেজস্বিনী বাইয়ের কণ্ঠেও ঝরেছে বাংলাদেশের প্রশংসা,
‘চমৎকার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ।আয়োজন ছিল শীর্ষমানের। এখানকার জল-হাওয়া, আবাসন, খাবার ভীষণ উপভোগ্য। আমি মনে করি বাংলাদেশ প্রমাণ দিয়েছে তারাও বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের সামর্থ্য রাখে।’
আসরের ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল চাইনিজ তাইপে। গত আসরের মতো এবারও শিরোপা গেছে ভারতের ঘরে। তবে আগের আসরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া চাইনিজ তাইপের ফাইনালে আসাটা ছিল বড় চমক। দলটির কোচ ডেভিড সাই—তাইপের প্রথম জাতীয় দলের খেলোয়াড়।
২০০৯ সালে কাবাডিতে হাতেখড়ির পর ডেভিড ভারতের প্রো-কাবাডি লিগে টানা দুই মৌসুম খেলেছেন। দীর্ঘ সময়ে ভারতে থেকে কাবাডি সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজ দেশে তাইপেকে পরাশক্তিতে রূপ দিতে বড় ভূমিকা রাখছেন তিনি।
বাংলাদেশের আয়োজন নিয়ে ডেভিড বলেন,
‘ব্যবস্থাপনা সত্যিই চমৎকার। একদম বিশ্বমানের আয়োজন। তাইপেতে কাবাডি জনপ্রিয় নয়, সেখানে কোনো সমর্থনও নেই। বাংলাদেশ অসাধারণ কাজ করেছে। বিশ্বাস করি এর ফলে অন্য দেশও এমন আয়োজন করতে উৎসাহ পাবে।’
চাইনিজ তাইপের আই মিন লিন টুর্নামেন্টের সেরা রেইডারের খেতাব জিতেছেন। তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন,
‘বাংলাদেশের আতিথেয়তায় আমি অবাক হয়েছি, কারণ সংবাদে যা শুনেছিলাম তা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে অনেক মানুষ, এবং সবাই বাংলাদেশকে উৎসাহ দিচ্ছে। এটা দেখে মনে হয়েছে— আমাদের দেশের মানুষও যদি আমাদের এভাবেই সমর্থন দেয়, আমরাও বহুদূর এগিয়ে যাব।’
প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে এসে কেনিয়ার অধিনায়ক মার্সি আকিনিয়ি ওবিয়েরো বলেন,
‘এখানকার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। আবহাওয়া কেনিয়ার মতোই। মনে হচ্ছে যেন নিজের দেশে আছি। এটি আমাদের প্রথম বিশ্বকাপ, সবচেয়ে বড় মঞ্চ। আমাদের লক্ষ্য ছিল এখানে আনন্দ করা এবং প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করা।’
জার্মানিও প্রথমবার অংশ নেয় বিশ্বকাপে। তাদের অধিনায়ক এমা অ্যাটলে বলেন,
‘অসাধারণ ছিল সবকিছু। প্রথমে কোর্টে ঢোকার সময় আমরা নার্ভাস ছিলাম, কিন্তু এখন খুব উপভোগ করছি।’
সবচেয়ে জোরালো প্রশংসা এসেছে একেএফ (এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন)- এর মহাসচিব মোহাম্মদ সারওয়ার রানার কাছ থেকে, ‘ব্যবস্থাপনা একেবারে বিশ্বকাপের মানের— বরং তার চেয়েও বেশি। বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে যে ভবিষ্যতে তারা বড় বড় কাবাডি আসর আয়োজন করতে সক্ষম।’
কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হলেও গুরুত্বের দিক থেকে ফুটবল-ক্রিকেটের সমান মনোযোগ পায় না। তবে এবার বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন প্রতি ম্যাচেই প্রচুর দর্শক আনতে সক্ষম হয়েছে। নিরাপত্তার কড়াকড়ির মাঝেও তারা বিনামূল্যে দর্শকদের গ্যালারিতে জায়গা করে দিয়েছে।
No posts available.
২ মে ২০২৬, ৯:৩৫ পিএম

একযোগে সারা দেশে শুরু হল নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস। শনিবার সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে মূল পর্বের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর দেশের বাকী ৬৩ জেলাতেও শুরু হয় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের কার্যক্রম।
এরই অংশ হিসেবে মিরপুরের শহীদ সহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে কাবাডি ইভেন্ট দিয়ে শুরু হয় ঢাকা পর্বের প্রতিযোগিতা। এই পর্বের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, দোহারের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আজমুল হকসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ। পুরো আয়োজনের সমন্বয় করেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী।
উদ্বোধনী দিনে শুধু কাবাডি ডিসিপ্লিনের খেলা হয়েছে। ছেলেদের বিভাগে মুখোমুখি হয় পল্লবী থানা ও কেরাণীগঞ্জ উপজেলা। শুরু থেকেই এক তরফা আধিপত্য ছিল পল্লবী থানার। শেষ পর্যন্ত ৫৩-৩২ পয়েন্টের বড় জয়ের আনন্দে মাতে পল্লবী থানা দল।
মেয়েদের বিভাগে আরও বড় জয় তুলে নিয়েছে পল্লবীর মেয়েরা। কেরাণীগঞ্জের মেয়েদের দাঁড়াতেই দেয়নি তারা। জয় তুলে নেয় ৫৭-২১ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে।
আয়োজনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে জুডো, কারাতে, উশু ও তায়কোয়ান্দোর প্রদর্শনী ম্যাচ উপভোগ করেন উপস্থিত সবাই। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ এবং জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় ঢাকা পর্বের পরিপাটি এই আয়োজনের প্রশংসা করেন অতিথিরা। রোববার থেকে বিভিন্ন ভেন্যুতে শুরু হবে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বাকি ৭টি ডিসিপ্লিনের খেলা।

আগামী সেপ্টেম্বরে জাপানে অনুষ্ঠেয় ২০তম এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন ২ মে থেকে চারদিনব্যাপী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। গত ১৮ এপ্রিল থেকে জাপানের কোচ ইউটাকার নেতৃত্বে সিলেকশন ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
এশিয়ান গেমসের মূল প্রতিযোগিতায় পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগে ৩ জন করে খেলোয়াড় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকায় ফেডারেশন প্রাথমিকভাবে ১৬ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী নিয়ে ক্যাম্প শুরু করে। তবে প্রথম ধাপের বাছাইয়ে এই তালিকা থেকে পুরুষ ও নারী বিভাগে ৮ জন করে খেলোয়াড় রাখা হচ্ছে।
পরীক্ষা ও অসুস্থতার কারণে বেশ কয়েকজন সম্ভাবনাময় তরুণ খেলোয়াড় এবারের বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারছেন না। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন - নাফিজ ইকবাল, মোঃ হাসিবুর রহমান, আবুল হাসেম হাসিব, খাই খই সাই মারমা এবং রেশমী তেঞ্চঙ্গা।
ইতোমধ্যে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের গাইডলাইন অনুযায়ী সম্ভাব্য খেলোয়াড় ও ম্যাচ অফিসিয়ালদের একটি দীর্ঘ তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে।
এই বছর টেবিল টেনিসে অনেক ব্যস্ত সূচি। কমনওয়েলথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ, এশিয়ান গেমস, এশিয়ান যুব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ, সাউথ এশিয়ান জুনিয়র টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ এবং সাউথ এশিয়ান গেমস খেলবে বাংলাদেশ।

ষষ্ঠ এশিয়ান বিচ গেমসে দারুণ সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশের নারী কাবাডি দল। প্রায় ১৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে ব্রোঞ্জ পদক জয়ের গৌরব অর্জন করেছে তারা।
সোমবার বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ব্রোঞ্জ জয়ী দলটি আগামীকাল রাতে দেশে ফিরবে। চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনসের ফ্লাইট নং সিজেড ৩৯১ যোগে রাত ১০টায় তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।
সাফল্যমণ্ডিত এই নারী কাবাডি দলকে বিমানবন্দরে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য অভ্যর্থনা জানানো হবে। বিওএ-র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবেন।
ষষ্ঠ আসরে কাবাডিতে স্বর্ণ জিতেছে ভারত এবং রৌপ্য পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। টুর্নামেন্টজুড়ে দারুণ লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল। সেমিফাইনালে শক্তিশালী ভারতের কাছে হারলেও তাদের সুশৃঙ্খল ও আক্রমণাত্মক খেলা ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

লন্ডন ম্যারাথনে নতুন ইতিহাস লিখলেন সেবাস্তিয়ান সাওয়ে। ইতিহাসের প্রথম মানুষ হিসেবে দুই ঘণ্টার কম সময়ে প্রতিযোগিতামূলক ম্যারাথনের দৌড় শেষ করেন কেনিয়ার এই ক্রীড়াবিদ।
লন্ডনে রোববার হওয়া এই পূর্ণাঙ্গ ম্যারাথনে ১ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে ইতিহাস গড়েছেন সাওয়ে।
ম্যারাথনে এতদিন আগের রেকর্ডটি ছিল সাওয়ের স্বদেশি কেলভিন কিপটামের। ২০২৩ সালে ২ ঘণ্টা ৩৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে ম্যারাথন শেষ করেছিলেন প্রয়াত এই দৌড়বিদ।
২০১৯ সালে কিংবদন্তি দৌড়বিদ এলুইড কিপচোগে ১ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে ম্যারাথন শেষ করেছিলেন। তবে নিয়ন্ত্রিত কন্ডিশনের মধ্যে ম্যারাথন হওয়ায়, সেটি রেকর্ড হিসেবে ধরা হয়নি।
ম্যারাথনে অভিষিক্ত ইয়োমিফ কেজেলচার সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর শেষের ১০ কিলোমিটারে গিয়ে মূলত লিডটা নেন সাওয়ে।
এই দৌড়ে দ্বিতীয় হওয়া কেজেলচাও দুই ঘণ্টার কমে দৌড় শেষ করেন, ১ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ৪১ সেকেন্ড। এছাড়া ২ ঘণ্টা ২৮ সেকেন্ডে ম্যারাথন শেষ করে তৃতীয় হন হাফ ম্যারাথনের রেকর্ডধারী জ্যাকব কিপলিমো।

শুক্রের ছুটির সকাল। স্বাভাবিকতই স্কুল-কলেজ যাওয়ার তাড়া নেই এসময়টায়। আলস্যের সকালে তাই একটু ঝিমিয়ে নেওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে প্রকৃতি দেখতে বেরিয়ে পড়া। অথচ আরামের এমন মুহূর্ত একপাশে রেখে সাজসকালে কিছু ক্ষুদে প্রাণের আনাগোনায় মুখর হয়ে পড়ে রাজধানীর ধানমন্ডির রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা। উদ্যেশ্য, অনূর্ধ্ব ১৬ বালিকা র্যাপিড দাবায় অংশগ্রহণ। যার তত্ত্বাবধানে ছিল বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা।
দেশের ২৫ টি জেলার ৮০ জন ক্ষুদে দাবাড়ু অংশ নিয়েছিল এই প্রতিযোগিতায়। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার প্রাঙ্গনে এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক মো আমিনুল এহসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক লোকমান হোসেন ও হ্যাট্রিক মহিলা দাবা চ্যাম্পিয়ন নওশিন আনজুম। আর গোটা আসর মুখরিত ছিল চাল-পাল্টা চালে ব্যস্তরত এই ছোট্ট মুখগুলোতে।
বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা প্রায়ই শিশু কিশোরদের নানা খেলায় উদ্বুদ্ধ করতে ব্যবস্থা নিয়ে করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় দাবার আয়োজন।
১০ মিনিট এবং সাথে ৫ সেকেন্ড ইনক্রিমেন্টের এই খেলায় বিজয়ীদের মেইন পুরস্কার ছিল তিনটি। এছাড়াও ১৫ ক্যাটাগরিতে মোট ১৮ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। সব মিলিয়ে দারুণ এক সময় কাটায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এই দাবাড়ুরা।
আয়োজকদের মতে, এমন প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের মধ্যে দাবার প্রতি আগ্রহ ধরে রাখা এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করা। দাবার এই ‘চাল-পাল্টা চালে’র লড়াইয়ের মাধ্যমেই হয়তো একদিন বেরিয়ে আসবে আগামীর কোনো গ্র্যান্ডমাস্টার, যারা বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল করবে বাংলাদেশের মুখ।