
ফুটবল ভক্ত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের খুব একটা খ্যাতি নেই। তবে নিজ দেশে চলমান ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ট্রাম্প ঘোষণা দেন মাঠে হাজির থেকে ফাইনাল দেখার।
আগামী রোববার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হবে ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনাল, যেখানে আবার ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটিও অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এবারের ৩২ দলের ক্লাব বিশ্বকাপকে দেখা হচ্ছে আগামী বছরের বিশ্বকাপের জন্য একটি মহড়া হিসেবে। উল্লেখ্য, আগামী বিশ্বকাপ যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো আয়োজন করবে। অংশ নেবে রেকর্ড ৪৮টি দল।
আরও পড়ুন
| মায়ামিতে মেসির সঙ্গী হচ্ছেন দি পল? |
|
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখতে চান কিনা, সেই প্রসঙ্গে ট্রাম্প দেন ইতিবাচক জবাব। “আমি ম্যাচটা দেখতে যাচ্ছি।”
একই দিনে ফিফাও দিয়েছে বড় ঘোষণা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে নিজেদের একটি নতুন প্রতিনিধিত্বমূলক অফিস খোলার কথা নিশ্চিত করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প ক্রীড়াঙ্গনের আলোচনায় নিজেকে বেশ সরব রেখেছেন। তবে তার অভিবাসন নীতি এবং ১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ নিয়ে নানা মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
No posts available.
১২ মার্চ ২০২৬, ১০:১৯ পিএম
১২ মার্চ ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম

গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সুইডেন জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন গ্রাহাম পটার। তবে স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে দায়িত্ব নেওয়া এই ইংলিশ কোচের অধীনে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচই জেতেনি সুইডেন। তবু তাঁর ওপরই আস্থা রাখল সুইডেন। বিশ্বকাপে প্লে অফে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে পটারের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করল তারা।
২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত গ্রাহাম পটারের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়াল সুইডেন। সুইডিশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পটার বলেন,
‘এই দায়িত্বে কাজ চালিয়ে যেতে পারা আমার জন্য অনেক বড় বিষয়। আমি একদিকে গর্ব অনুভব করছি, অন্যদিকে বড় দায়িত্বও অনুভব করছি। এটি আমার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন এবং সামনে এগিয়ে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু করার অসাধারণ সুযোগ।’
গত বছরের সেপ্টেম্বরে ওয়েস্ট হ্যাম থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর পটার পরবর্তী মাসে স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে সুইডেনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পটারের অধীনে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি সুইডেন, চার ম্যাচের তিনটিতে ও একটিতে ড্র করে তারা। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে গ্রুপ ‘বি’তে পয়েন্ট টেবিলের তলানীতে থেকে শেষ করে সুইডেন। তবে ২০২৪-২৫ নেশন্স লিগে অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ এখনো আছে সুইডেনের।
আগামী ২৬ মার্চ প্লে-অফে ইউক্রেনের মুখোমুখি হবে সুইডেন। যদি পটারের দল সেই ম্যাচ জেতে, তবে তারা পোল্যান্ড বা আলবেনিয়ার সঙ্গে ফাইনালে খেলবে, এই ম্যাচ জিতলেই বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত হবে। বিশ্বকাপে সুইডেনের ভাগ্য যাই হোক না কেন, পটার ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ চক্র শেষ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।
৫০ বছর বয়সী গ্রাহাম পটার এর আগে ওয়েস্ট হাম, চেলসি, ব্রাইটনের ডাগ-আউটের দায়িত্ব পালন করেছেন। গত সেপ্টেম্বরের শেষে প্রিমিয়ার লিগে বাজে শুরুর কারণে ওয়েস্ট হ্যাম তাকে বরখাস্ত করেছিল। এরপর অক্টোবরে সুইডেনে বরখাস্ত হওয়া ইয়োন ডাল তোমাসন-এর স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।

চোট যেন রিয়াল মাদ্রিদকে ভূতের মতো তাড়া করছে। স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটি একাদশ মাঠে নামাতেই হিমশিম খাচ্ছে। ভাঙাচোরা দল নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটিকে উড়িয়ে দেওয়া ম্যাচেও চোটে পড়েছে রিয়ালের আরও এক ফুটবলার। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েছেন ফার্লান্ড মেন্ডি।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গতকাল শেষ ষোলোর ম্যাচে ফেদেরিকো ভালভের্দের হ্যাটট্রিকে বিধ্বস্ত হয় সিটি। তবে ঘরের মাঠে দারুণ এই জয়ের পর মেন্ডি চোট হোঁচট খায় রিয়াল। সিটির বিপক্ষে ম্যাচে ৪৭ মিনিটে মাঠ ছাড়েন মেন্ডি। ফরাসি এই লেফট-ব্যাককে অন্তত এক সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে। ৩০ বছর বয়সী মেন্ডি দীর্ঘ দিনই চোটে ভুগছিলেন। ফিটনেস সমস্যার কারণে মৌসুমর বড় একটা অংশ দর্শক হয়ে ছিলেন তিনি।
ম্যাচের পর মেন্ডির চোট নিয়ে আলভারো আলবেরোয়া বলেন,
‘হ্যাঁ, সে চোটাক্রান্ত। পরিস্থিতি ভালো দেখাচ্ছে না। আমি তাঁর চেষ্টা মূল্যায়ন করি। এতদিনের বিরতির পর দুই ম্যাচের জন্য তাঁকে খেলানোই ছিল একটি ঝুঁকি। আমি ঝুঁকি নিলাম এবং এজন্য আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁকে কোচিং করানোর সুযোগ সত্যিই অসাধারণ। এখনই কিছু বলা কঠিন, তবে মঙ্গলবারে (ফিরতি লেগ) পুরো ফিট থাকার সম্ভাবনা কম।’
চোটের প্রকৃতি ও গুরুত্ব আরও স্পষ্টভাবে দেখার জন্য আগামীকাল আরও স্ক্যান করা হবে মেন্ডির। আপাতত এক সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকায় লা লিগায় এলচের বিপক্ষে ম্যাচ ও চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির মাঠ ইতিহাদে খেলতে পারবেন না ৩০ বছর বয়সী লেফট-ব্যাক।
সিটির বিপক্ষে ম্যাচে দারুণ খেলছিলে মেন্ডি। সিটিজেনদের উইঙ্গার সাবিনহো এবং সেমেনিও-কে আটকে রেখেছিলেন রিয়াল ডিফেন্ডার। বিরতির পর মেন্ডির চোটের ইঙ্গিত মেলে। রিয়ালের জন্য সুখবর ক্লাবটির আরেক লেফট ব্যাক আলভারো কারেয়াস চোট থেকে অনেকটাই সেরে উঠেছেন।

অবশেষে ফিনালিসিমার ভেন্যু নিয়ে অনিশ্চয়তা কেটে গেল। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ম্যাচটি আগামী ২৭ মার্চে দোহায় লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, তা এখন স্পেনে আয়োজন করা হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পেনের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়াম সবচেয়ে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ফিনালিসিমার ভেন্যু নিয়ে শুরু হয় অনিশ্চয়তা। তাতে দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন স্পেনের ফিনালিসিমা ম্যাচটি আয়োজন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরিকল্পনা ছিল এই প্রতিযোগিতার আয়োজক কতৃপক্ষের। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধাবস্থার কারণে সরিয়ে নিতে হলো বহুল আলোচিত ম্যাচটি।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস-এর প্রতিবেদন, বার্নাব্যুতেই হবে ফিনালিসিমা। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের অবস্থিত স্টেডিয়ামটি ইউরোপের সবচেয়ে সফল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ। এই ভেন্যুতে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনালও আয়োজন করা হতে পারে।
ফিনালিসিমা এবং কাতার ফুটবল ফেস্টিভালের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য পাঁচটি ম্যাচ কাতারে হওয়ার কথা ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সব প্রীতি ম্যাচই এখন ভেন্যু পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে আছে। অন্যদিকে ফিনালিসিমার জন্য বিকল্প যেমন ইতালির রোম ও পর্তুগালের লিসবনকে বিবেচনা করা হয়েছিল।
তবে ইউরোপিয় ফুটবলের নিয়ন্তক সংস্থা ইউয়েফা এবং ল্যাটিন আমেরিকার ফুটবলের সংস্থা কনমেবল স্পেনের বার্নাব্যুকেই ফিনালিসিমার মতো বড় ইভেন্টের জন্য সেরা ভেন্যু মনে করছে। এএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিদ্ধান্ত কার্যত নেওয়া হয়েছে, শুধু নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু ছোটখাটো বিষয় এবং অন্যান্য লজিস্টিক্যাল বিষয় বাকি রয়েছে। অন্যান্য ম্যাচের জন্যও পর্যাপ্ত স্থান পাওয়া গেছে।
প্রাথমিকভাবে আর্জেন্টিনা এই ম্যাচ স্পেনে খেলতে অনিচ্ছুক ছিল, কারণ এতে স্পেনীয় দলকে হোম এডভান্টেজ পাওয়া যেত। তবুও লজিস্টিক্যাল জটিলতার কারণে বিকল্প খুব কম ছিল।
ফিনালিসিমার সবশেষ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ২০২২ সালে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইতালিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে আলবিসেলেস্তারা।

পানামার শিল্পী ওয়লদো অরলান্দো। চাকরি হারিয়ে হতাশ এই শিল্পী নিজের শিল্প দিয়েই জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন। তাঁর শিল্পের ছোঁয়া লাগে স্নিকার বা ফুটবল বুটে। অনন্য এই প্রতিভার নৈপুণ্যে লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজের মতো বড় তারকা ফুটবলারদের বুটে কারুকার্য করার সুযোগ পান তিনি। এবার পানামার এই শিল্পী একজোড়া বিশেষ বুট উপহার দিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকেও।
আল নাসরের হয়ে রোনালদোর সবশেষ ম্যাচটি ছিল আল ফাইহার বিপক্ষে। ৩-১ গোলে জয় পাওয়া ওই ম্যাচে ‘সিআর সেভেন’ হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন। তবে ম্যাচ শেষে পর্তুগিজ তারকা ভিন্ন এক স্মৃতিও সঙ্গে করে নিয়ে যান। ম্যাচের পর রোনালদোর হাতে একটি বিশেষ উপহার তুলে দেন পানামার গোলকিপার অরলান্দো মোসকুয়েরা।
মস্কেরার দেওয়া সেই উপহারটি ছিল বিশেষ এক জোড়া বুট, যেখানে রোনালদোর পুরো ক্যারিয়ারের পথচলার প্রতিফলন ফুটে উঠেছে। এই শিল্পকর্মটি তৈরি করেছেন পানামার শিল্পী ওয়লদো অরলান্দো। আল ফেইহার গোলকিপার মোসকুয়েরার মাধ্যমেই বিশেষ উপহারটি পৌঁছে দেওয়া হয় পর্তুগিজ মহাতারকার কাছে। রোনালদোও বেশ আন্তরিকতার সঙ্গে উপহারটি গ্রহণ করেন এবং সেই বিশেষ বুট জোড়া হাতে নিয়ে ছবি তোলেন।
জবাবে রোনালদো শিল্পীকে পাঠান রোনালদোর পর্তুগাল জাতীয় দলের একটি অটোগ্রাফ করা জার্সি। উপহার পাঠানোর সময় ওয়ালদো সেই জার্সিটিও রোনালদোর কাছে পাঠিয়েছিলেন, আশা করেছিলেন সেটি ‘বিচো’—রোনালদোর ডাকনাম—এর স্বাক্ষরসহ আবার তার কাছে ফিরে আসবে। শেষ পর্যন্ত ঠিক সেটাই হয়েছে।
নিজের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ওয়ালদো রোনালদো এবং ‘কুটি’ মস্কেরাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই বিনিময় সম্ভব করে দেওয়ার জন্য।
এর আগে বুটের মধ্যে নিজের এই শিল্পকর্ম নিয়ে ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়ালাদো বলেছিলেন, ‘শিল্পের মাধ্যমে আমি ফুটবল বুট তৈরি করি। আমার সৌভাগ্য হয়েছে, যখন লিওনেল মেসি পানামায় এসেছিলেন, আমি তার বুট পেইন্ট করার সুযোগ পেয়েছি। এছাড়া লুইস সুয়ারেজ, সার্জিও বুসকেটস এবং জর্দি আলবার বুটও আমি পেইন্ট করেছি।’
অরলান্দো আরও জানিয়েছেন, মেসির জন্য পেইন্ট করা বিশেষ সেই বুটে ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করার পরের উদযাপন, তার পুরো ক্যারিয়ারে পাওয়া সব ব্যালন ডি’অর এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সিও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
মেসিকে নিজের পেইন্ট করা বুট দিয়ে অরলান্দো জানিয়েছিলেন পরবর্তী লক্ষ্য রোনালদো। রোনালদোর সঙ্গে যোগাযোগ করেন পানামের জাতীয় দলের গোলকিপার মসকুয়েরার মাধ্যমে।

চলতি মাসের ৩১ তারিখ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচটি খেলবে বাংলাদেশ। তার আগে ২৬ মার্চ একটি ফিফা প্রীতি ম্যাচে ভিয়েতনামে আতিথেয়তা নেবে হাভিয়ের কাবরেরার দল। দুটি ম্যাচকে সামনে রেখে জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হবে ১৬ মার্চ, সোমবার থেকে।
এই দুটি ম্যাচের জন্য প্রায় সব খেলোয়াড়কে পাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের বাইরে লিগ খেলা হামজা চৌধুরী ক্যাম্পে যোগ দেবেন না। সরাসরি ভিয়েতনামে আগামী ২২ মার্চ দলের সঙ্গে যোগ দেবেন লেস্টার সিটির মিডফিল্ডার। সবশেষ লেস্টার সিটির ম্যাচে শুরুর একাদশে খেলেছেন হামজা। ম্যাচে দারুণ পারফর্ম করে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন। অর্থাৎ পুরোপুরি ফিট হামজাকেই পাচ্ছেন কাবরেরা।
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সবশেষ এএফসি ম্যাচে কার্ড জটিলতায় খেলতে পারেননি ফাহামিদুল ইসলাম। তবে ইতালির ক্লাবে খেলা এই উইঙ্গার ক্যাম্পে যোগ দিতে সোমবারই ঢাকায় আসছেন। একই দিন ঢাকায় আসবেন আরেক প্রবাসী বাংলাদেশী ফুটবলার তারিক কাজী।
এশিয়ান কাপে ৫ ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে কেবল একটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়া দুই ম্যাচে ড্র এবং দুটিতে পরাজয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। শেষ ম্যাচটি জয় দিয়ে রাঙাতে চাইছে বাংলাদেশ। যে কারণে সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে ভিয়েতনামে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
পূর্ণ শক্তির দল গড়তে ডাক পড়েছে কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে খেলা সোমিত সোমের। ১৫ মার্চ ঢাকায় আসছেন তিনি। তারও একদিন আগে আসবেন জায়ান আহমেদ। আজ জাতীয় দল কমিটির সভা শেষে খেলোয়াড়েরা কে কবে আসবেন সেটি জানিয়েছেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু।