
বাংলাদেশের
আসল লড়াই কি শুরু তবে এখান থেকে? কারণ টুর্নামেন্টে যাওয়ার আগে থেকেই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত
হয়েছে বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান ম্যাচ নিয়ে। শক্তিধর উত্তর কোরিয়া ও চীনের বিপক্ষে জয়ের
আশা কেউ-ই করেনি। তবে গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় উজবেকিস্তানকে হারাবে বাংলাদেশ, এমন স্বপ্ন
দেখেছেন কোটি সমর্থক। সেই স্বপ্ন বাস্তবে ধরা দিতে পারে আগামীকাল। বিকেল ৩টায় পার্থের
রেকট্যাঙ্গুলার স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল।
ম্যাচের আগেরদিন
তথা আজ সংবাদ সম্মেলনে আসেন দুই দলের কোচ অধিনায়ক। সেখানে বাংলাদেশকে সমীহ করেই কথা
বলেছেন উজবেকিস্তান নারী দলের কোচ কোটরিনা কুলবিতে এবং দলের খেলোয়াড় মিডোরি হোন্ডা।
তবে নিজেরা যে জয়ের জন্য মাঠে নামবেন সেটা বলতে ভুল করেননি। উজবেকিস্তান কোচের কথা,
‘আমরা আমাদের শতভাগ শক্তি দিয়ে আগামীকালকের ম্যাচের
জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং আমরা মাঠে
নামব এই ম্যাচটি জেতার
জন্য।’
বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান ম্যাচে যে জিতবে তারই সম্ভাবনা তৈরি হবে পরের রাউন্ডে যাওয়ার। বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় এখন পর্যন্ত ৭ গোল হজম করেছে, উজবেকিস্তান দুই ম্যাচে করেছে ৬ গোল। সেক্ষেত্রে বড় ব্যবধানের জয়ের লক্ষ্য থাকবে কি না জানতে চাইলে মিডোরি হোন্ডা বলেন,
‘আমাদের লক্ষ্যের কথা বললে, আমরা জেতার জন্যই মাঠে নামব। আর গাণিতিক সমীকরণের কথা বললে, সেটা এখন বলা কঠিন কারণ অন্য গ্রুপগুলোতেও অনেক খেলা বাকি।’
বাংলাদেশকে সমীহ করে উজবেকিস্তানের এই খেলোয়াড় বলেন,
‘বাংলাদেশ সম্পর্কে আমি যা বলতে পারি তা হলো— তারা একটি গতিশীল দল। মাঠের পারফরম্যান্সে তারা বেশ বিনয়ী। আমি তাদের খেলা দেখেছি। কিছু দ্রুতগতির খেলোয়াড় আছে। বিশেষ করে আক্রমণভাগে। আমাদের জন্য এটি সহজ ম্যাচ হবে না। এশিয়ান কাপে কোনো ম্যাচই সহজ নয়।’
বাংলাদেশি গোলকিপার মিলি আক্তারকে নিয়ে হোন্ডা বলেন,
‘বাংলাদেশ একটি তরুণ দল এবং তাদের অনেক সম্ভাবনা আছে। তাদের গোলকিপার (মিলি) চমৎকার খেলছে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে গোলপোস্টের নিচে সে খুবই সাহসী। তাঁর জন্য অনেক অভিনন্দন।’
No posts available.
১০ মার্চ ২০২৬, ৪:০৪ পিএম

এএফসি উইমেন’স এশিয়ান কাপ অধ্যায় শেষ হয়েছে ইরান নারী ফুটবল দলের। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের সবকটিতে হেরেছে তারা। ফলে বাড়ি ফেরার অপক্ষোয় জাহরা গনবারিরা। তবে দেশটিতে চলমান যুদ্ধ ইরানের ফুটবলারদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি করেছে। এমতাবস্থায় বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, পাঁচ ইরানি নারী ফুটবলারকে মানবিক ভিসা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আপাতত নিরাপদেই থাকছেন তারা।
মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আন্থনি আলবানিজ বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মানুষ এই সাহসী নারীদের পরিস্থিতিতে গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছেন এবং তারা এখানে নিরাপদে আছেন।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক সামাজিক মাধ্যমে পাঁচ খেলোয়াড়ের সঙ্গে তোলা ছবি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, কয়েক দিন ধরেই গোপনে তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। তবে পুরো দলের সবাই একই সিদ্ধান্ত নেবেন, এমনটি নিশ্চিত নয় বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন
| অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয়ে ইরানের ৫ নারী ফুটবলার |
|
দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে ইরানের মেয়েদের জাতীয় সংগীত না গাওয়ার ঘটনায় নিরাপত্তা উদ্বেগ দ্বিগুণ হয়েছে। এই ঘটনায় সমালোচনা শুরু হয় এবং এক সমালোচক এটিকে ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে আখ্যা দেন, কঠোর শাস্তির দাবি তোলেন তারা।
এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এবং শেষ ম্যাচে ফিলিপাইনের বিপক্ষে ইরানের খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীত গেয়ে সালাম দেন। সমালোচকেরা মনে করছেন, দেশের কর্তৃপক্ষের চাপের কারণে তারা জাতীয় সংগীত গাইতে বাধ্য হয়েছেন।
ম্যাচটির প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে অনেক সমর্থক ‘লায়ন্স এন্ড সান’ পতাকা উড়িয়ে দেন—যেটি ইসলামী বিপ্লবের আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় পতাকা ছিল। স্টেডিয়ামের বাইরে কেবল বর্তমান সরকারি পতাকা প্রদর্শনের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তারা গোপনে পতাকাগুলো ভেতরে নিয়ে আসে।
রবিবার রাতে স্টেডিয়াম থেকে দলটির বাস বের হওয়ার সময় সমর্থকদের হাতে ব্যানার দেখা যায়—যেখানে লেখা ছিল, ‘অস্ট্রেলিয়াতে নিরাপদে থাকো, পুলিশের সঙ্গে কথা বলো’। বাসের ভেতরে বসে খেলোয়াড়রা বৃষ্টির মধ্যে বাইরে ঘটে যাওয়া দৃশ্য দেখেন।
সোমবার পাঁচতারকা রিসোর্টে কড়া নিরাপত্তা দেখা গেছে। হোটেলের সামনে ফেডারেল পুলিশ মোতায়েন ছিল। দলের কোনো খেলোয়াড়কে দেখা না গেলেও প্রতিনিধি দলের কয়েকজন সদস্য হোটেলের সাধারণ জায়গায় বসেছিলেন। তারা কখন হোটেল ছাড়বে—ইরানে ফিরবে নাকি অন্য কোনো দেশে যাবে—এখনো স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন
| কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ম্যানসিটি-লিভারপুল |
|
সিডনিতে সোমবার ইরানি দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফিফা, এএফসি ও অস্ট্রেলিয়ান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিশ্বব্যাপী খেলোয়াড়দের সংগঠন ফিফপ্রোর এশিয়া/ওশেনিয়া অঞ্চলের সভাপতি বিউ বুশ। তিনি বলেন,
‘আমরা (অস্ট্রেলিয়ান সরকারকে) বলছি, যেন খেলোয়াড়দের (নিরাপত্তা) নিয়ে কাজ করা হয়। এটা সত্যিই কঠিন পরিস্থিতি। এমন খেলোয়াড় থাকতে পারে, যারা ফিরে যেতে চায়। দলের মধ্যে এমন কিছু খেলোয়াড় থাকতে পারে, যারা আশ্রয় পেতে চায়, অথবা অস্ট্রেলিয়ায় আরও বেশি সময় থাকতে চায়। এমন কিছু খেলোয়াড় থাকতে পারে যারা সম্ভাব্য দেশে ফেরা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’
একই দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘‘ইরান দলকে দেশে ফিরতে দিয়ে অস্ট্রেলিয়া ‘ভয়াবহ মানবিক ভুল’ করছে।’’ দলটির সদস্যদের আশ্রয় দিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ইরানের জাতীয় নারী ফুটবল দলকে জোরপূর্বক ইরানে ফেরত নেওয়ার অনুমতি দিয়ে অস্ট্রেলিয়া ভয়াবহ মানবিক ভুল করছে, সেখানে (ইরান) হয়তো তাদের হত্যা করা হবে। আপনি যদি তা না করেন (আশ্রয় না দেন), তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিয়ে যাবে।’

বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ স্থগিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছে না ফিফা। সংস্থাটির শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেছেন, এই আয়োজন এত বড় যে সেটি পিছিয়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
ফিফার প্রধান প্রতিযোগিতা পরিচালনা কর্মকর্তা হেইমো শির্গি সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। তিনি জানান, বিশ্ব পরিস্থিতির ওপর নজর রাখলেও পরিকল্পনা অনুযায়ীই বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কথা আগামী ১১ জুন। বিশ্বকাপে প্রথমবারের অংশ নেবে ৪৮টি দেশ। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করবে এই সংস্করণে।
আরও পড়ুন
| অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয়ে ইরানের ৫ নারী ফুটবলার |
|
শির্গি বলেন, ‘ভবিষ্যতে কী হবে তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারে না। পরিস্থিতি প্রতিদিন বদলাচ্ছে এবং আমরা তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। তবে বিশ্বকাপ অবশ্যই হবে। এই টুর্নামেন্ট এত বড় যে এটি স্থগিত করার বিষয় নয়। আমরা আশা করি, যেসব দল যোগ্যতা অর্জন করেছে সবাই অংশ নিতে পারবে।’
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং ইরানকে ঘিরে সংঘাতের প্রভাব নিয়ে ফিফা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান তিনি।
এবারের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো হবে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি শহরে। এ ছাড়া কানাডায় দুটি এবং মেক্সিকোতে তিনটি ভেন্যুতে ম্যাচ হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন সম্প্রতি কয়েকটি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সেই তালিকায় রয়েছে ইরান, আইভরি কোস্ট, হাইতি ও সেনেগাল। আয়োজক মেক্সিকোর একটি শহরেও চলছে অস্থিরতা। তবে বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা ও তাদের নিকটাত্মীয়দের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিশ্বকাপের টিকিটের উচ্চমূল্য নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। কিছু টিকিটের দাম কয়েক হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে প্রতিটি ম্যাচের জন্য সীমিত সংখ্যক স্বল্পমূল্যের টিকিট দেওয়া হবে, যাতে নিয়মিত সমর্থকেরা তা কিনতে পারেন।
ডালাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বকাপ উপলক্ষে ৩৪ দিনব্যাপী সমর্থক উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়। আয়োজকদের আশা, বিশ্বজুড়ে নানা অস্থিরতার মাঝেও এই বিশ্বকাপ মানুষকে একত্রিত করার একটি বড় উপলক্ষ হয়ে উঠবে।

দেশে ফিরলে নিপীড়নের আশঙ্কায় অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চেয়েছিলেন ইরানের জাতীয় নারী ফুটবল দলের ৫জন খেলোয়াড়। মানবিক বিবেচনায় তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া, দিয়েছে মানবিক ভিসা। যার ফলে আপাতত অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয়ে থাকছেন ওই ৫ ফুটবলার। মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
ইরানের নারী ফুটবল দল অস্ট্রেলিয়ায় চলমান এএফসি এশিয়ান কাপ খেলতে গিয়েছিল। সেখানেই দলের ৫ খেলোয়াড় গোপনে টিম হোটেল ছেড়ে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশের আশ্রয়ে যান। পরে তারা সরকারের কাছে সহায়তা চান। মানবিক ভিসা পাওয়া ওই পাঁচ ফুটবলার হলেন জাহরা সারবালি আলিশাহ, ফাতেমেহ পাসানদিদেহ, মোনা হামুদি, জাহরা ঘানবারি এবং আতেফেহ রামেজানিজাদেহ।
আরও পড়ুন
| ফিনালিসিমার আগে সাহসী সিদ্ধান্ত কাতারের |
|
এশিয়ান কাপের টুর্নামেন্ট চলাকালেই পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে ইরানে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এরপর থেকেই চরম উত্তেজনা বিরাজ করে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানের নারী দলের মাঠের পারফরম্যান্সও খুব একটা ভালো নয়। ফিলিপাইনের কাছে ২–০, অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪-০ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় তারা।
এশিয়ান কাপে ইরানের প্রথম ম্যাচ ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে। ২ মার্চ ওই ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গেয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন ইরানের এই ৫ ফুটবলার। তাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েন। একজন ধারাভাষ্যকার এটিকে ‘চরম অসম্মান‘ বলে মন্তব্য করেন। সেই ঘটনার পর থেকেই খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক সামাজিক মাধ্যমে ইরানের ৫ খেলোয়াড়ের সঙ্গে তোলা ছবি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, কয়েক দিন ধরেই গোপনে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। তবে পুরো দলের সবাই একই সিদ্ধান্ত নেবেন, এমনটি নিশ্চিত নয় বলেও জানান তিনি।

বিশ্বকাপের আগে কার্লো আনচেলত্তির প্রাক-প্রাথমিক স্কোয়াডে রাখা হয়েছে নেইমার জুনিয়রকে। তবে এখনই খুশি হওয়ার কারণ নেই সান্তোস তারকার। পুরোপুরি ফিট নেইমারকে না পেলে ফাইনাল স্কোয়াডে তাঁকে রাখা হবে না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন ইতালিয়ান কোচ। এদিকে ওয়ার্ক লোডের কারণে আগামীকাল সান্তোষের হয়ে ম্যাচ খেলতে পারছেন না নেইমার। দলে সুযোগ পাওয়ার পর এটি তাঁর জন্য কিছুটা বিব্রতকরই।
মার্চের শেষের দিকে ফিফা প্রীতি ম্যাচে ফ্রান্স এবং ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে এটিই চূড়ান্ত আন্তর্জাতিক ফিফা উইন্ডো। সেখানে দুই ম্যাচ পরখ করেই চূড়ান্ত দল নির্ধারণ করা হবে বলে জানা যায়।
মার্চের ফিফা প্রীতি ম্যাচের আগে ক্লাবের জার্সিতে আরও চার ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন নেইমার। যদিও কোচ আনচেলত্তির কাছে প্রমাণের আগে কেবল এক ম্যাচই হাতে আছে নেইমারের। কারণ ব্রাজিলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায় আগামীকাল লিগ ম্যাচে মিরাসোলের বিপক্ষে খেলবেন না এক সময় সাবেক বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। ‘ওয়ার্ক লোড’ নিয়ন্ত্রণ করতেই এমন সিদ্ধান্ত আসছে। সান্তোস জানিয়েছে, নেইমারের অনুপস্থিতি ছিল একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।
তবে এই সময়টা নেইমারের জন্য বেশ বিব্রতকর। কারণ ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি ৩৪ বছর বয়সী এই তারকাকে খেলতে দেখতে চেয়েছিলেন। আপাতত তাঁকে অপেক্ষা করতে হবে আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত। সেদিন করিন্থিয়ান্সের হয়ে মাঠে নামবেন ব্রাজিলের শীর্ষ গোলদাতা। ফ্রান্স, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের আগে ওই ম্যাচটি দিয়েই নেইমারকে পর্যবেক্ষণ করবেন ব্রাজিল কোচ। কেননা ওই দিনই ২৬ ও ৩১ মার্চ ব্রাজিলের দুটি প্রীতি ম্যাচের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করবেন আনচেলত্তি।

লিওনেল মেসির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কথা বলেছেন তাঁর বর্তমান ক্লাব ইন্টার মায়ামির মালিক ডেভিড বেকহ্যাম। সম্প্রতি তিনি আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন যে খুশি হতাম যদি সে অবসরের পর মায়ামিতে বসবাস করতেন। যদিও এরপর তিনিই আবার জানান, ‘আমি চাই মেসি অবসর নিয়ে মায়ামিতে থাকুক। কিন্তু লিও বলেছে সে শুধু ক্যাম্প ন্যু’র কাছে থাকতে চায়।’
বেকহ্যাম আরও যোগ করে বলেন বার্সেলোনার প্রতি মেসির আবেগ, অনুরাগ অনন্য, ‘কেউ-ই বার্সাকে তাঁর (মেসি) মতো ভালোবাসে না। আপনি দেখবেন বার্সার লোগো তাঁর পায়ে, এমনকি তাঁর পানির বোতলেও।’ বেকহ্যামের এই মন্তব্য ফুটবল দুনিয়ায় মেসির বার্সেলোনার প্রতি অনুরাগকে আবার সামনে এনেছে। এমনটাই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ফুটবল সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো।
প্রশ্ন উঠছে— মেসি কি বার্সেলোনায় আবার ফিরবেন? যদিও ২০২১ সালে বার্সেলোনা ছাড়ার পর পিএসজি ঘুরে ২০২৩ সাল থেকে তিনি বর্তমানে খেলছেন যুক্তরাষ্ট্র মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে। এই সময়ে অনেক ক্লাবের থেকে প্রস্তাব পেলেও পরিবারের কথা ভেবেই তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে গেছেন বলে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ প্রচার হয়েছে। তবে এখন অনেকে আশা করেন ভবিষ্যতে তিনি বার্সেলোনায় ফিরে ক্লাবের সঙ্গে বিশেষ কোনো সম্পর্ক বজায় রাখবেন। ক্লাবটির কোচিং বা কোনো প্রশাসনিক ভূমিকায় আগ্রহ দেখাতে পারেন মেসি।