
মৌসুম শেষে বার্সেলোনা ছাড়বেন রবার্ট লেভানডফস্কি— কিছুদিন ধরেই এমন গুঞ্জন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমেরিকা ভিত্তিক আন্তর্জাতিক ক্রীড়া নেটওয়ার্ক ইএসপিএনের বিশ্লেষক জানুশ মিখালিক জানিয়েছেন, পোলিশ স্ট্রাইকারকে ভেড়াতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শিকাগো ফায়ার।
লেভানডফস্কি যুক্তরাষ্ট্রে গেলে কেবল দলবদলই হবে না, তৈরি হবে নতুন আকর্ষণও। ইন্টার মায়ামির মেসির বিপক্ষে বছরে অন্তত দুইবার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
সৌদি আরব, ইতালি ও তুরস্কের ক্লাবগুলোর আগ্রহের খবর থাকলেও স্প্যানিশ গণমাধ্যম মার্কার খবর, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সম্ভাবনা এখন আর কেবল গুঞ্জন নয়, বাস্তব বিকল্প হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বার্সেলোনার সঙ্গে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ রয়েছে লেভানডফস্কির। মিখালিক জানিয়েছেন, লেভানডফস্কি ও বার্সেলোনার অবস্থানের দিকে নজর রাখছে শিকাগো।
কোচ ও ক্রীড়া পরিচালক গ্রেগ বারহাল্টার কয়েক মাস আগে স্পেনে গিয়ে লেভানডফস্কি ও তাঁর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। প্রস্তাবে বড় অঙ্কের আর্থিক প্যাকেজের পাশাপাশি ২০২৮ সালে নতুন স্টেডিয়াম ঘিরে ‘সুপারক্লাব’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে গ্রীষ্মকালীন দলবদলের আগে সিদ্ধান্ত না এলে বিকল্প খেলোয়াড়ের দিকে ঝুঁকতে পারে শিকাগো। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো বার্সেলোনার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।
No posts available.
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:১৮ পিএম
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:৩৫ পিএম
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৩৯ পিএম
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৫০ এম

ইংল্যান্ড দলে আবারও ফেরার স্বপ্ন দেখছেন ইভান টনি। চলতি মৌসুমে সৌদি ক্লাব আল আহলির হয়ে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা এই স্ট্রাইকার জানিয়েছেন, তাঁর লক্ষ্য জাতীয় দলে ফিরে বিশ্বকাপ জেতাও।
২৯ বছর বয়সী টনি খেলছেন সৌদি প্রো লিগে। চলতি মৌসুমে ইতিমধ্যে তাঁর গোলসংখ্যা ২০, যা কিংবদন্তি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর (১৮) চেয়েও দুটি বেশি। শেষবার ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছিলেন গত বছরের জুনে, সেনেগালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে। জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত খেলেছেন পাঁচ ম্যাচ। ২০২৪ ইউরোর রানার্সআপ দলেও ছিলেন এই ফরোয়ার্ড। সুযোগ মিলছিল না ছন্দে থাকা হ্যারি কেইনের দাপুটে পারফরম্যান্সে সৌজন্যে।
ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল সম্প্রতি ২০২৮ পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপ হবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয়। সেই দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে টনি বলেন, ‘সেখানে খেলতে পারাটা হবে স্বপ্নের মতো। সবাই এমন স্বপ্ন দেখে। আর ভাবুন তো, যদি আমরা বিশ্বকাপ জিতি—এটা হবে দেশের জন্য।’
আরও পড়ুন
| জিরোনার বিপক্ষে ফিরছেন রাফিনিয়া, জিততে মরিয়া ফ্লিক |
|
বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখা টনি বললেন, ‘মাঝেমধ্যে কল্পনা করি কী হতে পারে। যদি সত্যি হয়, সেটা হবে বড় আশীর্বাদ। ইংল্যান্ড দলে স্ট্রাইকার পজিশনে প্রথম পছন্দ হ্যারি কেইন, সেটি স্বীকার করেছেন টনি। বর্তমানে কেইন খেলছেন বায়ার্ন মিউনিখে। তাঁকে বিশ্বের সেরা ফিনিশার আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমার কাজ গোল করা চালিয়ে যাওয়া। সেটাই আমাকে দলে থাকার সেরা সুযোগ দেবে।’
২০২৪ সালের গ্রীষ্মে টনির ইংলিশ ক্লাব ব্রেন্টফোর্ড ছেড়ে সৌদি আরবে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনেকেই বিস্মিত হয়েছিল। তবে ভবিষ্যতে আবার ইংল্যান্ডে ফেরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি তিনি। স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টনি বলেন, ‘আমি কখনোই না বলি না। এখানে আগে কিছু লক্ষ্য পূরণ করতে চাই। ফুটবল বা জীবনে কখন কী ঘটে বলা যায় না। ধাপে ধাপে এগোতে চাই, আগে এখানে বড় কিছু অর্জন করতে চাই, তারপর দেখা যাবে পরের ধাপ কী।’
ইংল্যান্ডের হয়ে নিয়মিত সুযোগ না পেলেও নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে কোচের নজর কাড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ টনি। তাঁর বিশ্বাস, ধারাবাহিক গোল করাই জাতীয় দলে ফেরার সবচেয়ে বড় পথ খুলে দিতে পারে।

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনার সর্বশেষ তিনটি ম্যাচ মিস করেছেন রাফিনিয়া। কোপা দেল রে সেমিফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ৪-০ গোলে দলের বিধ্বস্ত হওয়া ম্যাচেও দর্শক ছিলেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার। তবে আজ রাতে লা লিগায় জিরোনার বিপক্ষে দেখা যাবে তাঁকে।
বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিক নিশ্চিত করেছেন উরুর চোট কাটিয়ে ফিরছেন রাফিনিয়া। তবে হাঁটুর চোটের কারণে মার্কাস রাশফোর্ডকে আজও পাওয়া যাবে না। রাফিনিয়ার ফেরায় জিরোনাকে হারিয়ে লিগ টেবিলে রিয়াল মাদ্রিদকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠতে চায় কাতালানরা।
ম্যাচের আগের দিন রোববার সংবাদ সম্মেলনে বার্সা কোচ বলেন, ‘রাশফোর্ড খেলতে পারবে না। যদিও সে আগের চেয়ে ভালো আছে। তবে রাফিনিয়া খেলতে পারবে। সে একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় এবং আমরা তাঁকে মিস করেছি। আমি অনুশীলনে দেখছি, সে সবসময় উন্নতি করে। গত মৌসুমে আমার মতে সে বিশ্বের সেরা ছিল।’
আরও পড়ুন
| ১৬ মিনিটে ৪ গোল করে আর্সেনালের ইতিহাস |
|
মাসখানেক আগে পাওয়া পেশির চোটে এখনো মাঠের বাইরে আছেন পেদ্রি। আর আগস্টের পর মাঠের বাইরে থাকা গাভিকেও দেখা যাবে না শিগগিরই। ফ্লিক বলেন, ‘পেদ্রি শিগগিরই ফিরবে। গাভি হয়তো ফেব্রুয়ারিতে ফিরবে না, তবে পরের মাসে ফিরবে।’
নিজেদের সর্বশেষ লিগ ম্যাচে মায়োর্কাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। তবে আজ রাতে স্তাদিও মিউনিসিপাল মিন্টিলিভিতে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে মনে করেন ফ্লিক। জার্মান কোচ বলেন, ‘জিরোনা একটি সুসংগঠিত এবং সাহসী দল। যারা বল ভালোভাবে বল দখলে নিতে পারে। আমাদের আরও বেশি গতিশীলতা দেখাতে হবে।’
নিজেদের শেষ তিনটি লিগ ম্যাচে জয় পায়নি জিরোনা। সর্বশেষ ম্যাচে তারা সেভিয়ার মাঠে ১-১ গোলে ড্র করেছে। বর্তমানে লিগ টেবিলে ১৪তম স্থানে নেমে গেছে জিরোনা।
সম্ভাব্য অঘটনের সব শঙ্কা গুঁড়িয়ে দিয়ে এফএ কাপে দাপুটে জয় পেল আর্সেনাল। এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে উইগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয়ে চারটি প্রতিযোগিতাতেই শিরোপার লড়াই জিইয়ে রাখল ইংলিশ জায়ান্ট ক্লাবটি।
নিজেদের ঘরের মাঠে ম্যাচের প্রথম ২৭ মিনিটেই কার্যত কাজ সেরে ফেলে আর্সেনাল। লিগ ওয়ানের (তৃতীয় বিভাগ) প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে অনায়াসে পাশ কাটিয়ে ১১ থেকে ২৭ অর্থাৎ ১৬ মিনিটের মধ্যেই চার গোল তুলে নেয় তারা।
১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে শুরু করে গত ৩৪ বছরে এফএ কাপের কোনো ম্যাচে প্রথম ৩০ মিনিটে চার গোল করা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ক্লাব আর্সেনাল। এই ৩৪ বছরে প্রিমিয়ার লিগের আর কোনো ক্লাব এতটা দাপট দেখাতে পারেনি।
মাঝমাঠে নেমে খেলা গুছিয়ে দেওয়া এবেরেচি এজের দুইটি নিখুঁত পাস থেকেই আসে প্রথম দুই গোল। দারুণ ফিনিশিংয়ে স্কোরশিটে নাম লেখান ননি মাদুয়েকে ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি।
এরপর দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়েনি উইগানের। নিজেদেরই ডিফেন্ডার জ্যাক হান্টের মাথায় লেগে জালে জড়ায় তৃতীয় গোল। কিছুক্ষণ পর ক্রিশ্চিয়ান নরগার্ডের কাছ থেকে ফাঁকায় বল পেয়ে ব্যবধান ৪-০- করে দেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস।
আর্সেনালের গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগার জন্য দিনটা তুলনামূলক সহজই ছিল। ক্লিনশিট নিশ্চিত করতে অবশ্য কাছ থেকে জো টেলরের শট এবং রাফায়েল রদ্রিগেজের শট কর্নারে পাঠানো- দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করতে হয়েছে তাকে।
বিরতির পর আর্সেনাল আরও একটি গোলের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল। তবে ভিক্টর গিয়োকেরেসের শট বার পোস্টে লেগে ফিরে আসে। তাতে ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়েনি। প্রথম আধঘণ্টার আধিপত্যে ম্যাচের রাশ শক্ত করে ধরে রাখে মিকেল আর্তেতার দল।
এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে আর্সেনালের প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে সোমবার রাতে।

মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জেতার রেসে লিভারপুল নেই বললেই চলে। ২৬ ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে অল রেডরা আছে টেবিলের ছয়ে। শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান ১৫। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে সরাসরি শেষ ষোলোতে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে আর্নে স্লটের দল।
শনিবার এফএ কাপে ব্রাইটনকে বিদায় করে পঞ্চম রাউন্ড নিশ্চিত করেছে লিভারপুল। ওই ম্যাচে গোল এবং গোলে সহায়তা করেছেন দলটির সেরা তারকা মোহাম্মদ সালাহ। তবে মৌসুমে কোনো শিরোপা জেতার জন্য মিশরীয় তারকা মনে করেন সেটা নির্ভর করছে ডোমিনিক সবোসলাইয়ের পারফরম্যান্সের ওপর। সর্বশেষ এফএ কাপে ৩-০ ব্যবধানে জেতা ম্যাচেও গোল করেছেন হাঙ্গেরিয়ান মিডফিল্ডার।
ব্রাইটনের বিপক্ষে ম্যাচে সোববোসলাই দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন। এই মৌসুমে তাঁর দশম গোল। ম্যাচ শেষে টিএন্ডটি স্পোর্টসকে সালাহ বলেছেন,
‘আমি মনে করি লিভারপুলের একটি কাপ জেতা তাঁর (সবোসলাই) পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে। আমরা ওর উপর অনেক নির্ভরশীল। এই মৌসুমে সে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের একজন।’
কোচ আর্নে স্লটও সালাহর কথায় একমত। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে শনিবার রাতে স্লট বলেন,
‘বিশ্বে অনেক এলিট খেলোয়াড় আছে, কিন্তু আমি তাঁর (সালাহ) সঙ্গে একমত। ডোমিনিক (সবোসলাই) তাদের মধ্যে একজন।’
তবে সবোসলাইকে শুধু নয়, স্লট প্রশংসা করেছেন সালাহরও। বলেন,
‘সে কেবল গোলই করে না, দলের রক্ষণেও বড় ভূমিকা পালন করছে। এটিকে ইতিবাচক হিসেবে নিতে চাই।’
যদিও মৌসুমের প্রথমার্ধে সালাহর উপর আস্থা হারিয়েছিলেন স্লট। ম্যাচ টাইম না পেয়ে তো বিরক্ত হয়েছিলেন সালাহ নিজেও। সে সময় তাঁর ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জনও উঠেছিল। তবে আফ্রিকা কাপ অব নেশনস থেকে ফিরে আসার পর সালাহ খেলার ধরনে কিছু পরিবর্তন এনেছেন যেন। মৌসুমের প্রথমার্ধে প্রতি ৯০ মিনিটে তিনি গড়ে ২.৭ বার বল জিততেন। আফকন থেকে আসার পর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৫-এ। প্রথম দলে ফেরার পর ৭ ম্যাচে তিনি দুই গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, সবোসলাইয়ের ধারাবাহিকতা লিভারপুলের ট্রফি প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে এবং সেটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে সালাহর অভিজ্ঞতা এখনও দলের সাফল্যে বড় ভূমিকা রাখবে বলেই ধারণা অনেকের।

ক্যারিয়ারের ৫০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করলেন হ্যারি কেইন। প্রথম ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার।
শনিবার রাতে বুন্দেসলিগায় ব্রেমেনের মাঠে ৩-০ ব্যবধানে জিতেছে বায়ার্ন। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কেইনের জোড়া গোলে লিগে শীর্ষ স্থান আরও মজবুত করেছে বাভারিয়ানরা।
গত ডিসেম্বরেই জিমি গ্রিভসের ৪৭৪ গোলের রেকর্ড ভেঙে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন কেইন। এবার সেটিকে নিয়ে গেলেন নতুন উচ্চতায়। ওয়েন রুনিকে ছাড়িয়ে জাতীয় দলের হয়েও সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন, থ্রি লায়ন্সদের জার্সিতে তাঁর গোল সংখ্যা ৭৮।
আরও পড়ুন
| সাউদাম্পটনের কাছে হেরে এফএ কাপ থেকে বিদায় নিল হামজার লেস্টার |
|
১৫ বছর আগে পেশাদার ফুটবলে লেইটন ওরিয়েন্টের হয়ে প্রথম গোল করেছিলেন কেইন, ক্লাবটিতে তাঁর গোলসংখ্যা ৫। এরপর লেস্টারের হয়ে ২, মিলওয়ালের হয়ে ৯, টটেনহামের হয়ে ২৮০ এবং বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে ১২৬ গোল করেছেন কেইন।
কেইনের ৫০০ গোলের প্রায় অর্ধেকই এসেছে প্রিমিয়ার লিগে (২১৩)। বুন্দেসলিগায় করেছেন ৮৯ গোল। কেইনের মোট গোলের এক-পঞ্চমাংশই (১০০ গোল) এসেছে স্পট কিক থেকে। চ্যাম্পিয়নস লিগে ইংলিশদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৮ গোল এখন তাঁর নামের পাশে।
৫০০ তম গোলটি ছিল দূরপাল্লার শট থেকে, ক্লাব ও দেশের হয়ে ৭৪৩ ম্যাচে এই মাইলফলকে পৌঁছালেন কেইন। পর্তুগালের ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ২০১৫ সালে ৭৫৩তম ম্যাচে ছুঁয়েছিলেন ৫০০ গোল। সর্বকালের দ্রুততম হিসেবে এই রেকর্ডটি এখনও লিওনেল মেসির দখলে, মাত্র ৬৩২ ম্যাচে ৫০০ গোল করেছিলেন।
কেইনের সামনে এখন নতুন লক্ষ্য। এক মৌসুমে বুন্দেসলিগায় সর্বোচ্চ ৪১ গোলের রেকর্ড রবার্ট লেভানডফস্কির। কেইনের বর্তমান গোল ২৬, সামনে বাকি ১২ ম্যাচ। চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা এই স্ট্রাইকার গড়ে প্রতি ম্যাচে ১.২৫টি গোল করলেই লেভানডফস্কিকে ছাড়িয়ে যাবেন।