২২ অক্টোবর ২০২৪, ৪:২৪ পিএম

প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় চোটের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে সোমবার রাতে আবার মাঠে ফিরেছেন নেইমার। লম্বা বিরতির পর মাঠে ফিরতে পেরে বেশ আবেগী হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। আল হিলাল সমর্থকরাও নেইমারকে বরণ করে নিয়েছেন দারুণভাবে। সম মিলিয়ে মাঠে ছিলেন ১৩ মিনিট। এই সময়ে নেইমার খুব একটা ঝলক দেখাতে না পারলেও মাঠে ফিরতে পেরে প্রকাশ করেছেন উচ্ছ্বাস।
নেইমারের ফেরার ম্যাচটা আল হিলালও রাঙিয়েছে জয় দিয়ে। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিটে আল আইনের সাথে জমজমাট লড়াইয়ে তারা জয় তুলে নিয়েছে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে। ম্যাচ শেষে নেইমার নিজের ফেরার সাথে জয় নিয়েও দেখিয়েছেন উচ্ছ্বাস, “আমার বেশ ভালো লাগছে, সময়টা বেশ কঠিন ছিল আমার জন্য। আমাদের দলটা বেশ দারুণ। তবে বেশ খুশি লাগছে ফিরতে পেরেছি। আমি ফিরে এসেছি!”
ক্লাব জার্সিতে নেইমারের ফেরা হলেও জাতীয় দলের জার্সিতে নেইমারকে দেখতে মুখিয়েছেন ব্রাজিল সমর্থকরা। যদিও সে জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হতে পারে লম্বা সময়। নভেম্বরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ব্রাজিলের ম্যাচ আছে ভেনেজুয়েলা উরুগুয়ের বিপক্ষে। সে দুই ম্যাচে সেলেসাওদের জার্সিতে নেইমারকে দেখার সম্ভাবনা কমই।
যদিও সিবিএফ ও ব্রাজিলিয়ান মেডিকেল টিম এরই মধ্যে নেইমারের ফেরা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ও গ্লোবো বলছে, নেইমারের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করতে আল হিলাল থেকে সব ধরনের তথ্যই নিচ্ছে তারা। দরিভাল জুনিয়রও পর্যবেক্ষণ করছেন নেইমারের পরিস্থিতি। যদিও তার হাতে সময় নেই খুব একটা।
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য ব্রাজিল দল ঘোষণা করার কথা দরিভালের। এই সময়ের ভেতর নেইমার সুযোগ পাবেন মাত্র এক ম্যাচ মাঠে নামার। রেজিস্টার জটিলতায় সৌদি প্রো লিগের ম্যাচগুলেতে জানুয়ারির আগে মাঠে নামতে পারবেন না নেইমার। তাতে এই সময়ে কেবল কিংস কাপে আল তাইয়ের সাথে কেবল খেলতে পারবেন নেইমারকে। যেখানে মূল একাদশে নেইমারের থাকার সম্ভাবনা কম বললেই চলে। সেক্ষেত্রে অল্প কিছু মিনিট নেইমারের পারফরম্যান্স দেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে ব্রাজিল কোচকে।
নেইমারকে নভেম্বরে দলে ডাকা না হলে অপেক্ষার প্রহর বাড়বে ব্রাজিল সমর্থকদের। সেক্ষেত্রে আগামী বছরের মার্চের আগে নেইমারকে ব্রাজিলের জার্সিতে দেখা যাওয়ার আর সুযোগ নেই।
No posts available.
২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৪৮ পিএম
২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:২৬ পিএম

ব্রাজিলের ক্লাব ফ্লামেঙ্গোর ফুটবলার জর্জে কারাস্কাল স্বাক্ষী হলেন বিরল এক ঘটনার। প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে ম্যাচের প্রথামার্ধে ফাউল করেছিলেন তিনি। তবে মজার বিষয় হলো তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কার্ড দেখাননি রেফারি। দ্বিতীয়ার্ধে ভিএআর দেখে তারপর তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।
গতকাল রাতে ব্রাজিলিয়ান সুপার কাপের ফাইনালে ফ্লামেঙ্গোর মুখোমুখি হয়েছিল করিন্থিয়ান্স। ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় মানে গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় করিন্থিয়ান্স। কিন্তু ফল ছাপিয়ে ব্রাজিলিয়ান সুপার কাপের এই ম্যাচটিতে আলোচনায় ফ্লামেঙ্গোর খেলোয়াড়ের লাল কার্ড দেখা নিয়েই।
‘বিস্ময়কর’ লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত আসে যখন করিন্থিয়ান্সের-এর খেলোয়াড়রা বিরতির ঠিক আগে কারাস্কালের বিরুদ্ধে ব্রেনো বিডনের মুখে কনুই মারা হয়েছে বলে তীব্র অভিযোগ জানায়। এই ঘটনার পর, করিন্থিয়ান্সের মিডফিল্ডার বিডন কয়েক মিনিট মাঠে পড়ে থাকে, তার সতীর্থরা ভিএআরের আবেদন করলেও তখন সাড়া দেননি রেফারি। এই ঘটনার সমাধান হয়ে গেছে ধরে নিয়েই উভয় দল বিরতিতে ড্রেসিং রুমে ফিরে যায়।
কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খেলোয়াড়রা মাঠে ফিরে আসার পর, রেফারি রাফায়েল ক্লেইন ভিএআরের দিকে এগিয়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেন যে ফাউল হয়েছে। ফলে কলম্বিয়ান মিডফিল্ডার কারাস্কালকে রেড কার্ড দেখানো হয়, যা রীতিমতো হতবাক করে দেয় ফ্লামেঙ্গোর খেলোয়াড়দের।
রেফারির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ফ্লামেঙ্গোর খেলোয়াড়রা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। ভিএআরে রিভিউ প্রথমার্ধেই হওয়া উচিত ছিল বলে দাবি করেন তারা। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা করিন্থিয়ান্স শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে দশজনের ফ্লামেঙ্গোর জালে আরেক দফা বল পাঠিয়ে জয় নিশ্চিত করে। প্রথম গোলটি গ্যাব্রিয়েল পাউলিস্তা আর গোলটি আসে ইউরি আলবার্তোর নৈপুণ্যে।
Crazy scenes in the Supercopa do Brasil final! 😱😱
— Premier Sports (@PremSportsTV) February 1, 2026
The second half begins with a red card for Flamengo's Jorge Carrascal after a VAR review for an incident from the end of the FIRST half 🟥 pic.twitter.com/Q1lNdJYXmz
ম্যাচ শেষে রেফারির লাল কার্ড দেওয়ার এমন ঘটনাকে ‘নজিরবিহীন বলেন কোচ ফিলিপে লুইস। ফ্লামেঙ্গোর কোচ বলেন,
‘এটা আমার জীবনে কখনো দেখিনি। আমি জানি না কোথাও এমন ঘটনা ঘটেছে কি না। খেলোয়াড়রা মাঠে অপেক্ষা করছিল এবং প্রথামার্ধ শেষে ড্রেসিং রুমে চলে গেছে, ধরে নিয়েই যে ওই ঘটনার রিভিউ হয়ে গেছে। আমরা পুরো পরিকল্পনা ছিল ম্যাচটি ১১ বনাম ১১ থেকে, তারপর এমন ঘটনা ঘটলো… আমি হারার জন্য অজুহাত দিচ্ছি না, কিন্তু এ ধরনের ঘটনা আগে কখনো দেখিনি।’
এই ঘটনায় ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সিবিএফ) এই অপ্রত্যাশিত দেরির জন্য বিদ্যুৎজনীত সমস্যাকে দোষারোপ করেছে। সিবিএফ জানিয়েছে, দ্বিতীয়ার্ধের সময় স্টেডিয়ামের কয়েকটি সেক্টরে বিদ্যুৎ চলে যায়, যার মধ্যে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্টঅফিসের রুমও ছিল, যা দ্বিতীয়ার্ধের বড় অংশে কার্যকর ছিল না। এক বিবৃতিতে তারা লিখেছে,
‘প্রাথমিকভাবে, উপলব্ধ ভিডিও ফুটেজ নিশ্চিত প্রমান দেয়নি, তাই প্রথমার্ধ স্বাভাবিকভাবে শেষ হয়েছে। প্রক্রিয়াগুলো চলাকালীন, নতুন করে পর্যালোচনায় অনিয়ম স্পষ্টভাবে শনাক্ত হয়, যা রিভিউ করার সুপারিশ দেয়, যাতে রেফারি খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখাতে পারেন।’

২০২৫–২৬ মৌসুমে তৃতীয়বারের মতো চোটে পড়লেন জুড বেলিংহাম। মাসল ইনজুরির কারণে এর আগে ৬৩ দিন মাঠের বাইরে থাকা ইংলিশ মিডফিল্ডার এবার হ্যামস্ট্রিং চোটে ছিটকে গেলেন প্রায় এক মাসের জন্য।
লা লিগায় রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচের দশম মিনিটেই অস্বস্তিতে পড়েন বেলিংহাম। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর হাসপাতালের বিছানায় ঠাঁই হয় রিয়াল মাদ্রিদের এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর অবস্থা নিয়ে শঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত।
শঙ্কাই সত্য হয়েছে। তৃতীয়বারের মতো বেলিংহামের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াল চোট। লা লিগায় টাইটেল রেসের মাঝপথে আরও একবার আলভারো আরবেলোয়া হারাচ্ছেন তার বিশ্বস্ত সেনাপতিকে।
এখনো পর্যন্ত বেলিংহাম কতদিন মাঠের বাইরে থাকবেন বা কবে নাগাদ দলে ফিরবেন—এ বিষয়ে রিয়াল আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট সময় জানায়নি। তবে ক্লাবের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে তাঁর চোটের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে ম্যাচেই ইনজুরিতে পড়েছেন দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য এই মিডফিল্ডার।
রিয়াল-ভিত্তিক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, কমপক্ষে তিন থেকে চার সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে ২২ বছর বয়সী বেলিংহামকে। এই সময়ের মধ্যে ভ্যালেন্সিয়া, রিয়াল সোসিয়েদাদ, বেনফিকা, ওসাসুনা ও গেতাফের বিপক্ষে ম্যাচগুলোতে তাঁর খেলা অনিশ্চিত বলেই ধরা হচ্ছে।
রিয়ালের চোটের তালিকায় এদার মিলিতাওয়ের সঙ্গে এবার যুক্ত হলেন বেলিংহামও। ব্রাজিলিয়ান এই ডিফেন্ডার পেশির চোটের কারণে অন্তত আরও দুই মাস মাঠের বাইরে থাকবেন। স্বস্তির খবরও আছে—ধীরে ধীরে দলে ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন খেলোয়াড়। স্কোয়াডে ফেরার পথে রয়েছেন আন্তোনিও রুডিগার, ফেরলাঁ মঁদি এবং ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড।

কোপা দেল রে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বড় দুঃসংবাদ পেয়েছেন বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিক। চোটে আলবাসেতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না দলের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া।
আগামী কাল এস্তাদিও কার্লোস বেলমন্তেতে কোপা দেল রের শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আলবাসেতের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। দ্বিতীয় বিভাগ সেগুন্দার দল আলবাসেতে আগের রাউন্ডে রিয়াল মাদ্রিদকে বিদায় করেছে। ফলে ম্যাচটি যে কঠিন হতে যাচ্ছে, তা ভালোভাবেই জানে কাতালানরা।
এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে রাফিনিয়াকে হারানো বার্সেলোনার জন্য বড় ধাক্কা। গত সপ্তাহে এলচের বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচে মাঝপথে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও এএস জানিয়েছে, ডান পায়ের অ্যাডাক্টরে অস্বস্তি অনুভব করায় আলবাসেতের বিপক্ষে তাকে বিশ্রামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্লাব। যদিও পরীক্ষায় বড় কোনো চোট ধরা পড়েনি, তবু ঝুঁকি নিতে চায় না বার্সেলোনা।
রাফিনিয়ার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে আগামী সপ্তাহে। ক্যাম্প ন্যুতে মায়োর্কার বিপক্ষে ম্যাচে তাকে দেখা যেতে পারে। তবে সেটি নির্ভর করবে সপ্তাহের শেষ দিকে তিনি অনুশীলনে ফিরতে পারেন কি না, তার ওপর।
রাফিনিয়ার অনুপস্থিতিতে আক্রমণভাগে সুযোগ পাচ্ছেন মার্কাস রাশফোর্ড। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ধারে আসা এই ফরোয়ার্ড এলচের বিপক্ষে ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে নেমে গোল করে বার্সেলোনার ৩-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেছিলেন। ফলে আলবাসেতের বিপক্ষেও একাদশে থাকার সম্ভাবনা তাঁরই বেশি।
এদিকে রক্ষণভাগে কিছুটা স্বস্তির খবর পেয়েছে বার্সেলোনা। এলচের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ দিকে পেশিতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন জুল কুন্দে। তবে দ্রুতই সেরে উঠেছেন ফরাসি ডিফেন্ডার। দলের অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে আলবাসেতের বিপক্ষে খেলতে পারবেন কুন্দে, যদিও ফ্লিক চাইলে তাকে বিশ্রামও দিতে পারেন।
কুন্দে বিশ্রামে থাকলে দলে ফেরার সুযোগ পাবেন জোয়াও ক্যানসেলো। শীতকালীন দলবদলের সময় আল হিলাল থেকে আবার বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর এটি হতে পারে তার দ্বিতীয় ম্যাচে শুরুর একাদশে নামার সম্ভাবনা।
সব মিলিয়ে কোপা দেল রে ধরে রাখার অভিযানে আলবাসেতের মাঠে বার্সেলোনার সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন এক পরীক্ষা।

ট্রান্সফার উইন্ডো মানেই নাটক, আর সেই নাটকের কেন্দ্রবিন্দুতেই এবার জেরেমি জাকেত। রেঁনের ফরাসি সেন্টার ব্যাককে ঘিরে লিভারপুল ও চেলসির দড়ি টানাটানি শেষ পর্যন্ত গড়াল অ্যানফিল্ডের দিকেই। চমক দেখিয়ে ২০ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারকে ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে ভিড়িয়েছে অল রেডসরা।
গ্রীষ্মকালীন দলবদল বন্ধ হওয়ার আগমুহূর্তে বড় সিদ্ধান্ত নেয় লিভারপুল। স্কাই স্পোর্টস জানিয়েছে, জাকেতকে পেতে চেলসি ও ম্যানচেস্টার সিটিও আগ্রহ দেখিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত লিভারপুলই দৌড়ে এগিয়ে যায়। ২০২৬–২৭ মৌসুমের আগেই অ্যানফিল্ডে যোগ দেবেন জাকেত।
লিভারপুলের প্রস্তাবিত ট্রান্সফার প্যাকেজে রয়েছে ৫৫ মিলিয়ন পাউন্ডের নিশ্চিত ফি, সঙ্গে ৫ মিলিয়ন পাউন্ড সম্ভাব্য অ্যাড-অন। খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত শর্ত এখনো চূড়ান্ত না হলেও, সেটি বড় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
চলতি ২০২৫–২৬ মৌসুমে এখন পর্যন্ত রেঁনের হয়ে ১৮ ম্যাচ খেলেছেন জাকেত। আত্মবিশ্বাসী ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে লিগ ওয়ানে নজর কাড়েছেন বারবার—যার পুরস্কার হিসেবেই মিলেছে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবে যাওয়ার সুযোগ।
জাকেতকে ঘিরে সবচেয়ে সক্রিয় ছিল চেলসি। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালায় দ্য ব্লুজরা। তবে শেষ পর্যন্ত লিভারপুলের প্রস্তাবের সামনে টেকেনি লন্ডনের ক্লাবটি।
স্কাই স্পোর্টসের দাবি,
“চেলসি লিভারপুলের মতোই একই প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে গত ৪৮ ঘণ্টায় যখন স্পষ্ট হয় যে মামাদু সার চেলসিতে ফিরছেন এবং জশ আচেমপং ক্লাবেই থাকছেন, তখন জাকেত সিদ্ধান্ত বদলে লিভারপুলে যাওয়ার পথ বেছে নেন।”

সাফ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে পরপর দুই ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ১২-০ গোলে হারানোর পর আজ দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে পিটার বাটলারের শিষ্যরা। শক্তিশালী ভারতকে হারানোর মানে ফাইনালের পথে এক পা দিয়ে রাখা। দারুণ এই জয়ের পর বাটলার বলেছেন, ‘মেয়েরা অসাধারণ মানসিকতা এবং দৃঢ়তা দেখিয়েছে।’
নেপালের পোখারায় সোমবার বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। তবে প্রতিপক্ষের আক্রমণের ঝড় সামলে দ্রুতই গুছিয়ে ওঠে লাল-সবুজের মেয়েরা। এরপর অর্পিতা ও আলপির গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের সুযোগ পেয়েছিল দুই দলই। তবে কেউ আর পায়নি কাঙ্ক্ষিত সেই গোলের দেখা। শেষ দিকে বাংলাদেশ নিজেদের জাল অক্ষত রাখাতেই বেশি মনোযোগী ছিল।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ বাটলার বলেন, ‘মেয়েরা অসাধারণ মানসিকতা এবং দৃঢ়তা দেখিয়েছে। আমাদের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি। কিছু ছোটখাটো চোট ছিল, কয়েকজনের ব্যথা ছিল, যেমনটা ধারনা করেছিলাম। কিন্তু প্রথম দিকের চাপ সামলে আমরা কাটিয়ে উঠেছি। সত্যিই খুব ভালোভাবে খেলাটা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি।’
ভারত নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালকে হারিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করে। এদিনও জয়ের লক্ষ্যেই বাংলাদেশের বিপক্ষে নেমেছিল তারা। কিন্তু বাংলাদেশের রক্ষণ দেয়াল টপকানো সম্ভব হয়নি তাদের জন্য। প্রতিপক্ষের শক্তির দিক অনেক, তারপরও বাংলাদেশের মেয়েরা তাদেরকে হারিয়ে দিয়েছে। দুই দলের মধ্যে শক্তিমত্তায় পার্থক্য কি সেটি বুঝিয়ে দিলেন বাটলার। বলেন, ‘ম্যাচে ভারতও গোলের সুযোগ তৈরি করে। তাদের কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে। তারা আমাদের চেয়ে লম্বা এবং শারীরিকভাবে শক্তিশালী। আমাদের মেয়েরা তুলনামূলকভাবে তাদের চেয়ে ছোটখাট গড়নের এবং দুর্বল। তবে আমরা মানসিক শক্তি দেখিয়েছি এবং অভীষ্ট লক্ষে পৌঁছেছি। মনে করি আমরা জয়ের যোগ্য ছিলাম।’
প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পরের ম্যাচ আগামী বুধবার। সেদিন নেপালের বিপক্ষে এক পয়েন্ট পেলেও ফাইনালে উঠবে লাল সবুজের মেয়েরা।