শুরুতে উইকেট গেলেও রান তাড়ায় শুরুটা হল ইতিবাচক। তানজিদ হাসান তামিমের ফিফটিতে এক উইকেটেই হয়ে গেল শতক। তবে এরপরই তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ল বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার। শক্ত অবস্থানে থাকার পর মাত্র ৫ রানের মধ্যে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলল মেহেদি হাসান মিরাজের দল। নাগালের মধ্যে থাকা টার্গেট তাতে হয়ে গেল পাহাড়সম, যা চলে গেল ধরাছোঁয়ার বাইরে। জাকের আলি অনিক ফিফটি করলেও তাই চারিথ আসালাঙ্কার সেঞ্চুরির ম্যাচে শ্রীলঙ্কা পেল বড় জয়।
কলম্বোতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কা জিতেছে ৭৭ রানে। দলটির ২৪৫ রানের টার্গেটে ভালো একটা শুরুর পর ৩৫.৫ ওভারে মাত্র ১৬৭ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
অথচ মাঝারি টার্গেটের পেছনে ছুটে ওপেনিং জুটি ভালো কিছুরই আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। অভিষিক্ত পারভেজ হোসেন ইমন তিন বাউন্ডারিতে দুই অঙ্কের ঘরে পা রাখেন। তবে পারেননি সেটা কাজে লাগাতে। তবে অন্য ওপেনার তানজিদ ছন্দ ধরে রাখেন। মাহিশ থিকসানাকে টানা দুই চার মেরে করেন শুরু।
এরপর মিলন রত্নায়েককে পরপর দুই বলে হাঁকান চার ও ছক্কা। অন্যপ্রান্তে আসিথা ফার্নান্দোকে টানা দুই চার মারেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৫তম ওভারে মাত্র ৫১ বলে ফিফটি তুলে নেন তানজিদ। তাদের দুজনের জুটি যেভাবে জমে উঠেছিল, তাতে ক্রমেই ব্যাকফুটে চলে যাচ্ছিল শ্রীলঙ্কা।
আর তখনই সর্বনাশের শুরু শান্তর রান-আউট দিয়ে। খানিক আগে একটি দুই রানের কলে তানজিদ সাড়া না দেওয়ায় কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। থিকসানার বলে ব্যাকফুটে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে বল ঠেলে তার দুই রানের ডাকে এবার সাড়া দেন তানজিদ, তবে ঝাঁপিয়েও ক্রিজে ফিরতে পারেননি শান্ত।
তার ২৩ রানের ইনিংস যখন থামে, তখন বাংলাদেশের স্কোর ২ উইকেটে ১০০। কে ভেবেছিল, এরপরের কয়েকটি ওভার একটা ঝড় বয়ে যাবে আর রান করতেই খাবি খাবেন ব্যাটাররা? যাওয়া-আসার মিছিলে চোখের পলকেই স্কোর দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ১০৫! দুই প্রান্ত থেকে ত্রাস ছড়ান ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও কামিন্দু মেন্দিস। দুর্দান্ত স্পেলে দুজন ভাগ করেন পাঁচ উইকেট।
সেই সময়ে প্রতিটি বলেই মনে হচ্ছিল যেন আউট হয়ে যেতে পারেন বাংলাদেশ ব্যাটাররা। স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে একাই লড়ে যাওয়া তানজিদও ঝরে যান সেই ঝড়ে। তার আগে খেলেন ৯ চার ও এক ছক্কায় ৬২ রানের ইনিংস।
উইকেটের এই বৃষ্টির মধ্যে খুব দ্রুতই ম্যাচ জয়ের সমীকরণ থেকে বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর। সেই কাজটা কিছুটা করেন জাকের আলি অনিক। নিশ্চিত হারের মুখে বড় কিছু শট খেলে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার করেন ৬৪ বলে ৫১।
এর আগে বল হাতে অবশ্য বাংলাদেশ দল দেখায় ভালো ধারাবাহিকতা। চোট কাটিয়ে চার মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা তাসকিন আহমেদ প্রথম স্পেলেই জানিয়ে দেন, ছন্দ পেতে বেশি সময় লাগেনি তার। একে একে ফেরান নিশান মাদুশকা ও কামিন্দুকে।
শ্রীলঙ্কার চাপ বাড়িয়ে অন্যপ্রান্তে পাথুম নিশাংকাকে শিকার বানান তানজিম। ২৯ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলা শ্রীলঙ্কার ইনিংস মেরামতের কাজ এরপর শুরু করেন আসালাঙ্কা ও কুসাল মেন্দিস মিলে। তাদের ৬০ রানের জুটি ভাঙেন অভিষিক্ত তানভীর, শিকার বানান ৪৫ রান করা কুসালকে।
এরপর শ্রীলঙ্কার আরেকটি ফিফটি জুটির ইতি টানতে মিরাজ আক্রমণে আনেন অকেশনাল স্পিনার শান্তকে। প্রথম ওভারেই দেখান চমক। ডাউন দ্য উইকেটে এসে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ তুলে দেন জানিথ লিয়াঙ্গে।
এরপর ছয়, সাত ও অষ্টম উইকেটে ছোট তবে কার্যকর তিনটি জুটিতে স্বাগতিকদের ম্যাচে ধরে রাখেন আসালাঙ্কা। ইনিংসের শেষ দিকে গিয়ে দেখা পান শতকের। তবে তার বিরুদ্ধে বাড়তি পরিকল্পনা নিয়ে সেই সময়ে বল করে বাংলাদেশ, ফলে খুব বেশি বড় শট খেলতে পারেননি তিনি।
শেষ পর্যন্ত থামেন ১০৬ রানে, যা তার দলকে এনে দেয় লড়াই করার মত একটা পুঁজি। ৪৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার ছিলেন তাসকিন। ৪৬ রানে তিন উইকেট নেন আরেক পেসার তানজিম।
২৯ আগস্ট ২০২৫, ১১:৪৩ পিএম
২৯ আগস্ট ২০২৫, ৮:২০ পিএম
২০২৬ যুব বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। সাউথ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সফর শেষে এবার ইংল্যান্ডে যাচ্ছে তারা। সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড সফরে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবেন জাওয়াদ-তামিমরা।
আজিজুল হাকিম তামিমকে অধিনায়ক করে ইংল্যান্ড সফরের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে আরও পাঁচ ক্রিকেটার।
আগামী পরশু লন্ডনের উদ্দেশ্যে উড়ান ধরবে যুবারা। ৩ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা।
আরও পড়ুন
মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে তীরে এসে তরি ডুবল জিম্বাবুয়ের |
![]() |
৫ সেপ্টেম্বর শুরু হবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ইংল্যান্ড সফরের ওয়ানডে সিরিজ। লাফবোরোর হাসলেগ্রেভ গ্রাউন্ডে হবে প্রথম ম্যাচ। একই ভেন্যুতে ৭ সেপ্টেম্বর হবে দ্বিতীয় ওয়ানডে। ১০ সেপ্টেম্বর ব্রিস্টলের সিট ইউনিক মাঠে গড়াবে তৃতীয় ম্যাচ।
সিরিজের শেষ দুই ওয়ানডে হবে বেকেনহামে। ১২ সেপ্টেম্বর চতুর্থ ম্যাচ ও ১৪ সেপ্টেম্বর পঞ্চম ম্যাচ খেলবে দুই দল কেন্ট কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল:
আজিজুল হাকিম তামিম (অধিনায়ক), জাওয়াদ আবরার, সামিউন বসির, দেবাশীষ সরকার, রিজান হোসেন, আল ফাহাদ, স্বাধীন ইসলাম, মো. আব্দুল্লাহ, ফরিদ হাসান ফয়সাল, কালাম সিদ্দিকী, সানজিদ মজুমদার, রিফাত বেগ, শাহরিয়ার আল আমিন, সাদ ইসলাম রাজিন ও ফারহান শাহরিয়ার।
স্ট্যান্ডবাই
আহমেদ শাহরিয়ার, ফারজান আহমেদ আলিফ, শাহরিয়ার আজমির, রাফিউজ্জামান রাফি ও মো. সবুজ।
ওভারপ্রতি ৬-এর ওপরে রান দিচ্ছিলেন। তবু শেষ ওভারে অধিনায়ক চরিত আসালাঙ্কা আস্থা রাখলেন তাঁর ওপরে। দিলশান মাদুশাঙ্কাও যেন নিজের সেরাটা জমিয়ে রেখেছিলেন রঙিন শেষের জন্য। শেষ ৬ বলে জিম্বাবুয়ে প্রয়োজন ১০ রান। মাদুশঙ্কা হ্যাটট্রিকের বিপরীতে দিলেন মাত্র ২ রান।
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে তরী এসে তরি ডুবল জিম্বাবুয়ের। ৭ রানে হেরে দুই ম্যাচের ওয়ানডের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ল তারা
জিম্বাবুয়ের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখা সিকান্দার রাজাকে প্রথম বলে বোল্ড করে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করেন মাদুশঙ্কা। পরের দুই বলে ব্র্যাড ইভানস ও রিচার্ড এনগারাভাকে ফেরান গোল্ডেন ডাকে। ২৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৮ উইকেটে ২৯১ রান করতে সক্ষম হয় জিম্বাবুয়ে।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে বেন কারান ৭০, শন উইলিয়ামস ৫৭, রাজা ৮৭ বলে ৯২ এবং টনি মুনিওঙ্গা ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ৬২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন মাদুশঙ্কা।
আরও পড়ুন
তামিম-জাওয়াদদের নিয়ে ইংল্যান্ড সফরে শক্তিশালী দল |
![]() |
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে টস জিতে লঙ্কানদের আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় স্বাগতিকেরা। পাতুম নিসাঙ্কা, জেনিত লিয়ানাগে ও কামিন্দু মেন্ডিসের ঝোড়ো ফিফটিতে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা।
শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি লঙ্কানদের ৯ রানের হারায় ওপেনার নিশান মাদুশকার উইকেট। প্রথম ৫ ওভার পর্যন্ত এক অঙ্কের ঘরে ছিল তারা। ১৩ বলে ০ রানে ফেরেন মাদুশকা। দ্বিতীয় উইকটে কুশল মেন্ডিস ও নিসাঙ্কার ১০০ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা।
কুশল ৩৮ ও নিসাঙ্কা করেন ৯২ বলে ৭৬ রান। সাদিরা সামারবিক্রমাও (৩৫) থিতু হয়ে ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। ৬ রানে আউট হন চরিত আসালাঙ্কা। ষষ্ঠ উইকটে লিয়ানাগে ও কামিন্দু ৮৩ বলে গড়েন ১৮৭ রানের অসাধারণ এক জুটি। তাতে স্কোরটা প্রায় তিন শ ছুঁই ছুঁই হয়।
লিয়ানাগে ৩ ছক্কা ও ৬টি চারে ৪৭ বলে করেন ৭০ রান। ২ ছক্কা ও ৪টি চারে ৩৬ বলে ৫৭ রান করেছেন কামিন্দু। ৩৪ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন এনগারাভা।
নিজেদের চেয়ে দুর্বল দলের বিপক্ষে অনেকবারই হেরেছে বাংলাদেশ দল। এ সব নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও শুনতে হয়েছে বিভিন্ন সময়। সিলেটে কাল থেকে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের। কোচ ফিল সিমন্স তাই সমালোচনার অগ্রীম আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখলেন, ভালো না খেললে সমালোচনাই প্রাপ্য।
কিছুটা ভয়ও অবশ্য থাকার কথা, সবশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ডাচদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিল বাংলাদেশ। তবে এবার শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের মতো বড় দুই দলকে সিরিজ হারিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাসী লিটনরা।
শ্রীলঙ্কা সফরে যে মানদণ্ডে দল খেলেছিল, সেটিই টেমপ্লেট হিসেবে সামনে রাখতে চান সিমন্স। সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আজ বাংলাদেশ কোচ বলেন,
‘শ্রীলঙ্কায় যে মান আমরা মেলে ধরেছি, সেটিই ধারে রাখতে চাইব আমি। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের কিছুটাও বয়ে নিতে চাইব, যদিও ওই সিরিজে মিরপুরের উইকেট শ্রীলঙ্কার মতো অতটা ভালো ছিল না। শ্রীলঙ্কায় আমাদের ওই স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখতে চাই।’
আরও পড়ুন
ইংল্যান্ড দলে আছে বার্সা, নেই রিয়াল |
![]() |
বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ মনে করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মান ধরে রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ডাচদের বিপক্ষে সিরিজে স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ ফেভারিট। তবু প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে নারাজ সিমন্স।
সিমন্স স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন- ভালো না খেলতে পারলে সমালোচনার ঝড় আসাটা স্বাভাবিক, আর সেটা মেনে নিতেই হবে,
‘অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলেও সমালোচনা হয়, তাই নেদারল্যান্ডসের কাছে হারলে সমালোচনা হওয়া খুব খারাপ কিছু নয়। কারণ, যে দিন আমরা ভালো খেলতে পারব না, সেদিন সমালোচনা প্রাপ্যই। কিন্তু যদি আমরা আমাদের মান ধরে রাখতে পারি, আমি নিশ্চিত—জিতবই।’
আরও পড়ুন
সাঙ্ঘার সেঞ্চুরির পর দিপুর লড়াই |
![]() |
বাংলাদেশ এখানে অবশ্যই ফেবারিট। কিন্তু নেদারল্যান্ডসের রেকর্ডও দারুণ। গত দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মতো দলকে হারিয়েছে। নিয়মিতভাবেই বিশ্বকাপে তারা চমক দেখাচ্ছে। সিমন্সও সে ব্যাপারে সতর্ক,
‘তারা আন্তর্জাতিক মানের দল। টানা দুই বিশ্বকাপে খেলেছে, ভালো ফল করেছে। এখন আর কাউকেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।’
বাংলাদেশের জন্য এই সিরিজ শুধু জয়-পরাজয়ের লড়াই নয়, এশিয়া কাপেরও প্রস্তুতি। তবে সিমন্স আপাতত সেখানেই মন দিতে চাইছেন না,
‘চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় পৌঁছতে হলে তো আগে প্রাথমিক পর্ব উতরাতে হয়। কাজেই এশিয়া কাপ নিয়ে আমি ভাবছি না। এশিয়া কাপ আসবে এটির পরে। এটি আন্তর্জাতিক দলের বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক সিরিজ। আমাদের মনোযোগও এই সিরিজে।’
২৬৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশ ‘এ’ দলের। ডারউইনে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে ১০৬ রান করেছে সফরকারীরা। এখনো পিছিয়ে ১৬০ রানে। উঁকি দিচ্ছে ইনিংস হার।
৭৫ রানে ৩ উইকটে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ হন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। প্রথম ওভারে ফেরেন ৪ রানে। তৃতীয় ওভারে দলীয় ৬ রানে ফেরেন তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা অমিত হাসান (০)।
থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি ওপনোর ইফতেখার হোসেন ইফতি। ৬৯ বলে ৩৫ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। চতুর্থ উইকেটে শাহাদাত হোসেন দিপুর সঙ্গে ৬৯ রানের একটি জুটি গড়েন ইফতি।
আরও পড়ুন
জিম্বাবুয়ের সামনে ৩০০ ছুঁই ছুঁই লক্ষ্য |
![]() |
৭৫ রানে ৩ উইকটে হারায় বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে ইয়াসির আলী রাব্বি (১৮) ও দিপু লড়াইয়ের চেষ্টা করছেন। ৩১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন দুজনে। ৮৭ বলে ৪২ রানে অপরাজিত আছেন দিপু।
তার আগে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস থামে ৩৮০ রানে। আগের দিন ৮৩ রানে অপরাজিত থাকা জ্যাসন সাঙ্ঘা আজ তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি। ৩১ রানে অপরাজিত থাকা হ্যারি নিলসেন করেছেন ফিফটি।
২৩৫ বলে ১৪৩ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন সাঙ্ঘা। সেঞ্চুরি আশা জাগিয়েও ১৪৬ বলে ৮৬ রানে ফেরেন নিলসন। শেষ দিকে ৪৬ রান করেন হেনরি থরটন। তিনটি করে উইকটে নেন হাসান মুরাদ ও এনামুল হক। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করে ১১৪ রান।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে তিন ফিফটির কল্যাণে জিম্বাবুয়েকে ২৯৯ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে টস জিতে লঙ্কানদের আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় স্বাগতিকেরা। পাতুম নিসাঙ্কা, জেনিত লিয়ানাগে ও কামিন্দু মেন্ডিসের ঝোড়ো ফিফটিতে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা।
শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি লঙ্কানদের ৯ রানের হারায় ওপেনার নিশান মাদুশকার উইকেট। প্রথম ৫ ওভার পর্যন্ত এক অঙ্কের ঘরে ছিল তারা। ১৩ বলে ০ রানে ফেরেন মাদুশকা। দ্বিতীয় উইকটে কুশল মেন্ডিস ও নিসাঙ্কার ১০০ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা।
আরও পড়ুন
সাফে ভুটানের বিপক্ষে হতাশার ড্র বাংলাদেশের |
![]() |
কুশল ৩৮ ও নিসাঙ্কা করেন ৯২ বলে ৭৬ রান। সাদিরা সামারবিক্রমাও (৩৫) থিতু হয়ে ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। ৬ রানে আউট হন চরিত আসালাঙ্কা। ষষ্ঠ উইকটে লিয়ানাগে ও কামিন্দু ৮৩ বলে গড়েন ১৮৭ রানের অসাধারণ এক জুটি। তাতে স্কোরটা প্রায় তিন শ ছুঁই ছুঁই হয়।
লিয়ানাগে ৩ ছক্কা ও ৬টি চারে ৪৭ বলে করেন ৭০ রান। ২ ছক্কা ও ৪টি চারে ৩৬ বলে ৫৭ রান করেছেন কামিন্দু। ৩৪ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন রিচার্ড নাগারাভা।
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৭ দিন আগে
৭ দিন আগে
৯ দিন আগে
৯ দিন আগে
৯ দিন আগে
১০ দিন আগে
১০ দিন আগে