ক্রিকেট

দ্বিতীয় অপশনে যেতে চান না রিপন-শান্তরা

 
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:১০ এম

news-details

নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে উড়ছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এরই মধ্যে ৯ ম্যাচের ৭টি জিতে পয়েন্ট টেবিলের সেরা দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করে ফেলেছে দলটি। তাই ফাইনালে ওঠার সুযোগ দুইটি থাকলেও, প্রথম সুযোগই কাজে লাগাতে চান দলটির তারকা পেসার রিপন মন্ডল। 


মিরপুরে শুক্রবার সন্ধ্যার ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে ৫ রানে হারায় রাজশাহী। ৩৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টে দ্বিতীয়বার ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন রিপন। তার চমৎকার বোলিংয়ের সৌজন্যেই নিশ্চিত হয়ে যায় রাজশাহীর সেরা দুইয়ে থাকা।


টুর্নামেন্টের ফরম্যাট অনুযায়ী, পয়েন্ট টেবিলের সেরা দুইয়ে থাকলে প্লে-অফে প্রথম কোয়ালিফায়ার খেলার সুযোগ পায় দলগুলো। ওই ম্যাচের জয়ী দল সরাসরি চলে যায় ফাইনালে। আর হেরে যাওয়া দলের সামনে থাকে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার জিতে ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ। 


এরই মধ্যে সেরা দুই নিশ্চিত হলেও, নিশ্চিত হয় প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহীর প্রতিপক্ষ। তবে সেই দ্বিতীয় সুযোগ চান না রিপন। আগামী মঙ্গলবার প্রথম কোয়ালিফায়ার জিতেই ফাইনাল নিশ্চিত করতে চান তরুণ পেসার।


সিলেটকে হারানোর পর সংবাদ সম্মেলনে সেই কথাই বলেন ২৩ ছুঁইছুঁই পেসার।

  

“আসলে আমরা ওই সেকেন্ড অপশনে যেতে চাই না। দল হিসেবে যদি প্রথম (কোয়ালিফায়ার) ম্যাচেই শেষ করতে পারি, এটা আমাদের জন্য ভালো। তাই আমরা চাইব যে, আমাদের যেন দ্বিতীয় অপশনে যেতে না হয়। ইনশাআল্লাহ আমরা একটা সুযোগেই কাজে লাগাতে চাই।”


এদিন রাজশাহীর জয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন মইন আলি। দুই ওভারে ২৫ রানের সমীকরণ থাকতে নিজের শেষ ওভারে বোলিং করতে আসেন রিপন। প্রথম বলটি ইয়র্কারের চেষ্টায় ফুল টস দিয়ে ছক্কা হজম করেন তিনি। পরের বলেও ছক্কা মেরে সমীকরণ ১০ বলে ১৩ রানে নামান মইন।


এরপর আর ইয়র্কারের চেষ্টা করেননি রিপন। বরং অফ স্টাম্পের বাইরে শর্ট অব লেংথ বা শর্ট লেংথে বল করে বাকি চার বল থেকে দেন মাত্র ২ রান। ওভারের তৃতীয় বলে তানজিদ হাসানের তামিমের দারুণ ক্যাচ ফেরেন ১২ বলে ২৭ রান করা মইন।


মইনের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় রাজশাহীর জয়। রিপনও বললেন, তার দলের পরিকল্পনাই ছিল মইনের উইকেট নেওয়ার।


“একজন বোলার হিসেবে সবসময় দুইটা অপশন হাতে রাখতে হবে। আজকে দরকার ছিল উইকেট, রান আটকানো না। যেহেতু ওদের ছয়-সাতটা উইকেট চলে গেছিল, একটা মাত্র ব্যাটসম্যান ছিল মঈন আলি ভাই। তাই আমাদের প্ল্যান ছিল উইকেট নেওয়ার।” 


“তাই একটু যদি রান লিকও হয়ে যায়, আমরা যদি ওইখান থেকে একটা উইকেট বের করতে পারি ম্যাচটা আমাদের হাতে আসবে। আমাদের প্ল্যানই ছিল উইকেটটা বের করা।”

No posts available.

bottom-logo

ক্রিকেট

সাকিবের তোপ, আকবর-মুশফিকের ব্যাটে রাজশাহীর টানা চার

 
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:৪৯ পিএম

news-details

প্রথম রাউন্ডের শেষটা দারুণভাবেই করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার সন্ধ্যার ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৩ উইকেটে হারাল তারা। মাত্র ১২৬ রানের লক্ষ্য ছুঁতে অবশ্য শেষ ওভার পর্যন্ত খেলতে হয় তাদের।


এ নিয়ে টানা চার ম্যাচ জিতল রাজশাহী। সব মিলিয়ে প্রথম রাউন্ডের ১০ ম্যাচের ৮টি জিতে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান পাকা করে ফেলল তারা। অর্থাৎ এক নম্বরে থেকেই প্লে-অফ শুরু করবে রাজশাহী। অন্য দিকে ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে চট্টগ্রাম।


টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে নিয়মিত উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। এক পর্যায়ে ১৩ ওভারের মধ্যে ৭৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে একশর আগে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে তারা। সেখান থেকে আসিফ আলি ২৪ বলে ৩৯ করে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান করেন হাসান নাওয়াজ।


বল হাতে আগুন ঝরান রাজশাহীর তানজিম হাসান সাকিব। ৪ ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তরুণ পেস বোলিং অলরাউন্ডার। এছাড়া জাহান্দাদ খান ও রায়ান বার্লের শিকার ২টি করে উইকেট।


রান তাড়ায় রাজশাহীর শুরুটা ছিল বেশ বাজে। ৭ ওভারের মধ্যে মাত্র ৩১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। পরে আকবর আলি ও মুশফিকুর রহিম মিলে ৬৬ বলে ৮৪ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের কাছে নিয়ে যান।


তবে দুজনের কেউই ফিফটি করতে পারেননি। ১ চার ও ৪ ছক্কায় ৪১ বলে ৪৮ রান করে আউট হন আকবর। আর ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৪২ বলে ৪৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জেতান মুশফিকুর।




আগের দিন ৫ উইকেট নেওয়া শরিফুল ইসলাম এদিন ১৩ রানে নেন ৩ উইকেট। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ২১ উইকেট নিয়ে সবার ওপরে বাঁহাতি এই পেসার।


সংক্ষিপ্ত স্কোর


চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৯.৫ ওভারে ১২৫ (হারিস ১৬, নাইম ০, জয় ১৯, রবিন ১০, নাওয়াজ ১৮, মেহেদি ১, আসিফ ৩৯, জামাল ১, রনি ৭, শহিদুল ৩*, সানি ২; নিশাম ৩-০-১৬-১, জাহান্দাদ ৩.৫-০-২৯-২, সাকিব ৪-১-১৭-৪, সাকলাইন ৪-০-১৬-০, মুরাদ ৩-০-২৬-১, বার্ল ২-০-১৫-২)


রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ১৯.৩ ওভারে ১২৬/৭ (সাহিবজাদা ৭, তামিম ৮, শান্ত ৩, মুশফিক ৪৬*, নিশাম ৩, আকবর ৪৮, বার্ল ০, সাকিব ২, জাহান্দাদ ৫*; শরিফুল ৪-০-১৩-৩, রনি ৪-০-২৫-১, জামাল ৪-০-২২-০, মেহেদি ৪-০-৪০-২, সানি ৩.৩-০-২৩-০)


ফল: রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৩ উইকেটে জয়ী

bottom-logo

ক্রিকেট

আইসিসির সঙ্গে গ্রুপ বদলানো নিয়ে বৈঠক বিসিবির, চলবে আলোচনা

 
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:১৬ পিএম

news-details

বিশ্বকাপের ভেন্যু বদলানোর দাবিতে অনড় বাংলাদেশ। কোনো অবস্থাতেই ভারতের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না তারা। এই বিষয়ে শনিবার আইসিসির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিসিবি। যেখানে আলোচনা হয়েছে গ্রুপ বদলানো নিয়ে। যাতে ভারতের বদলে শ্রীলঙ্কায় খেলতে পারে বাংলাদেশ। 


মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে সৃষ্ট হওয়া এই সমস্যার সমাধান মিলছে না দুই সপ্তাহ পরেও। তাই শনিবার বিসিবির সঙ্গে বৈঠক করতে সশরীরে ঢাকায় চলে আসেন আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জিএম অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ। 


বৈঠকে আরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার (ইভেন্টস অ্যান্ড কর্পোরেট কমিউনিকেশনস) গৌরব সাক্সেনার। কিন্তু দেরিতে ভিসা পাওয়ায় সশরীরে থাকতে পারেননি। তাই তিনি ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দেন।


বিসিবির পক্ষ থেকে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ছিলেন বোর্ড সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো. শাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, পরিচালক ও ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।


এই বৈঠকে আলোচনাকালে বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির কাছে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করে। এছাড়া সবার নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও উদ্বেগগুলোও বোর্ড আইসিসির সঙ্গে শেয়ার করে।


বিসিবির দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, দুই পক্ষের আলোচনা গঠনমূলক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও পেশাদার পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ খোলামেলাভাবে প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে মতবিনিময় করে। 


এসময় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি, লজিস্টিক পরিবর্তন ন্যূনতম পর্যায়ে রেখে বিষয়টি সহজতর করার উপায় হিসেবে বাংলাদেশকে ভিন্ন একটি গ্রুপে স্থানান্তরের সম্ভাবনাও আলোচনা করা হয়। বিসিবি ও আইসিসি উভয় পক্ষই এ বিষয়ে গঠনমূলক সংলাপ অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে।

bottom-logo

ক্রিকেট

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত, জানাল বিসিবি

 
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৩৬ পিএম

news-details

বাংলাদেশ ও ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচে উত্তেজনা ছড়িয়েছে টসের সময় হাত না মেলানোর কাণ্ড। তবে প্রথম ইনিংস শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বিসিবি জানিয়েছে, ভারত অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রের সঙ্গে হাত না মেলানোর ঘটনা ছিল অনিচ্ছাকৃত।


জিম্বাবুয়ের বুলাওয়ায়োতে শনিবার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার। নিয়মিত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের বদলে টস করেন জাওয়াদ।


কিন্তু টসের সময় ভারতের অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রের সঙ্গে হাত মেলাননি বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক। যা নিয়ে শুরু হয় নানান আলোচনা। এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে সকল আলোচনার ব্যাখ্যা দিয়েছে বিসিবি।


সেই বিবৃতিটি নিচে তুলে ধরা হলো-


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার খেলাটির টসের সময় সংঘটিত একটি অনিচ্ছাকৃত ও অনভিপ্রেত ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছে।


অসুস্থতার কারণে নিয়মিত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম টসে উপস্থিত থাকতে পারেননি। সে কারণে সহ-অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। 


বিসিবি এখানে স্পষ্টভাবে জানাতে চায় যে, প্রতিপক্ষ অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানোর ঘটনা সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ছিল এবং তা মুহূর্তের জন্য মনোযোগ বিচ্যুত হওয়ার ফল। এর পেছনে প্রতিপক্ষের প্রতি কোনো ধরনের অসম্মান বা অবহেলার উদ্দেশ্য একেবারেই ছিল না।


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিষয়টিকে যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে, কারণ ক্রিকেটের চেতনা রক্ষা করা এবং প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা- যে কোনো স্তরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একটি মৌলিক শর্ত। 


এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে টিম ম্যানেজমেন্টকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি খেলোয়াড়দের মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, প্রতিপক্ষ দলের সঙ্গে সব ধরনের পারস্পরিক আচরণে সর্বোচ্চ মানের ক্রীড়াসুলভ মনোভাব, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা তাদের দায়িত্ব।


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড মাঠে ও মাঠের বাইরে- উভয় ক্ষেত্রেই ক্রিকেটের মূল্যবোধের প্রতি সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

bottom-logo

ক্রিকেট

৪০ রান নিয়ে জয়, পাকিস্তানে ভাঙল ২৩২ বছরের রেকর্ড

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:৫০ পিএম

news-details

পাকিস্তানের ক্রিকেটে হলো নতুন ইতিহাস। প্রেসিডেন্ট ট্রফির গ্রেড-ওয়ান ম্যাচে মাত্র ৪০ রানের পুঁজি নিয়েও জয় পেল পাকিস্তান টিভি (পিটিভি)। যা ভেঙে দিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ২৩২ বছরের পুরোনো রেকর্ড। 


করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে শনিবার শেষ হওয়া ম্যাচে সুই নর্দার্নের বিপক্ষে মাত্র ৪০ রানের লক্ষ্য দিয়ে ২ রানে জিতেছে পিটিভি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের দীর্ঘ ইতিহাসে এত কম রানের লক্ষ্য দিয়ে জয়ের রেকর্ড নেই আর।


এর আগে ১৭৯৪ সালে লর্ডসের পুরোনো মাঠে এমসিসির বিপক্ষে মাত্র ৪১ রানের টার্গেট দিয়েও ৬ রানে জিতে গিয়েছিল ওল্ড ফিল্ড। প্রায় ২৩২ বছর ধরে টিকে থাকার পর ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এই রেকর্ড এখন নিজের করে নিল পিটিভি। 


ইতিহাস গড়া ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১৬৬ রানে অলআউট হয় পিটিভি। জবাবে ২৩৮ রান করে ৭২ রানের লিড পায় সুই নর্দার্ন। দ্বিতীয় ইনিংসে আরও বাজে ব্যাটিং করে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় পিটিভি। ফলে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৪০ রানের।


এই অল্প রান নিয়ে বল হাতে আগুন ঝরান আমাদ বাট ও আলি উসমান। ৯.৫ ওভারে মাত্র ৯ রানে ৬ উইকেট নেন উসমান। আর ২৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন আমাদ। সব মিলিয়ে ১৯.৫ ওভারে গুটিয়ে যায় সুই নর্দার্ন। 

bottom-logo

ক্রিকেট

গতির ঝড় তোলা নাহিদের লক্ষ্য শুধু একটাই

 
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:৪৫ পিএম

news-details

নাহিদ রানার ঠিক অফ স্টাম্পের ওপর পিচ করানো গুড লেংথের গতিময় ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলার চেষ্টা করলেন সাইফ হাসান কিন্তু তার ব্যাটের বাইরের কানা ঘেঁষে বল আঘাত করল অফ স্টাম্পে উল্লাসে মাতলেন নাহিদ

 

মিরপুর শের- বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার দুপুরের ম্যাচে এরপর আরও দুইবার এমন আনন্দে মাতেন নাহিদ তার গতির কাছে হার মেনে ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন সাব্বির রহমান মোহাম্মদ মিঠুন

 

সব মিলিয়ে ওভারে কোনো বাউন্ডারি হজম করেননি ২৩ বছর বয়সী পেসার মাত্র ১১ রান খরচ করে উইকেট নিয়ে তিনিই দলের জয়ের বড় কারিগর নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এর আগে কখনও পুরো ওভার বল করে এর চেয়ে কম রান দেননি তিনি 

 

তবে নিজের কোনো অর্জন বা সাফল্য নিয়ে উচ্ছ্বাস নেই নাহিদের বরং দলের জয়ের অবদান রাখতে পারার আনন্দের কথাই তিনি বললেন ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে 

 

প্রথমত আলহামদুলিল্লাহ বোলিংয়ে আসলে ব্যক্তিগত কোনো লক্ষ্য থাকে না যখন আমি মাঠে নামি তখন একটাই চিন্তা থাকে যে, আমি কেমনে আমার দলকে ম্যাচ জেতাব, ম্যাচ উইনিং পারফর্ম করব তো দলের জন্য কিছু কন্ট্রিবিউট করতে পেরেছি এটা সবচেয়ে খুশির বিষয়


চলতি বিপিএলে শুরু থেকেই রান দেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কৃপণ নাহিদ নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ওভারে তিনি দিয়েছিলেন মাত্র ১৭ রান সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৯. ওভার বল করে মাত্র .৩৬ করে রান দিয়েছেন তিনি

 

রান কম দেওয়ার প্রসঙ্গেও নাহিদ আবারও মনে করিয়ে দেন দলের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যের কথা

 

“বেশি রান দেওয়া কম রান দেওয়া, এটা আমার কাছে ম্যাটার করে না। আমার কাছে ম্যাটার করে আমি দলকে উইনিং পারফর্মটা কীভাবে দিতে পারছি। সেটা হতে পারে আমি প্রথম তিন ওভারে ৩০ রান দিয়েছি, শেষ ওভারে দুইটা উইকেট বা আমি দুই রান দিয়ে।”

 

“আমি যদি ধরেন তিন ওভারে ৪০ রান দিই, কিন্তু শেষ ওভারে ধরেন যদি ৭-৮ রান লাগে, সেখান থেকে আমি যদি জিততে পারি, ওটাতে আমি খুশি। কারণ আমি এখানে ব্যক্তিগত লক্ষ্য বলে কিছু দেখি না। আমি দেখি একটা জিনিসই যে, কেমনে আমি আমার দলকে উইনিং পারফর্ম দেব। এটা করতে পারলে আমার অনেক খুশি লাগে।”

 

বিপিএলে এখন পর্যন্ত ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন নাহিদ এর আগে গত বছরের ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচে নিয়েছিলেন উইকেট টি-টোয়েন্টিতে এখনও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে বেড়ানো পেসারকে বিশ্বকাপের দলেও রাখেনি বাংলাদেশ

 

তবে এসব নিয়ে ভাবতে চান না নাহিদ বরং নিজের কাজটা ঠিকঠাক রেখে সুযোগের অপেক্ষায় তিনি

 

“আসলে দেখেন সিলেকশনের ব্যাপারটা আমার হাতে না। দ্বিতীয় আমার কাজ একটাই, কেমনে আমি পারফর্ম করব। আমি এই জিনিসটা করে যাচ্ছি এবং আমি জানি যে যেকোনো সময় সুযোগ আসবে। সুযোগ এলে তখন আমি প্রমাণ করব।”

 

“আমি তো এখন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে নেই। তাই কখনও চিন্তা করি না যে আমি কেন নেই। ধরেন আমার যদি আমার ভেতরে স্কিল থাকে, যদি আমি যোগ্য হই অটোমেটিক আমি ওই জায়গাতে যাব। একদিন পরে হোক বা দশ দিন পরে- সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারব, যদি আমার মধ্যে প্রতিভাটা থাকে।”


ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নাহিদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র তার গতি চলতি বিপিএলেও নিয়মিত ১৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বা এর চেয়ে বেশি গতিতে বোলিং করছেন তরুণ পেসার গতির বিষয়ে কোনো লক্ষ্য আছে কিনা জিজ্ঞেস করা হলে স্কিল যোগ করার কথা বলেন নাহিদ

 

“গতি আসলে... এটা নিয়ে আমি অত চিন্তা করি না। কারণ এটা কিছুটা গড গিফটেড। কীভাবে ডিসিপ্লিন থাকা যায়, সেই জিনিসগুলো সবসময় ট্রাই করি। চেষ্টা করি যে কীভাবে আরও স্কিল বাড়ানো যায়। গতিটা ম্যাটার করে, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, যদি স্কিল ডেভলপ না করেন, তাহলে বেশিদিন টিকতে পারবেন না। তাই আমি গতির সঙ্গে চেষ্টা করছি কীভাবে স্কিলটা আরও উন্নতি করা যায়।”
bottom-logo