১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:২০ পিএম

চেন্নাইয়ের মাঠে মঙ্গলবার সকালের ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডের কাছে হেরে গেছে কানাডা। তবে চমৎকার সেঞ্চুরিতে রেকর্ড বইয়ে ঝড় তুলেছেন যুবরাজ সামরা। বাংলাদেশের সাবেক ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকীর রেকর্ড ভেঙে কানাডার ওপেনার গড়েছেন নতুন বিশ্ব রেকর্ড।
ওপেনিংয়ে নেমে শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগ পর্যন্ত ১১ চারের সঙ্গে ৬টি ছক্কা মেরে ৬৫ বলে ১১০ রানের ইনিংস খেলেন যুবরাজ। এই ইনিংসে অনেক রেকর্ডে উঠেছে তার নাম। সেসব রেকর্ড দেখে নেওয়া যাক একনজরে-
কনিষ্ঠতম ফিফটি ও সেঞ্চুরিয়ান
মাত্র ১৯ বছর ১৪১ দিন বয়সে ১১০ রান করে এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কনিষ্ঠতম ফিফটি-সেঞ্চুরির মালিক যুবরাজ।
২০০৭ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯ বছর ৩২৫ দিন বয়সে ৪৯ বলে ৭১ রান করেছিলেন বাংলাদেশের জুনায়েদ সিদ্দিকী। আর ২০১৪ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২২ বছর ১২৭ দিন বয়সে ৬২ বলে ১১১ রান করেছিলেন পাকিস্তানের আহমেদ শেহজাদ।
এই দুই রেকর্ডই এখন যুবরাজের নামের পাশে। শুধু টি-টোয়েন্টিই নয়, ওয়ানডে বিশ্বকাপ মিলিয়েও সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরির রেকর্ড যুবরাজের। ২০১১ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২০ বছর ১৯৬ দিন বয়সে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেছিলেন আয়ারল্যান্ডের পল স্টারলিং।
যুবরাজই প্রথম
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে আইসিসির সহযোগী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটার যুবরাজ। ২০২৪ সালের আসরে কানাডার বিপক্ষে ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারন জোন্স।
সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে কানাডার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর এটি। ২০২৩ সালে পানামার বিপক্ষে ১২১ রান করেছিলেন অ্যারন জনসন। আর বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে পঞ্চম সর্বোচ্চ ইনিংস যুবরাজের ১১০ রান।
এছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটার যুবরাজ। ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জাস্টিন কেম্পের করা ৮৯* ছিল কিউই বিপক্ষে এত দিনের সর্বোচ্চ।
জুটিতেও সেরা
সেঞ্চুরি করার পথে উদ্বোধনী সঙ্গী দিলপ্রিত বাজওয়ার সঙ্গে ১১৬ রানের জুটি গড়েন যুবরাজ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোনো পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে সহযোগী সদস্য দেশের এটিই সর্বোচ্চ রানের জুটি। চলতি আসরে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৭ রানের জুটি গড়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোহাম্মদ ওয়াসিম ও আলিশান শরাফু।
No posts available.
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৫১ পিএম
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:১১ পিএম

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পরও ঘুরে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস হারাননি পাকিস্তানের স্পিনার উসমান তারিক। সতীর্থদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—দল যদি ভুলগুলো শুধরে নেয়, তবে পরের ধাপে ওঠা মোটেও কঠিন হবে না।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগের ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ৬১ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। সুপার এইটে উঠতে হলে শেষ ম্যাচে কাল নামিবিয়াকে হারাতেই হবে সালমান আলী আগার দলকে। হেরে গেলে ‘এ’ গ্রুপে নেট রানরেটে এগিয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের পেছনে থেকেই বিদায় নিতে হবে পাকিস্তানকে। সুযোগ তৈরি হতে পারে নেদারল্যান্ডসের জন্য, যদি তারা আহমেদাবাদে ভারতের বিপক্ষে বড় জয় পায়।
হার সত্ত্বেও আত্মবিশ্বাসী তারিক, গত ম্যাচে করা ভুলগুলো ঠিক করার চেষ্টা না করলে দলকে উজ্জীবিত করা কঠিন হয়। আমরা আমাদের ভুলগুলো নিয়ে কাজ করেছি, তাই আমার মনে হয় এটা কঠিন কাজ হবে না। একই ভুল আবার না করার দৃঢ় সংকল্প আছে আমাদের।’
ভারতের দেওয়া ১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৮ ওভারে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে দলটি। সমর্থকদের হতাশা নিয়েও কথা বলেন এই স্পিনার। তাঁর ভাষায়,
‘সমর্থকদের হতাশা আমরা অনুভব করতে পারি, কারণ পুরো দেশ এই ম্যাচ দেখে। তাদের কষ্ট আমরাও বুঝি, তবে আমি নিশ্চিত পরেরবার ভারতের মুখোমুখি হলে আমরা আরও ভালো খেলব।’
দলের সিনিয়র তারকাদের বাদ পড়ার গুঞ্জন নিয়েও স্পষ্ট অবস্থান জানান তারিক। ব্যাটিং স্তম্ভ বাবর আজম ও পেস আক্রমণের নেতা শাহিন শাহ আফ্রিদি সম্পর্কে তারিক বলেন,
‘আজম ও শাহিন দুজনই পাকিস্তানকে অনেক ম্যাচ জিতিয়েছেন। তাই একটি ম্যাচে ভালো না খেললে তাদের বাদ দেওয়া উচিত নয়।’
নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস ঝরেছে তাঁর কণ্ঠে,
‘আমরা যার বিপক্ষেই খেলি, তাকে হারানোর আত্মবিশ্বাস আমাদের আছে। আমাদের লক্ষ্য ফাইনাল খেলা ও শিরোপা জেতা—সেটাই অর্জনের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
পরিসংখ্যান বলছে, টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়া হয়েছে মাত্র একবার। সে ম্যাচে জয় পেয়েছে পাকিস্তান।

রাজনৈতিক কারণে অনেক দিন ধরেই কারাগারে পাকিস্তানের ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান। সম্প্রতি খবর বেরিয়েছে, কারাগারে দৃষ্টিশক্তি হারানোর পথে সাবেক এই অলরাউন্ডার। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান ও দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি ক্রিকেটবিশ্বে ছড়িয়ে পড়া ইমরানের-এর স্বাস্থ্যের বিষয়ে উঠা উদ্বেগকে ‘ভিত্তিহীন প্রোপাগান্ডা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
পিসিবি প্রধান নকভি আজ এক সংবাদ সম্মেলনে ইমরানের স্বাস্থ্যের অবনতির দাবি অস্বীকার করে বলেন,
‘তার (ইমরানের) চিকিৎসকরা বললেন, “চমৎকার! আমরা যদি চিকিৎসা করাতাম, আমরা ওভাবে করতামই।’ রাজনৈতিক নেতারা বললেন, “আমরা সন্তুষ্ট, এবং আমরা আমাদের জনগণকে এ বিষয়ে জানাব।’
বিপরীতে ইমরানের বোন আলীমা খান আল জাজিরা-কে জানান যে পাকিস্তান সরকার ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং পরিবারের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকার অনুমোদন দিতে অনীহা দেখিয়েছে চিকিৎসার সময়। তবে নকভি বিষয়টি উল্টো আলীমার ওপর দায় চাপিয়ে দাবি করে, রাজনৈতিক কারণে চিকিৎসা ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করেছে ইমরানের পরিবার।
নকভি বলেন,
‘আমার যা বলতে পারি তা হলো, আলীমা খান সাহিবা তাঁর পার্টিকে বলেছিলেন—যদি আমরা এটা (ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং পরিবারের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকা) মেনে নিই, বিষয়টি থমকে যাবে। তাঁর কারণে চিকিৎসা পরীক্ষা তিন দিন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।’
এই বিবৃতি আসে ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার ও কপিল দেব সহ ইমরানের চিকিৎসার দাবিতে ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৪ জন সাবেক অধিনায়ক পাকিস্তান সরকার বরাবর যৌথ বিবৃতি দেওয়ার পর। ইমরানের যথাযথ চিকিৎসা এবং মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার জন্য পাকিস্তানকে তারা অনুরোধ করেছিলেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে,
‘১৯৯২ ক্রিকেট বিশ্বকাপে তাঁর নেতৃত্ব এবং সাফল্যের প্রেক্ষিতে, তাকে মর্যাদাপূর্ণ বন্দিত্ব এবং স্বচ্ছ আইনগত সুবিধা নিশ্চিত করা হোক।’
২০২৩ সালের আগষ্ট থেকে কারাগারে থাকা ইমরান খান তাঁর ডান চোখের প্রায় ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, এমনটাই জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম। পিটিআই ও ইমরান খানের পরিবারের সদস্যরা তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়ার দাবি জানান।

রাজনৈতিক কারণে দীর্ঘদিন কারাগারে পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান। সম্প্রতি খবর বেরিয়েছে, কারাগারে দৃষ্টিশক্তি হারানোর পথে সাবেক এই অলরাউন্ডার। ইমরানের চিকিৎসার দাবিতে ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৪ জন সাবেক অধিনায়ক পাকিস্তান সরকার বরাবর যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।
দেশটির খাইবার পাখতুনখোয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আলী আমিন গান্দাপুর জানিয়েছেন, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রেসিডেন্ট ইমরানের মুক্তির জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভি। তাঁর দাবি, মুক্তির জন্য অন্য সবার চেয়ে বেশি ও আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছেন।
আজ পাকিস্তানের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে কথা বলতে গিয়ে গান্দাপুর বলেন, “আমি আগেও বলেছি, এখন প্রকাশ্যেও বলছি—ইমরান খানের মুক্তির বিষয়টি সমাধানে খুব জোরালো চেষ্টা করেছেন মহসিন নাকভি। ইমরান খানের মুক্তির জন্য তিনি সবার চেয়ে বেশি উদ্যোগ নিয়েছেন।”
গান্দাপুরের এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা বেড়েছে এবং আদালতে তার চিকিৎসার জন্য প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। যাতে বলা হয়েছে—ইমরান খান একটি গুরুতর চোখের রোগে আক্রান্ত। রোগটির নাম সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সারের আগষ্ট থেকে কারাগারে থাকা ইমরান খান তার ডান চোখের প্রায় ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর পিটিআই ও ইমরান খানের পরিবারের সদস্যরা তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়ার দাবি জানান।
এর আগে ওই টিভি চ্যানেলেই গান্দাপুর দাবি করেন, মহসিন নকভি সেনাপ্রধান ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান অসীম মুনিরের সামনেও ইমরান খানের পক্ষে কথা বলেছেন—যা আর কেউ সাহস করে করেননি।
তার ভাষায়, “নাকভিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি ফিল্ড মার্শালের সঙ্গেও খোলাখুলি কথা বলতে পারেন।”
গান্দাপুর জানান, বর্তমানে তার সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনো যোগাযোগ নেই এবং এমন কোনো পদেও নেই, যেখান থেকে তিনি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।

সৃষ্টিকর্তার আনুকূল্য পেল না অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টির দাপটে ভেসে গেল জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড ম্যাচ। তাতে নিশ্চিত হয়ে গেল জিম্বাবুয়ের সুপার এইটের টিকেট। আর এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল অস্ট্রেলিয়া।
পাল্লেকেলেতে মঙ্গলবার দুপুরের ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের। এই ম্যাচ আয়ারল্যান্ড জিতলে বেঁচে থাকত অস্ট্রেলিয়ার সুপার এইট খেলার আশা। কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে ম্যাচ টসই করা সম্ভব হয়নি।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষার পর স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টার পর (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা) ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করে অফিসিয়ালরা। আর এতেই তিন ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে 'বি' গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সুপার এইটে পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে।
অথচ বাছাইপর্ব পেরোতে না পারায় ২০২৪ সালের বিশ্বকাপই খেলতে পারেননি সিকান্দার রানা, ব্লেসিং মুজারাবানিরা। তারাই এবার বিশ্বকাপে ফিরে গড়ল অন্যরকম ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়ারকে গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে দিয়ে উঠে গেল সেরা আটের কাতারে।
জিম্বাবুয়ের সুপার এইট নিশ্চিত হওয়ার পেছনে বৃষ্টির সহায়তা থাকলেও, সেটি খুবই সামান্য। কারণ ঠিক আগের ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়ে নিজেদের কাজটা সেরে রেখেছিল তারা। এর আগে ওমানের বিপক্ষে পেয়েছিল সহজ জয়।
অন্য দিকে জিম্বাবুয়ে ছাড়াও শ্রীলঙ্কার কাছেও হেরেছে অস্ট্রেলিয়া। তাই তিন ম্যাচে মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে তাদের আর কোনো আশা বেঁচে নেই। এখন শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে জিতলেও কোনো লাভ হবে না সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।
'বি' গ্রুপ থেকে জিম্বাবুয়ের আগে নিশ্চিত হয়েছে শ্রীলঙ্কার সুপার এইটের টিকেট। এবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে লড়বে দুই দল। ওই ম্যাচের ফলের ওপর নির্ধারণ হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দল। তাতে অবশ্য সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে বা শ্রীলঙ্কার অবস্থান পরিবর্তন হবে না।
কারণ বিশ্বকাপের ফরম্যাট অনুযায়ী, আগেই ঠিক করা ছিল ৮ দলের অবস্থান। সেই অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়া বাদ পড়ায়, তাদের জায়গায় সুপার এইটে উঠে এবার ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ের সুপার এইট নিশ্চিত হওয়ায় এখন পর্যন্ত জানা গেল ৭ দলের নাম। তাদের আগে সেরা আটে নাম লিখিয়েছে ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড ও নিউ জিল্যান্ড। বুধবার পাকিস্তান-নামিবিয়া ম্যাচের পর জানা যাবে অষ্টম ও শেষ দলের নাম।

বাংলাদেশ সরকারের নবনিযুক্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার বিকেলে সাবেক গোলরক্ষক ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুলকে শুভেচ্ছা জানান বিসিবি প্রধান ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
“আমিনুল হকের মতো একজন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। জাতীয় ফুটবল দলকে গর্বের সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি ক্রীড়াবিদদের বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও আকাঙ্ক্ষা সরাসরি উপলব্ধি করেন। আমার বিশ্বাস, একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তার অভিজ্ঞতা বিভিন্ন ক্রীড়া শাখার উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”
“বিসিবি নতুন প্রতিমন্ত্রী ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে, যাতে দেশের সকল স্তরে ক্রীড়ার প্রসার ও উন্নয়ন নিশ্চিত হয় এবং ক্রীড়াবিদদের জন্য ধারাবাহিক অগ্রগতি ও সুযোগ সৃষ্টি হয়।”
এছাড়া বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)’র পক্ষ থেকেও নবনিযুক্ত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. সামন হোসেন সাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়,
“ক্রীড়া উন্নয়ন, তরুণ সমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্তকরণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধিতে তার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।”
“সাবেক একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তার সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। বিএসপিএ আশা করে, তার নেতৃত্বে দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক সাফল্য আরও বেগবান হবে।”