
জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালক ও বালিকা (অনূর্ধ্ব -১৭) এর জাতীয় আসরের পর্দা উঠলো সোমবার (১৬ জুন)। মোহাম্মদপুর সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব মো: মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: ইকবাল হোসেন, ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক মো: মোস্তফা জামান।
ক্রীড়া পরিদপ্তর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের ৮ টি বিভাগের প্রতিভাবান অনূর্ধ্ব-১৭ বালক ও বালিকাদের নিয়ে জাতীয় এই আসর শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচে বালকদের বিভাগে বরিশাল বিভাগকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে খুলনা বিভাগ বালক দল। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন খুলনা বিভাগের আল কাফি।
আরও পড়ুন
| ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে বিপাকে ইন্তারের ইরানিয়ান ফরোয়ার্ড তারেমি |
|
২০২৪ সালের জুন মাসে উপজেলার খেলা দিয়ে শুরু হয়েছিলো এই টুর্নামেন্ট। যেখানে অংশ নিয়েছিলো দেশের প্রায় ১,১০,২৬৪ জন খেলোয়াড়। এরপর প্রতিভাবান খেলোয়াড় নিয়ে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় শেষ হয়োছিলো এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ জুন।
জাতীয় এই আসর থেকে প্রতিভাবান ৪০ জন বালক ও ৪০ জন বালিকা বাছাই করা হবে। এই ফুটবলাররাই পরবর্তী সময় জায়গা করে নিবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে।
No posts available.
২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:২১ পিএম
২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:৫১ পিএম

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল আইসিসি। সামনের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সব ম্যাচ ভারতের মাঠেই হবে। আগে ঘোষিত সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনবে না বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা।
বুধবার দুপুরের পর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করা আইসিসি বোর্ড সভার পর নেওয়া হয় এ সিদ্ধান্ত।বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সভায় থাকা সদস্য দেশগুলোর বেশিরভাগ বাংলাদেশের বিপক্ষে অর্থাৎ ভেন্যু না বদলানোর পক্ষেই ভোট দিয়েছে।
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার জেরে গত ৪ জানুয়ারি প্রথমবার ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে যেত অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এরপর নানান সময়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার কথাও স্পষ্ট করে বলে তারা।
তবে বুধবারের আইসিসি সভায় বাংলাদেশের দাবি টিকল না। আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে, বাংলাদেশের সব খেলা ভারতেই রাখার কথা জানিয়ে দিয়েছে আইসিসি। এই সভায় বাংলাদেশের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানোয নিয়ে করণীয় বিষয় সম্পর্কে আলোচনা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব ধরনের মূল্যায়ন ও স্বতন্ত্র পর্যালোচনা করার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব মূল্যায়নে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ভারতে টুর্নামেন্টের কোনো ভেন্যুতেই বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, গণমাধ্যমকর্মী, কর্মকর্তা, সমর্থকদের জন্য কোনো হুমকি নেই।
সভার পর আইসিসি বোর্ড জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট শুরুর এতটা কাছাকাছি সময়ে এসে সূচি পরিবর্তন করা বাস্তবসম্মত নয়। কোনো বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি না থাকা সত্ত্বেও এমন পরিবর্তন ভবিষ্যতের আইসিসি ইভেন্টগুলোর জন্য একটি নজির স্থাপন করতে পারে।

সুতোয় ঝুলছিল ম্যাচ। মাঠ কিংবা টিভির পর্দায় বসা সমথর্কদের নখ কামড়ানো মুর্হূত। কি হয় কি হয়—এমন উত্তেজনাপূর্ণ সময় রিশাদ হোসেনের কাঁধে আসে গুরু দায়িত্ব। রান চেক কিংবা উইকেট চাই—সমীকরণ মেলানোর মোক্ষম সুযোগ ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন বাংলাদেশের লেগস্পিনার। তাতেই বিগ ব্যাশে ফাইনালের আরও কাছে হোবার্ট হারিকেনস।
আজ হোবার্টে মেলবোর্ন স্টারসের বিপক্ষে ৩ রানের জয়ে টুর্নামেন্টের চ্যালেঞ্জারে পৌছে গেল হারিকেনস। এ জয়ে ফাইনালে পৌছাতে এক জয় দূরে হোবার্ট। শুক্রবার চ্যালেঞ্জার ম্যাচে সিডনি সিক্সারসের বিপক্ষে নামবে তারা।
বৃষ্টির কারণে ১০ ওভারে নামিয়ে আনা নক আউট ম্যাচে প্রথম ব্যাট করে ১১৪ রান করে হারিকেনস। দ্বিতীয় দফায় বৃষ্টি বাগড়া দিলে ৭ ওভারে মেলবোর্ন স্টারসের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৮৫ রান। জয় থেকে ৪ রান দূরে ৮১ রানে থামে মেলবোর্নের ইনিংস।
৮৫ রানের লক্ষ্য আটকানোর লড়াইয়ে চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে আসেন রিশাদ। নিজের প্রথম ওভারে দেন ১৩ রান।
রিশাদ যখন নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে আসেন তখন মেলবোর্নের দরকার ১২ বলে ৩৭ রান। প্রথম বলে এক রান দেন রিশাদ। স্যাম হার্পার রিটায়ার্ড হার্ড হয়ে মাঠ ছাড়লে ক্রিজে আসেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। প্রথম বলে দুই নেওয়ার পর রিশাদের ওভারের তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকান ম্যাক্সওয়েল। শেষ তিন বলে ঘুরে দাঁড়িয়ে মাত্র দুই রান দিয়ে হোবার্টকে ম্যাচে রাখেন রিশাদ।
শেষ ওভারে স্টারসের প্রয়োজন ছিল ২৬ রান। শেষ পর্যন্ত ২২ রান নিতে সক্ষম হয় দলটি। এই হারে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেলো স্টারস। আর টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌছাতে এক জয় দূরে হোবার্ট। শুক্রবার চ্যালেঞ্জার ম্যাচে সিডনি সিক্সারসের বিপক্ষে নামবে তাঁরা।
এদিন বৃষ্টির কারণে দেরিতে হয় টস। ঘরের মাঠে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে হোবার্ট। প্রথম ওভারেই মিচেল ওয়েনের উইকেট হারায় তাঁরা। আরেক ওপেনার টিম ওয়ার্ড ১০ রানে ফিরে যান। বিউ ওয়েবস্টারের অপরাজিত ৪৭, নিখিল চৌধুরীর ২৪ রানে ১০ ওভারে ৫ উইকেটে ১১৪ রানের সংগ্রহ পায় হোবার্ট।

দুই বছর পর ইংল্যান্ডের ওয়ানডে দলে ফিরছেন জ্যাক ক্রলি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের ঘোষিত একাদশে জায়গা পেয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটার।
ওপেনিংয়ে ক্রলির সঙ্গে দেখা যাবে বেন ডাকেটকে। সবশেষ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলেছিলেন ক্রলি।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৮ ওয়ানডেতে ১৯৯ রান করেছেন ক্রলি, ২৮.৪২ গড়ে তাঁর সর্বোচ্চ ৫৮ রান। তাঁর অনুপস্থিতিতে ফিল সল্ট, জেমি স্মিথ ও উইল জ্যাকস ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়েছেন।
লঙ্কানদের বিপক্ষে ম্যাচে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেবেন হ্যারি ব্রুক। উইকেটকিপারের দায়িত্বে থাকছেন জস বাটলার। অলরাউন্ডার হিসেবে দলে রয়েছেন উইল জ্যাকস, স্যাম কারান ও জেমি ওভারটন।
স্পিন বিভাগে আছেন অভিজ্ঞ আদিল রশিদ ও লিয়াম ডসন। খণ্ডকালীন স্পিনার হিসবে হাত ঘোরাতে রয়েছেন জ্যাকব বেথেল ও জো রুট। পেস আক্রমণে মূল ভরসা কারান ও ওভারটনের ওপরই।
শ্রীলঙ্কার মাঠে ওয়ানডে সিরিজ মোটেই সহজ হবে না ইংল্যান্ডের জন্য। ঘরের মাঠে টানা ৯টি ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে লঙ্কানরা। অন্যদিকে নিজেদের সর্বশেষ চারটি বিদেশ সফরের ওয়ানডে সিরিজের সবগুলোই হেরেছে ইংলিশরা।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ সময় আগামীকাল বেলা তিনটায় লঙ্কানদের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড। এরপর ২২ ও ২৪ জানুয়ারি হবে বাকি দুই ওয়ানডে। সবগুলো ম্যাচই হবে কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দল।
প্রথম ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের একাদশ:
জ্যাক ক্রলি, বেন ডাকেট, জো রুট, জ্যাকব বেথেল, হ্যারি ব্রুক (অধিনায়ক), জস বাটলার (উইকেটকিপার), উইল জ্যাকস, স্যাম কারান, জেমি ওভারটন, লিয়াম ডসন ও আদিল রশিদ।

নূরিস্তানি ওমরজাইয়ের বড় পরিচয় তিনি আফগানিস্তানের একজন মিডিয়াম ফার্স্ট বোলার। যে গুণ তাঁকে আলোচনায় এনেছে, তা হলো নিঁখুত লাইন লেন্থে বোলিংয়ের দক্ষতা। স্ট্যাম্প টু স্ট্যাম্প বল করে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে উইকেটশিকারিদের তালিকায় শীর্ষে এখন ওমরজাই।
যুবা বিশ্বকাপে ‘ডি’ গ্রুপে আফগানিস্তান। দুই ম্যাচে দুই জয় তোলা আফগানরা গ্রুপের শীর্ষে। বুধবারের ম্যাচে তারা তানজানিয়াকে ৮৫ রানে থামিয়ে দিয়েছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উইকেট না হারিয়ে ২৫ রান সংগ্রহ করেছে আফগানিস্তান। বলা চলে জয়ের পথেই দলটি।
এদিন ওমরজাই একে একে পাঁচটি উইকেট তুলে নেন তানজানিয়ার। ৭ ওভার বোলিং করেন তিনি। ১.২৮ ইকোনমি রেটে খরচ করেন মাত্র ৯ রান। ছিল দুটি মেডেন ওভার। দলের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ইকোনমি রেট ওমরজাইয়ের।
বিশ্বকাপে এর আগে দুই ম্যাচের একটি ১৬ রান খরচায় ৪ উইকেট এবং অন্যটিতে ৫১ রান খরচায় ১ উইকেট নেন ওমরজাই।
টুর্নামেন্টে ওমরজাইয়ের উইকেট ১০টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের হেনিল প্যাটেল ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভাইটেল লুইস। দুজনের ৬টি করে উইকেট। যদিও তাঁরা ওমরজাই থেকে একটি ম্যাচ কম খেলেছেন।

গত সপ্তাহে ওয়ানডে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে উঠেছিলেন বিরাট কোহলি। এক সপ্তাহ পেরোতেই রাজত্ব হারালেন ভারতীয় ব্যাটার। আজ আইসিসির সবশেষ হালনাগাদকৃত ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে কোহলিকে হটিয়ে ওয়ানডে ব্যাটারদের শীর্ষে উঠেছেন নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটার ড্যারিল মিচেল।
ক্যারিয়ার সেরা ৮৪৫ রেটিং অর্জন করেছেন মিচেল। ৭৯৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে নেমে গেছেন কোহলি। রোহিত শর্মাকে (৭৫৭) হটিয়ে তিনে উঠে এসেছেন আফগানিস্তানের ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান (৭৬৪ রেটিং)।
সবশেষ নিউ জিল্যান্ড-ভারত সিরিজে অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে শীর্ষে উঠেছেন মিচেল। এই নিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্বিতীয়বারের মতো এক নম্বরে ওঠলেন মিচেল। গত বছরের নভেম্বরে শীর্ষস্থানে ওঠার তিন দিন পরেই রোহিত শর্মার কাছে স্থান হারান।
ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচে ৩৫২ রান করে সিরিজসেরার পুরস্কারও জিতেছেন মিচেল। সিরিজে দুই সেঞ্চুরি ও এক ফিফটি করেন ডানহাতি এই ব্যাটার। তাঁর অতিমানবীয় ব্যাটিংয়ে প্রথমবারের মতো ভারতের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জয় করেছে নিউ জিল্যান্ড। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মিচেলের ৩৫২ রান কোনো নিউজিল্যান্ডের ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ।
আরও পড়ুন
| ধবলধোলাই হওয়া দলের ওপরই আস্থা রাখল শ্রীলঙ্কা |
|
ইন্দোরে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে গ্লেন ফিলিপস ৮৮ বলে ১০৬ রান করে ব্যাটারদের তালিকায় ১৬ ধাপ উঠে ২০ নম্বরে উঠেছেন। ওয়ানডে অলরাউন্ডারদের তালিকায়ও ১৪ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৩১ নম্বরে উঠেছিলেন ফিলিপস। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন আফগানিস্তানের আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
ওয়ানডে বোলিং র্যাংকিংয়ে ছয় ধাপ এগিয়ে ৩৩ নম্বরে উঠেছেন নিউ জিল্যান্ডের মাইকেল ব্রেসওয়েল।
টি-টোয়েন্টি বোলিং র্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠেছেন রশিদ খান। তাঁর সতীর্থ মুজিব উর রহমানও দুই ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ১৪ নম্বরে উঠেছেন।
টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ইব্রাহিম জাদরান পাঁচ ধাপ এগিয়ে ১৫ নম্বরে উঠেছেন।