
ফিফা বিশ্বকাপে খেলা থেকে অনেক দূরে আছে পাকিস্তান। র্যাঙ্কিংয়েও তাদের অবস্থান নাজুক। তবে এই দলটিই পেয়ে যেতে পারে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সঙ্গে ম্যাচ খেলার সুযোগ। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এই বিষয়ক আলোচনা।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও সুপার জানিয়েছে, আর্জেন্টিনার সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশন (পিএফএফ)। একই সঙ্গে ফুটবল উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ খুঁজছে দুই দেশের ফুটবল কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পিএফএফ ও এএফএর মধ্যে ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে সম্ভাব্য প্রীতি ম্যাচের পাশাপাশি পাকিস্তানের ফুটবল কাঠামো শক্তিশালী করতে কারিগরি সহায়তার বিষয়টিও উঠে আসে।
আরও পড়ুন
| বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের রেল ভাড়া নিয়ে নতুন বিতর্ক |
|
আলোচনায় কোচিং উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও নির্দিষ্ট পরিকল্পনার আওতায় আর্জেন্টিনার কোচদের পাকিস্তান সফরের সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়েছে।
প্রস্তাবিত প্রীতি ম্যাচটি বাস্তবায়িত হলে তা ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের পর আয়োজন করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার আগে দুই পক্ষ লজিস্টিক ও কারিগরি বিষয়গুলো আরও যাচাই-বাছাই করবে।
পিএফএফ সভাপতি সৈয়দ মহসিন গিলানির নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের উপস্থিতি বাড়াতে সক্রিয় পাকিস্তান। শক্তিশালী ফুটবল দেশের বিপক্ষে এমন একটি ম্যাচকে নিজেদের মানোন্নয়নের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে তারা।
আর্জেন্টিনায় পাকিস্তান দূতাবাস জানিয়েছে, ‘এএফএ পাকিস্তান’ উদ্যোগ চালুর পর দুই ফেডারেশনের মধ্যে ফলপ্রসূ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ও কাঠামোবদ্ধ অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে উভয়পক্ষ।
আরও পড়ুন
| হামজাকে দর্শকের আপত্তিকর মন্তব্য, প্রতিবাদ করায় পেলেন কার্ড |
|
রাষ্ট্রদূত হাসান আফজাল খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পিএফএফ প্রতিনিধিদলের পাশাপাশি এএফএর বিপণন পরিচালক ফ্রান্সিসকো লেম্মিও উপস্থিত ছিলেন। পাকিস্তানের ফুটবল অঙ্গনের সঙ্গে কার্যকর সম্পৃক্ততা গড়ে তোলাই ছিল আলোচনার মূল লক্ষ্য।
তবে কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, আলোচনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রীতি ম্যাচ বা উন্নয়ন কর্মসূচি- কোনোটিই এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে আরও সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে।
No posts available.
২০ এপ্রিল ২০২৬, ৯:২৭ পিএম
২০ এপ্রিল ২০২৬, ৯:২২ পিএম
২০ এপ্রিল ২০২৬, ৮:০৭ পিএম

প্রিমিয়ার লিগে টানা চার ম্যাচে হারের পরও মালিকপক্ষের শত ভাগ সমর্থন পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন চেলসি কোচ লিয়াম রসেনিয়র। শনিবার ঘরের মাঠে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে হারের ফলে পঞ্চম স্থান থাকা লিভারপুলের চেয়ে ৭ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়েছে চেলসি। ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন নিয়ে বড় ধরনের সংশয়ের মুখে দ্য ব্লুজরা।
চেলসির পতনের মুহূর্তে ঘুরে ফিরে প্রশ্ন, আদৌ ক্লাবের সমর্থন পাচ্ছেন রসেনিয়র। সোমবার সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘শত ভাগ। আমাদের প্রতিদিনের কথোপকথনে তারা আমার প্রতি খুবই ইতিবাচক। স্পোর্টিং ডিরেক্টররাও আমার এবং দলের প্রতি দারুণ সমর্থন দেখাচ্ছেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা তাদের ওপর ভরসা করছি। আমরা জানি যে এই মুহূর্তে আমাদের ম্যাচ জেতা খুব জরুরি।’
গত সপ্তাহে ক্লাবের কো-ওনার বেহদাদ ইগবালি জানিয়েছিলেন, কর্তৃপক্ষ রসেনিয়রের সাথেই আছে। তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি দীর্ঘমেয়াদে সে সফল হতে পারবে।’
ইগবালি ইঙ্গিত দেন, প্রিমিয়ার লিগের সর্বকনিষ্ঠ স্কোয়াড গড়ে তোলার পরও যদি পরিকল্পনা ঠিকমতো কাজ না করে, তবে তারা গ্রীষ্মকালীন দলবদলে আরও অভিজ্ঞ খেলোয়াড় দলে ভেড়াবেন এবং বর্তমান পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনবেন।
মালিকপক্ষের মন্তব্যের বিষয়ে রসেনিয়র বলেন, ‘তিনি (ইগবালি) এই ক্লাবের জন্য নিয়মিত ট্রফি এবং সাফল্য প্রত্যাশা করেন। বর্তমান পরিস্থিতি এবং গ্রীষ্মে আমরা কীভাবে দল পুনর্গঠন করব, তা নিয়ে পরিষ্কার কথা হয়েছে। এই ক্লাবকে তার প্রাপ্য জায়গায় ফিরিয়ে নিতে আমাদের কী করতে হবে, সে বিষয়ে আমরা সবাই একমত।’

বাংলাদেশ ফেডারেশন কাপের মৌসুম শেষের দিকে। ‘বি’ গ্রুপে আগামীকাল রয়েছে দুটি ম্যাচ। ভিন্ন ম্যাচে মাঠে নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। দুই সাবেক চ্যাম্পিয়নসহ চার দলের ভাগ্য নির্ধরাণ হবে কাল।
মঙ্গলবার বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় বাংলাদেশ পুলিশ এফসি মাঠে নামবে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে। কুমিল্লার ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে মোহামেডানকে মোকাবিলা করবে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। দুটি ম্যাচই মাঠে গড়াবে বেলা পৌনে তিনটায়। সরাসরি দেখাবে চ্যানেল টি-স্পোর্টস।
প্রতিযোগিতা থেকে এরই মধ্যে আরামবাগের বিদায় হয়েছে। ৫ দলের গ্রুপে কাগজে-কলমে চার দলেরই প্লে-অফে ওঠার সুযোগ আছে। তবে কিছুটা এগিয়ে আছে পুলিশ।
তিন ম্যাচ শেষে পুলিশের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে কাল পরাজয় এড়ালেই তাদের জন্য প্লে-অফ নিশ্চিত। তবে পয়েন্ট ভাগাভাগি করলে বিপাকে পড়তে পারে বসুন্ধরা কিংস। কেননা দিনের অপর ম্যাচে যদি মোহামেডান জিতে যায় তখন সাদা-কালোদের পয়েণ্ট হবে ৮। পুলিশের সঙ্গে বসুন্ধরা কিংস ড্র করলে তাদের পয়েন্ট হবে ৬, পুলিশের ৭। সেক্ষেত্রে মোহামেডানের সঙ্গে পরের রাউন্ডে উঠবে পুলিশ।
তিন ম্যাচের তিনটিতে হারা আরামবাগ কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে না মোহামেডানের জন্য। যদিও বাংলাদেশ ফুটবল লিগের প্রথম লেগে মোহামেডানকে ১-১ গোলে রুখে দিয়েছিল এই আরামবাগই। তবে লিগের সবশেষ ম্যাচে ফকিরেরপুলকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে জয়ে ফিরেছে মতিঝিলপাড়ার ক্লাবটি।
কাল মোহামেডান জিতলে কিংসের জয় ছাড়া বিকল্প নেই। কিন্তু দুই জায়ান্ট টিম হারলে কপাল খুলে যেতে পারে ফর্টিসের। তাদের সম্ভাবনাটা একদমই ক্ষীণ। কিন্তু উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ৪ ম্যাচ খেলে ৫ পয়েণ্ট পাওয়া ফর্টিসও পরের রাউন্ডে যেতে পারে। কিভাবে?
কাল মোহামেডান এবং কিংস হারলে তিন দলের পয়েন্ট হবে সমান ৫ করে। ৯ পয়েণ্ট পেয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে পুলিশ। হারলেও পরের রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ আছে আবার কিংসের। সেক্ষেত্রে ৩ গোলের বেশি ব্যবধানে হারা যাবে না। কেবল তিন গোল বা তার বেশি ব্যবধানে হারলেই গোল গড়ে এগিয়ে থেকে নকআউট নিশ্চিত হবে ফর্টিসের। এখন পর্যন্ত কিংসের চেয়ে ২ গোলে পিছিয়ে ফর্টিস। যদিও এমনটা ভাবার সুযোগ কমই। কেননা বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলায় প্রথম লেগে পুলিশকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল লিগের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
সব সমীকরণ উড়ে যাবে যদি সাবেক দুই চ্যাম্পিয়ন কাল পূর্ণ তিন পয়েণ্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে। তখন সাবেক দুই চ্যাম্পিয়ন দলই দলই উঠবে প্লে-অফে।

নানা বাঁক পেরিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ এখন অন্তিম মুহূর্তে। কোয়ার্টার ফাইনালের কঠিন পরীক্ষা উৎরে চার দল— পিএসজি, আর্সেনাল, বায়ার্ন মিউনিখ ও আতলেতিকো মাদ্রিদ টিকে আছে শিরোপার দৌড়ে। মাসের শেষ দিকে শুরু হতে যাওয়া শেষ চারের লড়াইয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ বায়ার্ন। গানাারদের লড়াই দিয়েগো সিমিওনের দলের বিপক্ষে।
চ্যাম্পিয়নস লিগের এখনও অনেক হিসেব নিকেশ বাকি। তবে ব্রাজিল দলের হেড কোচ শিরোপার লড়াইয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেইনকেই (পিএসজি) এগিয়ে রাখছেন। ইতালীয় কোচ মনে করেন, অন্যদের চেয়ে ফরাসি ক্লাবটির পাল্লা ভারী।
পিএসজি এবং বায়ার্ন—উভয় ক্লাবেরই কোচ ছিলেন আনচেলত্তি। ব্রাজিলিয়ান মাধ্যম 'ও গ্লোবো'-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন কে হতে পারে জানতে চাইলে তিনি দ্বিধাহীনভাবে বলেন, “প্যারিস সেন্ট জার্মেইন আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতবে। বায়ার্নের বিপক্ষে সেমিফাইনালে আমি প্যারিসের জয়ই আশা করছি।” এসি মিলান ও রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে একাধিক চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা এই কোচ অভিজ্ঞতার জায়গা থেকেই কথাটি বলেছেন।
অভিজ্ঞতা বনাম উচ্চাকাঙ্ক্ষা পিএসজি এবং বায়ার্ন মিউনিখের ডাগআউটে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা থাকায় দুটি ক্লাবের চাপ ও সামর্থ্য সম্পর্কে আনচেলত্তি খুব ভালোভাবেই জানেন। বায়ার্নের অনেক বড় ইতিহাস ও অভিজ্ঞতা থাকলেও, আনচেলত্তি মনে করছেন পিএসজি যে ছন্দে আছে, তাতে তারাই ফাইনালে উঠবে এবং ট্রফি উঁচিয়ে ধরবে।
তবে সেমিফাইনালের ডামাডোলের মাঝেই অপটার সুপারকম্পিউটার চালিয়েছে বিশেষ এক গাণিতিক বিশ্লেষণ। যেখানে সম্ভাব্য ফাইনালিস্ট এবং শিরোপাজয়ীর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সুপারকম্পিউটারের এই ‘প্রিডিকশন’ অনুযায়ী, এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার দৌড়ে এগিয়ে আর্সেনাল। গানারদের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে সর্বোচ্চ ৩৬.৭৫ শতাংশ।
আর্সেনালকে এক চুলও ছাড় দিচ্ছে না জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ। ভিনসেন্ট কোম্পানিদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা ৩৪.৬১ শতাংশ। যা আর্সেনালের একদম কাছাকাছি।
পিএসজি তালিকার তৃতীয় স্থানে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের ট্রফি জয়ের সম্ভাবনা ১৯.৩৫ শতাংশ। আর সিমিওনের শিষ্যরা এবারও ‘আন্ডারডগ’ হিসেবেই লড়াই শুরু করবে। শিরোপা জয়ের দৌড়ে আতলেতিকো মাদ্রিদের সম্ভাবনা সবচেয়ে কম। মাত্র ৯.২৯ শতাংশ।

ইংলিশ ফুটবল লিগের (ইএফএল) বার্ষিক পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। কভেন্ট্রি সিটির কোচ ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা কোচ এবং মিডলসবোরোর হেইডেন হ্যাকনি সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন।
ল্যাম্পার্ডের হাত ধরেই দীর্ঘ ২৫ বছর পর প্রিমিয়ার লিগে ফেরার টিকিট কেটেছে কভেন্ট্রি সিটি। মিডলসবোরোর ২৩ বছর বয়সী মিডফিল্ডার হ্যাকনি এই মৌসুমে ৫টি গোল ও ৮টি গোল করিয়ে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন।
লিগ ‘ওয়ান’: ৬৫ বছর পর দলকে চ্যাম্পিয়নশিপে তুলে এনে সেরা কোচ হয়েছেন লিঙ্কন সিটির মাইকেল স্কুবালা। সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ডম ব্যালার্ড।
লিগ ‘টু’: সেরা কোচ ব্রমলির অ্যান্ডি উডম্যান এবং সেরা খেলোয়াড় সুইন্ডন টাউনের অ্যারন ড্রিনান।
সেরা তরুণ খেলোয়াড়: জর্ডান জেমস (চ্যাম্পিয়নশিপ), ডম ব্যালার্ড (লিগ ওয়ান) এবং ড্যানিয়েল কানু (লিগ ‘টু’)।
সেরা গোল: গত ডিসেম্বরে অক্সফোর্ড ইউনাইটেডের বিপক্ষে সোয়ানসি সিটির জশ টাইমনের করা দুর্দান্ত ভলিটি ‘সেরা গোল’ নির্বাচিত হয়েছে।
ইএফএল মৌসুমের পুরস্কার বিজয়ীদের তালিকা এবং ‘টিম অফ দ্য সিজন’:
মৌসুমসেরা ম্যানেজার: ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড (কভেন্ট্রি সিটি)
মৌসুমসেরা খেলোয়াড়: হেইডেন হ্যাকনি (মিডলসবোরো)
সেরা তরুণ খেলোয়াড়: জর্ডান জেমস (লেস্টার সিটি)
সেরা শিক্ষানবিশ: লুইস পেজ (লেস্টার সিটি)
চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা একাদশ:
গোলকিপার কার্ল রাশওয়ার্থ (কভেন্ট্রি সিটি)
রক্ষণভাগ (ডিফেন্ডার): ট্রিস্টান ক্রামা (মিলওয়াল), ক্যালাম ডয়েল (রেক্সহ্যাম), জশ টাইমন (সোয়ানসি সিটি), মিলান ভ্যান এউইক (কভেন্ট্রি সিটি)
মিডফিল্ড: ম্যাট গ্রিমস (কভেন্ট্রি সিটি), সোরবা থমাস (স্টোক সিটি), ফেমি আজিজ (মিলওয়াল), হেইডেন হ্যাকনি (মিডলসবোরো)
ফরোয়ার্ড: হাজি রাইট (কভেন্ট্রি সিটি), জান ভিপোটনিক (সোয়ানসি সিটি)

গতকাল রোববার দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৭১ জন ক্রীড়াবিদকে দেওয়া হয়েছে সরকারের ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়া ভাতা। যার মধ্যে নাম ছিল জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ারও। তবে এদিন তিনি উপস্থিত থেকে কার্ড সংগ্রহ করতে পারেননি। আজ সকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের নিজ বাসা থেকে ক্রীড়া কার্ড সংগ্রহ করেছেন জামাল। এরপর নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ক্রীড়া কার্ডকে তিনি বলেছেন ‘আমিনুল কার্ড’।
২০১৩ সালে জাতীয় ফুটবল দলে অভিষেক হয় জামালের। এরপর এক যুগেরও বেশি সময় ধরে খেলছেন লাল সবুজের জার্সিতে। কিন্তু কখনও ফুটবলাররা সরকারের পক্ষ থেকে মাসিক আর্থিক সুবিধার আওতায় আসেননি। এবারই প্রথম বর্তমান জাতীয়তাবাদী সরকারের হাত ধরে এই পদ্ধতি চালু হলো। দুই ধাপে এখন পর্যন্ত ৩০০ ক্রীড়াবিদ পেয়েছেন ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড। এই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সামনেও অনেক ক্রীড়াবিদ আওতাধীন হবেন।
ক্রীড়া কার্ড পেয়ে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় আজ জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি আজকে আমিনুল ভাইয়ের বাসায় আসছি। এটা খুব গর্বের মুহূর্ত এবং ইতিবাচক নিউজ যে আমরা একজন ক্রীড়া মন্ত্রী (প্রতিমন্ত্রী) পেয়েছি যিনি সবার জন্য চিন্তা করছেন। বিশেষভাবে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের জন্য। এটাকে ক্রীড়া কার্ড বলি, কিন্তু এটা আমিনুল ভাই দিচ্ছে। তো আমরা বলতে পারি আমিনুল কার্ড, নট স্পোর্টস কার্ড।’
এ সময় আমিনুল হক বাংলাদেশের ফুটবলে জামালের অবদান নিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবল দলে এখন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে অনেকে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং খেলছেও। এটা প্রথম শুরু করেছিলেন জামাল। তাঁকে দেখে অনেকে এসেছে।’
বাংলাদেশের পুরুষ ফুটবলে বড় সাফল্য ২০০৩ সালের সাফ শিরোপা। আমিনুল সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন। এই বছর ঢাকায় আবার সাফ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘সেপ্টেম্বরে সাফ আয়োজনে সরকারের সহযোগিতা থাকবে। ২০০৩ সালের পর আবার বাংলাদেশের শিরোপা উল্লাস দেখার প্রত্যাশা করছি।’
সকালে জামালের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের টিম অ্যাটেনডেন্ট মো. মহসিন। আমিনুল হক যখন ফুটবলার ছিলেন তখনও টিম অ্যাটেনডেন্ট ছিলেন মহসিন। বাংলাদেশের ফুটবলের অবিচ্ছেদ্য অংশ মহসিনের মতো ক্রীড়াঙ্গনের আরও অনেকের জন্যও কিছু করার ইচ্ছা রয়েছে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের।