
অনেকটা সময় ধরেই ছিলেন জাতীয় দলের বাইরে। ঘরোয়া ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষ করে বল হাতে ছিলেন ভালো ছন্দে। সেই সূত্রে এবার জাতীয় দলেও ফিরলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে রাখা হয়েছে অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডারকে।
চলতি মাসের তিন ম্যাচের সিরিজের জন্য শুক্রবার স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত সাইফউদ্দিন গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ দলে হয়ে পড়েছেন অনিয়মিয়। শেষবার জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করেন ২০২৪ সালের মে মাসে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে সেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার পর থেকেই ছিলেন দলের বাইরে।
আরও পড়ুন
| দ্বিতীয় ওয়ানডেতে প্রধান কোচ সিমন্সকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ |
|
এখন পর্যন্ত ৩৮টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৮.৭১ ইকোনমি রেটে নিয়েছেন ৪২ উইকেট। আর ব্যাট হাতে প্রায় ১১৫ স্ট্রাইক রেটে রান ২০৬।
সাইফউদ্দিনের চেয়েও দীর্ঘ বিরতি দিয়ে দলে ফিরেছেন নাঈম শেখ। ওয়ানডে সিরিজের স্কোয়াডে থাকা এই বাঁহাতি ওপেনার শেষবার এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের হয়ে খেলেছিলেন ২০২২ সালে। ৩৫ ম্যাচে ১০৩.৪৫ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন ৮১৫।
এছাড়াও চোট কাটিয়ে ২০ ওভারের দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ। নেতৃত্বে যথারীতি থাকছেন লিটন দাস।
আগামী ১০ জুলাই ক্যান্ডিতে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ। এরপর ১৩ জুলাই দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ডাম্বুলায়। আর ১৬ জুলাই সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ হবে কলম্বোতে। প্রতিটি ম্যাচই শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭:৩০ টায়।
বাংলাদেশ স্কোয়াড:
লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, নাইম শেখ, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলি অনিক, শামীম হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
No posts available.
১১ মে ২০২৬, ৬:০৬ পিএম

শেষ দিনে রোমাঞ্চ ছড়ানোর অপেক্ষায় মিরপুর টেস্ট। চতুর্থ দিন শেষে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট হারিয়ে করেছে ১৫২ রান। স্বাগতিকদের লিড এখন ১৭৯ রানের। এই পরিস্থিতিতে কাল সকালে ব্যাটিংয়ে নামবেন সেট হওয়া দুই ব্যাটার—নাজমুল হোসেন ও মুশফিকুর রহিম। বলা বাহুল্য, মিরপুর টেস্টের নাটাই বাংলাদেশের হাতে।
চতুর্থ দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল জানিয়েছেন, কাল সকালে ব্যাটিংটা একটু ভালো হলে ম্যাচ বের করা মোটেও অসম্ভব নয়। অতিথি দলের হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা অলরাউন্ডার সালমান আলী আগারও উচ্চাশা জয় নিয়ে।
সালমান বলেন, ‘আমরা জেতার জন্যই কাল মাঠে নামবো। যদি তারা ৭০ ওভারে ২৬০ রানের লক্ষ্য দেয়, আমরা তাহলে তা তাড়া করব। কিন্তু আমার মনে হয় না তারা তা করবে।’
বাংলাদেশ চতুর্থ দিনে একটু ধীরগতিতেই রান তুলেছে। এদিন নাজমুল হোসেন শান্তদের সামনে বড় বাধা ছিল বৃষ্টি। একটা সেশন গেছে বৃষ্টির পেটে। দিনে খেলা হয়েছে কেবল ৪৮.৪ ওভার। তবে প্রথম ইনিংসে ওভারপ্রতি সাড়ে তিনের বেশি গড়ে রান তোলা বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩.০১ গড়ে রান তুলছে। বৃষ্টির পরপরই বাংলাদেশের লিড দেড়’শ ছাড়িয়ে যায়। এ জন্যই বাংলাদেশ কোচের চাওয়া কাল সকালে একটু ভালো এবং দ্রুত রান তোলা।
সালমান মনে করেন, দ্রুত রান তুলতে যাওয়াটা বাংলাদেশের জন্য একটু ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে। তিনি বলেন,
‘যদি তারা তা করে, তাহলে তো খুবই ভালো, কিন্তু এটা খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে। আমি অবশ্য ব্যক্তিগতভাবে চাই তারা এমন করুক।’

মিরপুর টেস্টে ১৭৯ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন ৫৮ ও মুশফিকুর রহিম ১৬ রান নিয়ে আগামীকাল পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করবেন। সবকিছু বিবেচনায় হয়তো ড্রয়ের পথেই সিরিজের প্রথম টেস্ট।
এমন পরিস্থিতিতেও জয়ের আশা করছেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি জানিয়েছেন, পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনের ব্যাটিং ভালো করলে জেতা সম্ভব বাংলাদেশের।
আশরাফুল বলেন,
‘টেস্ট ক্রিকেট যেভাবে খেলতে হয় আমরা সেভাবেই খেলছি। বৃষ্টিটা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আমি মনে করি, উইকেটে যে সহায়তায় আছে, আমরা যদি কালকে সকালে আরেকটু ভালো ব্যাটিং করে এই ম্যাচ জেতা সম্ভব।’
কাল শেষ দিন মিরপুর টেস্টের। বাংলাদশের লিড এই মুহূর্তে ১৭৯। কত রান করে ইনিংস ঘোষণা করটা নিরাপদ স্বাগতিকদের জন্য?
এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে আশরাফুল বলেন,
‘এখনও আমরা বসিনি কত রান করে ছাড়বো। কিন্তু আমরা জেতার জন্য খেলছি এবং আমাদের যে বোলিং অ্যাটাক, বিশেষ করে আমাদের স্পিন অ্যাটাক এবং ফাস্ট বোলিং অ্যাটাক নিয়ে আমরা যদি যেকোনো ৭০-৭৫ ওভার বোলিং করতে পারি কালকে যদি কোনো বৃষ্টি না হয় ৯০-৯৮ ওভার খেলার সুযোগ থাকবে। ৭৫ ওভার বোলিং করতে পারলে আমি মনে করি যে আমাদের জেতার সম্ভাবনা থাকবে ইনশাআল্লাহ।’
সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম— দুই জনই ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দি। বিষয়টি কতটা ভাবাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে?
বাংলাদেশ কোচ বলেন,
‘না একদমই চিন্তার বিষয় না। কারণ শেষ টেস্ট সিরিজে যদি দেখেন যে আমাদের তিনটা ইনিংসে ওপেনিং পার্টনারশিপ অসাধারণ ছিল। ১০০ রানের পার্টনারশিপ ছিল। জয়ের তিন ইনিংসে অলমোস্ট ২৬৫ বা ২৩৫ রানের মত করেছিল। সাদমান তিন ইনিংসে অলমোস্ট ১৯০ উর্ধ্ব রান করেছিল। দুইটা ৮০ রানের ইনিংস ছিল। জয়ের ক্যারিয়ার সেরা ১৭১ রানের একটা ইনিংস ছিল। এখানে দুইটা ইনিংস রান হয়নি। কারণ আমরা জানি যে আমরা টসটা হেরে ব্যাটিং করেছি। অতটা সহজ ছিল না। নতুন বলটা সারভাইভ করাটা। দুইটা ইনিংসেই হয়তোবা আমরা যেভাবে আশা করেছি সেটা হয়নি। আমি আশা করি, পরবর্তী ম্যাচেই হয়তোবা আমাদের দুই ওপেনার আবার ফর্মে ফিরে আসবেন, ইনশাআল্লাহ।’

ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হওয়া ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ দল। অংশগ্রহণ না করার কারণ অনুসন্ধানে এবার তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
আজ এক প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চে হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। তিন সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির আহ্বায়ক যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ড. এ কে এম আলি উল্যা। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন—জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির বর্তমান নির্বাচক প্যানেলের সদস্য হাবিবুল বাশার সুমন এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ক্রীড়া সংগঠক ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই কমিটিকে মূলত দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করতে বলা হয়েছে। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (পুরুষ) এ বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ না করার বিষয়টি বিশদভাবে পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ। এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য যেকোনো আনুষঙ্গিক বিষয় খতিয়ে দেখা।
কমিটিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে বিস্তারিত প্রতিবেদন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বরাবর দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০০৭ সালে পথচলা শুরু হওয়ার পর এই প্রথমবার বাংলাদেশ দল ছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হয়েছে। নিরাপত্তা ইস্যু ও ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে আইসিসি ও বিসিসিআইয়ের সঙ্গে মতানৈক্যের জেরে বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিল।

লাঞ্চ ব্রেক শেষে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে যখন দিনের দ্বিতীয় সেশন শুরু হওয়ার কথা, তখন মুষলধারে বৃষ্টি। ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিটের বৃষ্টিতে পুরো মিরপুরের রাস্তা-ঘাট প্লাবিত। অথচ দ্রুত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বেলা ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে খেলা পুনরায় শুরু! আকাশে মেঘ কেটে ফর্সা আকাশে বাংলাদেশ দেখছে টেস্টে আর একটি স্বপ্ন। ৪র্থ দিন শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১৫২/৩। বাংলাদেশ ১৭৯ রানের লিড নিয়ে ৫ম দিন ব্যাটিংয়ে নামবে। উইকেটে অবিচ্ছিন্ন আছেন শান্ত ৫৮ এবং মুশফিক ১৬ রানে।
প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ দুই ওপেনার। স্কোরশিটে ২৩ উঠতে মাহামুদুল হাসান জয় (৫)-সাদমান (১০) গেছেন ফিরে। প্রাথমিক দুর্যোগ সামাল দিয়ে পাকিস্তানের ৪র্থ ইনিংসের চ্যালেঞ্জটা ধীরে ধীরে কঠিন করে দিয়েছেন তৃতীয় উইকেট জুটির দুই ব্যাটার মুমিনুল হক-নাজমুল হোসেন শান্ত ১০৫ রান যোগ করে।
মিরপুরে ৪র্থ ইনিংসে ২০৯রানের বেশি তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই কারো। মিরপুরে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে ২০৯ রানের বেশি কেউ তাড়া করতে পারেনি। ২০১০ সালে ওই রান তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ড। ২০০৮ সালে ২০৫ রান তাড়া করে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছিল ৫ উইকেটে। ২০১৬ সালে ৪র্থ ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২৭২ রানের টার্গেট দিয়ে ১০৮ রানে এবং ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়াকে ২৬৪ রানের টার্গেট দিয়ে ২০ রানে বাংলাদেশের জয়ের অতীত থেকে টনিক নিতেই পারে শান্ত'র দল। ৫ম দিনের প্রথম সেশন বাংলাদেশ দল ব্যাটিংয়ে পাড়ি দিতে পারলে ম্যাচ বাঁচানোর পরীক্ষা দিতে হবে পাকিস্তানকে।
দিনের প্রথম ঘন্টার কর্তৃত্ব ছিল পাকিস্তানের দুই পেসার মুহাম্মদ আব্বাস-হাসান আলীর। দিনের ১৮তম মিনিটে আব্বাসের হাঁটু সমান উচ্চতার লো বাউন্সি ডেলিভারিতে মাহামুদুল হাসান জয় এলবিডাব্লুউতে কাটা পড়েছেন। রিভিউ আপীলে বল ট্র্যাকিংয়ে লেগ স্ট্যাম্পের ক্লিপ নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ভেসে উঠেছে। আম্পায়ার্স কলে আউটের কষ্ট নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন জয় (২৬ বলে ৫)। আর এক মিডিয়াম পেসার হাসান আলী প্রথম ওভারেই সফল। তাঁর এক্সট্রা বাউন্স ছেড়ে দিতে চেয়েও পারেননি, গালিতে দিয়েছেন ক্যাচ (২২ বলে ১০)।
দিনের পরের ঘন্টায় উইকেটহীন ৬০ রান যোগ করতে পেরেছে বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত'র ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে। পাকিস্তান পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদির উপর একটু বেশি চড়াও হয়েছেন তিনি। এই পেসারকে মেরেছেন ৪টি বাউন্ডারি। যার মধ্যে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে মেরেছেন পর পর ২ বলে মিড অফ, মিড উইকেট দিয়ে বাউন্ডারি।
সাকিবের অনুপস্থিতিতে ২০১৩ সালে গল টেস্টে হয়েছে মুমিনুলের অভিষেক। টেস্ট অভিষেকেই হাফ সেঞ্চুরিতে (৫৫) ছড়িয়েছেন সৌরভ। এই টেস্ট শুরুর আগে টেস্টে ৫ হাজারী ক্লাবের সদস্যপদের হাতছানি ছিল তাঁর। মাত্র ১৪১ রান দূরে ছিলেন মুমিনুল। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৯ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করা মুমিনুলের জন্য দ্বিতীয় ইনিংসে টার্গেট ছিল কাটায় কাটায় ৫০। পাকিস্তান স্পিনার নোমান আলীকে ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগে খেলে সিঙ্গল নিয়ে পূর্ণ করেছেন হাফ সেঞ্চুরি এবং ৫ হাজার রান। তামিম ( ৭০ টেস্টে ৫১৩৪ রান), মুশফিকের ( ১০১ টেস্টে ৬৫৮১ রান) পর তৃতীয় বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে ৫ হাজার রান পূর্ণ করতে খেলতে হয়েছে মুমিনুল হক-কে ৭৬ টেস্ট। ১৪১তম ইনিংসে এসে ৫ হাজার রান পূর্ণ করতে লেগেছে তার ১৩ বছর ২ মাস ৩ দিন।
তবে এমন একটি মাইলস্টোনের ইনিংসটি থেমেছে ৫৬ রানে এসে। শাহিন আফ্রিদির অফ স্ট্যাম্পের উপর পিচিং ডেলিভারি উইকেট কিপারের গ্লোভসের দিকে যখন ধাবিত, তখন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে ডিফেন্স করতে যেয়ে দিয়েছেন উইকেট কিপারকে ক্যাচ। টেস্টে সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ব্যাটারদের মধ্যে সবার উপরে উঠে এসে (১৩ সেঞ্চুরি) টানা ২২ ইনিংসে সেঞ্চুরিহীন কাটানোর যন্ত্রনা নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন মুমিনুল।
তবে অধিনায়ক শান্ত'র সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরির পার্টনারশিপে ( ১৭০ ও ১০৫) বাংলাদেশকে ম্যাচে ড্রাইভিং সিটে রেখে গেছেন মুমিনুল। টেস্টে উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরির রেকর্ড থেকে এখন ৪৮ রান দূরে। ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি (১৪৬ও ১২৩), ২০২৫ সালে গল এ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে (১৪৮ ও ১২৫) এর পর তৃতীয়বারের মতো একই কৃতির সামনে দাঁড়িয়ে শান্ত।

সাকিবের অনুপস্থিতিতে ২০১৩ সালে গল টেস্টে হয়েছে মুমিনুলের অভিষেক। টেস্ট অভিষেকেই হাফ সেঞ্চুরিতে (৫৫) ছড়িয়েছেন সৌরভ। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে টানা ১১ টেস্টে ফিফটির ইনিংসে ক্যারিবিয়ান লিজেন্ডারি ভিভ রিচার্ডস, ভারতের বীরেন্দ্র শেভাগ, গৌতম গম্ভীরকে ছুঁয়ে অনন্য উচ্চতায় নিজেকে উঠিয়ে আনা মুমিনুল একটার পর একটা মাইলস্টোনে নিজেকে সেরাদের কাতারে উঠিয়ে এনেছেন। মাত্র ১১ টেস্টে হাজার রান, ২৬ টেস্টে ২ হাজার রানে নিজেকে ভালই চিনিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাটারদের মধ্যে টেস্টে সবার আগে উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরির রেকর্ডটা তারই।
২০১৮ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ( ১৭৬ও ১০৫ রান) উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরিতে ক্যারিয়ারটা বড় করার আভাস দিয়েছেন। এই টেস্ট শুরুর আগে টেস্টে ৫ হাজারী ক্লাবের সদস্যপদের হাতছানি ছিল তাঁর। মাত্র ১৪১ রান দূরে ছিলেন মুমিনুল। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৯ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করা মুমিনুলের জন্য দ্বিতীয় ইনিংসে টার্গেট ছিল কাটায় কাটায় ৫০। পাকিস্তান স্পিনার নোমান আলীকে ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগে খেলে সিঙ্গল নিয়ে পূর্ণ করেছেন হাফ সেঞ্চুরি এবং ৫ হাজার রান। তামিম ( ৭০ টেস্টে ৫১৩৪ রান), মুশফিকের ( ১০১ টেস্টে ৬৫৮১ রান) পর তৃতীয় বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে ৫ হাজার রান পূর্ণ করতে খেলতে হয়েছে মুমিনুল হক-কে ৭৬ টেস্ট। ১৪১তম ইনিংসে এসে ৫ হাজার রান পূর্ণ করতে লেগেছে তার ১৩ বছর ২ মাস ৩ দিন।
তবে এমন একটি মাইলস্টোনের ইনিংসটি থেমেছে ৫৬ রানে এসে। শাহিন আফ্রিদির অফ স্ট্যাম্পের উপর পিচিং ডেলিভারি উইকেট কিপারের গ্লোভসের দিকে যখন ধাবিত, তখন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে ডিফেন্স করতে যেয়ে দিয়েছেন উইকেট কিপারকে ক্যাচ। টেস্টে সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ব্যাটারদের মধ্যে সবার উপরে উঠে এসে (১৩ সেঞ্চুরি) টানা ২২ ইনিংসে সেঞ্চুরিহীন কাটানোর যন্ত্রনা নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন মুমিনুল।
তবে অধিনায়ক শান্ত'র সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরির পার্টনারশিপে ( ১৭০ ও ১০৫) বাংলাদেশকে ম্যাচে ড্রাইভিং সিটে রেখে গেছেন মুমিনুল।