১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২:৩২ পিএম

অ্যাশেজ সিরিজে ভরাডুবির পর ইংল্যান্ড দলের শৃঙ্খলা ও সংস্কৃতি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। যুক্তরাজ্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন, ইংল্যান্ড ক্রিকেটারদের অফ-ফিল্ড আচরণ নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফর ও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে কড়া বিধিনিষেধ আরোপের কথা ভাবছে ইসিবি।
যুক্তরাজ্যের দ্য টাইমস ও দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন, অ্যাশেজ চলাকালে একাধিক ক্রিকেটারের নিয়মিত মদ্যপান, গভীর রাত পর্যন্ত বাইরে থাকা এবং ক্যাসিনো ভ্রমণের তথ্য সামনে আসার পর ইসিবি পরিস্থিতি পর্যালোচনা শুরু করেছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্টের মাঝের সময়টাতে ক্রিকেটারদের আচরণকে ‘স্ট্যাগ ডু’র সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে প্রতিবেদনে। ইসিবির আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ড দলের প্রস্তুতি ও পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের মনোযোগ ধরে রাখতে এবং অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি এড়াতে সফর চলাকালে কারফিউ আরোপের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এই নিয়ম কার্যকর হলে নির্দিষ্ট সময়ের পর ক্রিকেটারদের বাইরে যাওয়া ও সামাজিক কর্মকাণ্ড সীমিত করা হবে।
ইসিবি সূত্র জানিয়েছে, অ্যাশেজে ৪–১ ব্যবধানে সিরিজ হারার পর দলের সংস্কৃতি ও শৃঙ্খলা নিয়ে আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফর এবং টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে কিছু পরিবর্তনের পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।
দ্য টেলিগ্রাফের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাশেজ চলাকালে ইংল্যান্ড দলের কয়েকজন ক্রিকেটার একাধিকবার ক্যাসিনোতে গেছেন। দলটি যে হোটেলে অবস্থান করছিল, সেটি একটি ক্যাসিনো কমপ্লেক্সের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। এসব ঘটনা প্রকাশ্যে ঘটায় সমালোচনা আরও জোরালো হয়। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, অ্যাশেজের পর নিউজিল্যান্ডে একটি নাইটক্লাবের বাইরে ইংল্যান্ডের ওয়ানডে অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক একটি বাক্বিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন। এ ছাড়া নুসায় বেন ডাকেটকে মাতাল অবস্থায় এবং তরুণ ব্যাটার জ্যাকব বেথেলকে ধূমপান করতে দেখা যায়।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্টের মাঝখানে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় দলকে বিশ্রামের জন্য নুসায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও তীব্র সমালোচনা হয়।
এর আগে ২০১৭ সালে বেন স্টোকসের নাইটক্লাব–সংক্রান্ত ঘটনার পর এবং ২০১৭–১৮ সালের অ্যাশেজে ইংল্যান্ড দলে কারফিউ চালু ছিল। ২০২২ সালে অধিনায়ক হওয়ার পর স্টোকস সেই বিধিনিষেধ তুলে নেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বলে মনে করছে ইসিবি।
২০২৫–২৬ অ্যাশেজ সিরিজে পার্থ, ব্রিসবেন ও অ্যাডিলেডে টানা তিন টেস্ট হেরে মাত্র ১১ দিনের মধ্যেই অ্যাশেজ হাতছাড়া করে ইংল্যান্ড। মেলবোর্নে চতুর্থ টেস্টে একমাত্র জয় পেলেও সিরিজের সামগ্রিক ব্যর্থতা ঢাকতে পারেনি দলটি। ব্যাটিং ব্যর্থতা ও বোলিংয়ে ধারাবাহিক চাপ তৈরি করতে না পারাই পরাজয়ের প্রধান কারণ বলে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
২২ জানুয়ারি শ্রীলঙ্কা সফর এবং ৭ ফেব্রুয়ারি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে এই সংকট দ্রুত সামাল দিতে ইসিবির ওপর চাপ বাড়ছে।
No posts available.
১৫ মার্চ ২০২৬, ৫:০৮ পিএম
১৫ মার্চ ২০২৬, ৩:২৮ পিএম
১৫ মার্চ ২০২৬, ২:০২ পিএম

দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে নতুন এক বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন নিউ জিল্যান্ড নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক আমেলিয়া কের। অধিনায়ক হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম পাঁচ ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রান করার কীর্তি গড়েছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আজ করেছেন ফিফটি। সব মিলিয়ে টানা তৃতীয় ফিফটি তুলে নিয়ে এই রেকর্ড নিজের করে নেন কের।
নিউ জিল্যান্ডের মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ের বে ওভাল মাঠে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৪৪ বলে ৭৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন কের। ইনিংসটির সৌজন্যে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম পাঁচ ইনিংসে তাঁর মোট রান দাঁড়ায় ৩০১, যা নারী টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন বিশ্বরেকর্ড।
এর আগে এই রেকর্ড ছিল রোমানিয়ার রেবেকা ব্লেকের দখলে। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম পাঁচ ইনিংসে তিনি করেছিলেন ২৫০ রান। এই তালিকায় নিউ জিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক সোফি ডিভাইনও আছেন, তাঁর সংগ্রহ ছিল ২১৭ রান।
ম্যাচে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউ জিল্যান্ড। প্রথম বলেই রান আউট হয়ে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন ইজি গেজ। তারপর ব্যাটিংয়ে নামেন কের, শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে খেলতে থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে দ্রুত রান তোলেন তিনি।
কেরের ইনিংসে ভর করে ৭ উইকেটে ১৯০ রান তোলে নিউ জিল্যান্ড। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০ ওভারে ৭ উইকেটে করতে পারে ১১০ রান। ফলে ৮০ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় নিউ জিল্যান্ড। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়েছেন কের।
নিউ জিল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন কের। এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজে করেছিলেন অপরাজিত ১০১ ও ৮২ রান।

সালমান আলি আগার হালকা ঝুলিয়ে দেওয়া ডেলিভারি ক্রিজ ছেড়ে উড়িয়ে মারলেন তানজিদ হাসান তামিম। লং অফের ফিল্ডার শুধু দাঁড়িয়ে দেখলেন। বল চলে গেল সীমানার ওপারে আর তামিম পৌঁছে গেলেন জাদুকরী তিন অঙ্কে। দুই হাত ছড়িয়ে আকাশপানে তাকিয়ে সারলেন উদযাপন।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে চমৎকার সেঞ্চুরি করেছেন তামিম। রোববারের ম্যাচে ৭টি ছক্কা মেরে ৯৮ বলে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম শতক পূর্ণ করেছেন বাঁহাতি ওপেনার।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৪৫ টি-টোয়েন্টি ও ৩০টি ওয়ানডে খেলার পর অবশেষে সেঞ্চুরির উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন তামিম। এর আগে ওয়ানডেতে তার সর্বোচ্চ ছিল ৮৪ রান, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০২৪ সালে। এর আগে চলতি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও মাত্র ৪২ বলে করেছিলেন অপরাজিত ৬৭ রান।
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শুরু থেকেই ইতিবাচক ব্যাটিং করেন তামিম। পাওয়ার প্লের মধ্যেই তার ব্যাট থেকে আসে ৪টি ছক্কা। এর সঙ্গে ৩টি চার মেরে ৪৭ বলে তিনি পূর্ণ করেন পঞ্চাশ রান। সেখান থেকে পরের পঞ্চাশ রান করতে খেলেন ৫১ বল।
ব্যক্তিগত ৭০ রানে পৌঁছানোর পর কিছুটা মন্থর ব্যাটিং শুরু করেন তামিম। একপর্যায়ে পায়ের পেশিতে টান অনুভব করা শুশ্রূষাও নিতে হয় ২৫ বছর বয়সী ওপেনারকে। তবে লড়াইয়ে ক্ষান্ত দেননি ছন্দে থাকা ব্যাটার।
একই ছন্দে এগিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটিকে প্রথম সেঞ্চুরিতে রুপ দিয়েছেন তামিম। এরই মধ্যে তিনি মেরেছেন ৭টি ছক্কা। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের এক ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড এটি।
২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিলেটে ১৭৬ রানের ইনিংস খেলার পথে ৮টি ছক্কা মেরেছিলেন লিটন কুমার দাস। এছাড়া ২০১০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই চট্টগ্রামে ৯৫ রানের ইনিংসে ৭টি ছক্কা মেরেছিলেন তামিম ইকবাল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। প্রায় দুই দশকের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
২০০৭ সালে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় করাচিতে জন্ম নেওয়া সরফরাজের। ২০১০ সালে টেস্ট ও টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার মাঠে নামেন। পাকিস্তানের হয়ে তিনি ৫৪ টেস্ট, ১১৭ ওয়ানডে আন্তর্জাতিক ও ৬১ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন সরফরাজ।
তিন সংস্করণ মিলিয়ে সরফরাজ করেছেন ৬ হাজার ১৬৪। এর মধ্যে রয়েছে ৬টি সেঞ্চুরি ও ৩৫টি হাফসেঞ্চুরি। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে নিয়েছেন ৩১৫টি ক্যাচ এবং ৫৬টি স্টাম্পিং করেছেন।
নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করেছেন সরফরাজ। তিন সংস্করণ মিলিয়ে তিনি ১০০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৫০টি ওয়ানডে, ৩৭টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক এবং ১৩টি টেস্ট। তাঁর নেতৃত্বেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একসময় বিশ্বের এক নম্বর দল হয়েছিল পাকিস্তান।
সরফরাজের অধিনায়কত্বে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সিরিজে টানা ১১টি জয়ের বিশ্বরেকর্ড গড়েছিল। এ সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে একাধিক সিরিজে প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাই করে পাকিস্তান।
সরফরাজের বড় অর্জন— তাঁর নেতৃত্বে ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা জেতে পাকিস্তান। লন্ডনের ওভালে ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ১৮০ রানে হারায় তাঁর দল। সেই জয়ে পাকিস্তানের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে এই প্রতিযোগিতার শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন সরফরাজ।
এর আগে ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপেও পাকিস্তান দলকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন সরফরাজ। ফলে বয়সভিত্তিক ও সিনিয়র—দুই পর্যায়ের বিশ্ব প্রতিযোগিতায় শিরোপা জেতা অধিনায়ক হিসেবে অনন্য কীর্তি গড়েন তিনি।
পাকিস্তান ক্রিকেটে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৮ সালে তাঁকে ‘প্রাইড অব পারফরম্যান্স’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ব্যক্তিগত রেকর্ডের দিক থেকেও সরফরাজের ঝুলিতে রয়েছে দারুণ অর্জন। ২০১৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জোহানেসবার্গ টেস্টে তিনি এক ম্যাচে ১০টি ক্যাচ নিয়ে পাকিস্তানের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ড গড়েন। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে ওয়ানডে সংস্করণেসেঞ্চুরি করা পাকিস্তানের একমাত্র উইকেটরক্ষক–ব্যাটারও তিনি।
২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু করা সরফরাজ শেষবার পাকিস্তানের হয়ে খেলেন ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে—পার্থ টেস্টে। অবসরের ঘোষণায় সরফরাজ বলেন, পাকিস্তানের হয়ে খেলা তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয়। সতীর্থ, কোচ, পরিবার ও সমর্থকদের অবিচল সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও পাকিস্তান ক্রিকেটের পাশে থাকার কথাও জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিন অ্যালেনের ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়ে ধূলিসাৎ হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন। সেদিন হেরে যাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিউ জিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে, ওই হারেরই যেন বদলা নিলো প্রোটিয়ারা।
মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে রোববারের ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। লো স্কোরিং ম্যাচে স্বাগতিকদের মাত্র ৯১ রানে অলআউট করে দেয় প্রোটিয়ারা। পরে ২০ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে যায় সফরকারীরা।
অবশ্য দুই দলই খেলছে তাদের দ্বিতীয় সারির একাদশ নিয়ে। বিশ্বকাপের পর বিশ্রামে আছেন দুই দেশের মূল ক্রিকেটাররা। চারজন অভিষিক্ত ক্রিকেটার নিয়ে খেলতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। নিউ জিল্যান্ড দলেও ছিল এক অভিষিক্ত ক্রিকেটার।
আরও পড়ুন
| বাবরদের ৫০ লাখ জরিমানা নিয়ে মুখ খুলল পিসিবি |
|
ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের বিপদই ডেকে আনে নিউ জিল্যান্ড। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে মাত্র ৩৬ রান করতে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি প্রথম চার ব্যাটারের কেউই।
পরে জিমি নিশাম ২১ বলে ২৬, কোল ম্যাকঙ্কি ১১ বলে ১৫, মিচেল স্যান্টনার ১৫ বলে ১৯ রানের ইনিংস খেলে দলকে কোনোমতে একশর কাছে নিয়ে যান। শেষ দিকে ১১ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে অল আউট হয় কিউইরা।
দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ১৯ বছর বয়সী অভিষিক্ত পেসার কোবানি মোকোয়েনা। এছাড়া জেরাল্ড কুটসিয়া ওটনিয়েল বার্টম্যান ও কেশব মহারাজ নেন ২টি করে উইকেট।
রান তাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকাও তেমন সুবিধা করতে পারেনি। অল্পেই ফিরে যান টনি ডি জর্জি, রুবেন হারমান ও জেসন স্মিথ।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন অভিষিক্ত ওপেনার কনর এস্থেইজেন। চতুর্থ উইকেটে ডিন ফরেস্টারের সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ২ চার ও ২ ছক্কায় ৪৮ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন এস্থেইজেন।
মোকোয়েনার হাতে ওঠে ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

শেষ ম্যাচে আর কয়েনভাগ্য পাশে পেলেন না মেহেদী হাসান মিরাজ। সিরিজ নির্ধারণী ওয়ানডেতে টস হারল বাংলাদেশ। টস জিতে স্বাগতিকদের আগে ব্যাটিং করতে পাঠালেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে। এই ম্যাচ জেতা দলের হাতেই উঠবে লাল-সবুজে মোড়ানো সুদৃশ্য ট্রফি।
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচেও নিজেদের একাদশে কোনো পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচের একাদশ নিয়েই শেষ ম্যাচটি খেলতে নামছে তারা। এ নিয়ে ষষ্ঠবার পুরো সিরিজে একই একাদশ নিয়ে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ।
অন্য দিকে পাকিস্তানের একাদশে পরিবর্তন ৩টি। বাদ পড়েছেন হুসাইন তালাত, শামিল হোসেন ও মোহাম্মদ ওয়াসিম। তাদের জায়গায় অভিষেক হয়েছে মোহাম্মদ গাজী ঘড়ি ও সাদ মাসুদের। একাদশে ফিরেছেন আবরার আহমেদ।
বাংলাদেশ একাদশ
তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, তাওহিদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ, আফিফ হোসেন, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা
পাকিস্তান একাদশ
সাহিবজাদা ফারহান, মাজ
সাদাকাত, মোহাম্মদ গাজী ঘড়ি, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আলি আগা, আব্দুল সামাদ, সাদ মাসুদ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ