
লা লিগায় এই মুহূর্তে চলছে শীতকালীন ছুটি। সময়টা তাই আমোদেই কাটছে রিয়াল মাদ্রিদ খেলোয়াড়দের। দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেন রিয়ালের প্রায় সব ফুটবলারই। দারুণ সব মুহূর্ত আবার পোস্ট করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যদিও স্রোতের বিপরীতে গিয়ে তরুণ স্ট্রাইকার এন্দ্রিক বেছে নিয়েছে ভিন্ন পথ। কার্লো আনচেলত্তির দলে জায়গা করে নিতে ছুটির মধ্যে এই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার করে যাচ্ছেন কঠোর পরিশ্রম।
গত রোববার ইন্সট্রাগ্রামে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছেন এন্দ্রিক। যেখানে দেখা মিলেছে ফিটনেসের উন্নতির জন্য বেশ পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। সেই সাথে ক্যাপশনে জুড়ে দিয়েছেন “কাজ এবং কাজ।”
চলতি মৌসুমে পালমেইরাস থেকে রিয়ালে যোগ দিয়েছেন এন্দ্রিক। শুরুটাও হয়েছিল দারুণ। লা লিগায় রিয়াল ভায়োদোলিদের সঙ্গে অভিষেকেই বদলি হিসেবে নেমে খোলেন গোলের খাতা। চ্যাম্পিয়নস লিগেও অভিষেকে পান গোল। চারদিক থেকেই পান প্রশংসাও। তবে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখতেও অবশ্য সময় লাগেনি ১৮ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ানের।
রিয়ালের বাজে ফর্মের সাথে এন্দ্রিকও হারান ছন্দ। তাতে কার্লো আনচেলত্তিও আর ভরসা করতে পারেননি তার উপর। ক্রমেই একাদশ তো নয়ই, বদলি হিসেবেও মাঠে নামার সুযোগ চলে যায় তার কাছ থেকে। সব মিলিয়ে চলতি মৌসুমে ১৫ ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ মিলেছে এন্দ্রিকের। ম্যাচের সংখ্যা ঠিকঠাক মনে হলেও মিনিটের হিসেব টানলে তা মোটে ১৬০। এই সময়ে করেছেন দুই গোল আর এক অ্যাসিস্ট।
এন্দ্রিককে মাঠে খুব একটা সুযোগ না দেওয়া নিয়ে নিয়মিতই সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় আনচেলত্তিকে। জবাবে এতো তাড়াতাড়ি এন্দ্রিকের উপর চাপ তৈরি না করার যুক্তিটাই বারবার শোনান রিয়াল কোচ।
তবে ছুটির মাঝেও এন্দ্রিক কঠিন পরিশ্রম করে আনচেলত্তিকে বার্তা দিয়ে রাখলেন, সময় হয়েছে তার ওপর আস্থা রাখার।
No posts available.
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৩৪ পিএম
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:১৯ পিএম
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:২৯ পিএম

আর্সেনালের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ালেন বুকায়ো সাকা। ২০৩১ সাল পর্যন্ত ইংলিশ এই ক্লাবটিতে খেলবেন তারকা এই উইঙ্গার। বিবিসি স্পোর্টসের একটি প্রতিবেদন সূত্রের বরাতে জানিয়েছে নতুন এই চুক্তিতে সপ্তাহে ৩ লাখ পাউন্ড বেতন পাবেন সাকা, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৫ কোটি টাকা। গানারদের স্কোয়াডে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত খেলোয়াড় হতে যাচ্ছেন তিনি।
সাকার সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে আলোচনা চলছিল আর্সেনালের। গত জানুয়ারিতেই এই উইঙ্গার মৌখিকভাবে আর্সেনালেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানান।
২০১৮ সালে জুলাইয়ে আর্সেনালের সিনিয়র দলের অভিষেক হওয়া সাকার ২০২৩ সালে চুক্তি নবায়ন করেছিলেন। ওই চক্তি শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৭ সালে। তবে নতুন চুক্তির মাধ্যমে ২৪ বছর বয়সী এই তারকা নিজের ক্যারিয়ারের সোনালি সময় ‘গানারদের’ জন্যই উৎসর্গ করলেন।
২০২০ সালের পর প্রথম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে চারটি প্রতিযোগিতায় লড়াই চালিয়ে যাওয়া আর্সেনালের জন্য এটি বড় সুখবরই বটে। চলতি মৌসুমে সবধরনের শিরোপার দৌড়ে থাকা মিকেল আরতেতার দল মূল খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে বেঁধে রাখার কৌশল নিয়েছে। এর আগে গত গ্রীষ্মে উইলিয়াম সালিবা, গ্যাব্রিয়েল মাগালহেইস, ইথান নুয়ানেরি এবং মাইলিস লুইস-স্ক্যালি নতুন চুক্তিতে সই করেন।
চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৩ ম্যাচে ৭ গোল করেছেন সাকা। আর ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে সব মিলিয়ে ২৯৬ ম্যাচে করেছেন ৭৭ গোল।

দারুণ ছন্দে আছেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। ৩৮ বছর বয়সেও গোল করে কিংবা করিয়ে দলের জয়ে অবদান রাখছেন। শৈশবের ক্লাব রোসারিও সেন্ট্রালের হয়ে খেলা সাবেক আলেবিসেলেস্তার দুর্দান্ত এই ছন্দই উসকে দিচ্ছে একটি প্রশ্ন। আসন্ন বিশ্বকাপে কী দেখা যাবে ডি মারিয়াকে? অবসর ভেঙে কী আবার আকাশী-সাদা জার্সি গায়ে চড়িয়ে মাঠ মাতাবেন এই কিংবদন্তি।
আর্জেন্টিনার লিগ লিগা প্রফেশনালে গতকাল বারাকা সেন্টালের বিপক্ষে ২-০ গোলে জেতা ম্যাচে একবার বল জালে পাঠান ডি মারিয়া। রোসারিওর আগের দুটি ম্যাচেও সতীর্থদের দিয়ে দুটি গোলও করিয়েছেন ‘এল ফিদিও’। এই ক্লাবের ইতিহাসে ৩৮ বছরের পর গোল করা মাত্র চারজন খেলোয়াড়ের মধ্যে একজন তিনি। ডি মারিয়ার এই পারফরম্যান্সই বলে দিচ্ছে এখনো ফুরিয়ে যাননি তিনি। তাইতো সমর্থক থেকে শুরু করে আর্জেন্টিনার সাবেক ফুটবলাররা পর্যন্ত তাঁর ফিরে আসার দিকে তাকিয়ে আছেন।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার তিন তারকা জার্সিতে দেখা যাবে ডি মারিয়াকে, এমনটাই বিশ্বাস করেন আলবিসেলেস্তাদের সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন গোলকিপার উভালদো মাতিলদা ফিল্লোল। ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ী দলের এই সদস্য সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। যেখানে তিনি লিওনেল স্কালোনির দলে ডি মারিয়ার ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন।
আর্জেন্টিনার সাবেক বিশ্বজয়ী গোলকিপার ফিল্লোল বলেন, ‘আমি শুনেছি কোচিং স্টাফ এবং কিছু খেলোয়াড় তাকে জাতীয় দলে ফিরতে উৎসাহিত করছেন। এখন যা দেখছি, তিনি অবশ্যই খেলতে আসবেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
ফিল্লোল আরও বলেন, ‘আমার ধারণা তিনি দলে থাকবেন। আমি মনে করি তারা তাকে পরবর্তী বিশ্বকাপে খেলতে রাজি করাতে সক্ষম হবে।’
আর্জেন্টিনার সাবেক গোলকিপারের ওই পোস্টে ফুটবল সমর্থকরা নিজ নিজ মন্তব্য জানান। কেউ বলেন যে, আলবিসেলেস্তের সঙ্গে তার ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ছিল সেরা উপায়, আবার অনেকে ফিলোলের সঙ্গে পুরোপুরি একমত হন। একজন লিখেছেন, ‘খুবই সত্য, পাটো। আশা করি তাই হবে।’ আরেকজনের মন্তব্য ছিল এমন, ‘যদি আমরা আবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে চাই, তাকে অবশ্যই যেতে হবে, কোনো শর্ত ছাড়াই।’
অন্য এক সমথর্ক চান ডি মারিয়া অন্তত দলকে সঙ্গ দিক। নিয়মতি একাদশে না খেললেও যেন লিওনেল মেসিদের সঙ্গে দেখা যায় তাকে।
‘এল পাটো’ নামে পরিচিত আর্জেন্টিনার সাবেক গোলকিপার মেসির মেজর লিগ সকারের সঙ্গে আর্জেন্টিনার লিগের তুলনা করে ডি মারিয়ার পারফরম্যান্সের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁর মতে মেসির এমএলএসের তুলনায় আর্জেন্টিনার লিগ বেশি প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ, আর এমন লিগেও নিয়মিত ভালো করছে ডি মারিয়া। তিনি বলেন,
‘আমি মনে করি ডি মারিয়া ভালো করছে। লিও মেসির সঙ্গে তুলনা করলে, লিও এমন একটি লিগে খেলছে যা খুব একটি প্রতিযোগিতামূলক নয়, আর আর্জেন্টিনার ফুটবল অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। এখানে এমনি এমনি কিছুই পাওয়া যায়না, কেউ কেউকে সহজে জায়গা ছেড়ে দেয়না, , এবং সে ভালো করছে। তার গতিশীলতা আছে, ক্ষুধা আছে, এবং গোল করছে।’
২০২৪ সালের জুলাইয়ে জাতীয় দল থেকে অবসর নেন ডি মারিয়া। আর্জেন্টিনার হয়ে ১৪৫ ম্যাচে ৩১ গোল করেছেন ৩৮ বছর বয়সী কিংবদন্তি। জিতেছেন কোপা আমেরিকার ও বিশ্বকাপ, দুই টুর্নামেন্টের ফাইনালেই করেছেন গোল।

প্রিমিয়ার লিগে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটি থেকে চার পয়েন্ট এগিয়ে আর্সেনাল। মিকেল আরতেতার দলের পয়েন্ট ৫৭। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত দুইটায় দ্বিতীয়তে থাকা সিটি থেকে দুরত্ব বাড়ানোর ম্যাচে ওলভসের মুখোমুখি হবে গার্নাররা। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে দলসংক্রান্ত আপডেট দিয়েছেন কোচ।
২০২৫-২৬ মৌসুমে আর্সেনালের বেশ কয়েজন খেলোয়াড় চোটে। গোড়ালির সমস্যায় ভুগছেন মিকেল মেরিনো ও ম্যাক্স ডাওম্যান। নতুন সংযোজন কাই হাভার্টজ ও মার্টিন ওডেগার্ড।
হ্যামস্ট্রিং চোটে জার্মানির অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হাভার্টজ। গোড়ালির চোটে নরওয়েজিয়ান সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার ওডেগার্ড।
দুঃসংবাদের মাঝে সুখবর হচ্ছে, বেন হোয়াইট ও রিকার্ডো ক্যালাফিওরি ফিরতে পারেন ওলভসের বিপক্ষে ম্যাচে। এফএ কাপে চোট পেয়েছিলেন দুজন।
আরতেতা জানিয়েছেন ক্যালাফিওরি সুস্থ হয়ে ওঠেছেন। তিনি বলেন,
‘আজ আমাদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন ক্যালাফিওরি। ভালো অনুভব করছে সে এবং আশা করা যাচ্ছে যে সে আগামীকাল ম্যাচের জন্য ফিট থাকবেন।’
বেন হোয়াইটকে নিয়ে তিনি বলেন,
‘ও (হোয়াইট) সামান্য ক্লান্তি অনুভব করেছিল। অনেক সময় নিয়ে খেলেছেন তিনি। শেষ দিকে হ্যামস্ট্রিংয়ে একটু টান অনুভব করেছিলেন, তবে এখন তিনি পুরোপুরি ভালো আছেন।’
ওডেগার্ডকে নিয়ে আরতেতা জানান, উলভসের বিপক্ষে দেখা যাবে না ওডেগার্ডকে। তবে রবিবারের ম্যাচের জন্য আমরা খুব আশাবাদী যে তিনি আমাদের সঙ্গে থাকবেন। আর হাভার্টজের সপ্তাহান্তের ম্যাচে খেলার সম্ভাবনা আছে।

সাবেক ইংল্যান্ড ক্রিকেটার ও অ্যাস্টন ভিলা কোচ টিম শেরউডের মনে করেন, আসন্ন গ্রীষ্মেই লিভারপুল অধ্যায়ের ইতি টানবেন মোহাম্মদ সালাহ। সাবেক এই কোচের দাবি, এটাই মিশরীয় যুবরাজের অ্যানফিল্ডের ক্লাবে শেষ মৌসুম।
২০২৫-২৬ মৌসুমের শুরুতেই ৩৩ বর্ষী সালাহর ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। বিশেষ করে গোলখরায় থাকায় তাঁকে বেঞ্চে বসানোর সিদ্ধান্ত নেন কোচ আর্নে স্লট। এরপরই মিক্সড জোন সাক্ষাৎকারে সালাহ অভিযোগ করেন, ইচ্ছা করেই কোচ তাকে ‘বাসের নিচে ফেলে দিয়েছেন’।
তবে নতুন বছরে আন্তর্জাতিক বিরতির আগে স্লটের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতি হয় প্রিমিয়ার লিগের ২০২৪-২৫ মৌসুমের সর্বোচ্চ স্কোরারের। দুই পক্ষের সম্পর্ক উন্নতির ফলে আবারও দলে বহাল সালাহ। সব ঠিকঠাক থাকলেও আগের সেই ধার নেই সালাহর। ফলে অ্যানফিল্ডে ভবিষ্যত দেখছেন না তিনি নিজেও।
শেরউডের মতে, দলে ফেরা বা সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স—কোনোটাই সালাহর ভবিষ্যৎ বদলাবে না। আজ স্কাই স্পোর্টসকে তিনি বলেন,
“পরিষ্কার করে বলি—প্রিমিয়ার লিগে আমার দেখা সেরা বিদেশি খেলোয়াড়দের একজন সালাহ। এ মৌসুমে তার ফর্ম কিছুটা নেমেছে, কোচের সঙ্গে কিছু বিষয়ও হয়েছে। কিন্তু আমার বিশ্বাস, গ্রীষ্মে সে নিশ্চিতভাবেই ক্লাব ছাড়বে। এখন সে বিদায়ী মৌসুমটাই খেলছে।”
লিভারপুল ও প্রিমিয়ার লিগে সালাহর অবদান নিয়ে শেরউড আরও বলেন,
“আমার মতে, সে ১০০ শতাংশই ক্লাব ছাড়বে এবং মৌসুম শেষে দারুণ সংবর্ধনা পাবে—ট্রফি থাকুক বা না থাকুক। যাই হোক, ক্লাবের জন্য সে ছিল অসাধারণ একজন খেলোয়াড়।”
গত বছরের এপ্রিলে লিভারপুলের সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি নবায়ন করেন সালাহ। কাগজে-কলমে তিনি ২০২৭ পর্যন্ত লিভারপুলে থাকার কথা। সালাহ ছাড়াও ২০২৫ সালে গ্রীষ্মের দলবদলে অ্যানফিল্ডের ক্লাব ছাড়বেন ভার্জিল ফন ডাইকের।

ইয়ুর্গেন ক্লপকে ক্লাবের পক্ষ থেকে ম্যানেজার হওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়নি— প্রিমিয়ার লিগ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও চেলসির পক্ষ থেকে এতদিন এমনটাই বলা হচ্ছিল। তবে সোমবার ক্লপের এজেন্ট মার্ক কসিকে দাবি করেন, অ্যানফিল্ড ছাড়ার পর সাবেক লিভারপুল কোচের গোপনে খোঁজ নিয়েছিল ইউনাইটেড ও চেলসি।
ট্রান্সফারমার্কেটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কসিকে বলেন,
‘‘২০২৪ সালে গ্যারেথ সাউথগেট দায়িত্ব ছাড়ার পর ক্লপ চাইলে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের কোচও হতে পারতেন। কিন্তু ৫৮ বছর বয়সী জার্মান কোচ কোচিং থেকে বিরত থাকতে চেয়েছেন। যদিও তিনি গতবছর রেড বুলের ‘হেড অব গ্লোবাল সকার’ পদে যোগ দেন।’’
কসিকে বলেন,
“রেড বুলে যোগ দেওয়ার আগে ইয়ুর্গেন যুক্তরাষ্ট্র বা ইংল্যান্ডের কোচ হতে পারতেন। এমনকি জার্মানিরও—যদি সেখানে আগে থেকেই হুলিয়ান নাগেলসম্যান না থাকতেন। চেলসি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও খোঁজ নিয়েছিল ক্লপের। যদিও তিনি পরিষ্কার করে বলেছিলেন—ইংল্যান্ডে তিনি আর কোনো ক্লাবে কোচিং করবেন না।”
ম্যানচেস্টার ইভেনিং নিউজ জানায়, ম্যান ইউনাইটেড ক্লপের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে বা তার প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগের কথা অস্বীকার করেছে। একইভাবে প্রেস অ্যাসোসিয়েশনকে চেলসিও তাদের অস্বীকৃতির কথা জানিয়েছে।
ম্যান ইউনাইটেড ও চেলসি যোগাযোগ করলেও ক্লপ তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকতেন। সম্প্রতি তিনি ‘ডায়েরি অব সিইও’তে বলেন,
“আমি বলেছি—ইংল্যান্ডে অন্য কোনো দলকে আমি কোচিং করাব না। মানে, যদি কখনো ফিরি, সেটা হবে লিভারপুলেই। তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব, তবে এখন আমি যা করছি সেটাই ভালো লাগছে। কোচিং মিস করি না—আমি এখনো কোচিং করি, তবে খেলোয়াড়দের নয়।’’