১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩৩ এম

গ্র্যান্ড প্রেইরি ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ডালাস। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান করে পাকিস্তান। রান তাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রও সমান রান তোলে। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। তারপর ১ উইকেটে ১৮ রান করে পাকিস্তানকে ১৩ রানে আটকে ঐতিহাসিক এক জয়ের স্বাক্ষী হয় যুক্তরাষ্ট্র। স্বরণীয় সেই জয়কে পুঁজি করে এবার আবারও যেন হুঙ্কার দিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ২০২৪ সংস্করণের সহ-আয়োজক।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ কলম্বোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নামবে পাকিস্তান। গ্রুপ ‘এ’ এর প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ২৯ রানের হার দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে তারা। তবে সুখস্মতি নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে মুখিয়ে আছে তারা। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তান ম্যাচের আগে আলোচনায় গত বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের সেই জয়। দলটির অলরাউন্ডার মোহাম্মদ মোহসিনের দৃঢ় বিশ্বাস, তাঁর দল আবারও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে আবারও জয় পাবে।
পেশোয়ারে জন্ম নেওয়া মোহসিন পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের ইতিবাচক দিন নিয়ে পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার কথা বলেন, ‘ম্যাচটা কঠিন ছিল, বিশেষ করে প্রথম ১৫ ওভারের পর যেভাবে খেলা গড়াচ্ছিল। তবে আমরা সেই ম্যাচের ইতিবাচক দিকগুলো এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে আমাদের আগের জয়কে কেন্দ্র করে মনোযোগ রেখেছি।’ এই ম্যাচে চাপটা সালমান আলী আগাদের ওপরই মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের এই লেগ স্পিনার।
আরও পড়ুন
| এপস্টেইন ফাইলসে উঠে এল বায়ার্ন কিংবদন্তি রিবেরির নাম |
|
টুর্নামেন্টে আন্ডারডগ হলেও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে আশাবাদী ছিলেন মোহসিন। পরবর্তী ম্যাচে ইতিবাচক মনোভাবের গুরুত্ব উল্লেখ করে বলেন, ‘আমাদের হারানোর কিছু নেই। আমরা শুধু এই যাত্রা উপভোগ করছি, আর যেভাবে শুরু হয়েছে, সেটা রোমাঞ্চকর। আশা করি, আগামীকালের জয় এটাকে আরও ভালো করবে।’
পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া মোহসিন পাঁচ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। যুক্তরাষ্ট্র দল দুই বছর আগে যেভাবে খেলত, এখন সেই তুলনায় দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী তাঁর মতে, ‘পাকিস্তান দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় আমি দলকে পরামর্শ দিয়েছি, এখন আমরা আরও দক্ষ এবং আত্মবিশ্বাসী দল।’
অবশ্য পাকিস্তানের ফাস্ট বোলার সালমান মির্যা বলেছেন, ডালাসে ২০২৪ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার ওভারের সেই হার ‘শুধুই অতীত’। কলম্বোতে যখন দুই দল মুখোমুখি হবে, তখন সেটা খেলোয়াড়দের মনে থাকবে না। যদিও মির্যা স্বীকার করেছেন, ছোট দলগুলোও বিপজ্জনক প্রতিদ্বন্দ্বী, ‘এ পর্যন্ত সব ম্যাচই প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে এবং এই ফরম্যাটে কোনো দল ছোট বা বড় নয়।’
No posts available.
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:০৯ পিএম

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে কিছুটা পা হড়কালেও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে কোনো ভুল করল না পাকিস্তান। দারুণ ব্যাটিং-বোলিংয়ে দাপুটে জয়ে সুপার এইটের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল ২০০৯ সালের বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা।
কলম্বোতে সোমবার রাতের ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ৩২ রানে হারায় পাকিস্তান। আগে ব্যাট করে সাহিবজাদা ফারহান ও শাদাব খানের ঝড়ে ১৯০ রানের পুঁজি পায় তারা। জবাবে ১৫৮ রানের বেশি করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র।
এ নিয়ে দুই ম্যাচে দুই জয়ে 'এ' গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে পাকিস্তান। ভারতের পর পাকিস্তানের কাছে হেরে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে যুক্তরাষ্ট্র।
টস হেরে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন সাহিবজাদা। তবে সাইম আইয়ুব ও সালমান আলি আগা ফিরে যান পাওয়ার প্লের মধ্যেই। পরে তৃতীয় উইকেটে ৫৩ বলে ৮১ রানের জুটি গড়েন সাহিবজাদা ও বাবর আজম।
৪ চার ও ১ ছক্কায় ৩২ বলে ৪৬ রান করে আউট হন বাবর। সাহিবজাদার ব্যাট থেকে আসে ৪১ বলে ৭৩ রান। ৬ চারের সঙ্গে ৫টি ছক্কা মারেন ২৯ বছর বয়সী ওপেনার। শেষ দিকে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ১২ বলে ৩০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন শাদাব।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ২৫ রানে ৪ উইকেট নেন শ্যাডলি ফন স্কালভিক।
রান তাড়ায় কখনও তেমন সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। পাঁচ নম্বরে নেমে ৩টি করে চার-ছক্কায় ৩০ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলেন শুভাম রঞ্জন। এছাড়া শায়ান জাহাঙ্গীর করেন ৩৪ বলে ৪৯ রান।
উসমান তারিক ৩টি ও শাদাব নেন ২ উইকেট।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বলেছেন, আইসিসির সঙ্গে সাম্প্রতিক টানাপোড়েনে পাকিস্তানের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের প্রতি হওয়া ‘অবিচার’ সংশোধন করা এবং বাংলাদেশকে প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া।
চলতি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের গ্রুপ ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। গত ১ ফেব্রুয়ারি জানানো হয়, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় অনুষ্ঠেয় ম্যাচে মাঠে নামবে না পাকিস্তান।
তবে কয়েক দিনের টানা আলোচনা এবং আইসিসি-পিসিবি-বিসিবির মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর সোমবার রাতে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয় ইসলামাবাদ।
এরপর এক বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, ভারতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্বও দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে।
মঙ্গলবার পেশোয়ারে সাংবাদিকদের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।
‘বাংলাদেশ ছাড়া আমাদের আলোচনায় অন্য কোনো শর্ত ছিল না। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের প্রতি হওয়া অবিচার দূর করা এবং তাদের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া।’
আইসিসি বোর্ডের ভোটে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে গিয়ে খেলতে বাংলাদেশ সরকার অনুমতি না দেওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সে সময় এই সিদ্ধান্তকে ‘দ্বিমুখী নীতি’ বলে সমালোচনা করেছিলেন নাকভি।
এবার আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে পাকিস্তানের অবস্থান ব্যাখ্যা করে নাকভি বলেন,
‘বাংলাদেশ যা চেয়েছে, সবই মেনে নেওয়া হয়েছে। আমাদের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছিল না। সরকারও সেই বিবেচনাতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যখন স্বীকার করা হয়েছে যে বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে এবং তাদের দাবি মানা হয়েছে, তখনই আমরা আবার খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

মোহাম্মদ ওয়াসিম ও আলিশান শারাফুর
ব্যাটে লড়াকু পুঁজি পেল সংযুক্ত আরব আমিরাত। কিন্তু লড়াই একটুও করতে পারল না তারা।
কারণ বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে নিউ জিল্যান্ডকে জেতালেন টিম সাইফার্ট ও
ফিন অ্যালেন।
চেন্নাইয়ে মঙ্গলবার বিকেলের ম্যাচে
আমিরাতকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে নিউ জিল্যান্ড। আগে ব্যাট করে ১৭৩ রানের সংগ্রহ দাঁড়
করায় আমিরাত। জবাবে মাত্র ১৫.২ ওভারে ম্যাচ জিতে যায় কিউইরা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই প্রথম
১০ উইকেটের জয় পেল নিউ জিল্যান্ড।
দলের বড় জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের
ইতিহাসে সর্বোচ্চ জুটি গড়েছেন সাইফার্ট ও অ্যালেন। এতদিন সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড
ছিল ২০২২ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলসের ১৭০ রান।
বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ১৭৫ রানের জোট
বাধলেও সেঞ্চুরি করতে পারেননি সাইফার্ট বা অ্যালেন। ১২ চার ও ৩ ছক্কায় ৪২ বলে ৮৯
রানে অপরাজিত থাকেন সাইফার্ট। অ্যালেনের ব্যাট থেকে আসে ৫টি করে চার-ছক্কায় ৫০ বলে
৮৪ রান।
এর আগে আরব আমিরাতকে লড়াকু পুঁজি এনে
দেওয়ার কারিগর অধিনায়ক ওয়াসিম ও শারাফু। দুজন মিলে দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন ৭৭ বলে ১০৭
রানের জুটি।
ওয়াসিম শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৪
চার ও ৩ ছক্কায় ৪৫ বলে করেন ৬৬ রান। আর শারাফু খেলেন ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৪৭ বলে ৫৫
রানের ইনিংস।
তবে তাদের এই প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত
জয়ের মুখ দেখেনি।

চোটে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
থেকে ছিটকে গেলেন শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে
গুরুতর চোট ধরা পড়ায় পুরো টুর্নামেন্টে আর খেলা হচ্ছে না তাঁর।
গত রোববার কলম্বোতে আয়ারল্যান্ডের
বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা নিজেদের প্রথম ম্যাচেই চোটে পড়েন হাসারাঙ্গা। তবে চোট সত্ত্বেও নিজের
বোলিং স্পেল শেষ করেন তিনি। চার ওভারে ২৫ রানে নেন ৩ উইকেট। বড় লক্ষ্য তাড়ায় নামা আয়ারল্যান্ডকে
বড় ধাক্কা দেন এই লেগস্পিন অলরাউন্ডার।
ম্যাচের পর গতকাল করা এমআরআই
স্ক্যানে হাসারাঙ্গার বাঁ পায়ে হ্যামস্ট্রিংয়ে গুরুতর চিড় ধরা পড়ে। স্ক্যান রিপোর্ট
যুক্তরাজ্যের এক বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হলে তিনি নিশ্চিত করেন, এই চোট নিয়ে বিশ্বকাপে
আর মাঠে নামা সম্ভব নয়। তারপরই আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়।
হাসারাঙ্গার জায়গায় দলে
নেওয়া হতে পারে আরেক লেগস্পিন অলরাউন্ডার দুশান হেমন্তকে। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড
(এসএলসি) এ ব্যাপারে দ্রুতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাসারাঙ্গার
চোট নিয়ে সাবেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার ফারভেজ মাহারুফ বলেন, ‘এক পায়ে ভর করে বোলিং করে
দলকে সহায়তা করার জন্য হাসারাঙ্গাকে কৃতিত্ব দিতেই হবে।’
গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার
পরের ম্যাচ ১২ ফেব্রুয়ারি পাল্লেকেলেতে ওমানের বিপক্ষে। তারপর একই ভেন্যুতে ১৬ ফেব্রুয়ারি
অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ১৯ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর
প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলবে শ্রীলঙ্কা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে হারের পর বড় জয় পেল নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে ডাচদের সামনে দাঁড়াতেই পারল না নামিবিয়া। নিজেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয় পেয়েছে নেদারল্যান্ডস।
আজ দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে নামিবিয়ার বিপক্ষে ৭ উইকেটে জিতেছে নেদারল্যান্ডস। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা নামিবিয়া ২০ ওভারে আট উইকেটে ১৫৬ রান তোলে। জবাবে দুই ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্কট এডওয়ার্ডসের দল। দুর্দান্ত অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হন বাস ডি লিডে। ৪৮ বলে ৭২ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের সঙ্গে ও তিন ওভারে ২০ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন তিনি।
রান তাড়ায় শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না নেদারল্যান্ডসের। তৃতীয় ওভারেই ড্রেসিংরুমে ফেরেন ওপেনার ও’ডাউডকে। তবে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে ১৫ বলে তিন ছক্কায় ২৮ রান করে পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে আউট হন মাইকেল লেভিট।
আরও পড়ুন
| ভারতের বিরুদ্ধে ব্যাট টেম্পারিংয়ের বিস্ফোরক অভিযোগ |
|
তারপর আর নামিবিয়াকে তেমন সুযোগই দেয়নি তৃতীয় উইকেটে অ্যাকারম্যান ও ডি লিডে জুটি। তাদের ৫৭ বলে ৭০ রানের জুটিতে ভর করে সহজ জয়ের দিকে ছুটে নেদারল্যান্ডস। ২৮ বলে ৩২ করে অ্যাকারম্যান আউট হলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন ডি লিডে। ডাচদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে যৌথ সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডে নামও লেখান ২৬ বছর বয়সী ডানহাতি ব্যাটার।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১০ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় উইকেটে ৫০ রান যোগ করে নামিবিয়া। জেন ফ্রিলিঙ্ক ও জেন নিকল লফটি ইটনের এই জুটিই ছিল তাদের ইনিংসের সর্বোচ্চ। ৩৮ বলে ৪২ করা লফটি ইটন দলের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ বলে ৩২ রান এসেছে ফ্রিলিঙ্কের ব্যাট থেকে।
নামিবিয়ার বিপক্ষে বল হাতে নিয়েছেন নেদারল্যান্ডের আট বোলার। ডি লিডের দুই উইকেটের সঙ্গে দুটি শিকার লগান ফন বেকের।
‘এ’ গ্রুপে নামিবিয়ার পরের ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকের মুখোমুখি হবে তারা। শুক্রবার চেন্নাইতে নেদারল্যান্ডের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে।