
একজন ব্যাট হাতে ওপেনার, আরেকজন শুরু করেন বল হাতে। দুজনই আবার বাঁহাতি। বহুল প্রতীক্ষিত এশিয়া কাপ ফাইনালে এই দুজনের ওপরই নিজ নিজ দলকে জেতানোর গুরুদায়িত্ব। এদের একজন অভিষেক শর্মা আর অন্যজন শাহিন শাহ আফ্রিদি।
চলতি এশিয়া কাপে দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের সেরা পারফর্মার অভিষেক ও আফ্রিদি। শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালেও তাদের ওপরই নজর থাকবে সবার। ভারতের ইনিংসে প্রথম ওভারেই মুখোমুখি হবেন তারা দুজন। ওই ওভারেই নির্ধারিত হয়ে যেতে পারে, ফাইনাল শেষে হাসবে কোন দল।
ফাইনালের আগ পর্যন্ত ৬ ইনিংসে ২০৪.৬৩ স্ট্রাইক রেট ও ৫১.৫০ গড়ে আসরের সর্বোচ্চ ৩০৯ রান করেছেন অভিষেক। গ্রুপ পর্বের তিন ইনিংসে ৩০+ রানের ইনিংস খেলে আউট হলেও, সুপার ফোরে আর ভুল করেননি বাঁহাতি ওপেনার।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৯ বলে ৭৪ রানের ইনিংস দিয়ে শুরু। এরপর বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩৭ বলে ৭৫ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তার ব্যাট থেকে আসে ৩১ বলে ৬১ রান। সব মিলিয়ে ৬ ইনিংসে ৩১ চারের সঙ্গে ১৯টি ছক্কা মেরেছেন অভিষেক। রান, চার, ছক্কা বা স্ট্রাইক রেট- সবই আসরের সেরা।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেও পাকিস্তানের বিপক্ষে ঝড় তুলেছিলেন অভিষেক। সেদিন মাত্র ১৩ বলে ৩১ রান করেন বাঁহাতি এই ওপেনার। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের সঙ্গে খেলা দুই ম্যাচে ১০ চার ও ৭ ছক্কায় তার সংগ্রহ ৫২ বলে ১০৫ রান।
অভিষেকের সামনে এখন কোনো টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ার সুযোগ। এছাড়া আরেকটি ফিফটি করতে পারলে ভারতের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টানা ৪ ম্যাচে ফিফটির রেকর্ড হয়ে যাবে ২৫ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটারের।
এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে আফ্রিদিও আছেন দারুণ ছন্দে। শুধু বোলিং নয়, ব্যাট হাতেও দলের প্রয়োজনে বড় ভূমিকা রাখছেন বাঁহাতি এই পেসার। ফাইনাল পর্যন্ত ৬ ইনিংসে আফ্রিদির শিকার ৯ উইকেট। ওভারপ্রতি খরচ মাত্র ৬.৯১ রান।
টুর্নামেন্টের শুরুতে বল হাতে তেমন ছন্দে ছিলেন না আফ্রিদি। প্রথম চার ম্যাচে নিয়েছিলেন মাত্র তিন উইকেট। তবে দলের চরম প্রয়োজনের সময় অর্থাৎ সুপার ফোরের শেষ দুই ম্যাচে ৩টি করে উইকেট নিয়ে ফাইনালে ওঠার পথে রেখেছেন বড় অবদান।
ওই দুই ম্যাচেই পাওয়ার প্লেতে উইকেট নিয়ে দলকে এগিয়ে দেন আফ্রিদি। এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ওভারে ২২টি উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার। আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যা সর্বোচ্চ।
এশিয়া কাপে ব্যাট হাতেও কম যাননি ২৫ বছর বয়সী এই তারকা। এখন পর্যন্ত ৪ ইনিংসে ৮৩ গড় ও ১৮৮.৬৩ স্ট্রাইক রেটে আফ্রিদির সংগ্রহ ৮৩ রান। নিচের দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ চারের পাশাপাশি তিনি মেরেছেন ৮টি ছক্কা। যা পাকিস্তানের সর্বোচ্চ।
ভারতের বিপক্ষে গ্রুপের ম্যাচে আফ্রিদি খেলেছিলেন ১৬ বলে ৩৩ রানের ইনিংস। যা দলকে এনে দেয় লড়াইয়ের পুঁজি। আর বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৩৫ রানের সংগ্রহে পৌঁছাতে তার ১৩ বলে ১৯ রানের ইনিংসের ছিল বড় অবদান।
তবে অভিষেকের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য এখন পর্যন্ত নাজুক অবস্থায় আফ্রিদি। গ্রুপ পর্বে তার করা ইনিংসের প্রথম ওভারের প্রথম বলে ৪ মারেন অভিষেক, পরের বল তিনি ওড়ান ছক্কায়। পরে সুপার ফোরের ম্যাচে আফ্রিদির প্রথম বলেই ছক্কা মেরে দেন অভিষেক।
দুই ম্যাচ মিলিয়ে আফ্রিদির মোট ১৪ বল খেলে ৩১ রান নিয়েছেন ভারতের মারকুটে ওপেনার। আর সব মিলিয়ে ওই দুই ম্যাচে মাত্র ৫.৫ ওভার বোলিং করে ৬৩ রান দিয়েছেন আফ্রিদি। যেখানে পাননি কোনো উইকেটের দেখা।
এবার ফাইনালে আফ্রিদির ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই, অভিষেকের জন্য আগের দুই ম্যাচের ধারা অব্যাহত রেখে দলকে আবারও উড়ন্ত সূচনা এনে দেওয়ার দায়িত্ব। শেষ পর্যন্ত তাদের মধ্যে সফল হবেন যিনি, তার দলের হাতেই উঠতে পারে এশিয়া কাপের শিরোপা।
No posts available.
২৮ এপ্রিল ২০২৬, ৭:৪৩ পিএম
২৮ এপ্রিল ২০২৬, ৬:৩০ পিএম

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ব্যাট হাতে যেন উড়ছেন বাবর আজম। মাত্র ৯ দিনের ব্যবধানে টুর্নামেন্টে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দেখা পেলেন এই পাকিস্তানি ব্যাটার।
মঙ্গলবার ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে ৫৯ বলে ১০৩ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ক্যারিয়ারের ১৩তম টি-টোয়েন্টি শতক তুলে নেন বাবর। একইসঙ্গে পিএসএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪টি সেঞ্চুরির অনন্য রেকর্ড এখন পেশোয়ার জালমির অধিনায়কের দখলে।
গত ১৯ এপ্রিল কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরসের বিপক্ষে ৫২ বলে ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন বাবর। ১৯২ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসটিতে মাত্র একটি বল ডট দিয়েছেন তিনি যা ৫০ বা এর চেয়ে বেশি বলের ইনিংসে সবচেয়ে কম।
আজ বাবরের স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭৪.৫৭। চারটি ছক্কা ও ১২টি বাউন্ডারি মেরেছেন জালমির অধিনায়ক। এই সেঞ্চুরিতে ক্রিস গেইলের (২২টি সেঞ্চুরি) ঠিক পরেই সর্বকালের সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির তালিকায় নিজের দ্বিতীয় স্থানটিকে আরও মজবুত করলেন তিনি।
চলতি পিএসএলে বাবর এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছেন। শুধু তাই নয়, পিএসএল ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে চারটি ভিন্ন আসরে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করার কীর্তিও গড়েছেন তিনি।

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) ২০২৬ সংস্করণে যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা। প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাচ্ছে সাতটি দল। ১৪তম সংস্করণে নতুন দল হিসেবে অভিষেক হতে যাচ্ছে ‘জ্যামাইকা কিংসেন’ এর।
২০২৩ মৌসুমের পর জ্যামাইকা তালাওয়াস বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি অ্যান্টিগায় স্থানান্তরিত হয়েছিল। তবে ২০২৬ জ্যামাইকা কিংসেন নামে নতুন দলের অন্তর্ভুক্তিতে জ্যামাইকান সমর্থকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটছে।
নতুন ভেন্যু হিসেবে যুক্ত হয়েছে সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনসের আর্নোস ভেল স্টেডিয়াম। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে এই মাঠেই মুখোমুখি হবে নবাগত জ্যামাইকা কিংসেন এবং অ্যান্টিগা ও বারবুডা ফ্যালকনস। উদ্বোধনী ম্যাচসহ টুর্নামেন্টের প্রথম তিনটি ম্যাচ এখানেই হবে।
সিপিএলের প্রধান নির্বাহী পিট রাসেল বার্বাডোজকে ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে ঘোষণা করে বলেন, ‘আমরা বার্বাডোজে ফাইনাল সপ্তাহ আয়োজনের বিষয়ে অত্যন্ত উৎসাহিত। টুর্নামেন্টের ১৪ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও স্মরণীয় ফাইনাল উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। প্রতি বছরই আমরা মানোন্নয়নের চেষ্টা করি এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে ২০২৬ সংস্করণটি এযাবৎকালের সেরা হতে যাচ্ছে।‘
আগামী ৭ আগস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে এবার মোট ৩৯টি ম্যাচ হবে। লিগ পর্যায়ের খেলাগুলো চলবে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর শুরু হবে নকআউট পর্বের লড়াই।

অধিনায়কের স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের উড়ন্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ। তাদের সামনে এখন সিরিজ জয়ের সম্ভাবনা। আর অধিনায়ক লিটন কুমার দাসের সামনে হাতছানি সবাইকে টপকে শীর্ষে ওঠার।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লা. লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও নিউ জিল্যান্ড। দুপুর ২টায় শুরু হবে খেলা। এই ম্যাচ জিতলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ট্রফি নিজেদের করে ফেলবে বাংলাদেশ।
আর সিরিজের ট্রফি নিশ্চিত করতে পারলে অধিনায়ক লিটনের জন্যও হবে দারুণ এক রেকর্ড। এই সংস্করণে জয়-পরাজয়ের হারে আগেই সবার ওপরে ছিলেন অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটার। এবার জয়ের সংখ্যায়ও সবাইকে টপকে যাবেন তিনি।
এখন পর্যন্ত ৩০ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে ১৬টি জয় পেয়েছেন লিটন। হেরেছেন ১৩ ম্যাচে। তার জয়-পরাজয়ের হার ৫৩.৩৩ শতাংশ। বাংলাদেশের হয়ে অন্তত ১০ ম্যাচ নেতৃত্ব দেওয়া অধিনায়কদের মধ্যে তার জয়-পরাজয়ের হারই সবার সেরা।
আরেকটি ম্যাচ জিততে পারলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাকিব আল হাসানকে টপকে জয়ের সংখ্যায়ও সবার ওপরে উঠে যাবেন লিটন। মাহমুদউল্লাহরে নেতৃত্বে ৪৩ ম্যাচের ১৬টি জিতেছে বাংলাদেশ। আর সাকিবের অধিনায়কত্বে ৩৯ ম্যাচে জয় ১৬টি।
অগ্রজ দুজনের চেয়ে কম ম্যাচ খেলেই দেশের সফলতম অধিনায়ক হওয়ার সুযোগ এখন লিটনের সামনে।
লিটনের ইতিহাস গড়ার অপেক্ষা হয়তো বাড়িয়ে দিতে পারে প্রকৃতি। মঙ্গলবার দিনভর ভারী বর্ষণে ভিজেছে চট্টগ্রাম নগরী। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বুধবারও রয়েছে বৃষ্টির শঙ্কা। তাই দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ভেসে যাওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়ে গেলেও অবশ্য এই সিরিজে আরেকটি সুযোগ থাকবে লিটনের। মিরপুরে আগামী শনিবার সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে লড়বে দুই দল। তার আগে অবশ্য চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ম্যাচ জিতেই সিরিজটি নিজেদের করে ফেলার চেষ্টাই করবে বাংলাদেশ।

ব্রিজটাউনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ৫৯ বলে ৭৬ রানের ইনিংসে ভারতকে ট্রফি উপহার দিয়ে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিয়েছেন বিদায় বিরাট কোহলি। তার সঙ্গে রোহিত শর্মা-রবীন্দ্র জাদেজাও সংক্ষিপ্ত সংস্করণের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বলেছেন বিদায়। তবে রোহিত-জাদেজার বিদায়ী ঘোষণা সমর্থকরা মেনে নিলেও কোহলির বিদায়টা ছিল না মেনে নেওয়ার মতো। ২২ মাস আগের সেই কোহলির সেই বিদায়ের কারণ জানতে এখনও কৌতুহলী ক্রিকেট ভক্তরা।
৩৭-এ দাঁড়িয়ে যেভাবে আইপিএলের চলমান আসরে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে চলেছেন, তাতে একটার পর একটা রেকর্ড হয়েই চলেছে। আইপিএলের চলমান আসরে প্রথম ম্যাচেই ফিফটি। সানরাইজার্স হায়দারাদের বিপক্ষে ৬৯ রানের হার না মানা ইনিংস থেকে প্রেরণা নিয়ে ওয়াংখেড়েতে স্বাগতিক মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষেও ফিফটি (৫০)। ৭ম রাউন্ডে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ২০৬ রান তাড়া করে ৪৪ বলে ৮১ রানের ঝড়ো ইনিংসে ম্যাচ উইনার বিরাট কোহলি।
৮ম রাউন্ডে এসে লো স্কোরিং ম্যাচে ২৩ রানের হার না মানা ইনিংসে আইপিএলে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৯ হাজারী ক্লাবের সদস্যপদ পেয়েছেন। ২৬৭ ইনিংসে ৪০.০৫ গড় এবং ১৩৩.৮০ স্ট্রাইক রেটে ৯০১২ রানে আইপিএলে ব্যাটারদের চূড়ায় এখন কোহলি। আইপিএলে তাঁর ধারে-কাছে নেই কেউ। ৮ হাজারী ক্লাবে নাম উঠতে পারেনি দ্বিতীয় কোনো ব্যাটার। তাঁর পেছনে আছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের রোহিত শর্মা ৭১৮৩ রান নিয়ে।
আইপিএলে রানের এভারেস্টে থাকা বিরাট কোহলির সামনে হাতছানি দিচ্ছে টি-২০-তে আরও একটি মাইলস্টোন। টি-২০তে ১৪ হাজারী ক্লাবে ৬ষ্ঠ এবং প্রথম ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে নাম লেখানোর জন্য এখন কোহলির দরকার ১০৬ রান। তা সম্ভব হলেই ক্যারিবিয়ান টি-২০ লিজেন্ডারি ক্রিস গেইল (৪৬৩ ম্যাচে ১৪৫৬২), কাইরন পোলার্ড (৭৩৫ ম্যাচে ১৪৬২), ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেলস ( ৫২৮ ম্যাচে ১৪৪৪৯), অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার ( ৪৩৯ ম্যাচে ১৪২৮৪) এবং ইংল্যান্ডের জস বাটলারের ( ৫০১ ম্যাচে ১৪১১৫) পাশে প্রথম ভারতীয় হিসেবে নাম লেখাবেন বিরটি কোহলি।
আইপিএলের চলমান আসরে হয়ে যাওয়া ৮ম রাউন্ড শেষে রান সংগ্রহে চতুর্থ শীর্ষে (৩৫১ রান) থাকা কোহলির গড় এবং স্ট্রাইক রেট সত্যিই প্রশংসনীয়। ক্যারিয়ারেরর সায়াহ্নে দাঁড়িয়ে ৫৮.৫০ গড় এবং ১৬২.৫০ স্ট্রাইক রেটে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন সানরাইজার্স হায়দারাবাদের তরুণ অভিষেক শর্মা (৩৮০), দিল্লী ক্যাপিটালসের লোকেশ রাহুল (৩৫৮) এবং রাজস্থান রয়্যালসের কিশোর বৈভব সূর্যবংশীকে (৩৫৭)। যে গতিতে রান উঠছে কোহলির ব্যাটে, তাতে আইপিএলের পরবর্তী ২ রাউন্ডের মধ্যেই টি-২০-তে ১৪ হাজার রান ছুঁয়ে ফেলার সম্ভাবনা প্রবল তাঁর।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে চমৎকার ব্যাটিংয়ের পর আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে পুরস্কার পেলেন সোবহানা মোস্তারি। ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে ৫ ধাপ এগোলেন মিডল-অর্ডার এই ব্যাটার।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার মেয়েদের ক্রিকেটের র্যাঙ্কিংয়ের হালনাগাদ প্রকাশ করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা আইসিসি।
লঙ্কানদের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত সিরিজে ৬০ গড়ে ১২০ রান করে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে ৫ ধাপ এগিয়ে ৪৭১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৪৫ নম্বরে উঠে এসেছেন সোবহানা। এটিই তার ক্যারিয়ার সেরা রেটিং।
এছাড়া অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ৩ ধাপ এগিয়ে ৩৫ নম্বরে উঠেছেন। ভালো করতে না পারায় ৫ ধাপ পিছিয়ে ২৭ নম্বরে নেমে গেছেন শারমিন আক্তার সুপ্তা।
বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছেন নাহিদা আক্তার। ২ ধাপ এগিয়ে ১১ নম্বরে উঠেছেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার। ৪ ধাপ পিছিয়ে ২৪ নম্বরে নেমে গেছেন লেগ স্পিনার রাবেয়া খান।