
প্রিমিয়ার লিগে বুধবার রাতে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। দলের মাঝমাঠের অন্যতম দুই কান্ডারি ফিল ফোদেন ও বার্নাদো সিলভা ছিলেন দুর্দান্ত। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সিলভার অভিজ্ঞতা আর ফোদেনের তারুণ্যের পার্থক্য বোঝাতে গিয়ে সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা রসিকতা করে বলেন, ‘বার্নার্দো এখন দাদু হয়ে গেছে, সে অনেক বুড়ো!'
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে প্যালেসের বিপক্ষে সিটির জয় ৩-০ গোলে। সিটিজেনদের হয়ে গোল করেছেন আন্তোনি সেমেনিয়ো, ওমর মারমুশ ও সাভিনিও। এই জয়ে লিগ শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান ২-এ নামিয়ে এনেছে গার্দিওলার শিষ্যরা।
ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন ফোদেন। এর মাধ্যমে প্রিমিয়ার লিগে ১০০তম গোল ও অ্যাসিস্টের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই ইংলিশ মিডফিল্ডার। ফোদেনের সঙ্গে মাঝমাঠে প্যালেসের রক্ষণ ভাঙতে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখেন ৩১ বছর বয়সী সিলভা। ম্যাচে এই পর্তুগিজ তারকার রেটিং পয়েন্ট ৭.৪।
দুই শিষ্যের ভূমিকা নিয়ে গার্দিওলা বলেন, ‘খেলার পরিস্থিতি বুঝতে পারার ক্ষেত্রে বার্নার্দো অনেক এগিয়ে, কিন্তু ফোদেন বক্সের মধ্যে অনেক বেশি ভয়ংকর। ফোদেনকে সিলভার মতো অভিজ্ঞ হতে হলে ধাপে ধাপে আরও শিখতে হবে। সে তো এখনো ছোট ছেলে, অন্যদিকে বার্নার্দো দাদুর বয়সে পৌঁছে গেছে!’
এই জয়ের পর সিটির পয়েন্ট ৭৭, অন্যদিকে শীর্ষে থাকা আর্সেনালের পয়েন্ট ৭৯। দুই দলেরই লিগে আর দুটি করে ম্যাচ বাকি। গার্দিওলার দলকে বাকি দুটি ম্যাচ জয়ের পাশাপাশি প্রার্থনা করতে হবে আর্সেনাল যেন অন্তত একটিতে হোঁচট খায়।
No posts available.
১৩ মে ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম

ইতালীয় ফুটবলে আবারও ফিরে এসেছে ইন্টার মিলানের সেই সোনালী দিন। হোসে মরিনহোর অধীনে ২০১০ সালে ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ের পর এই প্রথম একই মৌসুমে সিরি আ এবং ইতালিয়ান কাপ শিরোপা জিতল তারা।
বুধবার রাতে ইতালিয়ান কাপ ফাইনালে লাৎসিওকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মিলান। এই জয়ে দশম ইতালিয়ান কাপের শিরোপা ঘরে তুলল ক্রিস্টিয়ান কিভুর শিষ্যরা। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে তিন ম্যাচ হাতে রেখে লিগ শিরোপা নিশ্চিত করে ইন্টার।
রোমে ম্যাচের ১৪ মিনিটে ফেদেরিকো দিমারকোর কর্নার বিপদমুক্ত করতে গিয়ে উল্টো নিজেদের জালে বল পাঠান লাৎসিও ডিফেন্ডার অ্যাডাম মারুসিক। আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয় গোলটিও হজম করে লাৎসিও।
আরও পড়ুন
| মেসির জোড়ায় মায়ামির রোমাঞ্চকর জয় |
|
৩৫ মিনিটে লাৎসিওর পর্তুগিজ লেফট-ব্যাক নুনো তাভারেস নিজেদের পেনাল্টি বক্সের ঠিক বাইরে বল নিয়ন্ত্রণে মারাত্মক ভুল করেন। সেই সুযোগে ডেনজেল ডামফ্রিসক দ্রুতগতিতে বলটি কেড়ে নিয়ে বক্সে ঢোকেন। তাঁর বাড়িয়ে দেওয়া বল অনায়াসে জালে জড়ান মার্তিনেজ।
ইন্টার মিলানের এই সাফল্যের পেছনে বড় অবদান কিভুর। গত মৌসুমে পারমাকে অবনমন থেকে বাঁচিয়ে আলোচনায় আসা এই কোচ ইন্টারের দায়িত্ব নিয়েই বাজিমাত করেছেন। ২০১০ সালের সেই ট্রেবল জয়ী ইন্টার দলের সদস্য ছিলেন তিনি নিজেই।
গত মৌসুমে নাপোলির কাছে লিগ শিরোপা হারায় ইন্টার। চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে পিএসজির কাছে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারের পর সিমোনে ইনজাঘির স্থলাভিষিক্ত হন কিভু।
ডাবল জিতে ইন্টার অধিনায়ক মার্তিনেজ বলেন, ‘গত বছরের সেই পরিস্থিতির পর আবার নতুন করে শুরু করা সহজ ছিল না। কিন্তু আমরা পারফরম্যান্স এবং খেলার তীব্রতা দিয়ে একটি দুর্দান্ত মৌসুম কাটাতে পেরেছি। ডাবল জয় আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।‘

লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে ইন্টার মায়ামি। সিনসিনাটির বিপক্ষে দুই গোল ও এক অ্যাসিস্টের মাধ্যমে দলকে জয় এনে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
আজ ভোরে হওয়া ম্যাচে সিনসিনাটিকে ৫-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে মায়ামি। এই জয়ের ফলে প্রতিপক্ষের মাঠে টানা সাত ম্যাচ জেতার রেকর্ড গড়ল তারা।
ম্যাচের ২৪ মিনিটে লিড নেয় মায়ামি। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করতে গেলে মেসির পায়ে লেগে বল জালে জড়ায়। ৪১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সিনসিনাটিকে সমতায় ফেরান কেভিন ডেঙ্কি।
দ্বিতীয়ার্ধের চতুর্থ মিনিটে সিনসিনাটিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন পাভেল বুচা। তবে স্বাগতিকরা লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। ৫৫ মিনিটে রদ্রিগো ডি পল পেনাল্টি বক্সের ভেতর থেকে বল বাড়িয়ে দিলে দুর্দান্ত এক শটে মায়ামিকে ২-২ সমতায় ফেরান মেসি।
আরও পড়ুন
| টানা পঞ্চমবারের মতো লিগ শিরোপা জিতল পিএসজি |
|
এই গোলের মাধ্যমে এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে ৬৫ ম্যাচে মেসির গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১-তে। লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে ১২ গোল নিয়ে এখন দ্বিতীয় স্থানে এলএমটেন।
ম্যাচের ৬৪ মিনিটে ইভান্দার ফেরাইরার দুর্দান্ত শটে আবারও এগিয়ে যায় সিনসিনাটি। ৭৯ মিনিটে মেসির বাড়িয়ে দেওয়া বল থেকে মাতেও সিলভেত্তি গোল করে মায়ামিকে সমতায় ফেরান।
৮৪ মিনিটে সিনসিনাটির রক্ষণ ও গোলকিপারের ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নিয়ে ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে মায়ামিকে লিড এনে দেন জার্মান বের্তেরাম।
ম্যাচের ৮৯ মিনিটে মেসির শট পোস্টে লেগে গোলকিপারের গায়ে লেগে জালে জড়ালে সেটি আত্মঘাতী গোল হিসেবে গণ্য হয়। প্রাথমিকভাবে মাঠের সবাই মেসির হ্যাটট্রিক গোল মনে করলেও ম্যাচ শেষে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এমএলএস কর্তৃপক্ষ।
১৩ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে ইন্টার মায়ামি। সমান ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে ৮ নম্বরে সিনসিনাটি, এক ম্যাচ কম খেলে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ন্যাশভিল এসসি।

ফরাসি লিগ আ’তে বুধবার রাতে মুখোমুখি হয়েছিল টেবিলের শীর্ষ দুই দল পিএসজি ও লেন্স। শিরোপা জিততে পিএসজির জন্য ড্র-ই যথেষ্ট ছিল। তবে জয় দিয়ে উদযাপন করেছে প্যারিসের ক্লাবটি।
ঘরের মাঠে বুধবার রাতে লেন্সের বিপক্ষে পিএসজির জয় ২-০ গোল ব্যবধানে। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই টানা পঞ্চম বারের মতো ফরাসি লিগ আ শিরোপা জিতল প্যারিসিয়ানরা।
পার্ক দে প্রাসে ম্যাচের ২৯ মিনিটে উসমান দেম্বেলের পাস থেকে পিএসজিকে লিড এনে দেন জর্জিয়ান উইঙ্গার খভিচা কভারাতসখেলিয়া। সমতায় ফিরতে লেন্স মরিয়া হয়ে লড়লেও বাধা হয়ে দাঁড়ান পিএসজি কিপার মাতভেই সাফোনোভ। লেন্সের ওয়েসলি সাঈদ এবং আবদুল্লাহ সিমার নিশ্চিত কয়েকটি সুযোগ রুখে দেন।
ম্যাচের ইনজুরি টাইমে ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ইব্রাহিম এমবায়ে লক্ষ্যভেদ করলে উদযাপনে মাতে স্বাগতিকরা। দেজিরে দুয়ের পাস থেকে জোরালো শটে লেন্সের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন এই তরুণ তুর্কি।
আরও পড়ুন
| রিয়ালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়ানোর গুঞ্জনে মুখ খুললেন নাদাল |
|
৩৩ ম্যাচ শেষে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে পিএসজি। সমান ম্যাচে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা লেন্সের সাথে পিএসজির ব্যবধান এখন ৯ পয়েন্টের। শেষ ম্যাচে লেন্স জিতলেও পিএসজিকে ধরতে পারবে না।
২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর পিএসজিকে টানা তিনটি লিগ শিরোপা জেতালেন লুইস এনরিকে। ম্যাচশেষে এই স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘আগেরগুলোর চেয়ে এই শিরোপা জেতা বেশি কঠিন ছিল। লেন্স দারুণ খেলেছে এবং এটি জিততে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে; এখানে জেতা তিনটি শিরোপার মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে কঠিন।‘
ইতিমধ্যেই ফরাসি সুপার কাপ এবং লিগ ওয়ান জয় করা পিএসজির সামনে এখন ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ের হাতছানি। ৩০ মে বুদাপেস্টে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে প্রিমিয়ার লিগ টেবিল টপার আর্সেনালের মুখোমুখি হবে প্যারিসের ক্লাবটি।
হারের তিক্ততা থাকলেও লেন্সের সামনে রয়েছে ফ্রেঞ্চ কাপের ফাইনাল। আগামী ২২ মে নিসের বিপক্ষে সেই শিরোপা লড়াইয়ে মাঠে নামবে পিয়েরে সেজের শিষ্যরা।

রিযাল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের হঠাৎ ডাকা সংবাদ সম্মেলন এবং এর পরপরই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঘোষণায় রীতিমতো হইচই রটে গিয়েছে। যদিও পেরেজ এখনই এই দায়িত্ব থেকে অবসর নেওয়ার কোনো ইচ্ছা পোষণ করেননি, তবুও ক্লাবের মাঝে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে আবারও একটি নতুন ম্যান্ডেট বা গণদেশ চাইছেন তিনি।
রিয়াল মাদ্রিদের এই নির্বাচনে পেরেজের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে স্প্যানিশ ব্যবসায়ী এনরিকে রিকুয়েলমে ছাড়া অন্য কারও নাম সেভাবে এখনো সামনে আসেনি। তবে স্পেনের স্থানীয় কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে কিংবদন্তি টেনিস তারকা রাফায়েল নাদালের নাম এই পদের সঙ্গে জড়িয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে।
নির্বাচনে নিজের প্রার্থী হওয়ার গুঞ্জন নিয়ে এবার প্রকাশ্যেই মুখ খুললেন টেনিস কিংবদন্তি রাফায়েল নাদাল। তাকে ঘিরে নানা জল্পনা ডালপালা মেললে তিনি এই নির্বাচন থেকে নিজেকে দূরে রাখার ঘোষণা দেন।
২২টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক নাদাল আজীবন রিয়াল মাদ্রিদের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত। ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার ঠিক একদিন পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় সব গুঞ্জন থামিয়ে দেন নাদাল। এর আগে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে, নাদাল হয়তো পেরেজের চ্যালেঞ্জার হিসেবে নির্বাচনে লড়তে পারেন।
নাদাল নিজের বার্তায় লেখেন, ‘আমি এমন কিছু খবর পড়েছি যেখানে রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট পদে আমার সম্ভাব্য প্রার্থিতার বিষয়ে বলা হয়েছে। আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে, এই খবরগুলো মোটেও সত্য নয়।’
পেরেজের ঘোষণার পরপরই এই গুঞ্জন শুরু হয়। এক সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জানান, ক্লাবের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করতে পারেন এমন যেকোনো সদস্যই প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়াই করতে পারবেন।
নাদালের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা, ক্লাবের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং সমর্থকদের মাঝে তাঁর গ্রহণযোগ্যতার কারণে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ও অনলাইন আলোচনায় দ্রুত তাঁর নাম উঠে আসে। তবে এই কিংবদন্তি সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি এই প্রক্রিয়ার মধ্যে নেই।
নাদাল নিজেকে সরিয়ে নিলেও এখন সবার নজর অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের দিকে। স্পেনে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসছে এনরিকে রিকুয়েলমের নাম, যিনি গুরুত্বের সঙ্গেই নির্বাচনী প্রচারণার কথা ভাবছেন বলে জানা গেছে।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ শেষ পর্যন্ত কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখে পড়বেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়; তবে নির্বাচন ঘিরে স্প্যানিশ ফুটবল মহলে ইতিমধ্যে কৌতূহল ও উত্তেজনা শুরু হয়ে গেছে।

ক্লাব বিশ্বকাপে ফুটবলাদের এককভাবে মাঠে প্রবেশের (সিঙ্গেল প্লেয়ার ওয়াকআউট) প্রথা দেখা যাবে না ২০২৬ বিশ্বকাপে। বুধবার এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থা ফিফা।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্পোর্টস লিগের আদলে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপে ‘ওয়াকআউট’ ফরম্যাট পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছিল ফিফা। এই ধারণার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রতিটি খেলোয়াড়কে আলাদাভাবে দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা। তবে ফুটবল ঐতিহ্যের সঙ্গে বিষয়টি একদমই খাপ খায়নি। এমনকী এ নিয়ে তৈরি হয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
বিশ্বকাপের ম্যাচ শুরুর আগের প্রটোকলের কথা বিবেচনা করেই একক প্রবেশ প্রথাটি বাদ দেওয়া হচ্ছে। এর পরিবর্তে ফিফা খেলোয়াড়দের মাঠে প্রবেশের জন্য সম্পূর্ণ নতুন কোনো পদ্ধতি বিবেচনা করছে, যা প্রথাগত দলগত প্রবেশের চেয়ে আলাদা হবে।
গত বছরের টুর্নামেন্টে দলগুলো তাদের খেলোয়াড়দের মাঠে প্রবেশের ক্রম ঠিক করার সুযোগ পেয়েছিল। শর্ত ছিল অধিনায়ককে সবার শেষে মাঠে প্রবেশ করতে হবে। তৎকালীন সময়ে চেলসি মিডফিল্ডার রোমিও লাভিয়া এই আয়োজনকে ইতিবাচকভাবে দেখেছিলেন। তিনি এটিকে ফুটবলে কিছুটা 'শোবিজ' বা বিনোদনের ছোঁয়া হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।
সাংবাদিকদের লাভিয়া বলেছিলেন,
‘আমি মনে করি এটি আমাদের জন্য নতুন এবং বিশেষ কিছু। আমি এটি উপভোগ করেছি। এটি প্রিমিয়ার লিগেও কেন চালু করা হবে না?’
লাভিয়া মনে করেন, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলো থেকে সবসময়ই নতুন কিছু শেখা যায় এবং এটিই বিশ্বকাপ বা বড় টুর্নামেন্টগুলোকে বিশেষ করে তোলে।