২০ আগস্ট ২০২৫, ৯:৫৭ পিএম

মাঝে যেভাবে খবর বাতাসে ভাসছিল, তাতে আলেকজান্ডার ইসাকের নিউক্যাসল ইউনাইটেড ছাড়াটা সময়ের ব্যাপার বলেই মনে হচ্ছিল। তবে লিভারপুলের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে তাকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ভালো লাগেনি সুইডিশ স্ট্রাইকারের। ক্ষোভে বলেই দিলেন, কথা দিয়ে কথা না রাখায় তার পক্ষে নিউক্যাসলের সাথে আর সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
গত ১ আগস্ট ইসাকের জন্য লিভারপুলের দেওয়া ১১০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দেয় নিউক্যাসল। তবে অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার মনে করছেন, তাকে আগে দেওয়া আশ্বাস অনুযায়ী বড় ক্লাব থেকে উপযুক্ত প্রস্তাব এলে তাকে যেতে দেওয়ার শর্ত মানেনি ক্লাব। এই কারণেই চটেছেন তিনি।
সম্প্রতি পেশাদার ফুটবলারদের সংগঠন পিএফএ-এর পুরস্কার বিতরণীতে না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে ইসাক ইনস্টাগ্রামে একটি বিবৃতি পোস্ট করেন।
সেখানে তিনি লিখেন,
“অন্যরা যখন নিজের মতো করে মনগড়া কথা বলেছে, তখন অনেক দিন ধরেই আমি চুপচাপ ছিলাম। আমার সেই নীরবতাই তাদেরকে ভুল ব্যাখ্যা ছড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে। বাস্তবতা হলো, ক্লাব অনেক আগে থেকেই আমার অবস্থান জানত এবং আমাকে কিছু প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল। আর এখন তারা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। যখন প্রতিশ্রুতি ভেঙে যায় এবং বিশ্বাস হারিয়ে যায়, তখন সেই সম্পর্ক আর টিকিয়ে রাখা যায় না। আমি এখন সে জায়গাতেই পৌঁছে গেছি। আমার ঠিকানা পরিবর্তনই এখন সবার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে।”
ইসাকের এই বক্তব্যের পর নিউক্যাসলও চুপ থাকেনি। তারাও একটি বিবৃতি দিয়েছে, যেখানে তারা করেছে পাল্টা অভিযোগ।
“আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, অ্যালেক্স এখনো আমাদের সাথেই চুক্তিবদ্ধ এবং তাকে ক্লাব ছাড়ার প্রতিশ্রুতি কোনো ক্লাব কর্মকর্তার পক্ষ থেকেই দেওয়া হয়নি। আমরা আমাদের সেরা খেলোয়াড়দের ধরে রাখতে চাই। তবে আমরা খেলোয়াড়দের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং তাদের মতামতও শুনি। আমরা ইতোমধ্যেই অ্যালেক্স ও তার প্রতিনিধিদের জানিয়ে দিয়েছি যে, এই গ্রীষ্মে তাকে বিক্রির যে শর্ত প্রয়োজন, তা পূরণ হয়নি।”
২৫ বছর বয়সী ইসাককে ঘিরেই এবারের গ্রীষ্মকালীন দলবদলের বাজারে সবচেয়ে বড় আলোচনার হচ্ছে। প্রথম প্রস্তাব নাকচ হওয়ার পর লিভারপুল আর নতুন কোনো প্রস্তাব দেয়নি। উল্লেখ্য, দলবদলের উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর। তার আগেই ইসাককে ঘিরে ত্রিমুখী পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
No posts available.
৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:২৯ পিএম
৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:৩৮ পিএম

তারুণ্যের উৎসব ব্যানারে ধলেশ্বরী জোনে আজ থেকে শুরু হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। উদ্বোধনী ম্যাচে শরিয়তপুর জেলাকে ৩-০ পরাজিত করে স্বাগতিক রাজবাড়ী জেলা।
রাজবাড়ী জেলা স্টেডিয়ামে শুক্রবার প্রথমার্ধে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় রাজবাড়ী। ৫৯ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে মো. নাসিম খানের ক্রসে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে রাজবাড়ীকে লিড এনে দেন রাহুল বিশ্বাস।
দুই মিনিট পর মাঝমাঠ থেকে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মো. কাজী আসলান। ম্যাচের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে আবারও ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন আসলান। এতে নিশ্চিত হয় রাজবাড়ীর বড় জয়।
পরিসংখ্যানেও রাজবাড়ীর আধিপত্য স্পষ্ট ছিল। তারা অন টার্গেট ৬টি শট নেয়, কর্নার আদায় করে ৭টি এবং ফ্রি কিক পায় ৮টি। বল দখলে রাজবাড়ী ছিল ৬০ শতাংশ সময়। অন্যদিকে শারিয়তপুর নেয় ৩টি অন টার্গেট শট, কর্নার ৫টি, ফ্রি কিক ৭টি।
জোড়া গোল করে ম্যাচসেরা হয়েছেন রাজবাড়ী জেলার আসলান।
এই প্রতিযোগিতার এটি দ্বিতীয় জোনের খেলা। এর আগে ঝিনাইদহ জোনের খেলা শেষ হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালের কাছে এক শোক বার্তায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। শুক্রবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায় বাফুফে।
শোক বার্তায় ফিফা সভাপতি উল্লেখ করেন,
‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ও পথিকৃৎ ব্যক্তিত্ব। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থায়ী উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।’
আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনের পক্ষ থেকে ফিফা সভাপতি বাংলাদেশ সরকার, বাফুফে এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও এই শোক বার্তার জন্য ফিফা সভাপতি এবং আন্তর্জাতিক ফুটবল সম্প্রদায়ের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম নক্ষত্রের জীবনাবসান হয়েছে গত ৩০ ডিসেম্বর। সেদিন ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন ‘মা, মাটি ও মানুষের নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়া।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ইতিহাসে অনেক ব্রাজিলিয়ান তারকাই মাঠ মাতিয়েছেন। গোলের পর গোল করে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন। ব্যাক্তিগত অনেক অর্জনেরও স্বাক্ষী হয়েছেন। তবে এত এত তারকাদের টপকে এক জায়গায় সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন আড়ালে থাকা এক ব্রাজিলিয়ান।
প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল করা ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার এখন ইগোর থিয়াগো। সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে গত পরশু জোড়া গোল করে দারুণ এই রেকর্ডে নাম লেখান ব্রেন্টফোর্ডের এই ফরোয়ার্ড।
২০২৫-২৬ মৌসুমে লিগে ২১ ম্যাচে ১৬ গোল করে ইগোর থিয়াগো ছাড়িয়ে গেছেন ম্যাথিউস কুনহাকে। বর্তমানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলা কুনহা গত মৌসুম উলভারহ্যাম্পটনের হয়ে ৩৩ ম্যাচে ১৫ গোল করেন। অর্থাৎ ১২ ম্যাচ কম খেলেই এই রেকর্ডে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন ২৪ বছর বয়সী ইগোর থিয়াগো। এছাড়া প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে ১৫ গোল করেছেন রবার্তো ফিরমিনো, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি।
গত রোববার এভার্টনের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার পর টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকের পথে ছিলেন থিয়াগো। তবে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ৮২তম মিনিটে তাকে তুলে নেন ব্রেন্টফোর্ডের কোচ কিথ অ্যান্ড্রুজ।
ইভান টোনি, ব্রায়ান এমবেউমো ও ইয়োয়ানে উইসার ক্লাব ছাড়ার পর ব্রেন্টফোর্ডের প্রথম পছন্দের স্ট্রাইকার হিসেবে থিয়াগোর এটি প্রথম মৌসুম। ২০২৪ সালের ক্লাব ব্রুজ থেকে ৩ কোটি পাউন্ডে তাকে দলে নেয় ব্রেন্টফোর্ড। তবে চোটের কারণে পুরো প্রথম মৌসুমই মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি।
এ মৌসুমে লিগে ২০ ম্যাচেই শুরুর একাদশে খেলেছেন ইগর থিয়াগো। চার ম্যাচে করেছেন জোড়া গোল, পেয়েছেন একটি হ্যাটট্রিক। ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডের প্রশংসা করে ব্রেন্টফোর্ডের কোচ কেইথ অ্যান্ড্রু বিবিসিকে বলেন, ‘সে একজন বিশেষ মানুষ, যে খুব সুন্দরভাবে এই জীবন মানিয়ে নিয়েছে। এই জায়গায় আসতে তাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। নিজের পথ নিজেই তৈরি করেছে এবং কঠোর পরিশ্রম করেছে। তার ব্যক্তিত্বে প্রবল দৃঢ়তা আছে। সে নিয়মিত নিজের দক্ষতা বাড়াচ্ছে, আর আমরা ধীরে ধীরে তাকে আরও ভালোভাবে জানতে পারছি। সে প্রায় পরিপূর্ণ একজন সেন্টার-ফরোয়ার্ড।’
থিয়াগো এখনও ব্রাজিল জাতীয় দলে সুযোগ পাননি। তবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে জাতীয় দলে জায়গা করে নেওয়ার দৌড়ে বেশ জোরালো দাবিই জানিয়ে রাখলেন তিনি।

আগামী মাসে ৪১ বছরে পা দেবেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। চালশেও থেমে যাওয়ার লক্ষণ নেই আল-নাসর তারকার। বরং ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের বছরে আরও ছয়টি বড় রেকর্ডের সামনে রোনালদো।
একহাজার গোল করা প্রথম ফুটবলার হওয়ার সুযোগ: গতকাল সৌদি প্রো লিগে আল-নাসরের হয়ে একটি গোল করেছেন রোনালদো। পর্তুগিজ তারকার ক্যারিয়ারে মোট গোলসংখ্যা এখন—৯৫৮। রেকর্ড একহাজার গোলের মাইলফলক ছুঁতে রোনালদোর বাকি ৪২ গোল।
বিভিন্ন সাক্ষাতকারে রোনালদো জানিয়েছেন, একহাজার গোল না করা পর্যন্ত অবসর নেবেন না তিনি।
চার দেশের লিগ জেতা ফুটবলারের তালিকায় নাম লেখানো:
ইংল্যান্ড (প্রিমিয়ার লিগ), স্পেন (লা লিগা) ও ইতালি (সিরি আ) এই তিন দেশের হয়ে লিগ শিরোপা জিতেছেন রোনালদো। সৌদি প্রো লিগ জিততে পারলে চার ভিন্ন দেশের লিগ জেতা ফুটবলারের তালিকায় ঢুকবেন তিনি।
সৌদি প্রো লিগে টানা ১০ ম্যাচ জিতে উড়ন্ত শুরু করেছিল আল-নাসর। গত তিন ম্যাচে দুই হার ও এক ড্র’তে টেবিলের দুইয়ে নেমে গেলেও শিরোপা জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী রোনালদো।
ছয় বিশ্বকাপে গোল করা প্রথম খেলোয়াড়: ২০২৬ বিশ্বকাপে গোল করতে পারলে ইতিহাস গড়বেন রোনালদো। ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করা প্রথম খেলোয়াড় হবেন তিনি।
বর্তমানে এই রেকর্ড ভাঙার সম্ভবনা নেই কারো। ২০২৬ বিশ্বকাপে লিওনেল মেসিরও ছয় নম্বর বিশ্বকাপে খেলা হবে, তবে ২০১০ সালে গোল না থাকায় এই রেকর্ডে নাম উঠাতে পারবেন না তিনি।
দুই’শ পেনাল্টি গোল করা প্রথম ফুটবলার: গতকাল আল-কাদসিয়ার বিপক্ষে ৮১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ২০২৬ সালে নিজের প্রথম গোল করেন রোনালদো। এই গোলের মাধ্যমে রোনালদোর পেনাল্টি গোলের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮১ টি। আর ১৯টি পেনাল্টি গোল করতে পারলে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ২০০ পেনাল্টি গোলের মাইলফলক স্পর্শ করবেন রোনালদো।
আল-নাসরের সর্বোচ্চ গোল করা বিদেশি খেলোয়াড়: আল-নাসরের হয়ে ১১৪ গোল করেছেন রোনালদো। ক্লাবটির সর্বোচ্চ গোল করা বিদেশি খেলোয়াড় আবদুর রাজ্জাক হামদাল্লাহর গোল ১১৫। আর মাত্র দুই গোল করলেই এই রেকর্ড নিজের করে নেবেন রোনালদো।
৩০ বছর বয়সের পর পাঁচশ গোল: ৩০ বছর পার করার পর রোনালদোর গোল সংখ্যা এখন ৪৯৫। আর পাঁচ গোল করলেই ৩০ বছরের পর ৫০০ গোল করা ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে নাম লেখাবেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

অ্যাটাকিং পজিশনে আরও শক্তি বাড়াল ম্যানচেস্টার সিটি। এফসি বোর্নমাউথ থেকে লেফট উইঙ্গার অ্যান্টোয়ান সেমেনিও ভিড়াল তারা। ঘানা জাতীয় দলের ফরোয়ার্ডের জন্য রিলিজ ক্লজ সাড়ে ৬৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করতে হবে সিটিজেনদের। এই টাকা অবশ্য ২৪ মাসে পর্যায়ক্রমে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে ম্যানসিটির।
আজ ম্যানসিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বোর্নমাউথের ২৬ বর্ষী ফরোয়ার্ডের সঙ্গে পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি করেছে তারা। ২০৩১ সাল পর্যন্ত সিটিজেন ডেরার থাকবেন সেমেনিও।
ম্যানসিটিতে ৪২ নম্বর জার্সি জড়াবেন সেমেনিও। আগে এই জার্সি পরতেন ইয়াইয়া। সিটির হয়ে আট বছরের ক্যারিয়ারে যিনি প্রিমিয়ার লিগ টাইটেল জিতেছেন।
সিটির সঙ্গে চুক্তির পর সেমেনিও বলেন, ‘আমি খুবই গর্বিত ম্যানসিটির সদস্য হতে পেরে। সিটির মতো জায়ান্ট ক্লাবে যোগ দিতে পেরে।’
ঘানা জাতীয় দলের এই স্ট্রাইকার আরও বলেন, ‘ম্যানসিটি সর্বোচ্চ স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এবং ক্লাবটিতে বিশ্বসেরা সব প্লেয়ার রয়েছেন। এখানকার সুযোগ সুবিধা বিশ্বমানের এবং এখানে একজন বিশ্বমানের কোচ রয়েছেন।’
আরও পড়ুন
| ম্যাচ হেরে রোনালদো— ‘এই লড়াই শেষ হয়নি’ |
|
সেমেনিও প্রিমিয়ার লিগে ২০ ম্যাচে ১০ গোল করেছেন। রয়েছে তিনটি অ্যাসিস্ট। লিগে তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার তিনি। শীর্ষে আর্লিং হলান্ড। ২০ গোল নরয়েজিয়ান ফরোর্ড। ইগার থিয়াগো রয়েছেন দ্বিতীয়তে। ব্রাজিল ফরোয়ার্ডের গোল ১৬টি।
অ্যান্টোয়ানের প্রিমিয়ার লিগের দলে ফেরার মূল উদ্দেশ্য নিজেকে আরও প্রস্তুত ও উন্নতি করা। জানিয়েছেন সে কথাই।
সাবেক বোর্নমাউথ তারকা বলেন, ‘আমার সেরা সময় আসতে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। এখানে আমার উন্নতি করার পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ রয়েছে। এটাই আমার জন্য পারফেক্ট।’
বোর্নমাউথের আগে ব্রিস্টল সিটিতে ছিলেন সেমেনিও। ১০ মিলিয়ন পাউন্ড তাঁকে ভিড়ায় বোর্নমাউথ। অবশ্য তিনি লোনে সান্ডারল্যান্ডেও খেলেছেন। সেখানে মাত্র ৭ ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন।