
ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জয়সূচক গোলে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
বুধবার রাতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে লস ব্ল্যাঙ্কোসদের জয় ২-১ গোলে। দুই লেগ মিলিয়ে বেনফিকাকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে রিয়াল।
ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রেই ছিলেন ভিনিসিয়ুস। প্রথম লেগে গোল করার পর প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ তোলেন তিনি।
সেই ঘটনার জেরে অভিযুক্ত জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নি এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পান। বুধবারের ফিরতি লেগে গ্যালারিতে বর্ণবাদকে না লেখা ব্যানার তুলে সমর্থন জানান স্বাগতিক সমর্থকেরা।
ম্যাচের ১৪ মিনিটে এগিয়ে যায় বেনফিকা। গোলকিপার থিবো কর্তোয়া আত্মঘাতী গোল এড়ালেও ফিরতি বলে সুযোগ বুঝে রাফা সিলভা দ্রুত শট নিয়ে বল জালে জড়ান।
আরও পড়ুন
| রোনালদোর গোল-অ্যাসিস্টে বড় জয়ে চূড়ায় আল নাসর |
|
বেনফিকার গোলের মাত্র দুই মিনিটের মাথায় সমতায় ফেরে রিয়াল। বক্সের বাইরে থেকে দারুণ বাঁকানো শটে গোল করেন অরেলিয়েন চুয়ামেনি। চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি তার প্রথম গোল।
চোটের কারণে কিলিয়ান এমবাপে না থাকায় এদিন আক্রমণে কিছুটা ছন্দহীন ছিল রিয়াল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় স্বাগতিকরা।
শেষ বাঁশি বাজার ১০ মিনিট আগে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে নিচু শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ভিনিসিয়ুস। সেটিই হয়ে ওঠে জয়সূচক গোল। গোলের পর প্রথম লেগের মতো একইভাবে নেচে উদযাপন করেন ভিনিসিয়ুস। শেষ পাঁচ ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের এটি ষষ্ঠ গোল।
পরের রাউন্ডে রিয়ালের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ম্যানচেস্টার সিটি অথবা স্পোর্টিং লিসবন।
আশা জাগিয়ে জুভেন্টাসের বিদায়
রাতের অপর ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে ভিক্টর ওসিমেন ও বারিস ইয়িলমাজের গোলে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে গ্যালাতাসারাই।
প্রথম লেগে ইস্তানবুলে ৫-২ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার পরও ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিল জুভেন্টাস। মূল ম্যাচের শেষ দিকে ওয়েস্টন ম্যাকেনির হেডে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে সমতা (৫-৫) ফেরায় ইতালিয়ান ক্লাবটি।
শেষ পর্যন্ত এই ম্যাচে ৩-২ ব্যবধানে হারলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৫ অগ্রগামিতায় শেষ ষোলোতে ওঠে গ্যালাতাসারাই।
প্রথমার্ধে লুকাস তোরেইরার ফাউলে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে প্রত্যাবর্তনের সূচনা করেন অধিনায়ক মানুয়েল লোকাতেল্লি।
৪৮ মিনিটে ইংলিশ ডিফেন্ডার লয়েড কেলি প্রথমে হলুদ কার্ড দেখলেও ভিএআর রিভিউয়ের পর সেটি সরাসরি লাল কার্ডে রূপ নেয়। ১০ জনে নেমেও দারুণ লড়াই চালায় জুভেন্টাস।
ফেদেরিকো গাত্তি ৭০ মিনিটে গোল করে আশা জাগান। এরপর ৮২ মিনিটে ম্যাকেনির কাছ থেকে আসে সমতাসূচক গোল।
অতিরিক্ত সময়ে খেলা গড়ালে আর পেরে ওঠেনি স্বাগতিকরা। ইয়িলমাজের পাস থেকে নিচু শটে জাল খুঁজে নেন ওসিমেন। ম্যাচের একদম শেষ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে নিজেই গোল করে জয় নিশ্চিত করেন বারিস ইয়িলমাজ।
২০১৩-১৪ মৌসুমের পর এই প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় উঠল গ্যালাতাসারাই। পরের রাউন্ডে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ লিভারপুল অথবা টটেনহ্যাম হটস্পার।
No posts available.
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:১৯ পিএম
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:১৫ পিএম

মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে এসে বড় হোঁচট খেল বার্সেলোনা। মাঝমাঠের নিয়মিত সদস্য পেদ্রি ফেরার পর এবার আরেক মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং চোটে পড়লেন। বার্সেলোনার কোচ হান্সি ফ্লিক যখন প্রায় সম্পূর্ণ খেলোয়াড় দলে পেয়ে ব্যস্ত সূচি সামাল দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই চোটে পড়লেন ডাচ মিডফিল্ডার।
অনুশীলনের সময় অস্বস্তি অনুভব করেন ডি ইয়ং। যদিও বার্সেলোনা এখনো আনুষ্ঠানিক মেডিকেল রিপোর্ট প্রকাশ করেনি, তবে প্রাথমিক তথ্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, তারকা এই মিডফিল্ডারকে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্ট এবং মার্কার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার ডি ইয়ংয়ের সম্ভবত পেশীর কোনো অংশ ছিঁড়ে গেছে। তেমনটা হলে বার্সার মিডফিল্ডার অন্তত তিন থেকে চার সপ্তাহের জন্য ছিটকে যেতে পারেন।
মৌসুমের এই পর্যায়ে এসে ডি ইয়ংয়ের চোট বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাড়াতে পারে বার্সেলোনার। ঘরোয়া লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগে গুরুত্বপূর্ণ সূচি অপেক্ষা করছে কাতালান ক্লাবটির সামনে। এমন সময়ে ডি ইয়ংয়ের অনুপস্থিতি মাঝমাঠের কৌশলগত সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দিতে হবে।
তিন থেকে চার সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকায় ডি ইয়ং বার্সার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ম্যাচ মিস করতে পারেন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে অন্তত সাতটি ম্যাচে তাকে ছাড়া মাঠে নামতে হবে বার্সার। যার মধ্যে রয়েছে ঘরের মাঠে কোপা ডেল রে’র সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচটি। এছাড়া, চ্যাম্পিয়নস লিগের দুই লেগের একটিতেও তাকে পাবে না ফ্লিক। আর এই সময়ের মধ্যে লা লিগায়, ভিয়ারিয়াল, অ্যাথলেটিক বিলবাও, সেভিয়া এবং রায়ো ভায়েকানো-এর মতো দলের মুখোমুখি হবে বার্সা।
এছাড়া মার্চের শেষ দিকে নেদারল্যান্ডের দুটি প্রীতি ম্যাচেও হয়তো খেলবেন না ডি ইয়ং। তাঁর পূর্ণবাসন নিয়ে বেশ সতর্ক মেডিকেল টিম। এই মিডফিল্ডারকে তাড়াহুড়ো করে খেলানো হলে আবার চোটে পড়ে পুরো মৌসুমই শেষ হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে তাঁর পূর্বের চোট বিবেচনায় রেখে ক্লাব এমন ঝুঁকি নিতে চায় না।

চ্যাম্পিয়নস লিগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে বেনফিকার বিপক্ষে ম্যাচে টেলিভিশন ক্যামেরায় হঠাৎ চোখ আটকে যায়। গ্যালারি থেকে এক সমর্থককে দেখা যায় নাৎসি স্যালুট দিচ্ছেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই নিরাপত্তাকর্মীরা ওই সমর্থককে শনাক্ত করে স্টেডিয়াম থেকে বের করে দেন।
চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে ২–১ গোলে বেনফিকাকে হারিয়ে ৩–১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে রিয়াল মাদ্রিদ। এই ম্যাচে নাৎসি স্যালুট দেওয়া সমর্থকের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার পর আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়েছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। ওই ঘটনায় তদন্তও শুরু করেছে তারা।
এক বিবৃতিতে রিয়াল মাদ্রিদ জানিয়েছে, তারা শৃঙ্খলা কমিটিকে ওই সমর্থকের বিরুদ্ধে ‘তাৎক্ষণিক বহিষ্কার প্রক্রিয়া’ শুরু করার অনুরোধ করেছে। ক্লাবটি আরও লিখেছে,
‘খেলাধুলা ও সমাজে সহিংসতা এবং ঘৃণা উসকে দেয়—এমন যেকোনো অঙ্গভঙ্গি রিয়াল মাদ্রিদ কঠোরভাবে নিন্দা জানায়।’
রিয়াল মাদ্রিদের তারকা উইঙ্গার ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বর্নবাদের অভিযোগের পর। লিসবনে প্রথম লেগে জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নির বিরুদ্ধে বণবাদী আচারণের অভিযোগ তোলেন ভিনি। এরপর ইউয়েফা আর্জেন্টাইন এই ফুটবলারকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে। বেনফিকার আপিলও নাকচ করে দেয় ইউয়েফা। পূর্ণাঙ্গ ইউইএফএ তদন্তের ফলাফলের উপর নির্ভর করে, প্রেস্টিয়ান্নি আরও শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন।
২৫ বছর বয়সী ভিনি প্রথম লেগের পর দ্বিতীয় লেগেও গোল করেন। বার্নাব্যুতে গতকাল ৮০ বল জালে জড়ানোর পর ভিনিসিয়াস মাঠে উপস্থিত স্থানীয় ভক্তদের সমর্থন পান। ম্যাচ শুরুর হওয়ার আগেই গ্যালারি থেকে ‘বর্নবাদকে না বলুন’ লেখা ব্যানার প্রদর্শিত হয়।
এরপর ম্যাচ শেষে ভিনির সতীর্থ অরেলিয়েঁ চুয়ামেনি জানান,
‘এই জয় তাদের সকলের জন্য যারা বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়।’

চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়াল মাদ্রিদ-ম্যানচেস্টার সিটি ম্যাচ হওয়াটা যেন অলিখিত নিয়ম। ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতায় দুই দলের লড়াইটাও বেশ উপভোগ্য। আরও একবার এই প্রতিযোগিতায় মুখোমুখি হওয়ার দ্বারপ্রান্তে আছে সিটি-রিয়াল।
চ্যাম্পিয়নস লিগে গতকাল প্লে অফে বেনফিকার বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে রিয়াল। আগামীকাল সুইজারল্যান্ডের নিয়নে হবে ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতার ড্র। রাউন্ড অব সিক্সটিনে রিয়ালের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ম্যানচেস্টার সিটি অথবা স্পোর্টিং লিসবন।
অন্যদিকে রিয়াল কিংবা এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে ইতিহাস সৃষ্টি করা নরওয়ের ক্লাব বোডো/গ্লিমটের সঙ্গে দেখা হতে পারে সিটির। লিগ পর্বে ঘরের মাঠে ইংলিশ ক্লাবটিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বড় অঘটনের জন্ম্ও দিয়েছিল ক্লাবটি।
বেনফিকার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে থিয়াবো কোর্তোয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয়, শেষ ষোলোতে প্রতিপক্ষ হিসেবে কাকে চান রিয়ালের গোলকিপার। চেনা প্রতিপক্ষ হয়ে যাওয়া সিটিকে এবার মাঠে নামতে আপত্তি বেলজিয়ান গোলকিপারের। একদিকে সবাই নতুন প্রতিপক্ষ ও ভিন্ন গল্প দেখতে চায়, অন্যদিকে ড্র যদি আবার এই দুই ক্লাবকে মুখোমুখি করে, তাতেও কারও বিস্মিত হওয়ার কিছু থাকবে না বলে মনে করেন তিনি।
অবশ্য কোর্তোয়া ধরেই নিচ্ছেন শেষ পর্যন্ত সিটির মুখোমুখি হতে হবে তাদের,
‘দুই দিন পরই হয়তো আবার সিটির মুখোমুখি হতে হবে—এটা তো সবাই জানে। ২০১৫ সালে চেলসির হয়ে স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে খেলেছি, তাদের স্টেডিয়ামের পরিবেশ খুব ভালো লেগেছিল। দল হিসেবে তারাও বেশ শক্ত এবং লিগে দারুণ করছে। তবে আশা করি এবার পরিস্থিতি বদলাবে। সিটির সঙ্গে বছরের পর বছর আমাদের লড়াই চলছে, ম্যাচটা স্বপ্নের মতো হলেও দেখি, এবার অন্তত তা এড়ানো যায় কি না।’
দুই দলই অবশ্য একে অপরকে এড়াতে চাইবে। সবশেষ পাঁচ মৌসুমেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সিটি-রিয়ালের দেখা হয়েছে। আর সাত মৌসুমের হিসাবে মুখোমুখি হয়েছে ছয়বার—রোমাঞ্চকর অনেক লড়াইয়ের স্মরণীয় স্মৃতিও তৈরি করেছে তারা। চলতি মৌসুমের লিগ পর্বেও স্প্যানিশ জায়ান্টদের বিপক্ষে ২–১ ব্যবধানে জিতেছিল সিটি।
বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগ ও লা লিগায় যথাক্রমে দ্বিতীয় স্থানে আছে সিটি ও মাদ্রিদ—দুই দলই লিগ শিরোপা এবং ইউরোপীয় শিরোপার লড়াইয়ে রয়েছে। চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরার আগে তাদের সামনে লিগের আরও দুটি করে ম্যাচ রয়েছে।
গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিযান ম্যানচেস্টার সিটির জন্য সহজ ছিল না, পেপ গার্দিওলার দল শীর্ষ আটে থেকে লিগ পর্ব শেষ করতে ব্যর্থ হয়। এরপর সিটিজেনরা্ প্লে-অফে রিয়ালের বিপক্ষে দুই লেগেই ৬–৩ ব্যবধানে হেরে বিদায় নেয়। তবে এ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে ছন্দে আছে সিটি। বিপরীতে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া রিয়াল কিছুটা নড়বড়ে।

ইউনিয়ন দেপোর্তিভা আলমেরিয়ার শেয়ার কিনেছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবটির ২৫ শতাংশ মালিকানা কিনেছেন পর্তুগালের আল-নাসর ফরোয়ার্ড।
বৃহস্পতিবার আলমেরিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয় এবং রোনালদোকে স্বাগত জানায়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোনালদো বলেন,
“মাঠের বাইরে থেকেও ফুটবলে অবদান রাখার ইচ্ছে অনেক দিনের। আলমেরিয়া একটি শক্ত ভিত্তির স্প্যানিশ ক্লাব। যাদের উন্নতির সুস্পষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ক্লাবের নেতৃত্ব দলের সঙ্গে কাজ করে তাদের পরবর্তী উন্নয়নপর্বে সহায়তা করতে আমি আগ্রহী।”
ক্লাবটির সভাপতি মোহাম্মদ আল-খেরেইজি বলেন,
“ক্রিস্তিয়ানো আমাদের ক্লাবে বিনিয়োগের জন্য বেছে নিয়েছেন, এতে আমরা আনন্দিত। তাকে ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি স্প্যানিশ ফুটবল খুব ভালো বোঝেন এবং আমরা মূল দল ও যুব একাডেমি নিয়ে যে পরিকল্পনা করছি, তার সম্ভাবনাও তিনি অনুধাবন করেন।”
ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে আলমেরিয়া সৌদি মালিকানায় রয়েছে। ২০২৫ সালের গ্রীষ্মে তুর্কি আল আলশেখের কাছ থেকে ক্লাবটি কিনে নিয়ে নতুন মালিক ও সভাপতি হন মোহাম্মদ আল-খেরেইজি। তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এসএমসি গ্রুপের মাধ্যমে ক্লাবটির আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
২০২৩–২৪ মৌসুমে আলমেরিয়া স্পেনের শীর্ষ লিগাতে খেলেছিল। তবে ১৯তম হয়ে তাদের অবনমন হয়। বর্তমানে দলটি দ্বিতীয় বিভাগে ২৭ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিডি ক্রাসটেলোন থেকে এক পয়েন্ট এবং শীর্ষে থাকা রিয়াল রেসিং ক্লাবের চেয়ে দুই পয়েন্ট পিছিয়ে আলমেরিয়া।

বার্সেলোনা ছাড়ার পর থেকেই কোচিংয়ে ফেরার অপেক্ষায় আছেন জাভি হার্নান্দেজ। সম্প্রতি মরক্কো জাতীয় দলের কোচ হওয়ার প্রস্তাব পেয়েও ফিরিয়ে দিয়েছেন সাবেক স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।
গত ডিসেম্বরে আফ্রিকা কাপ অফ নেশনস (আফকন) ফাইনালে সেনেগালের কাছে হারের পর বর্তমান কোচ ওয়ালিদ রেগরাগুই নিজেই দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। গতকাল তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে মরক্কো ফুটবল ফেডারেশন।
২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে এখন দল গোছাতে চায় মরক্কো। ১২ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপে ব্রাজিল, স্কটল্যান্ড ও হাইতির সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশটি।
কাতালোনিয়া ভিত্তিক সরকারি চ্যানেল ই-স্পোর্ট এর খবর, বিশ্বকাপের আগে স্বল্প সময়ের জন্য পাওয়ায় প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছেন জাভি। তবে বিশ্বকাপের পর দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
২০২১ সালে বার্সেলোনার দায়িত্ব নেওয়া জাভি ২০২২-২৩ মৌসুমে লা লিগা শিরোপা জেতান। তাঁর অধীনে মূল দলে সুযোগ পায় লামিনে ইয়ামালসহ একাধিক তরুণ ফুটবলার। তবে ২০২৩-২৪ মৌসুমে দ্বিতীয় হওয়ার পর তাকে বিদায় জানায় কাতালান ক্লাবটি।