
কাল থেকে মাঠে গড়াচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম সংস্করণ। আজ ধারাভাষ্যকারদের তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের পরিচিত কণ্ঠ আতহার আলী খানও থাকছেন ধারাভাষ্য প্যানেলে।
এবারের বিশ্বকাপের ৫৫টি ম্যাচেই ধারাভাষ্য প্রদান করবে আইসিসির নিজস্ব প্রোডাকশন আইসিসি টিভি। বিশ্বের সব দেশের লাইসেন্সপ্রাপ্ত সম্প্রচারকারীরা একই ফিড ব্যবহার করবে, ফলে দর্শকরা সব চ্যানেলে একই ধারাভাষ্য ও গ্রাফিক্স দেখতে পাবেন।
বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার ও অভিজ্ঞ ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খানের পাশাপাশি বিশ্ব ক্রিকেটের অনেক পরিচিত মুখ থাকছেন এই প্যানেলে। তালিকায় রয়েছেন রবি শাস্ত্রী, নাসের হুসেন, ইয়ান স্মিথ, ইয়ান বিশপ, ওয়াসিম আকরাম, সুনীল গাভাস্কার, ম্যাথু হেইডেন, ডেল স্টেইন ও মাইকেল অ্যাথারটনের মতো সাবেক তারকারা।
আরও পড়ুন
| বিশ্বকাপ শুরুর আগের দিন ছিটকে গেলেন জশ হ্যাজেলউড |
|
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ক্রিকেটারদের মধ্যে থাকছেন অ্যারন ফিঞ্চ, দীনেশ কার্তিক, কুমার সাঙ্গাকারা, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, রবিন উথাপ্পা, স্যামুয়েল বদ্রি, এউইন মরগান। বর্তমান ক্রিকেটারদের মধ্যে ধারাভাষ্যে থাকবেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা এবং শ্রীলঙ্কার ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।
বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচের আগে প্রি-ম্যাচ শো, ইনিংস বিরতির বিশ্লেষণ, ম্যাচ শেষে আলোচনা ও দৈনিক হাইলাইটস অনুষ্ঠান থাকবে।
কাল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনে হবে তিনটি ম্যাচ। দিনের প্রথম ম্যাচে কলম্বোয় সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। দ্বিতীয় ম্যাচে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইডেন গার্ডেন্সে বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে লড়বে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও স্কটল্যান্ড।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে দিনের শেষ ম্যাচে লড়বে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। ৮ মার্চ ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্বকাপ।
No posts available.
১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২:০১ এম
১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
.jpeg)
চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে দুই লেগ মিলিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদকে কখনোই হারাতে পারেনি বার্সেলোনা। কিন্তু মাদ্রিদের মেত্রোপলিটানোতে লামিন ইয়ামালরা যেন পণ করেই নেমেছেন। ইতিহাস নতুন করে লেখবার তাড়নায় চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে পিছিয়ে থাকা বার্সেলোনা ফিরতি লেগের প্রথমার্ধ শেষে ২-১ গোলে (অ্যাগ্রিগেটে ৩-২) এগিয়ে।
মাদ্রিদের মেত্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত একটায় শুরু হওয়া ফিরতি লেগের কিক অফের ৩০ সেকেন্ডে জাত চেনান লামিন ইয়ামাল। আতলেতিকোর ডি-বক্সের দিকে ক্ষিপ্র গতিতে ছুটে যান স্পেন ফরোয়ার্ড। এরপর বুলেট গতির শট নেন এবং বলটি পোস্টের একদম কোণা দিয়ে ভেতরে ঢুকে যাচ্ছিল। কিন্তু গোলকিপার হুয়ান মুসো হাত বাড়িয়ে কোনোমতে তা রুখে দেন।
ভক্তদের অবশ্য বেশিক্ষণ আফসোস করতে দেননি ইয়ামাল। চতুর্থ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ফেরান তোরেসের ক্রসের সূত্র ধরে আবারও আক্রমণে ওঠেন তিনি। ওয়ান এন্ড ওয়ান পজিশনে মুসোকে বোকা বানিয়ে জালে বল পাঠান। লিগে এটি ইয়ামালের ষষ্ঠ গোল।
অষ্টম মিনিট শোধের উপলক্ষ্য পায় আতলেতিকো। তবে আদেমোলা লুকমানের বাঁ-পায়ের শটে ছিল না গতি। তার চেয়েও বড় হুলিয়ান আলভারেজের পাস পড়তে পারেননি নাইজেরিয়ান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।
নবম মিনিটের আগে বার্সা আবারও আতলেতিকোর রক্ষণভাগ চিরে ভেতরে ঢুকে পড়ে। রক্ষণভাগের পেছন দিয়ে আসা বলটি তাড়া করছিলেন দানি ওলমো। গোলরক্ষক মুসো শুরুতে কিছুটা পিছলে গেলেও একেবারে শেষ মুহূর্তে (ইন দ্য নিক অফ টাইম) নিজেকে সামলে নেন এবং ওলমোর চিপ করা শটটি (ডিনকড অ্যাটেম্পট) রুখে দেন দারুণ দক্ষতায়।
২৩তম মিনিটে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। এবারের নায়ক ফেরান তোরেস। ওলমোর ক্রস থেকে বা পায়ের ঝলক দেখান স্পেন ফরোয়ার্ড। রক্ষণভাগ এবং মাঝমাঠের মাঝে সামান্য ফাঁকা জায়গা খুঁজে নিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন ওলমো। এরপর দুর্দান্ত এক পাসে বল বাড়িয়ে দেন তোরেসের দিকে। যিনি তরতরিয়ে চলে যান পোস্টের কাছে। গোলপোস্ট থেকে কিছুটা কোণাকুণি অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও তোরেস নিখুঁতভাবে পায়ের জাদুতে বলটি বাঁক খেয়ে গোলরক্ষক মুসোকে পরাস্ত করে। মুহূর্তেই টপ কর্নার দিয়ে জালে জড়ায় বল। তাতেই মেত্রোপলিটানো স্টেডিয়াম যেন নিস্তব্ধতায় জমে যায়।
আগের ম্যাচে লা লিগায় জোড়া গোল আদায় করা এই ফরোর্য়াড এবার সাফল্য পান চ্যাম্পিয়নস লিগে। লিগে এটি তার তৃতীয় গোল।
২৪তম মিনিটে আবারও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় বার্সেলোনার। লামিন ইয়ামালের ট্রাভেলা শট থেকে গোল পেয়েই যাচ্ছিলেন ফেরমিন লোপেজ। উল্টো বিপত্তি বাঁধে মুসোর পা সারাসরি তার মুখে আঘাত করলে। তখন ফেরমিনের নাক দিয়ে ঝরঝরিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
৩০তম মিনিটে এগিয়ে যায় আতলেতিকো। ডান প্রান্ত দিয়ে একাই বল দিয়ে আক্রমনে ওঠেন ইয়োরেন্তে। ডি-বক্সের ভেতর দারুণ বুদ্ধিমত্তার সাথে তিনি বল বাড়িয়ে দেন দ্রুত গতিতে ছুটে আসা লুকমানের দিকে। লুকমান অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষক গার্সিয়াকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে আবারও এগিয়ে যায় আতলেতিকো। শেষ পর্যন্ত এই স্কোরলাইনে শেষ হয় প্রথামার্ধ।

ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ইন্টার মায়ামির কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন হাভিয়ের মাসচেরানো। মঙ্গলবার বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।
২০২৪ সালের নভেম্বরে মায়ামির কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন মাসচেরানো। ৪১ বছর বয়সী এই কোচের অধীনে খেলা ৪৭টি ম্যাচের মধ্যে ২৭টিতেই জিতেছে মায়ামি। গত বছর ক্লাবটিকে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপের শিরোপা এনে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন মাসচেরানো।
মাসচেরানোর অধীনে ২০২৪-২৫ মৌসুমে রেকর্ড ১০১টি গোল করেছে মায়ামি। যা এমএলএস-এর ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। এর মধ্যে শুধু প্লে-অফেই এসেছিল ২০টি গোল।
মাসচেরানো মায়ামিকে ক্লাব বিশ্বকাপের নকআউট পর্বেও নিয়ে গিয়েছিলেন। গ্রুপ পর্বে পোর্তোকে হারালেও শেষ ষোলোর লড়াইয়ে তারা পিএসজির কাছে হেরে বিদায় নেয়।
বিদায়বেলায় মাসচেরানো বলেন,
“আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, ব্যক্তিগত কারণে ইন্টার মায়ামির কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য ক্লাবকে এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য প্রতিটি কর্মীকে ধন্যবাদ জানাই। তবে বিশেষ ধন্যবাদ খেলোয়াড়দের, যাদের কারণে আমরা অবিস্মরণীয় কিছু মুহূর্ত কাটাতে পেরেছি।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“ভক্তদেরও অনেক ধন্যবাদ। আমাদের জেতা প্রথম শিরোপার স্মৃতি আমি সবসময় সাথে রাখব। আমি যেখানেই থাকি না কেন, ক্লাবের মঙ্গল কামনা করব। আমার বিশ্বাস, এই ক্লাব ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য পাবে।”
বর্তমানে ইস্টার্ন কনফারেন্সে ৭ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে মায়ামি। মাসচেরানো চলে যাওয়ায় আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব পালন করবেন গুইলার্মো হোয়োস। আগামী শনিবার কলোরাডো র্যাপিডস-এর বিপক্ষে মাঠে নামবে মায়ামি।

চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসের সর্বাধিক শিরোপাধারীরা এখন কষছে নানা ছক। বারবার হট ফেভারিটের তকমা লাগিয়ে দাপট দেখানো রিয়াল মাদ্রিদ এবার সমীকরণ ও যদি-কিন্তুর মারপ্যাঁচে। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম লেগে ২-১ ব্যবধানে হেরে যাওয়া আলভারো আরবেলোয়ার শিষ্যরা বুধবার রাতে ফিরতি লেগে খেলতে নামবে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনাতে।
ঘরের মাঠে কঠিন লড়াইয়ের আগে ভক্তদের সুসংবাদ দিয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখ কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। তিনি নিশ্চিত করেছেন, জামাল মুসিয়ালা শুরুর একাদশে থাকার জন্য ফিট আছেন। এছাড়া সার্জ গ্রানব্রিকে এই ম্যাচে পাওয়া যাবে।
মুসিয়ালা প্রসঙ্গে কোম্পানি বলেন, ‘সবকিছু ঠিকঠাক চলছে। তার উন্নতি সঠিক পথেই আছে।’ অন্যদিকে গ্রানব্রি সম্পর্কে জানান,
‘সেন্ট পাউলির বিপক্ষে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। তবে কালকের জন্য সবাই প্রস্তুত।’
প্রথম লেগে বার্নাব্যুতে দুর্দান্ত খেলা মাইকেল ওলিস সম্পর্কেও উচ্চ প্রশংসা করেন কোম্পানি। তিনি বলেন,
‘সবাই দেখছি সে (ওলিসে) কতটা ফর্মে। আমি নিশ্চিত ও একদিন সেরাদের একজন হবে। তবে এই মুহূর্তে ও সঠিক পথেই আছে।’
সমর্থকদের ভূমিকা নিয়ে বায়ার্ন বস বলেন,
‘আমি এই স্টেডিয়ামে প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলেছি এবং জানি এই গ্যালারি কী করতে পারে। আমার চাওয়া, কাল যেন সব সমর্থক আমাদের পাশে থাকে।’

চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগ ২-১ ব্যবধানে জিতে সুবিধাজনক অবস্থানে বায়ার্ন মিউনিখ। বুধবার ফিরতি লেগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর দলকে আতিথ্য দেবে তারা। এই ম্যাচের আগে স্বাগতিক গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়্যার সতর্কবার্তা দিয়েছেন সতীর্থদের। তিনি বলেছেন, রিয়াল এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থায়। আর এ সময় লস ব্লাঙ্কোসরা সবচেয়ে বেশি ভয়ংকর।
‘ট্রেবল’ জয়ের স্বপ্নে বিভোর বাভারিয়ানরা বুন্দেসলিগায় ১২ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শীর্ষে । আর জার্মান কাপের সেমিফাইনালেও জায়গা করেছে পোক্ত। আর রিয়াল মাদ্রিদ স্প্যানিশ কাপ (কোপা দেল রে) থেকে ছিটকে গেছে এবং লা লিগায় বার্সেলোনার চেয়ে ৯ পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। ফলে চ্যাম্পিয়নস লিগই এখন তাদের ট্রফি জেতার একমাত্র বাস্তব সুযোগ।
মঙ্গলবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে নয়্যার বলেন,
‘রিয়ালের জন্য নিজেদের অবস্থা ভালো করার এটাই বড় সুযোগ। তাদের মতো ক্লাবের জন্য এটি খুবই কঠিন সময়, যা আমরা নিজেরাও অতীতে পার করেছি।’
এরপরই নয়্যার যোগ করেন,
‘যখন আপনার পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যায়, তখন আপনি চাইলে পাহাড়ও টপকাতে পারেন।’
রিয়ালকে এমন এক বায়ার্ন দলের মুখোমুখি হতে হবে যারা এখন উড়ছে। গত শনিবার সেন্ট পাউলিকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বুন্দেসলিগায় এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের (১০৫টি) নতুন রেকর্ড গড়েছে তারা। নয়্যার বলেন,
‘আমরা এখন দুর্দান্ত ছন্দে। প্রতিটি টুর্নামেন্টে আমরা টিকে আছি এবং সব আমাদের নিজেদের হাতেই। আমরা এখন চালকের আসনে বসে আছি।’
এই সপ্তাহান্তেই বায়ার্নের লিগ শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে যদি বরুশিয়া ডর্টমুন্ড হফেনহেইমের কাছে হেরে যায়। এছাড়া ২২ এপ্রিল জার্মান কাপের সেমিফাইনালে তারা বায়ার লেভারকুসেনের মুখোমুখি হবে।
৪০ বছর বয়সী নয়্যার সতর্ক করে বলেন,
‘আমরা প্রথম ম্যাচ জিতেছি ঠিকই, কিন্তু ব্যবধান মাত্র এক গোলের। আমরা জানি আমাদের কতটা লড়াই করতে হবে। আমাদের অনুপ্রেরণা এখন আকাশচুম্বী, তবে আমাদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হওয়া চলবে না। রিয়াল কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারে তা আমাদের জানা আছে, তবে আমরা নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখছি।’

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ২-১ ব্যবধানে হেরে রিয়াল মাদ্রিদের সকল মনোযোগ এখন ফিরতি লেগে। মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় সেই মহারণের আগে দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে তরুণ ডিফেন্ডার রাউল আসেনসিওর অনুপস্থিতি।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে রিয়াল মাদ্রিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফিরতি লেগের জন্য দলের সঙ্গে জার্মানিতে যেতে পারেননি আসেনসিও। পেটের সমস্যায় ভুগছেন তিনি। ফিরতি লেগে পাওয়া যাবে না স্প্যানিশ সেন্টারব্যাককে।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ম্যাচে স্কোয়াডে ছিলেন আসেনসিও। তবে ২৩ বছর বয়সী স্প্যানিশ সেন্টার-ব্যাককে মাঠে নামনি কোচ আলভারো আরবেলোয়া। ফিরতি লেগে একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়ে হয়েছিল। সেটাও গেল ভেস্তে।
গত শুক্রবার জিরোনার বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচটিতে পুরো সময় খেলেন আসেনসিও। ১-১ সমতায় শেষ হয়ে দুই দলের সেই লড়াই।
স্কোয়াডে না থাকলেও দলের সঙ্গে সফর করছেন অহেলিয়া চুয়ামেনি। প্রথম লেগে হলুদ কার্ড দেখা ফরাসি মিডফিল্ডার এই ম্যাচ খেলতে পারবেন না।
ইউরোপ সেরার মঞ্চে কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগে বুধবার বায়ার্নের মাঠে খেলবে রিয়াল। প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ২-১ গোলে হেরে পিছিয়ে আছে প্রতিযোগিতাটির রেকর্ড ১৫ বারের চ্যাম্পিয়নরা।
ব্যবধানটা বড় নয়। ঘুরে দাঁড়িয়ে রিয়ালের পরের রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে তাই প্রবলভাবেই। আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে স্প্যানিশ জায়ান্টদের প্রত্যাবর্তনের নজির তো কম নেই।