
ড্যানিয়েল ডোরামের ফুল লেংথ ডেলিভারি স্লগ সুইপ করে দিলেন লিটন কুমার দাস। বল উড়ে গিয়ে পড়ল সীমানার ওপারে। আর লিটন পৌঁছে গেলেন বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে শিখরে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দেশের সবচেয়ে বেশি ফিফটি এখন তার।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ২৬ বলে ফিফটি করে সাকিব আল হাসানের পাশে বসেন লিটন। তখন দুজনেরই ছিল সমান ১৩টি ফিফটি। দ্বিতীয় ম্যাচে অপরাজিত ইনিংসে ১৮ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবার শেষ ম্যাচে ২৭ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়ে সাকিবকে ছাড়িয়ে এখন বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিফটির মালিক লিটন। ফিফটি করতে ৫ চারের সঙ্গে ৩টি ছক্কা মেরেছেন তিনি।
আরও পড়ুন
| লিটনের তাণ্ডবের মাঝে বৃষ্টির হানা |
|
বৃষ্টির নামার পর মূলত কিছুটা থেমে গেছে লিটনের ব্যাট। বিরতির আগে মাত্র ১৬ বলে ৪২ রান করেন লিটন। এরপর ১০ বলে করেন মাত্র ৪ রান। গা ঝাড়া দিয়ে ডোরেমের বলে ছক্কা মেরেই রেকর্ডগড়া ফিফটি পূর্ণ করেন ৩০ বছর বয়সী ব্যাটার।
১৩ ফিফটি করতে সাকিবের লেগেছিল ১২৭ ইনিংস। সেখানে ১০৮ ইনিংসেই তাকে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন লিটন। সাকিবের সর্বোচ্চ ইনিংস ৮৪ রানের। আর লিটনের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস ৮৩ রান।
বাংলাদেশের হয়ে ফিফটির তালিকায় লিটন-সাকিবের পরে আছেন মাহমুদউল্লাহ। ১৩০ ইনিংসে ৮টি ফিফটি করেছিলেন এরই মধ্যে অবসর নিয়ে ফেলা সাবেক অধিনায়ক।
No posts available.
১৬ মার্চ ২০২৬, ৪:৩০ পিএম
১৬ মার্চ ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
১৬ মার্চ ২০২৬, ৪:০০ পিএম
১৬ মার্চ ২০২৬, ২:৫১ পিএম

পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডের লড়াই শেষ হতেই নতুন সিরিজের সূচি জানিয়ে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী মাসে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট দল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কিউইদের বাংলাদেশ সফরের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে বিসিবি। ঢাকার মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে সবগুলো ম্যাচ।
সবশেষ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়ানডে ও ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেছিল নিউ জিল্যান্ড। এবার একসঙ্গে দুই সিরিজ খেলতে ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে তারা।
ঢাকায় তিন দিন অনুশীলনের পর মিরপুরে ১৭ এপ্রিল শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজের খেলা। একই মাঠে ২০ এপ্রিল হবে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ। পরে চট্টগ্রামে চলে যাবে দুই দল। সেখানে ২৩ এপ্রিল মাঠে গড়াবে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।
ওয়ানডে সিরিজের সবগুলো ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়। আগামী বছরের বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য এই সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
পরে চট্টগ্রামে ২৭ ও ২৯ এপ্রিল হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ। সেখান থেকে আবার ঢাকায় ফিরে ২ মে হবে শেষ টি-টোয়েন্টি। এই সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা ৬টায়। আর শেষটি মাঠে গড়াবে দুপুর ২টায়।

বাংলাদেশের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারের পর পাকিস্তান দলের ওপর যারপরনাই বিরক্ত দলটির সাবেক ওপেনার আহমেদ শেহজাদ। তার মতে, পাকিস্তানকে বারবার ভালোবাসি বলে বলে হারিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ। শেহজাদ বলেছেন, কোনো কিছু থেকেই যেন শিক্ষা নিচ্ছে না পাকিস্তান।
২০২৪ সালের আগস্টে পাকিস্তান সফরে খেলতে গিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে জিতে ফিরেছিল বাংলাদেশ। পরে গত বছর ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল তারা।
ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবার সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজেও পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন সংস্করণের সবশেষ সিরিজেই জয়ী দলের নাম এখন বাংলাদেশ। আর এটিই যেন মানতে পারছেন না শেহজাদ।
রোববার সিরিজ নির্ধারণী ওয়ানডেতে পাকিস্তানের ১১ রানের পরাজয়ের পর বানানো ভিডিওতে নিজের রাগ-ক্ষোভ ঝারেন দেশটির সাবেক ওপেনার।
“ক্রিকেটে এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো সহজেই বিশ্বাস করা যায়, আবার কিছু বিষয় আছে যেগুলো একজন ক্রিকেটার হিসেবেও বিশ্বাস করা কঠিন। এমনও দিন এসেছে বাংলাদেশ এখানে (পাকিস্তান) এসে টেস্ট সিরিজ হারিয়ে দিয়েছে। তখনও তারা খুব ভালোবাসা দেখিয়ে, ‘ভালোবাসি’ বলে, খেলাটা আমাদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে জয় নিয়ে চলে গেছে। এরপর আমাদের বেশ অপমানও সহ্য করতে হয়েছে।”
ওই সিরিজ হারের পর পাকিস্তান ক্রিকেটে আমূল পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিল দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু এগুলোর কিছুই কার্যকর হয়নি বললেন শেহজাদ। তাই তো আরেকবার ভালোবাসি শুনে শুনে বাংলাদেশের কাছে হারতে হয়েছে মনে করেন তিনি।
“তারপর বড় হইচই শুরু হলো। এবার নাকি আর এমন কিছু হবে না, পাকিস্তান ক্রিকেটের ভাগ্য নাকি বদলে যাবে, বড় বড় সংস্কার হবে। পাঁচজন মেন্টর আনা হলো, তিন স্তরের নতুন কাঠামো বানানো হলো- দেখা যাবে এবার কী হয়। কিন্তু কী হলো? শুধু সময়ই কেটে গেল। একটি করুণ বিশ্বকাপ অভিযানের পরও কোনো বাস্তব পরিবর্তন দেখা গেল না।”
“অদ্ভুতভাবে কিছু তরুণ খেলোয়াড়কে দলে নিয়ে একটি অদ্ভুত কম্বিনেশন বানিয়ে এবার বাংলাদেশে পাঠানো হলো। তারা আবারও ‘ভালোবাসা’ দেখিয়ে, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ বলে আমাদের হারিয়ে দিয়ে চলে গেল। আমরা বসে বসে বলছি, ‘স্যার, ওরা তো তরুণ খেলোয়াড়… ওরা তো তরুণ’, “ভালো হয়েছে, ভালো হয়েছে।”
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে দুই দল পেয়েছিল একটি করে জয়। তাই শেষ ম্যাচটি ছিল অলিখিত ফাইনাল। যেখানে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ পায় ২৯০ রানের পুঁজি।
এর জবাবে সালমান আলি আগা সেঞ্চুরির পরও ২৭৯ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান। ম্যাচ শেষে তাই টসের সিদ্ধান্তকেই কাঠগড়ায় তুললেন শেহজাদ।
“আমাকে বলুন তো, আজ টস জিতে ফ্লাডলাইটের নিচে বোলিং করলেন না কেন? যখন আপনার পুরো ব্যাটিং লাইনআপ নতুন ও অনভিজ্ঞ ছিল, তখন তো আপনার বোলিং ছিল অভিজ্ঞ। সেটাকে ব্যবহার করে ডিফেন্ড করতে গেলেন না কেন? ফলাফল- ২৯০ রান খেয়ে বসে আছেন।
“এভাবে কী হয়? পৃথিবীর সব দল নিজেদের শক্তির জায়গা ব্যবহার করেই ম্যাচ জেতে। আর আপনারা কী করলেন? সব দায়িত্ব বাচ্চাদের ওপর চাপিয়ে দিলেন। টস জিতেই চুপচাপ বললেন- ‘হেডস, হেডস… খুব ভালো, আমরা আগে বোলিং করব।’ কেন?”
এসময় দল বাছাই প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শেহজাদ।
“দলের ভেতরে যখন সিনিয়র খেলোয়াড়রাই এমন সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তরুণরা কী করবে? গাজি ঘড়ি তো নিজে এসে বলেনি, “আমাকে দলে নিন।” বেচারা তো লিগে খেলে যাচ্ছে। সে এখনও পুরোপুরি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত নয়, তবু তাকে দলে ঢুকিয়ে দিলেন।”
“হাসিবউল্লাহকে নিচ্ছেন, কিন্তু রোহেল নাজিরকে নিচ্ছেন না- যে আগে থেকেই লাইনে ছিল। কেন এই তরুণদের এত দ্রুত সামনে এনে এক্সপোজ করছেন? এরপর আবার ছয়-আটটা টুইট করিয়ে দেবেন, “বড় ভালো দল বাছাই হয়েছে।”
“আল্লাহর দোহাই লাগে... আপনারা আসলে কী করছেন? এত ম্যাচ খেলার পরও একই পক্ষপাতিত্ব। নিজের লোককে ঢুকিয়ে দাও- এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসুন।”

শেষ ওভার পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছিল না ম্যাচের ফল কার পক্ষে যাবে। রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত ঘূর্ণি জাদু বদলে দিয়েছে গতিপথ। ১১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে অসাধারণ জয় পেল বাংলাদেশ দল। ২-১ ব্যবধানে সিরিজও নিজেদের করে নিল মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
সমর্থক থেকে রাজনৈতিক নেতারাও প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন ক্রিকেটারদের অর্জনে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্য ও জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও বাংলাদেশ দলকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াতে ইসলামের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে শুভেচ্ছা বার্তায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন,
‘গতকাল ১৫ মার্চ রোববার ঢাকার মিরপুর স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে এক শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে আমি এবং আমার দল ও দেশবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’
ডা. শফিকুর রহমানের মতে, পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয় দলগত পারফরম্যান্সের সুফল। জাতির জন্য গৌরবের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি,
‘পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৫ মার্চ এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে বাংলাদেশের সাহসী ও মেধাবী ক্রিকেটাররা অসাধারণ দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং দলগত ঐক্যের পরিচয় দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১১ রানের জয় এবং সিরিজ নিশ্চিত করা জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।’
এই সিরিজ জয়ে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের দৌড়ে কিছুটা এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। এই ধারাবাহিকতা সামনেও বজায় থাকবে বলে বিশ্বাস শফিকুর রহমানের। জামায়াত আমির বলেন,
‘বাংলাদেশ দলের এই নজরকাড়া পারফরম্যান্স সমগ্র দেশবাসীকে আনন্দিত ও গর্বিত করেছে। খেলাধুলার এই সাফল্য দেশের তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করবে। বাংলাদেশ দল ভবিষ্যতেও তাদের এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে দেশের জন্য আরও গৌরব ও সুনাম বয়ে আনবে।’

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের পর রোববার পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বাংলাদেশ দলের সামনের দিনগুলোর জন্যও শুভকামনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
“আমাদের সাহসী তরুণ ক্রিকেটাররা দেখিয়েছে যে নিষ্ঠা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব। জাতীয় ক্রিকেট দলের এই অসাধারণ পারফরম্যান্স পুরো জাতিকে গর্বিত করেছে। আমি আশা করি, আমাদের তরুণ প্রজন্মের এই বিজয়যাত্রা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।”
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববারের সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরিতে ২৯০ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। জবাবে তাসকিন আহমেদের দারুণ বোলিংয়ে ২৭৯ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।
এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে বাংলাদেশ। এ নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুটি ওয়ানডে সিরিজ জিতল তারা। এই সাফল্যের পরই প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বার্তা পেয়েছে বাংলাদেশ দল।
বিসিবির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বড় পরাজয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করেছে নিউ জিল্যান্ড। হারের পর আরেকটি দুঃসংবাদ পেয়েছে তারা। আঙুল ভেঙে যাওয়ায় সিরিজের বাকি ম্যাচগুলো থেকে ছিটকে গেছেন তারকা লেগ স্পিনার ইশ সোধি।
মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি শুরুর আগে অনুশীলনের সময়ে আঙুলে চোট পান সোধি। পরে পরীক্ষানিরীক্ষা করলে দেখা যায়, ভেঙে গেছে ৩৩ বছর বয়সী স্পিনারের আঙুল। তাই তাকে বাকি চার ম্যাচে পাবে না কিউইরা।
স্কোয়াডে মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাকঙ্কি থাকায় সোধির বদলি খেলোয়াড় না ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউ জিল্যান্ড। তবে সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টির জন্য দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন গতিময় পেসার লকি ফার্গুসন।
এছাড়া শেষ দুই ম্যাচের জন্য দলের সঙ্গে যোগ দেবেন ক্যাটেন ক্লার্ক, ড্যান ক্লেভার ও জেডেন লেনক্স। ওই দুই ম্যাচে স্যান্টনারের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেবেন অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার টম লাথাম।
হ্যামিল্টনে আগামী মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামবে নিউ জিল্যান্ড।