২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১১:২৫ এম

অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাত্র দুই দিনে হেরে যাওয়ার পর যে কোনো ধরনের সমালোচনা শুনতে রাজি বেন স্টোকস। তবে তার দলকে কেউ ‘অ্যারোগেন্ট’ (অহংকারী) বললে সেটি মেনে নিতে রাজি নন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
পার্থ টেস্টে প্রথম ইনিংসে লিড নিয়েছিল ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিনে ৯ উইকেট বাকি রেখে একপর্যায়ে ১০৫ রানে এগিয়ে ছিল তারাই। কিন্তু সেখান থেকে মাত্র ৯৯ থেকে বাকি ৯ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় সফরকারীরা।
পরে ট্রাভিস হেডের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ২৯ ওভারের মধ্যে ২০৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ফেলে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের পর থেকেই তুমুল সমালোচনার শিকার ইংল্যান্ড। সাবেক ক্রিকেটার ও বিশ্লেষকদের অনেকেই বলছেন, অহংবোধ থেকে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে গিয়েই ইংল্যান্ডের এই দশা।
এই কথা মানতে একদমই রাজি নন স্টোকস। তার মতে, সিরিজের প্রথম ম্যাচে হয়তো রাবিশ ক্রিকেট খেলেছে ইংল্যান্ড। কিন্তু অ্যারোগেন্ট হননি তারা। সিরিজের সামনের সময়ে তাই অন্য যে কোনো সমালোচনা শুনতে রাজি তিনি। তবে অ্যারোগেন্ট শব্দে তার আপত্তি।
আরও পড়ুন
| ব্রাজিলকে উড়িয়ে আর্জেন্টিনার তিনে তিন |
|
"দেখুন, আপনারা আমাদের রাবিশ বলতে পারেন, যেটা খুশি বলতে পারেন। আমরা যেটা চাইতাম সেই অনুযায়ী টেস্ট ম্যাচটা খেলতে পারিনি। আমরা ম্যাচের কিছু অংশে দারুণ ছিলাম… কিন্তু আমি মনে করি ‘অ্যারোগেন্ট’ কথাটা একটু বেশিই হয়ে যায়।"
"তবে ঠিক আছে। ভালো-খারাপ দুইটাই মেনে নেব। আমাদেরকে ‘রাবিশ’ বলাও আমি বেশি পছন্দ করব, কিন্তু ‘অ্যারোগেন্ট’- এটি নিয়ে আমি ততটা নিশ্চিত নই।”
দুই দিনে প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ায় ব্রিসবেনে দ্বিতীয় টেস্টের আগে ১১ দিন সময় পেয়ে গেছে ইংল্যান্ড। লম্বা এই বিরতিতে শুরুতে ছুটি কাটিয়েছে তারা। পরে দলীয় আলোচনায় সাজিয়ে নিয়েছে দ্বিতীয় ম্যাচের পরিকল্পনা। আর শনিবার থেকে পিংক বলে অনুশীলন শুরু করেছে সফরকারী।
ব্রিসবেনের গ্যাবায় আগামী ৪ নভেম্বর শুরু হবে পিংক বলের দিবা-রাত্রির টেস্ট।
No posts available.

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এবং পাকিস্তান সুপার লিগের ( পিএসএল) ধাক্কা ভালই লেগেছে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটে। বোর্ডের অনাপত্তিপত্র নিয়ে এই দুটি ফ্রাঞ্চাইজি লিগে নিউ জিল্যান্ডের সেরা ক্রিকেটাররা এখন খেলছেন। সে কারণেই নিউ জিল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক স্যান্টনার, গ্লেন ফিলিপ এবং রাচিন রবীন্দ্রকে বাইরে রেখে বাংলাদেশ সফরের ওডিআই স্কোয়াড ঘোষণা করতে হয়েছে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটকে।
১৫ সদস্যের স্কোয়াডে অধিনায়ক টম ল্যাথাম, হেনরি নিকোলাস এবং ইস সোধি ছাড়া অভিজ্ঞ ক্রিকেটার নেই তেমন একটা। দলের মিডল অর্ডার বেভন জ্যাকবসের হয়নি ওডিআই অভিষেক। লেগ স্পিনার জসুয়া ক্লার্কসন এবং পেসার ম্যাট ফিশার খেলেছেন ৫০ ওভারের আন্তর্জাতিক ম্যাচ মাত্র ১টি। বাঁ হাতি স্পিনার জায়দান লিনাক্স সেখানে খেলেছেন ২টি ওডিআই। পেস বোলার ক্রিস্টার্ন ক্লার্ক, বাঁ হাতি স্পিনার নিক বেলি এবং লেগ স্পিনার অদ্বিতীয়া অশোকার ওডিআই ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা মাত্র ৩টি করে।
পরিস্থিতির মুখে ইনজুরি থেকে ফেরা জাতীয় দলের ৩ অনিয়মিত পেসার ম্যাট ফিশার, ও রোর্কে এবং ব্লেয়ার টিকনারকে নিয়ে ১৫ সদস্যের স্কোয়াড গঠন করতে হয়েছে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটকে।
ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত একটি মৌসুম কাটানোর পর অফ-স্পিনিং অলরাউন্ডার ডিন ফক্সক্রফট সাদা বলের দলে ফিরেছেন। নিউজিল্যান্ড 'এ' দলের হয়ে দারুণ পারফর্ম করে মোহাম্মদ আব্বাস, আদিত্য অশোক, ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক এবং বেন সিয়ার্সের মতো খেলোয়াড়রা ওডিআই স্কোয়াডে ঢুকেছেন।
আগামী ১৩ এপ্রিল ঢাকায় পা রাখার কথা নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট দলের। আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে ৩ ম্যাচের ওডিআই এবং ২৭ এপ্রিল থেকে ৩ ম্যাটের টি-২০ সিরিজের জন্য ইতোমধ্যে দুটি পৃথক স্কোয়াড ঘোষণা করেছে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট। উভয় দলকে নেতৃত্ব দিবেন টম ল্যাথাম।
বাংলাদেশ সফরে নিউজিল্যান্ড ওডিআই স্কোয়াড: টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ আব্বাস, আদিত্য অশোক, ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক, জশ ক্লার্কসন, ডেন ক্লিভার, ডিন ফক্সক্রফট, নিক কেলি, জেডেন লেনক্স, হেনরি নিকোলস, উইল ও'রোর্ক, বেন সিয়ার্স, নাথান স্মিথ, ব্লেয়ার টিকনার এবং উইল ইয়ং।
বাংলাদেশ সফরে নিউ জিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), কেটেন ক্লার্ক, ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক, জশ ক্লার্কসন, ডেন ক্লিভার, ম্যাট ফিশার, ডিন ফক্সক্রফট, বেভন জ্যাকবস, নিক কেলি, জেডেন লেনক্স, টিম রবিনসন, বেন সিয়ার্স, নাথান স্মিথ, ইশ সোধি, ব্লেয়ার টিকনার।

দীর্ঘদিন ভারত জাতীয় দলে উপেক্ষিত মোহাম্মদ শামি। টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডের পর টেস্ট দলেও এখন ব্রাত্য এই পেসার। ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও জাতীয় দলে ডাক না পাওয়ায় নিজের হতাশা লুকিয়ে রাখতে পারেননি শামি।
সবশেষ ২০২৫ সালের মার্চে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ফাইনালে ভারতের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন শামি। পুরোপুরি ফিট হওয়া সত্ত্বেও এরপর জাতীয় দলে আর ফেরা হয়নি তাঁর। ২০২৫-২৬ ঘরোয়া মৌসুমে ৬৭টি উইকেট নিয়েছেন শামি। তবুও মন গলেনি ভারতের প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকারের।
ভারতের জনপ্রিয় সাংবাদিক শুভঙ্কর মিশ্র শুভঙ্কর মিশ্রর পডকাস্টে নিজের হতাশা ঝাড়েন শামি,
‘আইপিএলের কথাই ধরুন, আমার রেকর্ড দেখুন। অন্য কোনো ভারতীয় বোলার আমার ধারেকাছে নেই। তবুও বলা হয় আমি টি-টোয়েন্টি বোলার নই। গত ৫-৬ বছরে আমি প্রায় ১৩০টি উইকেট নিয়েছি। আর কী চান আপনারা?’
২০১৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক হয় শামির। ভারতের জার্সিতে সব ফরম্যাট মিলিয়ে এখন পর্যন্ত নিয়েছেন ৪৬২ উইকেট। বিরাট কোহলি-রবি শাস্ত্রী যুগে ভারতীয় বোলিং আক্রমণে বড় অস্ত্র ছিলেন ৩৫ বছর বয়সী পেসার।
তিনটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলা শামি ঘরের মাঠে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচে ২৪ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে (২০১৮-১৯ এবং ২০২০-২১) টানা দুটি টেস্ট সিরিজ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এই পেসার।
অবশ্য ভারতের হয়ে এখন পর্যন্ত যত সাফল্য পেয়েছেন, তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে চাচ্ছেন শামি। দলে আবার সুযোগ পাওয়া নিয়ে মাথা ঘামাতে চান না তিনি,
‘সত্যি বলতে, আমার তাতে কিছু যায় আসে না। আমার ঘরোয়া রেকর্ড দেখুন; বল দিলে তো আমি উইকেট নেব, তা না হলে আমি বড়জোর 'ওয়াটার বয়' হিসেবে কাজ করতে পারি। কিন্তু আমি এই নিয়ে খুব একটা বিচলিত নই। ভারতের হয়ে যতটুকুই খেলেছি, অনেক নাম, যশ আর অর্থ পেয়েছি। আমি দেশের জন্য অনেকগুলো বছর দিয়েছি এবং অনেকগুলো বিশ্বকাপ খেলেছি, এতেই আমি তৃপ্ত।‘
এবারের আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টসের (এলএসজি) হয়ে খেলবেন শামি। গত নভেম্বরে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ থেকে ১০ কোটি রুপিতে ট্রেডে তাকে দলে ভেড়ায় লখনউ।

প্রথমবার বিগ ব্যাশে নাম লিখিয়েই অসাধারণ পারফরম্যান্স উপহার দেওয়া রিশাদ হোসেন পেলেন বিশেষ এক স্বীকৃতি। ক্রিকেট তাসমানিয়ার বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশী এই লেগ স্পিনার। আনুষ্ঠানিকভাবে আজ তারা রিশাদের নাম ঘোষণা করে।
বিগ ব্যাশের ২০২৫-২৬ মৌসুমে ব্যাট-বল হাতে পারফরমেন্সের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দিয়ে থাকে ক্রিকেট তাসমানিয়া। রিশাদের সঙ্গে বর্ষসেরা বিগ ব্যাশ খেলোয়াড়ের মনোনয়ন পেয়েছেন নাথান এলিস, ক্রিস জর্ডান এবং নিখিল চৌধুরী।
রিশাদকে বর্ষসেরা মনোনয়নের ব্যাখ্যায় ক্রিকেট তাসমানিয়া নিজেদের ওয়েবসাইটে লিখেছিল, ‘বেগুনি জার্সিতে নিজের প্রথম বছরেই দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছেন বাংলাদেশের লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেন।’
বল হাতে নিয়মিত আলো ছড়িয়ে হোবার্ট হারিকেন্সকে প্লে-অফে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রিশাদ। সবশেষ বিগ ব্যাশের প্লে অফ থেকে বিদায় নিয়েছে হোবার্ট। আসরে ১১ ইনিংসে ১৫ উইকেট নেন রিশাদ। হ্যারিকেন্সের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী বোলার ছিলেন তিনি। ওভারপ্রতি খরচ করেছেন ৭.৮২ রান, বোলিং গড় ২০.৮৬। ২৬ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট রিশাদের সেরা বোলিং।

গত বছরের স্থগিত হওয়া সিরিজ খেলতে আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দলের। সেই সফরের সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে এর আগে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়েতে যাবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
বুধবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের সূচি প্রকাশ করেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট (জেসি)। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ২৩, ২৫ ও ২৬ জুলাই হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় শুরু হবে সব খেলা।
আরও পড়ুন
| আইপিএলে টাকা কম, তাই পিএসএল খেলছেন জাম্পা |
|
২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর এটিই হবে ভারতের প্রথম জিম্বাবুয়ে সফর। এরপর আবার ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে তিন ওয়ানডে খেলতে ভারতে যাবে জিম্বাবুয়ে দল। ২০০২ সালের পর সেটিই হবে জিম্বাবুয়ের প্রথম ভারত সফর।
সবশেষ চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও জিম্বাবুয়ে। সুপার এইটের ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২৫৬ রানের পুঁজি নিয়ে জিম্বাবুয়েকে সেদিন ৭২ রানে হারায় ভারত।
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিভমোর মাকোনি বলেছেন, ভারতের বিপক্ষে এই সিরিজটি খেলোয়াড় ও সমর্থক- উভয়ের জন্যই বড় একটি সুযোগ তৈরি করেছে।
“ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ মানেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে নিজেদের মাটিতে খেলা আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য নিজেদের সামর্থ্য যাচাই করার দারুণ সুযোগ।”
“বিশ্বকাপে আমাদের উৎসাহব্যঞ্জক পারফরম্যান্সের পর এই সিরিজ আমাদের জন্য গতি ধরে রাখার ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিযোগিতামূলক শক্তি হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।”
দুই দশকের বেশি সময় পর ভারতের মাটিতে জিম্বাবুয়ের সামনের সফরটিও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট।
আরও পড়ুন
| ম্যাচ জিতে দুঃসংবাদ পেলেন শ্রেয়াস আইয়ার |
|
“দুই দশকেরও বেশি সময় পর দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ খেলতে ভারতে যাওয়া জিম্বাবুয়ের জন্য একটি মাইলফলক মুহূর্ত। বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত অন্যতম শীর্ষ গন্তব্য, তাই এই সফর আমাদের জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি খেলোয়াড়দের জন্য মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ।”
“আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উচ্চমানের ক্রিকেট দেখার অপেক্ষায় আছি। একই সঙ্গে বিশ্বাস করি, এই সিরিজ দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং আমাদের দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা এনে দেবে।”

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলার জন্য মুখিয়ে থাকেন বিভিন্ন দেশের নামী ক্রিকেটাররা। সেই আইপিএল বাদ দিয়ে এবার পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলছেন অ্যাডাম জাম্পা। আর পিএসএল বেছে নেওয়ার পেছনে অস্ট্রেলিয়ার লেগ স্পিনার জানিয়েছেন, আইপিএলে পারিশ্রমিক কম ও সূচি বেশ দীর্ঘ।
২০২৫ সালের আইপিএলের সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে খেলেছেন জাম্পা। গত ডিসেম্বরে নিলামের আগে তাকে ছেড়ে দেয় ফ্রাঞ্চাইজিটি। এরপর ১৬ ডিসেম্বরে হওয়া নিলাম তালিকায় নিজের নাম যুক্ত করেননি জাম্পা।
আরও পড়ুন
| কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ ম্যাক্সওয়েল, প্রথমবার ডগেট |
|
পরে পিএসএলে করাচি কিংসে নাম লেখান অস্ট্রেলিয়ার তারকা লেগ স্পিনার। টুর্নামেন্ট চলাকালেই জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম এআরওয়াই নিউজের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এআরওয়াই পডকাস্টে আইপিএল ছাড়ার কারণ জানিয়েছেন জাম্পা।
“এই বছর আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি। সত্যি বলতে, আমার মতো দক্ষতা যাদের আছে, তারা অন্যান্য ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের মতো অত টাকা পায় না। আইপিএলের পেছনে যতটা সময় দিতে হয়, সেই বিবেচনায় টুর্নামেন্টটি চালিয়ে যাওয়া খুব একটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয়নি।”
জাম্পা এখন পর্যন্ত পাঁচটি আইপিএল মৌসুম খেলেছেন। এই লেগস্পিনারকে গত বছর মেগা নিলামে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ ২.৪০ কোটি টাকায় দলে নিয়েছিল। ভারতের লিগটি থেকে এটিই এক মৌসুমে জাম্পার সর্বোচ্চ আয়।
আইপিএলে না থাকলেও বর্তমানে ডেভিড ওয়ার্নারের নেতৃত্বে করাচি কিংসের হয়ে পিএসএলে খেলছেন জাম্পা। নিলামে করাচি কিংস তাকে ৪.৫ কোটি পাকিস্তানি রুপিতে দলে নিয়েছে।
হঠাৎ বিশ্রাম বাদ দিয়ে পিএসএলে যোগ দেওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেন জাম্পা।
আরও পড়ুন
| উচ্চগতিতে গাড়ি চালিয়ে ৭ মাস পর জরিমানা দিলেন ডাকেট |
|
“বিশ্রামে থাকতে চেয়েছিলাম, কিন্তু মাসখানেক আগে পিএসএলের বিষয়টি সামনে আসে। সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে গেল, তবে আমি এখানে খেলা উপভোগ করছি।”
পিএসএলের চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত দুই ম্যাচে ৪.৬২ ইকোনমি রেটে ৩টি উইকেট শিকার করেছেন জাম্পা।
চলতি আইপিএলে না থাকলেও, টুর্নামেন্টের ইতিহাসে স্পিনার হিসেবে সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ডটি এখনও তার দখলেই। ২০১৬ সালে নিজের অভিষেক মৌসুমে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসের হয়ে ১৯ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।