
আফ্রিকার অঞ্চল থেকে প্রথমবারের মতো ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের টিকিট কাটলো প্রায় পাঁচ লাখ জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে। নিজেদের মাঠ, কাবো ভার্দে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ অতিথি এসোয়াতিনিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে তারা।
এর আগে আফ্রিকা অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছিল মিসর, আলজেরিয়া, মরক্কো, তিউনিসিয়া ও ঘানা। ষষ্ঠ দল হিসেবে ইতিহাস গড়লো কেপ ভার্দে।
‘ডি’ গ্রুপে থাকা কেপ ভার্দে ১০ ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে জয় পেয়েছে, দুইটি ম্যাচ ড্র এবং মাত্র একটি ম্যাচে হার স্বীকার করেছে। তাদের পয়েন্ট ২৩। দ্বিতীয়স্থানে থাকা ক্যামেরুণ থেকে কেপ ভার্দে ৪ পয়েন্ট এগিয়ে।
প্রথমার্ধে উভয় দলই গোলশূন্য রয়ে যায়। ডেডলক ভাঙে ম্যাচের ৪৯তম মিনিটে, যখন ডেইলন লিভ্রামেন্টোর পাস থেকে কেপ ভার্দে ১-০ এগিয়ে যায়। ছয় মিনিট পর উইলি সেমেদো লিড দ্বিগুণ করে দেন।
এরপর ডিনে বোর্জেস গোলের পথ প্রশস্ত করেন। বক্সের মধ্যে থাকা সেমেদোকে পাস দেন তিনি, যার ফলে স্বাগতিক দলের বাঁ-ফ্ল্যাংক থেকে গোলটি আসে।
কেপ ভার্দের শেষ গোলটি আসে পুরো ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে, ৯১ মিনিটে। স্টোপিরা ডেরয় ডুয়ার্টের পাস কাজে লাগিয়ে এসোয়াতিনির জালে শেষ পেরেক ঠুকেন।
এই জয়ে কেপ ভার্দে বিশ্বকাপের আসল টুর্নামেন্টে জায়গা করে নিল এবং ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়ে দিলেন ডেইলন, ডেরয় ও স্টোপিরাদের মতো খেলোয়াড়রা।
No posts available.

প্রিমিয়ার লিগে বুধবার রাতে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। দলের মাঝমাঠের অন্যতম দুই কান্ডারি ফিল ফোদেন ও বার্নাদো সিলভা ছিলেন দুর্দান্ত। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সিলভার অভিজ্ঞতা আর ফোদেনের তারুণ্যের পার্থক্য বোঝাতে গিয়ে সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা রসিকতা করে বলেন, ‘বার্নার্দো এখন দাদু হয়ে গেছে, সে অনেক বুড়ো!'
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে প্যালেসের বিপক্ষে সিটির জয় ৩-০ গোলে। সিটিজেনদের হয়ে গোল করেছেন আন্তোনি সেমেনিয়ো, ওমর মারমুশ ও সাভিনিও। এই জয়ে লিগ শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান ২-এ নামিয়ে এনেছে গার্দিওলার শিষ্যরা।
ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন ফোদেন। এর মাধ্যমে প্রিমিয়ার লিগে ১০০তম গোল ও অ্যাসিস্টের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই ইংলিশ মিডফিল্ডার। ফোদেনের সঙ্গে মাঝমাঠে প্যালেসের রক্ষণ ভাঙতে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখেন ৩১ বছর বয়সী সিলভা। ম্যাচে এই পর্তুগিজ তারকার রেটিং পয়েন্ট ৭.৪।
দুই শিষ্যের ভূমিকা নিয়ে গার্দিওলা বলেন, ‘খেলার পরিস্থিতি বুঝতে পারার ক্ষেত্রে বার্নার্দো অনেক এগিয়ে, কিন্তু ফোদেন বক্সের মধ্যে অনেক বেশি ভয়ংকর। ফোদেনকে সিলভার মতো অভিজ্ঞ হতে হলে ধাপে ধাপে আরও শিখতে হবে। সে তো এখনো ছোট ছেলে, অন্যদিকে বার্নার্দো দাদুর বয়সে পৌঁছে গেছে!’
এই জয়ের পর সিটির পয়েন্ট ৭৭, অন্যদিকে শীর্ষে থাকা আর্সেনালের পয়েন্ট ৭৯। দুই দলেরই লিগে আর দুটি করে ম্যাচ বাকি। গার্দিওলার দলকে বাকি দুটি ম্যাচ জয়ের পাশাপাশি প্রার্থনা করতে হবে আর্সেনাল যেন অন্তত একটিতে হোঁচট খায়।

আমেরিকান ফুটবলের উদীয়মান প্রতিভা ক্যাভান সুলিভানের ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো আরও একটি মাইলফলক। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নিজের প্রথম গোলটি করলেন ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের এই ফরোয়ার্ড। তবে সুলিভানের এই অর্জনের রাতে হার এড়াতে পারেনি তাঁর দল; অরল্যান্ডো সিটি এসসির কাছে হেরেছে ৪-৩ ব্যবধানে।
ফিলাডেলফিয়ার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে মূল ভূমিকা ছিল সুলিভানের। দলের প্রথম গোলটিতেও অবদান রাখেন তিনি; সুলিভানের পাস থেকেই বল পেয়ে নাথান হারিয়েল অ্যাসিস্ট করেন মিলান ইলোস্কিকে। এরপর বেন বেন্ডারের লো ক্রসে নিখুঁত টাইমিংয়ে দারুণ এক গোল করে লিগে নিজের খাতা খোলেন ভবিষ্যতে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিতে যাওয়া এই তরুণ।
মাত্র ১৪ বছর বয়সে পেশাদার চুক্তি সই করা সুলিভান চলতি মৌসুমে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে চলেছেন। গত দুই মৌসুমে মাত্র ২২৪ মিনিট খেলার সুযোগ পেলেও, এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৩৭৭ মিনিট মাঠে থেকেছেন তিনি। এর মধ্যে চারবার শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়ে দুটি অ্যাসিস্টের পাশাপাশি করলেন নিজের প্রথম গোল। এর আগে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে ডিফেন্স ফোর্সের বিপক্ষে জোড়া গোল করে নজর কেড়েছিলেন বাংলাদেশের জার্সিতে খেলা রোনান সুলিভানের ভাই।
সুলিভানের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স উজ্জ্বল হলেও তাঁর দল ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। ১৩ ম্যাচে মাত্র ৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা এমএলএস টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে। আগামী শনিবার সুবারু পার্কে কলম্বাস ক্রুর মুখোমুখি হবে তারা।

প্রিমিয়ার লিগে চোটজর্জর একটি মৌসুম পার করলেও অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার ক্রিস উডের ওপরই ভরসা রাখল নিউজিল্যান্ড। ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ২৬ সদস্যের স্কোয়াডে উডকেই অধিনায়ক হিসেবে রেখেছেন কোচ ড্যারেন বেজলি।
এই স্কোয়াডে উড ছাড়াও বড় চমক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার টমি স্মিথ। এর মাধ্যমে উড ও স্মিথ হতে যাচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের প্রথম পুরুষ ফুটবলার, যারা দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপেও তারা দলের সদস্য ছিলেন।
অধিনায়ক হিসেবে নটিংহ্যাম তারকা উড এখন স্টিভ সামনার (১৯৮২) ও রায়ান নেলসনের (২০১০) মতো কিংবদন্তিদের কাতারে নাম লিখিয়েছেন। অকল্যান্ডে দল ঘোষণার সময় কোচ বেজলি জানান, গত ১৫ মাসে ৪০ জন ফুটবলারকে পরখ করার পর সেরা ২৬ জনকে বেছে নেওয়া ছিল এক কঠিন চ্যালেঞ্জ।
আরও পড়ুন
| ১৬ বছর পর ইন্টার মিলানের ‘ডাবল’ জয় |
|
কোচ বেজলি বলেন, ‘বিশ্বকাপের মতো আসরে দলের নাম ঘোষণা করাটা অনেক বড় সম্মানের। গত কয়েক বছর ধরে আমরা প্রায় ৫৫ জন খেলোয়াড়ের ওপর নজর রেখেছিলাম। ইরান, মিশর ও বেলজিয়ামের মতো কঠিন প্রতিপক্ষকে সামলাতে আমরা সেরা দলটাই বেছে নিয়েছি। এখন সময় মাঠে ইতিহাস গড়ার।’
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৮৫তম স্থানে থাকা নিউ জিল্যান্ড এবার গ্রুপ ‘জি’-তে লড়বে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে শক্তিশালী বেলজিয়াম (৯ম), ইরান (২০তম) এবং মিশর (২৯তম)। এর আগে দুইবার বিশ্বকাপে অংশ নিলেও গ্রুপ পর্বের বাধা টপকাতে পারেনি তারা।
দলে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি নতুনদেরও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। মাত্র দুই মাস আগে অভিষেক হওয়া নিউক্যাসল মিডফিল্ডার লাচলান বেলিস স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন। এছাড়া অকল্যান্ড এফসির গোলকিপার মাইকেল উড তৃতীয় গোলকিপার হিসেবে ডাক পেয়েছেন।
নিউজিল্যান্ডের ২৬ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলকিপার: ম্যাক্স ক্রোকম্বে, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড।
ডিফেন্ডার: টিম পেইন, ফ্রান্সিস ডি ভ্রিস, টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সাল, লিবারাতো কাকাস, নান্দো পিজনেকার, ফিন সুরম্যান, ক্যালান এলিয়ট, টমি স্মিথ।
মিডফিল্ডার: জো বেল, ম্যাট গারবেট, মার্কো স্টামেনিক, সরপ্রীত সিং, অ্যালেক্স রুফার, রায়ান টমাস।
ফরোয়ার্ড: ক্রিস উড (অধিনায়ক), এলি জাস্ট, কোস্টা বারবারুসেস, বেন ওয়েন, বেন ওল্ড, ক্যালাম ম্যাককাউয়াট, জেসি র্যান্ডাল, লাচলান বেলিস।
প্রধান কোচ: ড্যারেন বেজলি

ইতালীয় ফুটবলে আবারও ফিরে এসেছে ইন্টার মিলানের সেই সোনালী দিন। হোসে মরিনহোর অধীনে ২০১০ সালে ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ের পর এই প্রথম একই মৌসুমে সিরি আ এবং ইতালিয়ান কাপ শিরোপা জিতল তারা।
বুধবার রাতে ইতালিয়ান কাপ ফাইনালে লাৎসিওকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মিলান। এই জয়ে দশম ইতালিয়ান কাপের শিরোপা ঘরে তুলল ক্রিস্টিয়ান কিভুর শিষ্যরা। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে তিন ম্যাচ হাতে রেখে লিগ শিরোপা নিশ্চিত করে ইন্টার।
রোমে ম্যাচের ১৪ মিনিটে ফেদেরিকো দিমারকোর কর্নার বিপদমুক্ত করতে গিয়ে উল্টো নিজেদের জালে বল পাঠান লাৎসিও ডিফেন্ডার অ্যাডাম মারুসিক। আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয় গোলটিও হজম করে লাৎসিও।
আরও পড়ুন
| মেসির জোড়ায় মায়ামির রোমাঞ্চকর জয় |
|
৩৫ মিনিটে লাৎসিওর পর্তুগিজ লেফট-ব্যাক নুনো তাভারেস নিজেদের পেনাল্টি বক্সের ঠিক বাইরে বল নিয়ন্ত্রণে মারাত্মক ভুল করেন। সেই সুযোগে ডেনজেল ডামফ্রিসক দ্রুতগতিতে বলটি কেড়ে নিয়ে বক্সে ঢোকেন। তাঁর বাড়িয়ে দেওয়া বল অনায়াসে জালে জড়ান মার্তিনেজ।
ইন্টার মিলানের এই সাফল্যের পেছনে বড় অবদান কিভুর। গত মৌসুমে পারমাকে অবনমন থেকে বাঁচিয়ে আলোচনায় আসা এই কোচ ইন্টারের দায়িত্ব নিয়েই বাজিমাত করেছেন। ২০১০ সালের সেই ট্রেবল জয়ী ইন্টার দলের সদস্য ছিলেন তিনি নিজেই।
গত মৌসুমে নাপোলির কাছে লিগ শিরোপা হারায় ইন্টার। চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে পিএসজির কাছে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারের পর সিমোনে ইনজাঘির স্থলাভিষিক্ত হন কিভু।
ডাবল জিতে ইন্টার অধিনায়ক মার্তিনেজ বলেন, ‘গত বছরের সেই পরিস্থিতির পর আবার নতুন করে শুরু করা সহজ ছিল না। কিন্তু আমরা পারফরম্যান্স এবং খেলার তীব্রতা দিয়ে একটি দুর্দান্ত মৌসুম কাটাতে পেরেছি। ডাবল জয় আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।‘

লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে ইন্টার মায়ামি। সিনসিনাটির বিপক্ষে দুই গোল ও এক অ্যাসিস্টের মাধ্যমে দলকে জয় এনে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
আজ ভোরে হওয়া ম্যাচে সিনসিনাটিকে ৫-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে মায়ামি। এই জয়ের ফলে প্রতিপক্ষের মাঠে টানা সাত ম্যাচ জেতার রেকর্ড গড়ল তারা।
ম্যাচের ২৪ মিনিটে লিড নেয় মায়ামি। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করতে গেলে মেসির পায়ে লেগে বল জালে জড়ায়। ৪১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সিনসিনাটিকে সমতায় ফেরান কেভিন ডেঙ্কি।
দ্বিতীয়ার্ধের চতুর্থ মিনিটে সিনসিনাটিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন পাভেল বুচা। তবে স্বাগতিকরা লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। ৫৫ মিনিটে রদ্রিগো ডি পল পেনাল্টি বক্সের ভেতর থেকে বল বাড়িয়ে দিলে দুর্দান্ত এক শটে মায়ামিকে ২-২ সমতায় ফেরান মেসি।
আরও পড়ুন
| টানা পঞ্চমবারের মতো লিগ শিরোপা জিতল পিএসজি |
|
এই গোলের মাধ্যমে এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে ৬৫ ম্যাচে মেসির গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১-তে। লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে ১২ গোল নিয়ে এখন দ্বিতীয় স্থানে এলএমটেন।
ম্যাচের ৬৪ মিনিটে ইভান্দার ফেরাইরার দুর্দান্ত শটে আবারও এগিয়ে যায় সিনসিনাটি। ৭৯ মিনিটে মেসির বাড়িয়ে দেওয়া বল থেকে মাতেও সিলভেত্তি গোল করে মায়ামিকে সমতায় ফেরান।
৮৪ মিনিটে সিনসিনাটির রক্ষণ ও গোলকিপারের ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নিয়ে ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে মায়ামিকে লিড এনে দেন জার্মান বের্তেরাম।
ম্যাচের ৮৯ মিনিটে মেসির শট পোস্টে লেগে গোলকিপারের গায়ে লেগে জালে জড়ালে সেটি আত্মঘাতী গোল হিসেবে গণ্য হয়। প্রাথমিকভাবে মাঠের সবাই মেসির হ্যাটট্রিক গোল মনে করলেও ম্যাচ শেষে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এমএলএস কর্তৃপক্ষ।
১৩ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে ইন্টার মায়ামি। সমান ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে ৮ নম্বরে সিনসিনাটি, এক ম্যাচ কম খেলে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ন্যাশভিল এসসি।