২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৪১ পিএম

লিওনেল মেসির বার্সেলোনা ছাড়ার সেই মুহূর্ত ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম ট্র্যাজেডি বললে ভুল হবে না। এখনো কাতালান ক্লাবটির অনেক সমর্থকদের কাছে ক্লাবের ইতিহাসের সেরা ফুটবলারের বিদায় দুঃস্বপ্নের মতো। কেন ক্লাবের সেরা ফুটবলারকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিল বার্সা? এর আগে অনেকবারই এ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছিলেন স্প্যানিশ ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট হোয়ান লাপোর্তা। এবার এক সাক্ষাৎকারে খোলামেলাভাবেই জানালেন ঠিক কী ঘটেছিল মেসির সঙ্গে, কেন মেসির সঙ্গে বার্সার সভাপতি লাপোর্তার সম্পর্ক আর আগের মতো নেই।
বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট থেকে কদিন আগে পদত্যাগ করেন লাপোর্তা। ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী হতে নিয়মানুযায়ী সরে দাড়ান তিনি। নির্বাচনের আগে কাতালুনিয়া রেডিও’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লাপোর্তা মেসির বিদায়ের পেছনের আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এমন কোনো চুক্তিতে যেতে চায়নি ক্লাব, যা দীর্ঘমেয়াদে বার্সেলোনার ক্ষতি করতে পারে।
সিভিসি নামে একটি চুক্তিতে যেতে না চাওয়ার কারণেই নাকি মেসি ছাড়তে বাধ্য হয় বার্সা। এই চুক্তি অনুযায়ী মাঠের ও বাণিজ্যিক উন্নয়নের জন্য তহবিল পেত ক্লাব কিন্তু সেই চুক্তি দীর্ঘমেয়াদে ক্লাবের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে লাপোর্তা তা স্বীকার করেন, ‘তাকে (মেসি) নিবন্ধন করাতে আমরা সিভিসি চুক্তিতে যেতে চাইনি, কারণ আমরা মনে করেছি এটি ক্লাবের জন্য ক্ষতিকর। বার্সেলোনা খেলোয়াড়, কোচ বা সভাপতি সবকিছুর ঊর্ধ্বে—তাই আমরা সেটা করতে পারিনি। সভাপতি হিসেবে এটিই আমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে।’
লাপোর্তা আরও যোগ করেন, ‘কুমান, জাভি, পিকে ও অন্যদের বিদায়ের মতো এগুলো হতাশাজনক মুহূর্ত। সময়গুলো কঠিন ছিল, কিন্তু আমরা সেই ঝুঁকি নিতে পারিনি। তার চুক্তির অঙ্ক নবায়ন করলে আমাদের পক্ষে বহন করা অসম্ভব হয়ে যেত—এ কারণেই সে থাকতে পারেনি।’
তারপর লাপোর্তা মেসির সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও প্রথম দফার সভাপতি থাকার সময় থেকে গড়ে ওঠা স্নেহ-ভালোবাসার স্মৃতিও তুলে ধরেন। তিনি স্বীকার করেন, মানবিক দিক থেকে এই বিচ্ছেদ মোটেও সহজ ছিল না,
‘আমার প্রথম মেয়াদ থেকেই মেসি ও আরও কয়েকজন খেলোয়াড়কে আমি চিনতাম। তাদের প্রতি স্বাভাবিকভাবেই ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধা তৈরি হয়।’
লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তির ক্লাব ছাড়ার সহ খেলোয়াড়দের প্রতি শ্রদ্ধা থাকলেও ক্লাবে সবার ওপরে রাখছেন লাপোর্তা,
‘আমরা এসব খেলোয়াড়ের প্রতি ভীষণ কৃতজ্ঞ, কিন্তু বার্সাও তাদের জন্য অনেক কিছু করেছে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে তা সম্ভব হয়নি, আর লিওর পক্ষে ক্লাবে থাকা আর সম্ভব ছিল না।’
তবে সময়ের সঙ্গে দুজনের সম্পর্কও আর আগের মতো থাকেনি বলেও জানান লাপোর্তা। তাঁর মতে,
২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের একটি ঘটনা দুজনের দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়, ‘মেসির সঙ্গে সম্পর্ক আগের মতো নেই। ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে আমি তাকে শুভেচ্ছা জানাতে গেলে সে মনে করেছিল আমাদের একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানো উচিত নয়।’
অবশ্য এখন সম্পর্ক কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলছেন বার্সার সদ্য সাবেক সভাপতি,
‘এরপর থেকে কিছুটা কাছাকাছি আসার চেষ্টা হয়েছে এবং আমরা আশা করি ভবিষ্যতে সেটি আরও এগোবে। সম্পর্ক কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে সে বার্সেলোনার কিংবদন্তি।’
বর্নাঢ্য ক্যারিয়ারের প্রায় পুরোটাই বার্সেলোনায় কাটিয়ে দেওয়া মেসির সব সাফল্য এসেছে ন্যু ক্যাম্পের ক্লাবটির হাত ধরে। ২০২১ সালের জুনে এই ক্লাব ছাড়ার আগে সম্ভাব্য সব দলীয় কিংবা ব্যাক্তিগত শিরোপা জিতেছেন রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ইন্টার মায়ামির মহাতারকা।
No posts available.
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:২৭ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:৪৮ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:৫৫ পিএম

আশরাফ হাকিমির বাসায় ধর্ষণের শিকার হয়েছেন— ২০২৩ সালে এমন আপত্তিকর অভিযোগ তুলেছিলেন ২৪ বছর বয়সী এক নারী। যদিও শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন মরক্কোর ফুলব্যাক। তবে ঘটনার পর প্যারিসের পশ্চিম উপশহর নঁতেরের পাবলিক প্রসিকিউটরের দপ্তর বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।
আজ প্যারিস সেন্ট–জার্মেইন ডিফেন্ডার হাকিমি জানিয়েছেন, ধর্ষণের অভিযোগের পর তিনি বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে হাকিমি লেখেন,
“আজকের দিনে শুধু ধর্ষণের অভিযোগই একটি বিচারের জন্য যথেষ্ট বলে মনে করা হয়। এটি যেমন নির্দোষদের জন্য অন্যায়। তেমনি প্রকৃত ভুক্তভোগীদের ক্ষেত্রেও। আমি শান্তভাবে বিচারের অপেক্ষায় আছি, যাতে সত্যটি সবার সামনে প্রকাশ পায়।”
মাঠের বাইরে এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট প্লে–অফের দ্বিতীয় লেগে মোনাকোর বিপক্ষে খেলতে নামবে পিএসজি। গত মঙ্গলবার ঘোষিত ক্লাবটির প্রাথমিক স্কোয়াডে হাকিমির নাম রাখা হয়েছে।

সারা বিশ্বেই ফুটবলাররা সাধারণত আয় করে থাকেন নিজ নিজ ক্লাব থেকে। জাতীয় দলে তারা খেলেন দেশের জন্য, সম্মানের জন্য। আর ফেডারেশনের পক্ষ থেকে যা বেতন বা সম্মানী পান সেটির সঙ্গে ক্লাবের আয়ের পার্থক্য বিস্তর। বাংলাদেশের মতো দেশে ক্লাব থেকে সে অর্থে মোটা দাগের আয় বেশিরভাগ ফুটবলারের হয় না। সেটি বিচার করেই কি না এবার জাতীয় দলের ফুটবলারদের বেতনভুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। আজ এমনটাই জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
ক্রিকেট বোর্ড এবং ফুটবল ফেডারেশনসহ গতকাল সোমবার সব ফেডারেশনের কর্তাদের সঙ্গে সভা করেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল। আজ মঙ্গলবার কেবল বাফুফের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসেন তিনি। সেখানে বেশ কিছু প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাতীয় পুরুষ দলের ফুটবলারদের বেতনের আওতায় আনা। সেটি দেওয়া হবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে।
বাংলাদেশে পুরুষ ফুটবলারদের আগে কোনো বেতন দেওয়া হতো না। তবে ম্যাচ ফি, জাতীয় দলের ক্যাম্প চলাকালীন ফুটবলাররা ২০-২৫ হাজার টাকা করে সম্মানী পেতেন। আর নারী ফুটবলারদের আগে থেকেই বেতন দেওয়া হতো। এবার তারাও সরকারের পক্ষ থেকে বেতন পাবেন। সেক্ষেত্রে ফেডারেশনে এবং সরকার দুই জায়গা থেকে থেকে আফঈদারা বেতন পাবেন।
বাফুফে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন,
‘আমাদের মেয়েদের ফুটবলাররা যেভাবে ভালো পারফর্ম করছে- তাদেরকে উৎসাহিত করতে, পুরুষ ফুটবলারদেরকে উৎসাহিত করতে ইতিমধ্যে আমাদের যে সিদ্ধান্ত আপনারা সকলেই অবগত রয়েছেন। পুরুষ এবং নারী ফুটবলার সবাইকেই আমরা সেই বেতন কাঠামোর ভেতরে এনে আমরা তাদেরকে মাসিক এবং সরকারিভাবে আমাদের চুক্তিভিত্তিক স্থায়ী বেতন কাঠামোর ভেতরে অন্তর্ভুক্ত করব।’
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের সঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বৈঠকে সভাপতি তাবিথ আউয়াল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলমসহ আরও অনেক উপস্থিত ছিলেন।

কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের মাঠটাই কেবল ছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আওতাধীন। এবার গ্যালারি ও স্টেডিয়ামের আবাসন ফেডারেশনকে হস্তান্তর করবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। একই সঙ্গে আরও দুটি স্টেডিয়াম- সিলেট জেলা স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রাম এমএ স্টেডিয়াম। বাফুফেকে স্টেডিয়াম হস্তান্তরের বিষয়টি আজ জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
মঙ্গলবার এনএসসির সভাকক্ষে বাফুফে কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন,
‘গ্রামাঞ্চলে অনেক ফুটবল মাঠ থাকতে পারে, তবে বিশেষ করে ফিফা অনুদানের আওতায় আমাদের ফুটবল ফেডারেশন কিছু ভেন্যু বরাদ্দের অনুরোধ করেছিল। আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমরা চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনটি মাঠ ফুটবল ফেডারেশনকে হস্তান্তর করব।’
দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম, নাসের শাহরিয়ার জাহেদি এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর কাছে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে শুধুমাত্র ফুটবলের জন্য নির্দিষ্ট ভেন্যুর বিষয়টি প্রধান দাবি হিসেবে উঠে আসে। বৈঠকের পর কথা বলতে গিয়ে আমিনুল হক জানান,
‘আলোচনা মূলত ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বর্তমান গতিকে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায় তা নিয়েই হয়েছে।’
বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম এই বৈঠককে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন,
‘বৈঠকের পর আমি ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং উৎসাহিত। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের নতুন অভিবাবকের নেতৃত্বে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং আমাদের রাষ্ট্রপতির সমর্থনে নিশ্চিতভাবেই এই মেয়াদে আমরা একটি ফুটবল-বান্ধব স্টেডিয়াম পাব।’

অস্ট্রেলিয়া
সফরের আগে সর্বশেষ থাইল্যান্ড সফরটা ভালো যায়নি বাংলাদেশের। গত বছরের অক্টোবরে দুটি
প্রীতি ম্যাচ খেলতে থাইল্যান্ড যায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। প্রথম ম্যাচে হারের পর
বেশ কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড়ের অ্যাপ্রোচে অসন্তুষ্ট ছিলেন প্রধান কোচ পিটার বাটলার।
আরেকটি সফরে সিডনিতে এবার মেয়েদের প্রশংসা ঝরেছে ব্রিটিশ কোচের কণ্ঠে।
এশিয়ান কাপে অংশ নিতে বাংলাদেশ দল এখন সিডনিতে অবস্থান করছে। চতুর্থ দিনের মতো আজ অনুশীলন সেশন করেছে মেয়েরা। সেখান থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পাঠানো ভিডিও বার্তায় কোচ বাটলার বলেছেন,
‘মেয়েরা সত্যিই দারুণ কাজ করেছে। আমি তাদের প্রচেষ্টায় কোনো খুঁত ধরতে পারছি না। তারা যেভাবে পরিশ্রম করছে তা চমৎকার। অনুশীলনের জন্য এটি একটি ভালো পরিবেশ; আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন এখানকার মাঠগুলো অসাধারণ। যদিও এটি সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা উন্মুক্ত।’
১২ দলের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ পড়েছে ‘বি’ গ্রুপে। যেখানে মোকাবিলা করতে হবে ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন চীন ও তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়াকে। এছাড়াও আছে শক্তিশালী উজবেকিস্তান। কঠিন গ্রুপে পড়লেও দারুণ কিছুর অপেক্ষায় বাটলার। তার আগে অবশ্য মানসিকতায় পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন তিনি,
‘আমার মনে হয় এর অনেকটা মানসিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাদের মাথায় এটা ঢোকাতে হবে যে আমরা বর্তমানে অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে আছি এবং আমাদের সেই ঘাটতি পূরণ করতে হবে। তবে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আগামীকাল দুটি ৪৫ মিনিটের ম্যাচে আমি মেয়েদের দেখার সুযোগ পাবো।’
এশিয়ান
কাপের প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশ দল মোট চারটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে।
যার মধ্যে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি এবং ঘরের মাঠে তিনজাতি সিরিজে আজারবাইজান ও মালয়েশিয়ার
সঙ্গে খেলেছে বাংলাদেশ। চার ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ। তবে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছে
বাটলারের হাইলাইন ডিফেন্স তত্ত্ব। অনেকের মতে বাটলারের হাইলাইন ডিফেন্সের সঙ্গে মোটেও
মানিয়ে নিতে পারেনি মেয়েরা। তারপরও সেটা এক প্রকার জোর করে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন
তিনি।
এবার অস্ট্রেলিয়া বাটলার সেই হাইলাইন ডিফেন্স ফর্মুলনায় দলকে খেলাবেন কি না সেটি নিয়ে ছিল জানার আগ্রহ। সেখান থেকে সরে এসেছেন তা বলা যাবে না। তবে বেশ কয়েকটি ফর্মূলা নিয়ে কাজ করছেন সেটি জানিয়েছেন আজ,
‘আমি আজ রাতে বসে দল নিয়ে বিশ্লেষণ করবো। কয়েকটি বিকল্প নিয়ে কাজ করেছি— আমরা ৩-৪-৩, ৩-৫-২ নাকি ৪-৪-৩ ফরমেশনে খেলবো, তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।’
বাংলাদেশ
কোন ছকে খেলবে সেটি আগামীকালের দুটি ৪৫ মিনিটের প্রস্তুতি ম্যাচেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
এছাড়া মূল একাদশে কারা সুযোগ পাবেন সেটিও নির্ধারণ হতে পারে ওই দুটি ম্যাচ দেখে।

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা
জাতীয় ফুটবল দলের অফিশিয়াল আঞ্চলিক স্পন্সর ওয়ালটন। আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের
(এএফএ) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সঙ্গে যুক্ত
হয় দেশের বহুজাতিক ইলেকট্রনিক্স কোম্পানিটি। এর মাধ্যমে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের
সব ধরনের ব্র্যান্ডিং স্বত্ব লাভ করেছে তারা।
ওয়ালটন পণ্যের নানান ধরনের
ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমে দেখা যাচ্ছে লিওনেল মেসি-এমিলিয়ানো মার্তিনেজদের, যা প্রতিষ্ঠানটির
অন্যতম শীর্ষ গ্লোবাল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। এরই প্রেক্ষিতে
২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের ফ্যান জার্সি উন্মোচন
করল প্রতিষ্ঠানটি। দেশজুড়ে ওয়ালটনের ক্রেতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আর্জেন্টিনার এই ফ্যান
জার্সি পাবেন।
ওয়ালটনকে বাংলাদেশের সক্ষমতা
ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত
মার্সেলো কার্লোস সেসা। গতকাল রাজধানীর ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত ‘আর্জেন্টিনা
ফ্যান জার্সি উন্মোচন’ শীর্ষক এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন তিনি।
সেসা বলেন,
‘ওয়ালটন একটি শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশী বহুজাতিক ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি, যারা ৫০টিরও বেশি দেশে তাদের পণ্য রপ্তানি করে। ওয়ালটনের যাত্রা বাংলাদেশের রূপান্তরের প্রতিফলন। স্থানীয় উৎপাদনে একটি শক্তিশালী ভিত্তি থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমাগত বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে ওয়ালটন বাংলাদেশের সক্ষমতা এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠেছে।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেসা আরও বলেন,
‘এএফএ বাংলাদেশে ওয়ালটনকে তার আঞ্চলিক পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যখন বেছে নেয়, তখনই বিশ্বজুড়ে ওয়ালটনের গ্রহণযোগ্যতা বোঝা যায়। এটি কেবল একটি ব্র্যান্ড নির্বাচন করা নয়, বরং এটি একটি জাতির অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দেওয়া। স্পনসরশিপ কেবল জার্সিতে বা স্টেডিয়ামে লোগো প্রদর্শন নয়, এটি ব্র্যান্ডের সক্ষমতার স্বীকৃতি। এটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। যখন বাংলাদেশের তরুণ ছেলে-মেয়েরা আর্জেন্টিনার খেলা দেখে, তারা দক্ষতা, দলগত কাজ এবং অধ্যবসায় দেখতে পায়। আর্জেন্টিনার এই ফ্যান জার্সিতে তারা সেই আদর্শের পাশাপাশি এখন একটি বাংলাদেশি ব্র্যান্ডকেও দেখতে পাবে।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত
ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, ম্যানেজিং
ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম ও পরিচালক সাবিহা জারিন অরনা।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম বলেন,
‘আর্জেন্টিনার ফুটবল চেতনা তার সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও লক্ষ লক্ষ ভক্ত আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করে। বিশ্বকাপের সময় ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট আকাশী নীল এবং সাদা পতাকায় ভরে ওঠে। এই ভালোবাসা আর্জেন্টিনার খেলার ধরণ, খেলোয়াড়দের নম্রতা এবং অনুপ্রেরণামূলক ফুটবল যাত্রার প্রতি বাংলাদেশী ভক্তদের আবেগগত সংযোগ প্রতিফলিত করে। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের অংশ হতে পেরে আমরা সত্যিই সম্মানিত ও আনন্দিত।’