২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম

আশরাফ হাকিমির বাসায় ধর্ষণের শিকার হয়েছেন— ২০২৩ সালে এমন আপত্তিকর অভিযোগ তুলেছিলেন ২৪ বছর বয়সী এক নারী। যদিও শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন মরক্কোর ফুলব্যাক। তবে ঘটনার পর প্যারিসের পশ্চিম উপশহর নঁতেরের পাবলিক প্রসিকিউটরের দপ্তর বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।
আজ প্যারিস সেন্ট–জার্মেইন ডিফেন্ডার হাকিমি জানিয়েছেন, ধর্ষণের অভিযোগের পর তিনি বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে হাকিমি লেখেন,
“আজকের দিনে শুধু ধর্ষণের অভিযোগই একটি বিচারের জন্য যথেষ্ট বলে মনে করা হয়। এটি যেমন নির্দোষদের জন্য অন্যায়। তেমনি প্রকৃত ভুক্তভোগীদের ক্ষেত্রেও। আমি শান্তভাবে বিচারের অপেক্ষায় আছি, যাতে সত্যটি সবার সামনে প্রকাশ পায়।”
মাঠের বাইরে এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট প্লে–অফের দ্বিতীয় লেগে মোনাকোর বিপক্ষে খেলতে নামবে পিএসজি। গত মঙ্গলবার ঘোষিত ক্লাবটির প্রাথমিক স্কোয়াডে হাকিমির নাম রাখা হয়েছে।
No posts available.
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:২৭ পিএম

ইংল্যান্ডের সপ্তম স্তরের ক্লাব গ্লুস্টার সিটিতে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের মিডফিল্ডার কিউবা মিচেল। মৌসুমের বাকি সময় ক্লাবটিতে থাকবেন ২০ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
গত বছরের জুলাইয়ে তিন বছরের চুক্তিতে বসুন্ধরা কিংসে যোগ দিয়েছিলেন কিউবা। গত ৩ জানুয়ারি পারস্পরিক সমঝোতায় চুক্তি বাতিল করে ইংল্যান্ডে ফিরে যান তিনি।
এই দলবদলকে নিজের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন সান্ডারল্যান্ড ও বার্মিংহাম সিটির বয়সভিত্তিক দলে বেড়ে ওঠা কিউবা মিচেল।
গ্লুস্টার সিটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিউবা বলেন, 'সবকিছু চূড়ান্ত হওয়ায় ভীষণ খুশি। মাঠে নেমে নিজের সামর্থ্য দেখাতে চাই এবং দল যেভাবে ভালো করছে, তাতে অবদান রাখতে চাই।'
আরও পড়ুন
| বিশ্বকাপে একটি দলের মুখোমুখি হতে চান না মেসি |
|
বাংলাদেশ থেকে ফেরার পরপরই এই সুযোগ আসে বলে জানান কিউবা, 'ফেরার পর আমার এজেন্ট বিষয়টি জানায়। দলটির পরিকল্পনা ও পারফরম্যান্স আমাকে আকৃষ্ট করেছে। সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছি।'
জামাইকান বাবা ও বাংলাদেশি মায়ের সন্তান কিউবা গত নভেম্বরে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক করেন। পরে ভারতের বিপক্ষে ২২ বছর পর ঐতিহাসিক জয়ের দলেও ছিলেন এই তরুণ।
কিউবা এমন সময়ে গ্লুস্টার সিটিতে যোগ দিয়েছেন যখন ক্লাবটি সরাসরি প্রমোশনের দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
৩১ ম্যাচে ৬১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা গ্লুস্টার সিটির মূল লক্ষ্য এখন টেবিলের শীর্ষে থাকা দলের সাথে ব্যবধান কমিয়ে শিরোপা জেতা অথবা অন্তত প্লে-অফ নিশ্চিত করে ওপরের স্তরে উঠে যাওয়া।

শুরু হয়ে গেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন। এবার উত্তর আমেরিকার মাটিতে বসতে যাচ্ছে ফুটবলের মহাযজ্ঞ। যার বাকি চার মাসেরও কম সময়। শিরোপাধারী লিওনেল মেসি ও তার দল আর্জেন্টিনা প্রস্তুত শিরোপা রক্ষার মিশনে।
বিশ্বকাপের নতুন মিশনে এক প্রতিপক্ষকে এড়িয়ে চলার ইচ্ছার কথা খোলাখুলিই জানালেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। সেই দলের নাম মেক্সিকো।
সাবেক সতীর্থ, বর্তমানে টিগ্রেস ইউএএনএলের গোলরক্ষক নাহুয়েল গুজমানের সঙ্গে ‘মিরো দে আট্রাস’ পডকাস্টে আলাপে মেসি ফিরে গেলেন ২০২২ বিশ্বকাপের স্মৃতিতে। সেবার গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় ছিল আর্জেন্টিনার জন্য বাঁচা-মরার লড়াই।
আরও পড়ুন
| ইংরেজি না শেখায় নিজেকে ‘অজ্ঞ’ মনে হয় মেসির |
|
সৌদি আরবের কাছে অপ্রত্যাশিত হারের পর আরেকটি পরাজয় মানেই বিদায়। পরিস্থিতির চাপ, সম্ভাব্য অকাল বিদায়ের শঙ্কা- সব মিলিয়ে ম্যাচটি ছিল মানসিক পরীক্ষারও। মেসির ভাষায়, ‘আমরা সেই ম্যাচে সত্যি বলতে ভয় নিয়েই মাঠে নেমেছিলাম।’
ইতিহাস বলছে, মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। তবু মেসি স্বীকার করলেন, মেক্সিকো সব সময়ই কঠিন প্রতিপক্ষ। বল দখলে রাখার সামর্থ্য, ছন্দ নষ্ট করার কৌশল আর সমর্থকদের উচ্ছ্বাস- সব মিলিয়ে তারা যে কোনো শক্তিশালী দলকেই অস্বস্তিতে ফেলতে পারে।
২০২৬ বিশ্বকাপ হবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায়। স্বাগতিক হিসেবে বাড়তি সমর্থন পাবে উত্তর আমেরিকার দলগুলো। তাই এই বাস্তবতায় টুর্নামেন্টের শুরুতেই মেক্সিকোর মুখোমুখি হতে চান না আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
“বিশ্বকাপ ও বড় বড় টুর্নামেন্টে আমাদের প্রায়ই দেখা হয়, আর বেশির ভাগ সময়ই সেটা হয় বাঁচা-মরার ম্যাচে। শেষবার হয়েছিল গ্রুপ পর্বে… এবার তোমাদের (মেক্সিকো) ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দারুণ একটা সুযোগ আসছে। নিজের মাঠে খেললে একটা প্রভাব থাকেই- ভালো বা খারাপ, দু- ভাবেই। তবে যাই হোক, আশা করি এবার আমাদের মুখোমুখি হতে হবে না।”
শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামার আগে মেসির এই সতর্কতা মনে করিয়ে দেয়- বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেও ভয়, চাপ আর হিসাব-নিকাশের বাইরে কেউ নয়। এখন অপেক্ষা, উত্তর আমেরিকার মঞ্চে ভাগ্য কী লিখে দেয়।

আলেক্সান্দার সোরলথের প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ হ্যাটট্রিকে ক্লাব ব্রুজকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।
প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে মঙ্গলবার রাতে ৪-১ ব্যবধানের জয় পায় দিয়েগো সিমিওনের দল। প্রথম লেগ ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছিল। দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৪ গোলে এগিয়ে থেকে পরের রাউন্ডে উঠল স্প্যানিশ ক্লাব আতলেতিকো।
ঘরের মাঠে ম্যাচের ২৩ মিনিটে গোলের সূচনা করেন সোরলথ। গোলকিপার ইয়ান ওব্লাকের লম্বা পাস ব্রুজের ডিফেন্ডাররা ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে সোরলথ দারুণ পজিশনে বল পান। তার জোরালো শটটি আটকাতে গিয়েও অভিজ্ঞ গোলকিপার সিমোঁ মিনিওলের হাত ফসকে জালে ঢুকে যায়।
আরও পড়ুন
| আজকাল ধর্ষণের বিচারের জন্য অভিযোগই যথেষ্ট, বললেন হাকিমি |
|
৩৬ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে সমতা ফেরান জোয়েল অর্ডোনেজ। দুই মিনিট পর এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রুজ। হুগো ভেটলসেনের হেড দুর্দান্ত ডাইভ দিয়ে সেভ করে দলকে রক্ষা করেন ওব্লাক।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় আতলেতিকো। যুক্তরাষ্ট্রের মিডফিল্ডার জনি কার্দোসোর জোরাল শটে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। শেষ ১৪ মিনিটে আরও দুই গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সোরলথ।
রাতের অপর ম্যাচে কারাবাগকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড। ঘরের মাঠ সেন্ট জেমস পার্কে দ্বিতীয় লেগে ৩-২ গোলের জয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৯-৩ ব্যবধানে এগিয়ে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করে ইংলিশ ক্লাবটি। আজারবাইজানে প্রথম ম্যাচে তারা জিতেছিল ৬-১ ব্যবধানে।
আরেক ম্যাচে গ্রিসের অলিম্পিয়াকোসের সঙ্গে ০-০ গোলে ড্র করে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে বায়ার লেভারকুসেন। দুই লেগ মিলিয়ে ২-০ ব্যবধানে জিতে ২০০২ সালের পর প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে পা রাখল জার্মান ক্লাবটি।

খেলোয়াড়ি বা ব্যক্তিগত জীবনে প্রাপ্তি-অর্জনের শেষ নেই লিওনেল মেসির। অর্থ-বিত্তের দিক থেকেও ধনকুবেরই বলা যায় আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে। তবু তার জীবনে রয়ে গেছে একটি আক্ষেপ। আর সেটি হলো ইংরেজি না শেখা ও বলতে না পারা।
সম্প্রতি আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক নাহুয়েল গুসমানের পডকাস্ট 'মিরো দে আট্রাসে' উপস্থিত হয়ে মেসি নিজের জীবনের এমন এক দিক খুলে বলেছেন, যা সাধারণত আলোচনায় আসে না। সাবলীলভাবে ইংরেজি বলতে না পারায় অনেক সময় নিজেকে ‘অজ্ঞ’ মনে হয়েছে, স্বীকার করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
আরও পড়ুন
| আজকাল ধর্ষণের বিচারের জন্য অভিযোগই যথেষ্ট, বললেন হাকিমি |
|
মেসি জানান, আর্জেন্টিনায় পড়াশোনা করেছেন উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত। এরপরই পুরো মনোযোগ চলে যায় ফুটবলে। প্রথমে নিওয়েলস ওল্ড বয়েজ ক্লাবে। আর তারপর ইতিহাসগড়া অধ্যায় স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে।
“আর্জেন্টিনায় শেষ বছরে জানতাম আমি চলে যাচ্ছি। এরপর তখন আর কিছুই করিনি। এখন অনেক কিছুর জন্যই আফসোস হয়। আমি আমার সন্তানদের বলি- ভালো শিক্ষা, পড়াশোনা, নিজেকে প্রস্তুত করা খুব জরুরি।”
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলছেন মেসি। বৈশ্বিক তারকা, ব্যবসায়ী ও নানা ক্ষেত্রের খ্যাতিমান ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়মিত ওঠাবসা তার। সেই পরিসরে দাঁড়িয়ে ইংরেজিতে দক্ষ না হওয়ার অভাবটা আরও বেশি করে অনুভব করেন তিনি।
“আমি আমার সন্তানদের বলি, আজ তাদের সুযোগ আছে- নষ্ট কোরো না। ছোটবেলায় ইংরেজি শেখার সময় ছিল, শিখিনি। বোকামি করেছি। এখন অসাধারণ সব মানুষের সঙ্গে থাকি, কখনও কখনও নিজেকে অজ্ঞ মনে হয়।”
আরও পড়ুন
| হামজা-জামালদের বেতন দেবে সরকার, আনন্দ দ্বিগুণ হচ্ছে আফঈদাদের |
|
বৈশ্বিক প্রচারণা কিংবা ক্লাবের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সতীর্থরা যখন ইংরেজি, ফরাসি বা অন্য ভাষায় কথা বলেন, মেসি বরাবরই স্প্যানিশেই স্বচ্ছন্দ। মাঠে তার পায়ের জাদু যদিও ভাষার সীমা মানে না, তবু ব্যক্তিগত পরিসরে ভাষাগত সীমাবদ্ধতাকে তিনি খোলামেলাভাবে মেনে নিচ্ছেন।
বিশ্বকাপ জয়, অগণিত শিরোপা আর ‘সর্বকালের সেরা’ বিতর্কের বাইরে এই স্বীকারোক্তি মেসির আরেক মানবিক মুখ তুলে ধরে। শিক্ষা ও আত্মপ্রস্তুতির গুরুত্ব নিয়ে তার এই বার্তা হয়তো নতুন প্রজন্মকে মনে করিয়ে দেবে- স্বপ্ন শুধু মাঠে নয়, শ্রেণিকক্ষেও গড়ে ওঠে।

সারা বিশ্বেই ফুটবলাররা সাধারণত আয় করে থাকেন নিজ নিজ ক্লাব থেকে। জাতীয় দলে তারা খেলেন দেশের জন্য, সম্মানের জন্য। আর ফেডারেশনের পক্ষ থেকে যা বেতন বা সম্মানী পান সেটির সঙ্গে ক্লাবের আয়ের পার্থক্য বিস্তর। বাংলাদেশের মতো দেশে ক্লাব থেকে সে অর্থে মোটা দাগের আয় বেশিরভাগ ফুটবলারের হয় না। সেটি বিচার করেই কি না এবার জাতীয় দলের ফুটবলারদের বেতনভুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। আজ এমনটাই জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
ক্রিকেট বোর্ড এবং ফুটবল ফেডারেশনসহ গতকাল সোমবার সব ফেডারেশনের কর্তাদের সঙ্গে সভা করেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল। আজ মঙ্গলবার কেবল বাফুফের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসেন তিনি। সেখানে বেশ কিছু প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাতীয় পুরুষ দলের ফুটবলারদের বেতনের আওতায় আনা। সেটি দেওয়া হবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে।
বাংলাদেশে পুরুষ ফুটবলারদের আগে কোনো বেতন দেওয়া হতো না। তবে ম্যাচ ফি, জাতীয় দলের ক্যাম্প চলাকালীন ফুটবলাররা ২০-২৫ হাজার টাকা করে সম্মানী পেতেন। আর নারী ফুটবলারদের আগে থেকেই বেতন দেওয়া হতো। এবার তারাও সরকারের পক্ষ থেকে বেতন পাবেন। সেক্ষেত্রে ফেডারেশনে এবং সরকার দুই জায়গা থেকে থেকে আফঈদারা বেতন পাবেন।
বাফুফে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন,
‘আমাদের মেয়েদের ফুটবলাররা যেভাবে ভালো পারফর্ম করছে- তাদেরকে উৎসাহিত করতে, পুরুষ ফুটবলারদেরকে উৎসাহিত করতে ইতিমধ্যে আমাদের যে সিদ্ধান্ত আপনারা সকলেই অবগত রয়েছেন। পুরুষ এবং নারী ফুটবলার সবাইকেই আমরা সেই বেতন কাঠামোর ভেতরে এনে আমরা তাদেরকে মাসিক এবং সরকারিভাবে আমাদের চুক্তিভিত্তিক স্থায়ী বেতন কাঠামোর ভেতরে অন্তর্ভুক্ত করব।’
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের সঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বৈঠকে সভাপতি তাবিথ আউয়াল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলমসহ আরও অনেক উপস্থিত ছিলেন।