
বিশ্বজুড়ে শুরু হয়ে গেছে পবিত্র রমজান মাস। খেলোয়াড়দের অনেককেই এই সময়ে দেখা যায় রোজা রেখে খেলতে। লামিন ইয়ামালও হয়ত সেটাই করতে চলেছেন। লা লিগায় রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে গত শনিবার নিজেদের শেষ প্রস্তুতি সেরেছে বার্সেলোনা। আর সেখানে রোজা রেখেই অনুশীলন সেরেছেন বার্সেলোনার তরুণ এই ফরোয়ার্ড।
বাংলাদেশ সময় রাতে রিয়াল সোসিদিয়াদের বিপক্ষে মাঠে নামবে বার্সেলোনা। সে ম্যাচের আগে শনিবার নিজেদের শেষ প্রস্তুতি সেরেছে বার্সেলোনা। যেখানে দেখা গিয়েছে রোজা রেখেই অনুশীলনে নেমেছেন বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল।
বার্সেলোনা পুরো দল যখন পানির বিরতি পেয়েছিল তখন ইয়ামাল কিছুটা বাইরে সরে যান। ফুটবল নিয়ে নিজে একা একাই অনুশীলন করেন। যেই তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন ইতালিয়ান জনপ্রিয় সাংবাদিক ফাব্রিজিও রোমানো।
বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ৯ টা ১৫ মিনিটে সোসিয়েদাদের সঙ্গে মাঠে নামবে বার্সা। স্প্যানিশ সময়ে সেটা হবে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিট। অর্থাৎ, ইয়ামাল যদি রোজা রাখেন, তাহলে ম্যাচের বড় অংশই তাকে রোজা রেখে খেলতে হবে। যদিও স্প্যানিশ এই ফুটবলার রোজা রেখে খেলবেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
ইয়ামাল চলতি মৌসুমে আছেন দারুণ ছন্দে। এরই মধ্যে ৩৪ ম্যাচে ১১ গোলের পাশাপাশি করে ফেলেছেন ১৭টি অ্যাসিস্টও।
No posts available.
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:১৫ পিএম
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২:৫৮ পিএম
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০২ পিএম

নগরপ্রতিদ্বন্দ্বিদের বিপক্ষে সেই হার নিশ্চয়ই এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় রিয়াল মাদ্রিদকে। ‘মাদ্রিদ ডার্বির’ ইতিহাসে অন্যতম লজ্জার ৫-২ গোলের ওই হারের ক্ষতে আজ খানিকটা প্রলেপ দেওয়ার সুযোগ এসেছে রিয়ালের। তবে স্প্যানিশ সুপার কাপের সেমি ফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে শোধ তোলার ম্যাচে লস ব্লাঙ্কোসরা পাচ্ছে না তাদের সবচেয়ে বড় তারকাকে। হাঁটুর চোটে মাঠের বাইরে আছেন কিলিয়ান এমবাপে।
সৌদি আরবের জেদ্দায় কিং আব্দুল্লাহ স্পোর্টস সিটিতে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ-আতলেতিকো মাদ্রিদ। এই ম্যাচের জয়ী দল ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে অ্যাথলেটিক বিলবাওকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়া বার্সেলোনার বিপক্ষে।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্বাভাবকিভাবেই সবশেষ রিয়ালের বিপক্ষে বড় জয়ের সুখস্মৃতি নিয়েই প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন আতলেতিকোর কোচ দিয়েগো সিমিওনে। গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর লা লিগার ওই ম্যাচে ঘরের মাঠে ক্লাবটির জয়ের নায়ক ছিলেন হুলিয়ান আলভারেজ। ওই ম্যাচে পেনাল্টি থেকে একটি গোলের পর ফ্রি-কিক থেকে চোখধাঁধানো আরেকটি গোল করেন আর্জেন্টাইন তারকা ফরোয়ার্ড। অবশ্য শুধু ৫-২ গোলের ওই ম্যাচে জোড়া গোলই নয়। রিয়ালের বিপক্ষে আগের তিনটি ম্যাচের দু’টিতেও লক্ষ্যভেদ করেন ২৫ বছর বয়সী আলভারেজ।
আবারও কী রিয়ালের বিপক্ষে আলভারেজ জাদু দেখা যাবে? অবশ্য আতলেতিকোর কোচ অতীত টেনে আনতে নারাজ। সিমিওনে বলেন,
‘অতীতের কথা বারবার বলার কোনো প্রয়োজন নেই। হুলিয়ান ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে সে কেমন ফুটবলার। অনেক সময় কথার চেয়ে কাজই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, ওর একটা দারুণ ম্যাচ হবে।’
এদিকে আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা এমবাপেকে না পেলেও সবশেষ ম্যাচের পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করতে চাইবে রিয়াল মাদ্রিদ। নিজেদের সবশেষ ম্যাচে জাবি আলোনসোর দল রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ৫-১ গোলের বড় জয় পেয়েছে। ফরাসি তারকা ফরোয়ার্ডের জায়াগায় খেলে হ্যাটট্রিক করেন গঞ্জালো গার্সিয়া।
এমবাপে ছাড়াও মাদ্রিদ ডার্বিতে রিয়াল পাচ্ছে না দুই ডিফেন্ডার এদের মিলিতাও ও আন্তনিও রুদিগারকে। মরক্কোর হয়ে আফ্রিকান কাপ অব নেশনসে খেলছেন ব্রাহিম দিয়াজ, গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এগিয়ে আছেন তিনি। তবে চোট কাটিয়ে দলে ফিরতে পারেন ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ড।
রিয়ালে দায়িত্ব পাওয়ার পর অন্যতম বাজে হার থেকে শিক্ষা নিয়েছেন বলে জানান জাবি আলোনসো। ম্যাচের আগে স্প্যানিশ এই কোচ বলেন,
‘আমার মনে হয়, প্রতিটি ম্যাচই বিশ্লেষণ করা দরকার। তবে হারগুলো অনেক সময় আমাদের আরও ইতিবাচক শিক্ষা দেয়। আগেই আপনার সহকর্মীকে বলেছি—সেই ম্যাচে এমন কিছু বিষয় ছিল, যেগুলোর পুনরাবৃত্তি আমরা চাই না। সেখান থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। আমি খুবই আশাবাদী যে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হবে। যেগুলো ভালো কাজ করেনি, সেগুলো ভুলে গেলে চলবে না।’
এই ম্যাচের গুরুত্ব নিয়ে রিয়াল কোচ বলেন,
‘এটা একটি সেমিফাইনাল। মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে, লড়াই করতে হবে এবং ছোট ছোট বিষয়ের দিকে নজর দিতে হবে। আতলেতিকো মাদ্রিদ সব সময়ই কঠিন প্রতিপক্ষ। তবুও এই ম্যাচটা আমরা অনেক উদ্যম ও উচ্ছ্বাস নিয়ে খেলতে চাই। এই মৌসুমে এটিই প্রথম শিরোপার জন্য লড়াই, আর সে কারণেই এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

শুধু ফুটবল কিংবা ক্রীড়াঙ্গনেই নয়, লিওনেল মেসির জনপ্রিয়তা আছে এসবের বাইরেও। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির নাম-ডাক নিয়ে নতুন করে কিছু বলারও নেই। ফুটবলে নতুন মাত্রা যোগ করা আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ইউরোপ জয় করে এখন মার্কিন মুল্লুকে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে কত ফুটবলার কত লোকের সঙ্গেই তো মিশতে হয়েছে মনের ভাব প্রকাশ করতে হয়েছে মেসিকে। আর এই ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ইন্টার মায়ামির মহাতারকা বেছে নিয়েছেন শুধু স্প্যানিশ ভাষাকেই। আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃত ইংরেজি ব্যবহার করেন না বললেই চলে ৩৮ বছর বয়সী ফুটবলার। মেসির ক্যারিয়ারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে মনে করা হয় যাকে, সেই ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো এই ভাষায় বেশ পটু হলেও ভাষার এই মাধ্যম ব্যবহারে অনীহা আছে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের।
অনেকের কাছে মনে হতেই পারে, স্পেনের বার্সেলোনায় বড় হওয়া মেসি কী চাইলেই ইংরেজিটা শেখে নিতে পারতেন না? কেন বৈশ্বিক এই ভাষা আয়ত্ত করাকে জরুরি মনে হয়নি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরার?
সম্প্রতি আর্জেন্টিনার স্ট্রিমিং চ্যালেন ‘লুজু টিভ’কে দেওয়া দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকারে ফুটবল ক্যারিয়ার সহ ব্যাক্তিগত জীবনের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে কথার ঝাঁপি খুলে বসেন মেসি। সেখানেই তিনি জানান, কেন স্প্যানিশ ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় কথা বলা এড়িয়ে চলেন।
আলোচনার শুরু হয় একটি প্রমোশনাল ভিডিও নিয়ে। বার্সেলোনায় খেলার সময় নেইমার ও লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে চাইনিজ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ওই ভিডিওটি করেছিলেন মেসি। ওই ভিডিওতে দেখা যায়—নেইমার ও সুয়ারেজ চীনা ভাষায় কথা বললেও মেসি কথা বলেন স্প্যানিশে।
এই প্রসঙ্গে মেসি জানান, ক্লাবের সঙ্গে আগেই তার সমঝোতা ছিল—বিনয়ের কারণে তিনি ভাষা বদলাবেন না। পরে তিনি আরও বলেন, ইংরেজিতে কথা বলতেও তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। মেসির ভাষায়, ‘কথা বলার সময় আমার অস্বস্তি লাগে। আমি এটা পছন্দ করি না। তাই সবকিছু স্প্যানিশেই করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তবে ইংরেজির ক্ষেত্রে, আমি মনে করি আমি বলতে পারি এবং অন্যরা তা বুঝতেও পারে।’
অবশ্য এটি আগ্রহের অভাব নয়—মেসি নিজেই জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত পরিসরে তিনি ইংরেজিতে কথা বলেন। আসলে এই সিদ্ধান্ত ফুটবল মহাতারকার সরল ও বিচক্ষণ ব্যক্তিত্বেরই প্রতিফলন, যা ইউরোপ অধ্যায়ের পর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইংরেজি ভাষার ওপর নির্ভরশীল দেশে খেললেও বদলায়নি।

ছন্দে নেই দল। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমের মাঝমাঝি সময়ে এসে জয় থেকে হারই বেশি টটেনহ্যামের। ধারাবাকিহ ব্যর্থতায় হতাশ ক্লাবটির ফুটবলাররাও। সবশেষ গতকাল বোর্নমাউথের বিপক্ষের যোগ করা সময়ে গোল খেয়ে হারের পর আর চুপ করে বসে থাকেনি ক্লাবটির অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। ৩-২ গোলে হারের পর সামাজিক মাধ্যমে টটেনহ্যামের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ধুয়ে দেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার।
গতকাল রাতে প্রিমিয়ার লিগের প্রতিপক্ষের মাঠে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে গোল খেয়ে শূন্য হাতে মাঠ ছাড়ে টটেনহ্যাম। লিগে ২০২৫-২৬ মৌসুমে ৭ জয়ের বিপরীতে ৮ হারে পয়েন্ট টেবিলের ১৪ নম্বরে নেমে গেছে ক্লাবটি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুদ্ধ টটেনহ্যামের ডিফেন্ডার রোমেরো।
ম্যাচের পর ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার রোমেরো প্রথমে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চান। তবে একই সঙ্গে ক্লাবের উচ্চপর্যায়ের কিছু ব্যক্তির দিকে সূক্ষ্ম খোঁচাও দেন। ২৭ বছর বয়সী ফুটবলার লিখেন, ‘সব ঠিকঠাক চললে তখনই তারা হাজির হয়, কিছু মিথ্যা কথা বলার জন্য।’ পরে অবশ্য নিজের সেই পোস্টে থাকা ‘মিথ্যা’ শব্দটি মুছে ফেলেন রোমেরো।
আরও পড়ুন
| রেকর্ড গড়ে সুপার কাপ ফাইনালে বার্সেলোনা |
|
আটালান্টার সাবেক ডিফেন্ডার রোমেরো ব্যর্থতার দায় নিজেদের কাঁধে নিয়ে লিখেন, ‘আপনাদের সবার কাছে ক্ষমা চাই—যারা সব জায়গায় আমাদের অনুসরণ করেন, সব সময় পাশে থাকেন এবং থাকবেন। এই পরিস্থিতির দায় আমাদেরই, এতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রথম দায়টা আমার। তবে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব এবং নিজেদের জন্য, ক্লাবের জন্য পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।’
এরপরই ক্লাবের কর্মকর্তাদের দিকে আঙুল তুলে রোমেরো বলেন, ‘এমন সময়ে আসলে অন্যদের সামনে এসে কথা বলা উচিত, কিন্তু তারা তা করেন না—এটা বহু বছর ধরেই হয়ে আসছে। ভালো সময় এলেই শুধু তাদের দেখা যায়।’
কঠিন সময় কাটিয়ে ঘুরে দাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন রোমেরো, ‘আমরা এখানেই থাকব, কাজ করে যাব, একসঙ্গে থাকব এবং সবকিছু উজাড় করে দেব পরিস্থিতি বদলাতে। বিশেষ করে এমন সময়ে চুপ থেকে, আরও কঠোর পরিশ্রম করে এবং সবাই মিলে এগিয়ে যাওয়াটাই ফুটবলের অংশ। সবাই একসঙ্গে থাকলে কাজটা সহজ হবে।’
রোমেরোর এই পোস্টে তাঁর ব্রাজিলিয়ান সতীর্থ রিচার্লিসন হাততালি ইমোজি দিয়ে সমর্থন জানান। আরেক সতীর্থ লিখেন, ‘আমেন। এগিয়ে চলো ভাই। সামনে আমাদের অনেক লড়াই বাকি।’
এদিকে বোর্নমাউথের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সমর্থকদের সঙ্গে বিতণ্ডতায় জড়িয়ে পড়েন রোমেরোর সতীর্থ মিকি ভান ডে ভেন। পরে টটেনহ্যামের স্টাফরা তাকে সামলে নেন।

রুবেন আমোরিমকে বরখাস্ত করার পর বুধবার রাতে প্রথমবার মাঠে নামে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অবনমন শঙ্কায় থাকা বার্নলির সঙ্গেও জিততে পারেনি রেড ডেভিলরা।
বার্নলির ঘরের মাঠ টার্ফ মুরে ২-২ গোলে ড্র করেছে ম্যান ইউনাইটেড। এই ড্রয়ে ২১ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সাত নম্বর তাঁরা, সমান ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পেয়ে ১৯ নম্বরে বার্নলি।
অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ড্যারেন ফ্লেচারের অধীনে এটি ছিল ইউনাইটেডের প্রথম ম্যাচ। আমোরিমের তিন ডিফেন্ডারের ফর্মেশন বাদ দিয়ে খেলায় নামেন ফ্লেচার। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও কাজে লাগাতে পারেনি ওল্ড ট্রাফোর্ডের ক্লাবটি।
ম্যাচের ১৩ মিনিটে এগিয়ে যায় বার্নলি। ইউনাইটেড ডিফেন্ডার আয়ডেন হেভেনের আত্মঘাতী গোলে প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ঘরের মাঠের দলটি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ঘুরে দাঁড়ায় ম্যান ইউনাইটেড। ১০ মিনিটের মধ্যে দুটি গোল করেন বেনিয়ামিন সেস্কো।
৫০ মিনিটে চোট থেকে ফেরা ব্রুনো ফের্নান্দেসের বাড়ানো বলে জোরালো শটে দলকে সমতায় ফেরান সেস্কো। ৬০ মিনিটে প্যাট্রিক ডরগুর ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে দ্বিতীয়বারের মতো বল জালে জড়ান সেস্কো।
৬৬ মিনিটে জেইডন অ্যান্থনি গোল করে বার্নলিকে সমতায় ফেরান। শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউনাইটেড।
এই ড্রয়ে হতাশাই বাড়ল ম্যান ইউনাইটেড সমর্থকদের মধ্যে। ম্যাচের আগে ক্লাবের মালিকানার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায় সফরকারী সমর্থকদের। সব মিলিয়ে অবনমন অঞ্চলের দলগুলোর বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে জয়হীন থাকল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

মাঠে না খেললেও বাংলাদেশের ফুটবলে খুবই পরিচিত মুখ মো. আতাউর রহমান (আতা ভাই)। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অন্তঃপ্রাণ সমর্থক সেই আতা আর নেই। বুধবার রাতে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর জামাতা মিতুল।
মিতুল বলেন, 'গতরাত আনুমানিক ১১টার সময় উনি আমাদের ছেড়ে চলে যান। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। কাল হাসপাতালে নেওয়ার পর কিংবা নেওয়ার পথেই উনি ইন্তেকাল করেন।' মৃত্যুকালে এক মেয়ে আছরা, দুই নাতনিকে রেখে গেছেন আতা।
ঘরোয়া ফুটবল লিগে একটা সময় মোহামেডান ২২ বছর ধরে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। এতে অনেক সমর্থক মুখ ফিরিয়ে নিলেও আতা ছিলেন ব্যতিক্রম। মোহামেডানের ম্যাচে জাতীয় স্টেডিয়ামে তিনি সব সময় থাকতেন। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও মোহামেডানের গ্যালারিতে তরুণদের মতো চিৎকার করতেন।
ফুটবল ছাড়াও মোহামেডানের হকি, ক্রিকেট ম্যাচও উপস্থিত নিয়মিত থাকতেন আতা। তবে ফুটবলই ছিল তার গভীর ভালোবাসা। আতার জীবন বলতেই ছিল মোহামেডান। খেলার দিন থাকতেন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে, অন্য দিনগুলোতে ক্লাব প্রাঙ্গণে।
বছর চারেক জাতীয় স্টেডিয়াম সংস্কার হওয়ায় খেলা ঢাকার বাইরে হচ্ছে। আবার আতার শরীরও দিনকে দিন নাজুক হয়ে পড়ে। মাঠে না আসতে পারলেও মোহামেডানের খোঁজ-খবর রাখতেন সব সময়। আবার মোহামেডানের সমর্থকরাও তার বাসায় গিয়ে দেখে আসতেন।
সবার প্রিয় আতা ভাই এর প্রয়াণে মোহামেডানসহ ফুটবলাঙ্গনে গভীর শোক চলছে। আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর তার নামাজে জানাজা হবে টিকাটুলি মসজিদের প্রাঙ্গণে।