২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮:৪৬ পিএম

নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত এই দলে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও পেসার রিপন মন্ডল।
মঙ্গলবার দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থার ঘোষিত ১৫ সদস্যের এই দলে বড় চমক অভিজ্ঞ তিন পেসারের অনুপস্থিতি। মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানাকে এই দুই ম্যাচের জন্য বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।
পেস বোলিং আক্রমণে নতুনত্ব আনতে ডাক পেয়েছেন ২৮ বছর বয়সী সাকলাইন। টি-টোয়েন্টিতে কার্যকরী বোলিং দক্ষতার পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারে বড় শট খেলার সামর্থ্য থাকায় নির্বাচকদের নজর কেড়েছেন তিনি।
ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকতার পুরস্কার হিসেবে দলে জায়গা করে নিয়েছেন রিপন মন্ডল। ২৩ বছর বয়সী এই ডানহাতি পেসার এর আগে ২০২৩ সালের এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হয়ে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন। তবে মূল জাতীয় দলের স্কোয়াডে এটিই তার প্রথম ডাক।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে এই সিরিজে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন লিটন কুমার দাস। তার সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন সাইফ হাসান।
আগামী ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রামের চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে হবে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি। ২৯ এপ্রিল একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ম্যাচ। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি হবে ২ মে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
প্রথম ও দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির বাংলাদেশ স্কোয়াড:
লিটন দাস (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), শামীম হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, নুরুল হাসান, মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরীফুল ইসলাম, তানজিম হাসান, রিপন মন্ডল, সাইফউদ্দিন ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
No posts available.
২২ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম
২২ এপ্রিল ২০২৬, ৩:৩৭ পিএম
২২ এপ্রিল ২০২৬, ২:৫৯ পিএম
২২ এপ্রিল ২০২৬, ২:৩০ পিএম

ব্যাট হাতে লড়াই করলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। তবু বাকিদের ব্যর্থতায় মিলল না বড় পুঁজি। অল্প রান নিয়েও বল হাতে চেষ্টা করলেন নাহিদা আক্তার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পক্ষে এলো না ফল। অনায়াস জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল শ্রীলঙ্কা।
রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বুধবার সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা নারী ক্রিকেট দল। আগে ব্যাট করে ১৬৫ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। জবাবে ৭০ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জেতে লঙ্কানরা।
এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে শ্রীলঙ্কা। একই মাঠে আগামী শনিবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে লড়বে দুই দল।
ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল বেশ বাজে। মাত্র ৪ রানের মধ্যে ফিরে যান জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা (২) ও আগের ম্যাচের নায়ক শারমিন আক্তার সুপ্তা (২)।
প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ৪৫ রানের জুটি গড়েন শারমিন সুলতানা ও জ্যোতি। আশা জাগিয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি শারমিন (২৬)। আগের ম্যাচে ভালো ব্যাটিং করা সোবহানা মোস্তারিও (৫) এদিন টিকতে পারেননি।
পরে আর কাউকে সঙ্গী হিসেবে পাননি জ্যোতি। একপ্রান্ত আগলে রেখে রয়েসয়ে ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের নবম ফিফটি করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত ৪ চারে ১০১ বলে ৫৮ রান করে আউট হন অভিজ্ঞ এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
এছাড়া নাহিদা (২০), স্বর্ণা আক্তার (১৭) ও রাবেয়া খানরা (১৫) ছোট ছোট অবদান রাখেন।
শ্রীলঙ্কার পক্ষে ৩৬ রানে ৩ উইকেট নেন অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন মালকি মাদারা, ইনোকি রানাভিরা ও নিমাশা মিপাগে।
রান তাড়ায় পঞ্চাশের আগে দুই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের পথে রাখেন আতাপাত্তু। ৮ চারে ৩৯ বলে ৪০ রানের ইনিংস আসে তার ব্যাট থেকে। ৭৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় লঙ্কানরা।
এরপর চতুর্থ উইকেটে ৭৭ রানের জুটিতে সফরকারীদের এগিয়ে দেন হার্শিতা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুনারত্নে। তারা জয় থেকে মাত্র ১০ রান দূরে থাকতে নাটকীয়তার জন্ম দেন নাহিদা। দুই ওভারে তিনি নিয়ে নেন ৩ উইকেট।
তবে জয় পেতে সমস্যা হয়নি শ্রীলঙ্কার। হার্শিতা ৫০ ও হানসিমা করেন ৪০ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে ২১ রানে ৪ উইকেট নেন নাহিদা।

পায়ে হালকা অস্বস্তির কারণে মিরপুরে প্রথম দুই ওয়ানডেতে খেলতে পারেননি মোস্তাফিজুর রহমান। এরই মধ্যে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে সামনের টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকেও। এখন বড় প্রশ্ন, সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে কি ফিরবেন অভিজ্ঞ এই পেসার?
এমন প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর দিতে পারেননি বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ শন টেইট। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাফিজের একাদশে ফেরার বিষয়টি টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকদের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে খেলা কথা ছিল মোস্তাফিজের। কিন্তু ম্যাচ শুরুর আগে ওয়ার্ম আপ করার সময় হঠাৎ পায়ে অস্বস্তি অনুভব করেন তিনি। তাই টসের ঠিক আগে মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে শরিফুল ইসলামকে একাদশে ফেরায় বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন
| ১১ বছর আগের সুখস্মৃতি ফেরানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের |
|
ধারণা করা হচ্ছিল, দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হয়তো ফিরবেন অভিজ্ঞ কাটার মাস্টার। কিন্তু তা হয়নি। একই পেস বিভাগ নিয়ে ওই ম্যাচ জেতে বাংলাদেশ। এখন সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চট্টগ্রামে চলে গেছে বাংলাদেশ। সেখানে বৃহস্পতিবার হবে শেষ ম্যাচ।
ম্যাচের আগের দিন দলের সঙ্গে অনুশীলনে বেশ কয়েক ওভার বোলিং করেছেন মোস্তাফিজ। তবে তিনি আদৌ একাদশে ফিরবেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়। সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাফিজের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে, পুরোপুরি নিশ্চয়তা দেননি টেইট।
“আমার মনে হয়, মোস্তাফিজ শেষ ম্যাচের একাদশে জায়গা পাওয়ার বিবেচনায় আছে। তবে আমি ১০০ ভাগ নিশ্চিত নই। আজকে সে সম্ভবত ৩-৪ ওভার বোলিং করেছে। আমি আসলে জানি না নির্বাচকরা একাদশ বাছাইয়ে কী করবেন। তবে আজকে বোলিংয়ে সে ভালো ছিল।”
ভিন্ন আরেক প্রশ্নেও নির্বাচকদের কথাই বলেন বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ।
“আজকে সে বোলিং করেছে এবং আমি যতটা জানি বোলিংয়ের পরও তার অবস্থা বেশ ভালো ছিল। তো এখন আসলে নির্বাচকরা কী সিদ্ধান্ত নেবে সেটি তাদের ওপর। আমি আসলে জানি না।”
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লা. লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শুরু হবে শেষ ওয়ানডে।

শুরুতে গতিময় বোলিংয়ে বাউন্স আর সুইংয়ে ওপরের সারির ব্যাটারদের ফেরানো আর শেষে নিখুঁত সব ইয়র্কারে লেজের সারির ব্যাটারদের বিদায়ঘণ্টা বাজানো- নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে এমন বোলিং করে নাহিদ রানাকে দেখে ওয়াকার ইউনিসের কথা মনে পড়ে গেছে শন টেইটের।
নতুন বলে গতির সঙ্গে সুইং আর শেষ দিকে পুরোনো বলে রিভার্স সুইংয়ের সঙ্গে ইয়র্কারের মিশেলের জন্য বিশেষ খ্যাতি ছিল পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াকার ইউনিসের। প্রতিপক্ষের লেজের সারির ব্যাটারদের গুটিয়ে দিতে তার ইয়র্কারের জুরি মেলা ছিল ভার।
ওয়াকার ইউনিস খেলা ছেড়েছেন প্রায় ২৩ বছর আগে। আর এই দীর্ঘ দিন পর এসে পাকিস্তানি পেসারের স্মৃতি ফিরিয়েছেন নাহিদ। গত সোমবার নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে গতিময় বোলিংয়ের প্রদর্শনীর সঙ্গে শেষ দিকে দারুণ কিছু ইয়র্কারও করেছেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার।
আরও পড়ুন
| নাহিদের উন্নতি ৩২ ধাপ, এগোলেন তামিম-রিশাদরাও |
|
চট্টগ্রামে তৃতীয় ওয়ানডের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে নাহিদের সেই ইয়র্কারের প্রশংসা করতে গিয়ে ওয়াকারের কথা বলেন বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ শন টেইট।
“এই সিরিজে এখন পর্যন্ত আমি যেটা খুব উপভোগ করেছি, গত ম্যাচে নাহিদের ইয়র্কার। যা অনেকটা ওয়াকার ইউনিসের দিনগুলো মনে করিয়ে দিচ্ছিল। ফাস্ট বোলাররা শুরুতে উইকেট নেবে আর শেষে ইয়র্কার দিয়ে টেইলএন্ডারদের আউট করবে- আমি এটি খুব পছন্দ করি।”
এমনিতে গতির ঝড় তুলে টেইটের খেলোয়াড়ি জীবনের কথাও মনে করাচ্ছেন নাহিদ। ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগে বোলিংয়ের বিরল কীর্তি আছে অস্ট্রেলিয়ান সাবেক এই পেসারের। এছাড়া নিয়মিতই ১৪৫-১৫০ কিমি. প্রতি ঘণ্টা বেগে বোলিং করতেন তিনি।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে একই কাজ করেছেন নাহিদ। ১০ ওভারের মধ্যে ১৯টি বল ১৪৫ কিমি. প্রতি ঘণ্টা বেগে করেছেন ২৩ বছর বয়সী পেসার। আর সব মিলিয়ে তার ৫৯টি বৈধ ডেলিভারির গতি ছিল ১৪০ কিমি. প্রতি ঘণ্টার বেশি।
নাহিদের এমন বোলিং দেখে স্বাভাবিকভাবে যারপরনাই খুশি ও গর্বিত পেস বোলিং কোচ। নাহিদকে দেখে নিজের বোলিং মনে পড়ে যায় কিনা জিজ্ঞেস করা হলে কিছু বৈসাদৃশ্য তুলে ধরেন টেইট।
আরও পড়ুন
| ১১ বছর আগের সুখস্মৃতি ফেরানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের |
|
“আমাদের মধ্যে বেশ মিল আছে। তবে কিছু অমিলও রয়েছে। সে খুব ফিট। আমি যা ছিলাম, সে তুলনায় সে অনেক বেশি। আমার ওজন বেশি থাকায় জোরে বোলিং করা কঠিন ছিল। কিন্তু তার জন্য এটি সহজ কারণ সে দারুণ অ্যাথলেট। অনেক শক্তপোক্ত ও পাতলা। ফাস্ট বোলারের জন্য দারুণ শরীর তার।”
“এসব কারণেই মূলত এই কন্ডিশনেও তার ওপর আমার বিশ্বাস রয়েছে। এই গরমে টানা ম্যাচ খেলার প্রয়োজন পড়লেও, তার সেই সামর্থ্য আছে। আমি তার তুলনায় কিছুটা ভিন্ন ছিলাম। তার চেয়ে বেশি চোটপ্রবণও ছিলাম আমি।”

গতিময় বোলিংয়ে নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটারদের কাঁপিয়ে আইসিসির কাছ থেকেও সুখবর পেলেন নাহিদ রানা। বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিলেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার। একইসঙ্গে উন্নতির খবর পেলেন তানজিদ হাসান তামিম, তাওহিদ হৃদয়, রিশাদ হোসেনরাও।
যথারীতি বুধবার দুপুরে পুরুষ ক্রিকেটের র্যাঙ্কিংয়ের হালনাগাদ প্রকাশ করেছে আইসিসি।
মিরপুরে গত সোমবার সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাত্র ৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে ৩২ ধাপ এগিয়েছেন নাহিদ। বর্তমানে ক্যারিয়ার সেরা ৪৪৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৬৪ নম্বরে অবস্থান করছেন ২৩ বছর বয়সী পেসার।
আরও পড়ুন
| ম্যাচ জিতে শাস্তির খবর পেল বাংলাদেশ |
|
এছাড়া ১০ ধাপ এগিয়ে ৫৮ নম্বরে আছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। প্রায় ১৬ মাস পর ওয়ানডে খেলে আবার র্যাঙ্কিংয়ে ফিরেছেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। তার বর্তমান অবস্থান ৩৯তম।
চোটের কারণে প্রথম দুই ম্যাচ না খেলায় ধাক্কা লেগেছে মোস্তাফিজুর রহমানের র্যাঙ্কিংয়ে। বাঁহাতি এই পেসার ৭ ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ৫৫ নম্বরে। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ এখন ২ ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ৮ নম্বরে।
নাহিদের ৫ উইকেটের ম্যাচে ৭৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে ১৪ ধাপ এগিয়েছেন তামিম। ক্যারিয়ার সেরা ৫৩৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৪০ নম্বরে আছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
এছাড়া ৫ ধাপ এগিয়ে ২৬ নম্বরে আছেন তাওহিদ হৃদয়। বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে তিনিই সবার ওপরে। আর ১ ধাপ এগিয়ে এখন ৪৩ নম্বরে নাজমুল হোসেন শান্ত।

প্রথম ম্যাচের ব্যাটারদের ব্যর্থতা ভুলিয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দুর্দান্ত জয় এনে দিয়েছেন নাহিদ রানা। তবে এখনও শেষ হয়নি কাজ। ট্রফি নিজেদের ঘরে রাখতে জিততে হবে শেষ ম্যাচ। যা কিনা বাংলাদেশের জন্য হতে পারে দুঃসাধ্য সাধন করার মতোই কাজ।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লা. লে মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শুরু হবে বাংলাদেশ ও নিউ জিল্যান্ডের তৃতীয় ওয়ানডে। মিরপুরে দুই দলই জিতেছে ১টি করে ম্যাচ। শেষ ম্যাচটি এখন তাই সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ওয়ানডে ক্রিকেটে তিন ম্যাচ সিরিজে এখন পর্যন্ত স্রেফ দুইবার প্রথম ম্যাচ হেরেও সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথমবার। এর ছয় বছর পর আবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ দুই ম্যাচ জিতে ট্রফি নিজেদের কাছে রেখেছিল তারা।
মাঝের ১১ বছরে আরও তিনবার সিরিজের প্রথম ম্যাচ হারের পরও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ ম্যাচ জিততে পারেনি তারা। তাই আশা জাগিয়েও ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প লিখতে পারেনি বাংলাদেশ।
এর প্রথমটি ছিল ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সমতা ফেরালেও শেষ ম্যাচ হেরে যায় সেবার। একই দশা হয় ২০২৪ সালে আফগানিস্তান ও গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও। যেখানে শেষ ম্যাচ হেরে সিরিজের ট্রফি হাতছাড়া করে বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন
| ম্যাচ জিতে শাস্তির খবর পেল বাংলাদেশ |
|
সব মিলিয়ে ৮টি সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ১-১ অবস্থা থেকে শেষ পর্যন্ত সিরিজ জিততে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। বিপরীতে ১-১ অবস্থা থেকে বাংলাদেশ জিতেছে মোট ৯টি সিরিজ। তবে এর মধ্যে সাতটিতে আবার প্রথম ম্যাচ জিতে লিড নিয়েছিল বাংলাদেশ।
চলতি নিউ জিল্যান্ড সিরিজের আগে শুধু ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ে ও ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে সিরিজেই প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ার পরও বাকি দুই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প লিখেছিল বাংলাদেশ। প্রায় ১১ বছর পর আবার সেই স্মৃতি ফেরানোর চ্যালেঞ্জ।
শেষ ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ শন টেইট বললেন, দ্বিতীয় ওয়ানডে জেতার আত্মবিশ্বাস থেকে সিরিজ জিততে চান তারা।
“সিরিজ জেতার চাপ সব সময়ই থাকে। কারও কাছে চাপ যেমনই মনে হোক না কেন, এই পর্যায়ে এসে আপনাকে সিরিজ জিততেই হবে, বিশেষ করে আমরা যেভাবে শেষ ম্যাচটা জিতে নিজেদের একটা ভালো অবস্থানে এনেছি। আশা করছি, কালকের ম্যাচটাও জিতব।”
“আজকে তাদের (ক্রিকেটারদের) বেশ স্বস্তিতে মনে হয়েছে। আমরা গতকাল এখানে এসেছি ও তাদের দেখে আমার কাছে বেশ স্বচ্ছন্দই লেগেছে। প্রতিটি জয় থেকেই কিছুটা আত্মবিশ্বাস আসে, আর সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই জয়ের প্রত্যাশা তৈরি হয়। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।”