২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৯:০১ পিএম

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনে ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। রাজবাড়ী, টাঙ্গাইল, লক্ষীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার কয়েকজন কাউন্সিলর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, চলমান আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্যাটাগরী ১-এর ভোটার তালিকা প্রকাশ করা উচিত নয়। যদিও ইতোমধ্যে খসড়া ভোটারের তালিকা প্রকাশ হয়েছে ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল স্বাক্ষরিত একটি পত্রের মাধ্যমে এডহক কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে নাম প্রেরণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। যেহেতু প্রার্থীরা এডহক কমিটির বাইরে থেকে মনোনীত হয়েছেন, তাই ২২ সেপ্টেম্বর তারা হাইকোর্টে রীট পিটিশন (নং ১৫৮১৮/২০২৫) দায়ের করেন। হাইকোর্ট পত্রটিকে অবৈধ ঘোষণা করে ১৫ দিনের স্থগিতাদেশ দেন, কিন্তু চেম্বারজজ হাইকোর্টের সেই আদেশ স্থগিত করেছেন।
আরও পড়ুন
| টস হেরে ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কা |
|
কাউন্সিলররা আরও উল্লেখ করেছেন, বিসিবি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাউন্সিলরের মেয়াদ চার বছর এবং সংস্থা থেকে প্রেরিত কাউন্সিলরের নাম পরিবর্তন করা যাবে না। তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ না করার।
আগামী ৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
No posts available.
২৯ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম
২৯ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম

এক যুগের বেশি সময়ের অপেক্ষার অবসান ঘটাল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ২০১২ সালের পর প্রথমবারের মতো আইপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়ের দেখা পেল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দলটি। রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেল্টনের তাণ্ডবে রেকর্ড গড়েই জিতল মুম্বাই।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রোববার রাতের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে মুম্বাই। আগে ব্যাট করে ২২০ রানের বড় পুঁজি পায় কলকাতা। কিন্তু দুই ওপেনারের ঝড়ে ৫ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নিয়েছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
আইপিএল ইতিহাসে এটিই মুম্বাইয়ের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়। এর আগে ২০২১ সালের টুর্নামেন্টে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ২১৯ রান তাড়া করে জিতেছিল দলটি। আর এই জয়ে ১৩ বছরের অপেক্ষা ঘুচিয়ে আসরের প্রথম ম্যাচ জিতল তারা।
বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই কলকাতাকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেল্টন। দুজনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে প্রথম ৬ ওভারে ৮০ রান করে ফেলে মুম্বাই। পরে একই ছন্দে এগিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৭১ বলে ১৪৮ রান যোগ করেন তারা।
প্রায় ৯ মাস পর টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে ৩ চার ও ৫ ছক্কায় মাত্র ২৩ বলে আইপিএল ক্যারিয়ারের ৫০তম ফিফটি করেন রোহিত। আইপিএলে এটিই তার দ্রুততম ফিফটি। অন্য প্রান্তে ঝড় তোলা রিকেল্টন ২ চারের সঙ্গে ৬টি ছক্কা মেরে ২৪ বলে করেন ফিফটি।
দ্বাদশ ওভারে বৈভব অরোরার বলে ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হন রোহিত। ৬টি করে চার-ছক্কায় ৩৮ বলে তিনি করেন ৭৮ রান। এ নিয়ে কলকাতার বিপক্ষে তার রান হলো ১ হাজার ১৬১। আইপিএলে এত দিন নির্দিষ্ট দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান ছিল বিরাট কোহলির, পাঞ্জাবের বিপক্ষে ১ হাজার ১৫৯।
এরপর সূর্যকুমার যাদব বেশি কিছু করতে পারেননি। ৩ চারে ৮ বলে ১৬ রান করে ফিরে যান অভিজ্ঞ ব্যাটার। অনুকূল রায়ের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে রান আউট হন রিকেল্টন। ফেরার আগে ৪ চারের সঙ্গে ৮ ছক্কায় ৪৩ বলে ৮১ রান করেন প্রোটিয়া উইকেটকিপার-ব্যাটার।
পরে জয় পেতে তেমন বেগ পায়নি মুম্বাই। ৪ চারে ১৪ বলে ২০ রান করে আউট হন তিলক বর্মা। আর ১১ বলে ১৮ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে ঝড় তোলেন কলকাতার দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও অজিঙ্কা রাহানে। দুজন মিলে মাত্র ৩২ বলে গড়েন ৬৯ রানের জুটি। ৬ চার ও ২ ছক্কায় মাত্র ১৭ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন অ্যালেন।
তিন নম্বরে নেমে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ক্যামেরন গ্রিন। ১০ বলে ১৮ রান করে ফিরলে ভাঙে ২১ বলে ৪০ রানের জুটি। অন্য প্রান্তে তাণ্ডব চালিয়ে যান রাহানে। ৩ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মেরে ২৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন কলকাতা অধিনায়ক।
পঞ্চাশের পর অবশ্য তেমন কিছু করতে পারেননি রাহানে। সব মিলিয়ে ৩ চার ও ৫ ছক্কায় ৪০ বলে ৬৭ রান করে আউট হন অভিজ্ঞ ব্যাটার।
এরপর ঝড় তোলেন আঙ্কৃশ রঘুবংশী ও রিঙ্কু সিং। দুজনের জুটিতে আসে ৩০ বলে ৬০ রান। মাত্র ২৯ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলে আউট হন রঘুবংশী। ২১ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু।
মুম্বাইয়ের পক্ষে ৩৯ রানে ৩ উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর।

ব্যাটারদের ব্যর্থতা সামাল দিয়ে চমৎকার বোলিং করলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোস্তাফিজুর রহমান। দুজনের চেষ্টায় অল্প পুঁজি নিয়েও জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলল লাহোর কালান্দার্স। কিন্তু তাদের বোলিং ম্লান হয়ে গেল হারিস রউফের কারণে। শেষ ওভারে জিতে গেল করাচি কিংস।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রোববার রাতের ম্যাচে লাহোরকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে করাচি। আগে ব্যাট করে ১২৮ রানের বেশি করতে পারেনি লাহোর। জবাবে রউফের বাজে বোলিংয়ের সুযোগে ৩ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নিয়েছে করাচি।
দুই ম্যাচে করাচির এটি দ্বিতীয় জয়। অন্য দিকে জয় দিয়ে যাত্রা শুরুর পর দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম পরাজয় পেল লাহোর।
ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ফখর জামানের উইকেট হারায় লাহোর। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈমও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। চার নম্বরে নেমে আব্দুল্লাহ শফিককে সঙ্গে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন ইমন।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে আসে ২৮ রান। ২৪ বলে ৩৩ রান করে আউট হন শফিক। আর সালমান আলি আগার বলে ছক্কা মেরে পরের বলেই এলবিডব্লিউ হয়ে যান ১২ বলে ১২ রান করা ইমন। আগের ম্যাচে ১৩ বলে ১৪ রান করেছিলেন তিনি।
পরে ৪৩ রানের জুটি গড়েন হাসিবউল্লাহ খান ও সিকান্দার রাজা। কিন্তু রানের গতি বাড়াতে পারেননি তারা। ২৮ রান করতে ৩০ বল খেলেন হাসিবউল্লাহ। আর রাজার ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে মাত্র ১৯ রান।
করাচির পক্ষে ৪ ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ১১ রানে ২ উইকেট নেন অ্যাডাম জাম্পা। এছাড়া মইন আলি ও মীর হামজাও নেন ২টি করে উইকেট।
অল্প পুঁজি নিয়েও করাচিকে চেপে ধরে লাহোর। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৭ রান করতে পারে করাচি। দুটি উইকেটই নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। অষ্টম ওভারে আক্রমণে এসে তৃতীয় বলে মির্জা সাদ বেগকে কট বিহাইন্ড করে দেন মোস্তাফিজুর রহমান।
১৩তম ওভারে হারিস রউফ ১৮ রান খরচ করলে পিছিয়ে পড়ে লাহোর। সেখান থেকে আবার আফ্রিদির জাদু। এক ওভার পর মোহাম্মদ ওয়াসিমকে (৩৭ বলে ৩৮) আউট করে দলকে লড়াইয়ে ফেরান অধিনায়ক আফ্রিদি। ওয়াসিমের বিদায়ে ভাঙে ৪৩ রানের জুটি।
একই ওভারে আরেক সেট ব্যাটার মইন আলিকেও আউট করেন আফ্রিদি। ১৮ রান করতে ২১ বল নেন মইন। জয় থেকে তখনও ৩০ বলে ৪১ রান দূরে ছিল করাচি। পরের ৩ ওভার থেকে ১৮ রানের বেশি নিতে পারেননি আজম খান ও খুশদিল শাহ।
দুই ওভারে ২৩ রানের সমীকরণে মাত্র ৯ রান খরচ করেন মোস্তাফিজ। সব মিলিয়ে ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ পেসার।
শেষ পর্যন্ত ৬ বলে ১৪ রান ঠেকানোর দায়িত্ব পড়ে রউফের কাঁধে। কিন্তু ওভারের শুরুতে পেনাল্টি পায় করাচি। লাহোরের বিরুদ্ধে বলের আকৃতি পরিবর্তনের অভিযোগ এনে ৫ রান জরিমানা করেন ম্যাচের দুই আম্পায়ার।
৬ বলে ৯ রানের সমীকরণে প্রথম বলে ডিপ মিড উইকেটে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন রাজা। পরের বল ওয়াইড করে বসেন রউফ। এরপর তার বলে ৪ ও ৬ মেরে ম্যাচ শেষ করে দেন আব্বাস আফ্রিদি।
দলকে জেতানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করে ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রানে ৪ উইকেট নেন শাহিন আফ্রিদি। বিপরীতে মাত্র ৩.৩ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে একাই দলকে হারিয়ে দেন রউফ।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটের নতুন সংস্করণে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই দারুণ কীর্তি গড়ল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তাদের প্রতিপক্ষ দলের স্পিনিং অলরাউন্ডার সুনিল নারিনও নাম লেখালেন রেকর্ডের খাতায়।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রোববার রাতের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুম্বাই। টস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক দল হিসেবে ৩০০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করেছে পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা।
সব মিলিয়ে ৩০০ ম্যাচ খেলা তৃতীয় দল মুম্বাই। তাদের আগে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল ও ইংল্যান্ড কাউন্টির দল সমারসেট স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৩০০ ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। দুই দলেরই ম্যাচের সংখ্যা ৩০৩টি।
চলতি আইপিএলেই পাকিস্তান ও সমারসেটকে টপকে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা দল হয়ে যাবে মুম্বাই।
এছাড়া মুম্বাইয়ের পাশাপাশি এবারের আইপিএলেই ৩০০ টি-টোয়েন্টি খেলা চতুর্থ দল হয়ে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এখন পর্যন্ত তারা খেলেছে ২৮৭ ম্যাচ। সব ঠিক থাকলে আইপিএলের প্রথম পর্বেই আরও ১৩ ম্যাচ খেলবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
মুম্বাইয়ের দারুণ কীর্তির দিনে আইপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন নারিন। এখন পর্যন্ত এই টুর্নামেন্টে ১৯০ ম্যাচ খেলেছেন ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। এত দিন রেকর্ডটি ছিল কাইরন পোলার্ডের, ১৮৯ ম্যাচ।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আর্থিক দুর্নীতি এবং নানা অনিয়ম নিয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছর দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে প্রেরিত এনফোর্সমেন্ট টিম যেসব খাতে দুর্নীতি এবং অনিয়মের প্রমান পেয়েছে, তা বিসিবিকে অবহিত করেছে। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে নিউজও হয়েছে।
তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে এই বিষয়টি নিয়ে আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ গঠিত হওয়ায় ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ আমলে বিসিবির সকল দুর্নীতি এবং অনিয়ম প্রকাশ্যে আনার দাবি জোরালো হয়েছে।
রোববার জাতীয় সংসদে বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন এক সম্পূরক প্রশ্নে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিসিবির অনিয়ম দুর্ণীতি, নিয়োগ এবং ২০১৮ও ২০২৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিসিবির সম্মতি এবং স্থাপনা অবৈধভাবে ব্যবহারের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।
তিনি জানতে চান-‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ২০০৮ সাল থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত মেধাহীন হিসেবে চিহ্নিত ক্যাডারদের দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তথাকথিত ভোট ডাকাতির নির্বাচনে ক্রিকেট বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীর একটা অংশ ক্রিকেট বোর্ডের সম্পত্তি এবং স্থাপনা ব্যবহার করে যে অনৈতিক কর্মকাণ্ড করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে কিনা?’
এ প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সংসদকে জানিয়েছেন-‘আপনারা সকলে জানেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় থেকে ২০০৮ সাল থেকে ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশের সকল স্পোটর্সকে দলীয়করণ এবং রাজনীতিকরণের মাধ্যমে স্থবির করা হয়েছিল। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন ধ্বংসস্তুপে পরিণত করা হয়েছে।
ক্রীড়াঙ্গনকে নতুনভাবে দলীয়করণ এবং রাজনীতিকণনমুক্ত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে চলেছি। আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই, যে বিগত ২০০৮ সাল থেকে যারা দলীয় সুযোগ সুবিধার মাধ্যমে অবৈধ নিয়োগ হয়েছে, দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি করে এর ভেতরে কারা কারা জড়িত, তা জাতির সামনে নিয়ে আসব।’
আওয়ামী লীগ আমলে ১৭ বছর বিসিবির দুর্নীতি এবং অনিয়মের জন্য অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহযোগিতা চেয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক-‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের যে অর্থ কিংবা জনবল বিগত সময়ে ভোটের অধিকার হরণের জন্য একটি গ্রুপকে সহযোগিতার মাধ্যমে এই ধরণের অপকর্মগুলো করেছে। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এই বোর্ডের যারা এইসব অপকর্মের জন্য বিসিবির যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত তাদের বিপক্ষে তদন্ত করব।
এদের বিপক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব নেওয়ার ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালকের কাছে আহ্বান করব, এ বিষয়ে তদন্ত থাকলে, আমাদের যেন অবগত করেন। যাতে জাতির সামনে উত্থাপিত হয়।’

পরপর দুই ম্যাচে ফিফটির দেখা পেলেন শামিল হোসেন। এবার তার সঙ্গে যোগ দিলেন হাসান নাওয়াজ। দুজনের চমৎকার ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে গেল কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। যা আর টপকাতে পারল না হায়দরাবাদ কিংসমেন। ফলে প্রথম জয় পেয়ে গেল গ্ল্যাডিয়েটর্স।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রোববার বিকেলের ম্যাচে কিংসমেনকে ৪০ রানে হারিয়েছে গ্ল্যাডিয়েটর্স। আগে ব্যাট করে জোড়া ফিফটিতে ১৭৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানের বেশি করতে পারেনি কিংসমেন।
দুই ম্যাচে এটিই গ্ল্যাডিয়েটর্সের প্রথম জয়। অন্য দিকে পরপর দুই ম্যাচ হারল এবারই প্রথম পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলতে আসা কিংসমেন।
ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি গ্ল্যাডিয়েটর্সের। শুরুতেই ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন সৌদ শাকিল (৪) ও রাইলি রুশো (০)।
চাপ সামাল দিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৬৪ বলে ৮৯ রানের জুটি গড়েন শামিল ও নাওয়াজ। আগের দিন মাত্র ২১ বলে ফিফটি করা শামিল এদিন খেলেন ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৪১ বলে ৫৪ রানের ইনিংস। নাওয়াজের ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৫৩ রান।
শেষ দিকে ১৮ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলে দলকে ১৭০ পার করান টম কারান।
কিংসমেনের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন রিলে মেরেডিথ। এছাড়া মাহিশ থিকশানা ও আকিফ জাভেদ নেন ২টি করে উইকেট।
রান তাড়ায় একবারের জন্যও জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেনি কিংসমেন। ১০ ওভারের মধ্যে মাত্র ৫৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকেই যায় তারা।
সেখান থেকে ইরফান নিয়াজি ২৫ বলে ৩৩ ও হাসান খান ১৯ বলে ৩১ রান করলে পরাজয়ের ব্যবধান কমায় নবাগত দলটি।
গ্ল্যাডিয়েটর্সের পক্ষে ৪ ওভারে ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন আবরার আহমেদ। এছাড়া ৪ ওভারে ১৩ রানে ২ উইকেট শিকার আহমেদ দানিয়ালের।