১১ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:৩৯ এম

ঘরোয়া ফুটবলে এখন চলছে মধ্যবর্তী দলবদল। ৩১ জানুয়ারি দলবদল শেষে ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ফুটবল লিগের (বিএফএল) খেলা পুনরায় শুরু হবে। আর ৩ ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়াবে ফেডারেশন কাপের খেলা।
পাঁচ রাউন্ড হওয়ার পর ১৪ মার্চ সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে শেষ লিগ ম্যাচ। ১৭ মার্চ অবশ্য ফেডারেশন কাপের কোয়ালিফায়ার ও একটি এলিমেনেশন ম্যাচ হবে। ২০ দিন পর ৭ এপ্রিল আবার আরেকটি কোয়ালিফায়ার ম্যাচ দিয়ে ঘরোয়া ফুটবল শুরু হবে। লিগের ম্যাচ ১০ এপ্রিল।
ফেডারেশন কাপের ম্যাচ সাধারণত মঙ্গলবার হয়। তবে ফাইনাল নির্ধারণ হয়েছে ১৭ এপ্রিল ফাইনাল শুক্রবার। ফাইনালের ভেন্যু অবশ্য ফেডারেশন এখনো ঠিক করেনি। লিগের শেষ রাউন্ড ২৯ এপ্রিল।
এদিকে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের প্রথম রাউন্ড শেষে সমান ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বসুন্ধরা কিংস ও ফর্টিস এফসি। তিন, চার ও পাঁচে থাকা রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটি এবং আবাহনীর পয়েন্ট যথাক্রমে ১৫, ১৪, ১৩। লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের জায়গা হয়েছে পয়েন্ট টেবিলের ছয়ে। সাদা-কালোদের পয়েন্ট ১০।
No posts available.
১১ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:২৩ পিএম

দেশের ফুটবলের পাইপলাইন আরও শক্তিশালী করতে এবার বড়সড় উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রায় তিন শতাধিক ফুটবল একাডেমিকে এক ছাতার নিচে এনে আয়োজন করা হবে ‘একাডেমি কাপ’। রোববার বাফুফে ভবনে ডেভেলপমেন্ট কমিটির ষষ্ঠ সভা শেষে এই ঘোষণা দেন কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী।
বিকেলে বাফুফে ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের তৃণমূল ফুটবলের উন্নয়নে নতুন রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়। সভা শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাসের শাহরিয়ার জাহেদী জানান, বিচ্ছিন্নভাবে নয়, দেশের সব নিবন্ধিত একাডেমিকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসাই তাদের লক্ষ্য।
টুর্নামেন্টের ধরন ও ব্যাপকতা পরিকল্পনা অনুযায়ী, এবারের একাডেমি কাপ হবে ছেলে ও মেয়ে—উভয় বিভাগেই। তবে মেয়েদের টুর্নামেন্টের দায়িত্ব সামলাবে বাফুফের নারী উইং। সেখানে অবশ্য সব ধরনের সহায়তা করার কথাও বলেন ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান।
এর আগে মূলত ফিফার অর্থায়নে ১৬৫ থেকে ১৭০টি একাডেমি নিয়ে সীমিত পরিসরে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতো। তবে এবার সেই গণ্ডি পেরিয়ে দেশের প্রায় ৩০০টি ছোট-বড় একাডেমিকে এই মহাযজ্ঞে শামিল করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ফেডারেশন।
বছরজুড়ে ফুটবল উৎসব শুধুমাত্র একটি টুর্নামেন্টেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাইছে না বাফুফে। ডেভেলপমেন্ট কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সারা বছর মাঠের ফুটবল সচল রাখতে প্রতি মাসেই অন্তত একটি করে গ্রাসরুট ইভেন্ট আয়োজন করা হবে। এর মধ্যে থাকবে ফুটবল ক্লিনিক, ফুটবল ফেস্টিভ্যাল এবং কমিউনিটি ভিত্তিক নানা কার্যক্রম। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কিশোর ফুটবলারদের নিয়মিত খেলার মধ্যে রাখা এবং তাদের উৎসাহিত করা।
অর্থায়নে নতুন কৌশল তৃণমূলের উন্নয়নে এতদিন ফিফার ফান্ডের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা থাকলেও, এবার সেই ধারায় পরিবর্তন আনতে চাইছে বাফুফে। নাসের শাহরিয়ার জাহেদী জানান, ২০২৬ সালকে সামনে রেখে তারা স্থানীয় স্পন্সরদের (ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান) এই উদ্যোগে যুক্ত করার চেষ্টা করছেন।
এছাড়াও একাডেমিগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখতে জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে নিজস্ব স্পন্সর জোগাড়ে উৎসাহিত করবে বাফুফে। পাশাপাশি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে একাডেমিগুলোকে টেকনিক্যাল ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ধলেশ্বরী জোনে দিনের দুটি ম্যাচই গোলশূন্য ড্র হয়েছে। রাজবাড়ী জেলা স্টেডিয়াম প্রথম ম্যাচে শরীয়তপুর জেলা ফুটবল দল লড়েছিল ঢাকা জেলা ফুটবল দলের বিপক্ষে। জালের দেখা পায়নি কোনো দলই। দ্বিতীয় ম্যাচেও হেঁটেছে সেই পথে। রাজবাড়ী জেলা ফুটবল দল ও ফরিদপুর জেলা ফুটবল দলের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়।
ধলেশ্বরী জোনে তৃতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিল শরীয়তপুর ও ঢাকা। আক্রমণে প্রথমার্ধে দুই দলই ছিল সমানে সমান। শরীয়তপুরের একটি শট পোস্টে লেগেছে, আর ঢাকার গোলকিপার দুটি দুর্দান্ত সেভ করেছেন। শরীয়তপুরের গোলকিপারও দুটি সেভ করে দলের জাল অক্ষত রাখেন।
দ্বিতীয়ার্ধে ঢাকা পেয়েছিল সেরা সুযোগ, তবে তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। পয়েন্ট ভাগাভাগি করে দুই দলকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। ম্যাচসেরা পুরস্কার হাতে তুলেছেন শরীয়তপুরের আশরাফুল। এই জোনের প্রথম ম্যাচে শরীয়তপুর ৩-০ গোলে হেরেছিল রাজবাড়ীর কাছে।
দ্বিতীয় ম্যাচ দারুণ খেলেও সাফল্য পায়নি রাজবাড়ী। একাধিক সুযোগ তৈরি করেছে তারা, তবে গোলের দেখা পায়নি। পুরো ম্যাচে রাজবাড়ী বল পজিশন ও পরিসংখ্যানের দিক থেকেও ছিলো এগিয়ে। গোলের লক্ষ্যে শট রেখেছিল পাঁচটি। বিপরীতে ফরিদপুর লক্ষ্যে শট রাখতে পেরেছিল তিনটি।
দুই দলই দুর্দান্ত খেলেছে। শক্তিশালী রক্ষণ, দলগত পারফরম্যান্স এবং নিয়মিত আক্রমণের কারণে সমর্থকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। গোল না হলেও দর্শকদের ছিল উচ্ছ্বাস।

আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে নারী সাফ ফুটসাল টুর্নামেন্ট। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে বৃহস্পতিবার। ভারতকে মোকাবিলায় সাফ ফুটসাল শুরু করবে লাল সবুজের মেয়েরা। তার আগে সবগুলো দল নিয়ে আজ হলো আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন। সেখানে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাবিনা জানান দেশকে ভালো কিছু দিতে চান।
এবারই প্রথম ফুটসালের সাফ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নারী এবং পুরুষ, দুটি আসরই বসেছে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে। সাবিনা খাতুন দুবার দেশকে সাফ জিতিয়েছেন, সেটা ফুটবলে। এবার নতুন ভূমিকায় তাঁর সঙ্গে আছেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের আরও কয়েকজন সদস্য- মাসুরা পারভীন, সুমাইয়া মাতসুশিমা, কৃষ্ণা রানী সরকার।
ফুটসাল দল গঠনের জন্য সে অর্থে খুব বেশি সময় পায়নি বাংলাদেশ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, বিশেষকরে বাফুফের বয়সভিত্তিক দল থেকে ঝরে যাওয়া কয়েকজন ফুটবলার এবং সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে গড়া হয়েছে নারী ফুটসাল দল। প্রস্তুতির ঘাটতি থাকলেও দল আত্মবিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন অধিনায়ক সাবিনা,
‘আপনারা জানেন আমি ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে খেলেছি এবং ফুটসালটা হচ্ছে আমাদের জন্য একেবারেই নতুন। তবে আমাদের বিশ্বাস আছে টুর্নামেন্টে ভালো কিছু করার এবং সেটাই আমাদের দৃঢ় লক্ষ্য।’
যেহেতু দক্ষিণ এশিয়া এবারই প্রথম হচ্ছে ফুটসালের টুর্নামেন্ট, সে কারণে বাংলাদেশের মতো ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপালও নতুন এই খেলাটায়। দলগুলোকে তাই কাছাকাছি মানের মনে হয়েছে বাংলাদেশের নারী ও পুরুষ ফুটসাল দলের কোচ সাইদ খোদারাহমির,
‘বাংলাদেশে নারী দলের জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় এটিই প্রথম সাফ (ফুটসাল) আয়োজন। আমার মনে হয় সব দলই সমান অবস্থানে আছে কারণ এটি সবার জন্যই নতুন।’

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে হঠাৎ বরখাস্ত হওয়ার পর রুবেন আমোরিমের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা থামছেই না। পর্তুগিজ এই কোচের পরবর্তী গন্তব্য কোথায়—ইউরোপজুড়ে তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। তবে সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, আপাতত ঘরের ছেলে ঘরেই ফিরেছেন আমোরিম।
মেইল স্পোর্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চাকরি হারানোর পর এক মুহূর্তও দেরি না করে নিজ দেশে ফিরে যান আমোরিম। বরখাস্ত হওয়ার পরপরই তিনি পৌঁছান পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে, যেখানে শনিবার সন্ধ্যায় তাঁকে দেখা যায়।
আমোরিমের ফেরার সেই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দী করে পর্তুগালের সংবাদমাধ্যম সিএনএন পর্তুগাল। এক সাংবাদিক তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দিলেও কোনো উত্তর দেননি সাবেক ইউনাইটেড কোচ। তবে পুরো সময়জুড়ে তার মুখে ছিল মৃদু হাসি—যা অন্তত বাহ্যিকভাবে চাপ বা হতাশার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি।
সিএনএন পর্তুগালের ওই সাংবাদিক জানতে চান, তিনি কি দেশে ফিরে হতাশ? আবার কবে কোচিংয়ে ফিরবেন? কোনো চাকরির প্রস্তাব পেয়েছেন কি না? কিংবা পর্তুগালের কোনো ক্লাবে তাকে শিগগিরই দেখা যাবে কি না? প্রশ্নের সংখ্যা বাড়লেও আমোরিম নীরবই থাকেন। শেষ পর্যন্ত তিনি গাড়িতে উঠে দরজা বন্ধ করেন এবং পরিবারসহ বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।
মাত্র ১৪ মাস দায়িত্ব পালনের পরই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে চাকরি হারান আমোরিম। অথচ ক্লাবটির সঙ্গে তার চুক্তি ছিল প্রায় দুই বছরের। পুরো মেয়াদ শেষ করার আগেই ক্লাব ব্যবস্থাপনার সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়ে আচমকাই বিদায় নিতে হয় তাঁকে।
বর্তমানে আমোরিমের পরবর্তী গন্তব্য এখনো নিশ্চিত নয়। তবে ইউরোপিয়ান ফুটবল মহলে একটি সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। খুব বেশি হলে পর্তুগালের জনপ্রিয় ক্লাব বেনফিকায় তার ফেরার পথ খুলতে পারে—যদিও তার আগে ক্লাবটির বর্তমান কোচিং পজিশনে পরিবর্তন আসতে হবে।
আর এখানেই আলোচনায় চলে আসছেন হোসে মরিনহো। ২০২৭ সাল পর্যন্ত দুই বছরের চুক্তিকে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তি করেন ৬২ বছর বয়সী মরিনহো। তবে ব্রেক ক্লজও রয়েছে। অর্থাৎ দুই বছরের মাঝামাঝি সময়ে চাইলে মরিনহো চাইলে বিদায় নিতে পারবেন ক্লাব থেকে। অথবা ক্লাব চাইলে বাদ দিতে পারে তাঁকে।
ইউরোপিয়ান সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, বর্তমান পর্তুগাল জাতীয় দলের কোচ রবার্তো মার্তিনেজের চুক্তি রয়েছে ২০২৬ সাল পর্যন্ত। সেই মেয়াদ শেষে যদি মরিনহোকে জাতীয় দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে ক্লাব ফুটবলে জায়গা খালি হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে—যার সুফল পেতে পারেন রুবেন আমোরিম।
সব মিলিয়ে বলা যায়, আমোরিমের ভবিষ্যৎ এখন অনেকটাই অনিশ্চিত। তবে সেই অনিশ্চয়তার চাবিকাঠি হয়তো রয়েছে আরেক পর্তুগিজ কিংবদন্তি মরিনহোর হাতেই।

আরও একবার এল ক্লাসিকোতে
মুখোমুখি বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ। স্প্যানিশ সুপার কোপার ম্যাচটিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী
দুই দলের অভিন্ন লক্ষ্য হলেও হ্যান্সি ফ্লিকদের কাছে এটি শোধ নেওয়ার উপলক্ষ। মৌসুমের
প্রথম এল ক্লাসিকোতে হারের বদলা নেওয়ার সুযোগ কাতালানদের। অন্যদিকে জাবি আলোনসোও খুব
করে চাইবেন লস ব্লাঙ্কোসদের হয়ে কোনো বিগ ম্যাচ জয়ে রাঙাতে।
সৌদি আরবের কিং আবদুল্লাহ
স্পোর্টস সিটিতে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের লড়াই।
সুপার কোপার সেমিফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ হারিয়েছিল আতলেতিকো মাদ্রিদকে। আর বার্সেলোনার
কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছিল আতলেতিকো বিলবাও।
২০২৫–২৬ মৌসুমে একবারই মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল ও বার্সেলোনা। গত বছরের ২৬ অক্টোবর
লা লিগার দশম রাউন্ডে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর সেই ম্যাচে ২–১ গোলে হেরেছিল অতিথিরা।
এরপর থেকেই বীরদর্পে ছুটছে
বার্সা। ১৪ ম্যাচের ১২টিতেই জিতেছে তারা। একটি করে ম্যাচ জিতেছে ও হেরেছে তারা। বাকি
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৯ ম্যাচে অপরাজিত বার্সেলোনা।
কিছুটা লাইনচ্যুত রিয়াল।
১৪ ম্যাচের ৮টিতে জিতেছে বার্নাব্যুর ক্লাব। তিনটি ম্যাচে হেরেছে এবং তিনটি ড্র করেছে
তারা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সবশেষ টানা ৫ ম্যাচে অপরাজিত রিয়াল।
সুপার কোপার ফাইনাল আলোনসোর
জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রথম মাদ্রিদের ক্লাবের হয়ে কোনো প্রতিযোগিতার ফাইনালে
ডাগআউটে দাঁড়াবেন তিনি। এটি তার জন্য বড় পরীক্ষাও বটে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর
প্রতিবেদন বলছে, এল ক্লাসিকোতে যদি বড় ব্যবধানে হারতে হয়, তবে আলোনসোর চাকরি ঝুঁকিতে
পড়তে পারে।
এর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদে
চোট সমস্যা গুরুতর। নতুন করে চোট পাওয়ায় এই ম্যাচে খেলতে পারবেন না ফরাসি ডিফেন্ডার
ফেরলান্দ মেন্দি। ম্যাচ-পূর্ববর্তী সবশেষ অনুশীলনে ছিলেন না তিনি। একই অনুশীলন সেশনে
অনুপস্থিত ছিলেন ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডও।
কিলিয়ান এমবাপেকেও পাওয়ার
সম্ভাবনা নেই। এর আগেও ফরাসি ফরোয়ার্ডকে নিয়ে কোচ জানিয়েছিলেন, তিনি ফিরছেন লড়াইয়ের
মধ্য দিয়েই। লা লিগায় সর্বোচ্চ গোল এমবাপের—১৮টি গোল করেছেন তিনি।
এমবাপেকে নিয়ে আলোনসো বলেছেন,
‘আগে বুঝতে হবে আমরা কী জন্য খেলছি, ঝুঁকির মাত্রাটা মাপতে হবে। এরপরই সিদ্ধান্ত নেব। কিন্তু আত্মঘাতী কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না দল।’
পেদ্রি, রাফিনিয়া ও জোয়ান
গার্সিয়া সম্প্রতি চোট কাটিয়ে দলে সক্রিয়। সবশেষ পাঁচ ম্যাচে ক্লিনশিট ধরে রেখেছেন
গার্সিয়া—বার্সার জন্য যা বড় পাওয়া। এর সঙ্গে লামিন ইয়ামাল,
দানি ওলমো ও ফেরান তোরেস আছেন পূর্ণদমে।
যদিও হ্যান্সি ফ্লিক এমবাপেকে নিয়ে বলেছেন,
‘এমবাপেকে নিয়ে আলাদা করে ভাববে না বার্সেলোনা। গত এক–দেড় বছরে আমরা কতগুলো এল ক্লাসিকো খেলেছি? হেরেছি মাত্র একটিতে।’
ফরাসি ফরোয়ার্ডের প্রশংসা করতেও ভুলেননি ফ্লিক। তিনি বলেন,
‘সে দুর্দান্ত, সেটা আমি ভালোভাবেই জানি। কিন্তু বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের বিপক্ষে খেলতে হলে মানিয়ে নিতে হয়। শুধুমাত্র এমবাপের বিপক্ষেই তো ম্যাচ হয় না।’