খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, ছিলেন সাদা বলের দলের নিয়মিত সদস্য। তবে বিস্ময়করভাবে গত সোমবার নিকোলাস পুরান ২৯ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। এই সময়ে কেন এমন সিদ্ধান্ত, সেটা না জানালেও বলেছেন, কোনো আক্ষেপ নেই তার।
পুরান সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। আর ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ারে দল বাদ পড়ার পর থেকে আর ওয়ানডে খেলেননি। তবে আচমকাই তার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। কারণ গত বছরের নভেম্বরে নিজের ১০০তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পর তিনি বলেছিলেন, আরও ১০০ ম্যাচ খেলতে চান তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে পুরান তুলে ধরেন তার অবসরের পেছনের ভাবনা।
“অনেক চিন্তা-ভাবনার পর আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই খেলা আমাকে অনেক কিছুই দিয়েছে এবং এখনও দিচ্ছে। সেই মেরুন জার্সিতে খেলা, জাতীয় সঙ্গীতের সময় দাঁড়িয়ে থাকা, মাঠে নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়া - এসব অনুভূতি বর্ণনা করা কঠিন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়কত্ব করা আমার জীবনের অন্যতম সেরা এক গর্বের বিষয় হয়ে থাকবে।”
পাকিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় পুরানের। আর ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন প্রথম ওয়ানডে। ২০২২ সালে তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাদা বলের অধিনায়ক করা হয়। তবে সেই বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের ব্যর্থতার পর তিনি অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ক্যারিয়ার শেষ করলেন ওয়ানডেতে ৬১ ম্যাচে ১ হাজার ৯৮৩ রান এবং টি-টোয়েন্টিতে ১০৬ ম্যাচে ২ হাজার ২৭৫ রান করে।
নিজে সরে গেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকবেন পুরান।
“ভক্তদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, আপনারা কঠিন সময়ে আমাকে সাহস যুগিয়েছেন, আর ভালো সময়ে প্রাণ খুলে উল্লাস করেছেন। আমার আন্তর্জাতিক অধ্যায় শেষ হলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের প্রতি আমার ভালোবাসা কখনই শেষ হয়ে যাবে না। আমি আগামীতেও দলের এবং গোটা অঞ্চলের ক্রিকেটের সাফল্য প্রার্থনা করি।”
পুরান শেষবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে খেলেন ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে, বাংলাদেশের বিপক্ষে কিংস্টাউনে হওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজে। ব্যক্তিগতভাবে ২০২৪ সালটি ছিল তার ক্যারিয়ারের সেরা বছর। গেল বছর তিনি এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ছক্কা (১৭০টি) মারার রেকর্ড গড়েন। চলতি বছরের আইপিএলেও ছিলেন ছন্দে। পাঁচটি হাফ-সেঞ্চুরিতে ১৯৬.২৫ স্ট্রাইক রেটে করেন ৫২৪ রান।
No posts available.
১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ৪:০৭ পিএম

ব্রিসবেন বিমানবন্দরে ইংল্যান্ড দলের নিরাপত্তাকর্মী ও অস্ট্রেলিয়ার চ্যানেল সেভেনের ক্যামেরা অপারেটরের মধ্যে ঘটে যাওয়া ধাক্কাধাক্কির ঘটনা অ্যাশেজ সিরিজে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।অ্যাডিলেডে তৃতীয় টেস্ট খেলতে রওনা দেওয়ার সময় শনিবার সকালে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
চ্যানেল সেভেনের প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, খেলোয়াড়দের খুব কাছ থেকে ছবি তুলতে এগোলে ইংল্যান্ডের এক নিরাপত্তাকর্মী ক্যামেরা অপারেটরকে ঠেলে সরিয়ে দেন। ওই সময় ইংল্যান্ড দলটি নুসা থেকে গাড়িতে করে বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
সিরিজের মাঝের বিরতিতে নুসায় তাদের ভ্রমণ আগেই সমালোচনার মুখে পড়েছিল- বিশেষ করে গাব্বায় হারের পর অ্যাশেজে ২–০ ব্যবধানে পিছিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) সিরিজ শুরুর আগেই সব গণমাধ্যমের জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিল- ম্যাচের মধ্যবর্তী যাত্রাপথে, বিশেষ করে বিমানবন্দর ও হোটেলে, খেলোয়াড়দের সাক্ষাৎকার নেওয়া যাবে না। তবে ‘সম্মানজনক দূরত্ব’ বজায় রেখে দৃশ্যধারণের অনুমতি রয়েছে। এই ঘটনার ফুটেজে দেখা যায়, চ্যানেল সেভেন সেই প্রটোকল পুরোপুরি মানেনি।
তবে সিরিজের বর্তমান অবস্থা ইংল্যান্ডকে বাড়তি মিডিয়া চাপের মধ্যে ফেলেছে। প্রথম দুই টেস্ট ছয় দিনের ভেতর হেরে যাওয়ায় অ্যাডিলেডে জিততেই হবে- হয়তো অ্যাশেজ ধরে রাখার আশা শেষ। এমন পরিস্থিতিতে দল ঘিরে সংবাদমাধ্যমের আগ্রহও তুঙ্গে।
অভ্যন্তরীণভাবে ইংল্যান্ড শিবির তাদের নিরাপত্তাকর্মীদের ‘নমনীয়’ থাকার অনুরোধ জানিয়েছে। সফর জুড়ে খেলোয়াড়রা সাধারণত দর্শক ও ভক্তদের সেলফির অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। পার্থে আসার পর থেকে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের নজরদারিও তারা হাসিমুখে সামলেছেন।
গলফ খেলার সময় ড্রোনে চিত্রধারণ, ব্রিসবেনে হেলমেট ছাড়া ই-স্কুটার চালানো নিয়ে প্রশ্ন- সবই এসেছে তাদের দিকে। অধিনায়ক বেন স্টোকস এসব প্রসঙ্গ হালকাভাবে নিয়েছেন। নুসার সৈকতে গণমাধ্যমের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। সৈকতে সতীর্থদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে খেলতে স্টোকস ছবি তুলতেও রাজি হন।
তবে ব্রিসবেন বিমানবন্দরের ঘটনাটি সেই সহনশীলতার ধারাবাহিকতায় ব্যতিক্রম। মাঠের পারফরম্যান্সে চাপ, তার ওপর বাইরের উত্তাপ- ইংল্যান্ড শিবিরে এখন স্পষ্ট টানাপোড়েন।
অ্যাডিলেডে আগামী বুধবার শুরু হবে অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্ট।

দুর্নীতির অভিযোগে চার ক্রিকেটারকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে ভারতের আসাম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (এসিএ)। গতকাল শুক্রবার অমিত সিনহা, ইশান আহমেদ, আমান ত্রিপাঠি ও অভিষেক ঠাকুরি- এই চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায় সংস্থাটি।
২০২৫ সালের সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চার ক্রিকেটারের নামে রাজ্য পুলিশের অপরাধ শাখায় এফআইআরও দায়ের করেছে এসিএ। অভিযুক্ত চারজনই বিভিন্ন সময়ে আসামের হয়ে খেলেছেন।
এসিএর অভিযোগ, ওই চার ক্রিকেটার টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া আসামের কয়েকজন খেলোয়াড়কে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন এবং দুর্নীতিতে জড়াতে উসকানি দেন।
এসিএর সম্পাদক সনাতন দাস জানান, অভিযোগ সামনে আসার পর বিসিসিআইয়ের অ্যান্টি করাপশন অ্যান্ড সিকিউরিটি ইউনিট (এএসসিইউ) বিষয়টি তদন্ত করে। একই সঙ্গে ফৌজদারি প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে গুরুতর অসদাচরণে সংশ্লিষ্টদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
চলতি মৌসুমে সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফির লিগ পর্বের ম্যাচগুলো হয় ২৬ নভেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর। গতকাল থেকে শুরু হয়েছে সুপার লিগ পর্ব, টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ১৮ ডিসেম্বর।
নিষেধাজ্ঞার সময়কালে অভিযুক্ত চার ক্রিকেটার এসিএ পরিচালিত কোনো রাজ্য পর্যায়ের টুর্নামেন্ট বা ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না। পাশাপাশি জেলা সংস্থা বা সংযুক্ত ক্লাবের কোনো ক্রিকেট কার্যক্রমেও তাঁরা যুক্ত থাকতে পারবেন না।

তিনি যতটা না দৌড়েছেন, তার চেয়েও বেশি চার-ছক্কা হাঁকিয়েছেন। গতকাল অস্ট্রেলিয়ান টি-টোয়েন্টি ডিভিশন ওয়ান ক্লেঞ্জো গ্রুপ শিল্ডের টি-টোয়েন্টি লিগে বোলারদের ওপর রীতিমতো ঝড় বয়ে দিয়েছেন নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস।
ম্যাচে এডওয়ার্ডস ৮১টি বল মোকাবিলা করেছেন, যাতে ছিল ২৩টি ছক্কা ও ১৪টি চার। তাঁর স্ট্রাইকরেট ছিল ২৮২।
অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সাব-অর্বস চার্চেস অ্যান্ড কমিউনিটি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত টুর্নামেন্টের চতুর্থ রাউন্ডে ভিক্টোরিয়ার আলটোনা স্পোর্টস ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন এডওয়ার্ডস।
উইলিয়ামস ল্যান্ডিং এসসির বিপক্ষে ম্যাচটি স্বীকৃত কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল না। ফলে ২০১৩ আইপিএলে ক্রিস গেইলের খেলা ১৭৫ রানের ইনিংসই টি-টোয়েন্টিতে এখনো সর্বোচ্চ।
এদিন ২৩ বলে ফিফটি করেন এডওয়ার্ডস। ১১তম ওভারে করেন সেঞ্চুরি, ১৭তম ওভারে ছুঁয়ে ফেলেন ১৫০। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ২২৯ রানে, আর দলের স্কোর দাঁড়ায় ৩০৪ রান।
রান তাড়া করতে নেমে উইলিয়ামস ল্যান্ডিং থামে ১১৮ রানে।

বড় জয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ যাত্রা শুরু করল ভারত। সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ২৩৪ রানে হারিয়েছেন আয়ুষ মাত্রেরা।
দুবাইয়ে আইসিসি একাডেমি মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪৩৪ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে ৭ উইকেটে ১৯৯ রানে থামে আমিরাতের ইনিংস।
এদিন দলীয় ৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। ৪ রান করে আউট হন আয়ুষ মাত্রে। এরপরের গল্প শুধুই বৈভব সূর্যবংশী-এর। মারমুখী ভঙ্গিতে চড়াও হতে থাকেন আরব আমিরাতের বোলারদের ওপর। ৩০ বলে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। পরের ৫০ রানের মধ্যে সেঞ্চুরি করতে ১৪ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটার খেলেন মাত্র ২৬ বল।
৫৬ বলে শতক ছুঁয়ে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন সূর্যবংশী। ৮৪ বলে দেড়শো পেরিয়ে যান এই বাঁহাতি। ডাবল সেঞ্চুরির আশা জাগিয়ে শেষ পর্যন্ত ৯৫ বলে ১৭১ রানে থামেন।
সূর্যবংশীর ইনিংসে ছিল ৯টি চার, ১৪টি ছয়। যুব ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এক ইনিংসে আজ সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড গড়েন সূর্যবংশী। ২০০৮ সালে ১২ ছয় মারা নামিবিয়ার ব্যাটার মাইকেল হিল-এর রেকর্ড ভাঙেন তিনি।
অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস এটি। সূর্যবংশী ছাড়িয়ে গেছেন শুবমান গিল, শিখর ধাওয়ান এবং মায়াঙ্ক আগারওয়াল-এর রেকর্ড।
সূর্যবংশীর বিধ্বংসী ইনিংসের সঙ্গে আরও দুই ব্যাটারের ফিফ্টিতে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৪৩৩ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় ভারত।
জবাবে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে আমিরাত। ১৪তম ওভারে ৫৩ রানে ৬ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
ষষ্ঠ উইকেটে ৮৫ রানের জুটি গড়েন পৃথ্বী মাধু ও উদিশ সুরি। মাধু ৫০ রানে ফিরলেও ৭৮ রানে অপরাজিত ছিলেন সুরি। এই দুজনের নৈপুণ্যে অলআউট হওয়া থেকে রক্ষা পায় আমিরাত।

বয়স ৪৩ পেরিয়ে ৪৪ বছরের পথে। তারপরও পেশাদার ক্রিকেট দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন জেমস অ্যান্ডারসন। আগামী মৌসুমে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে পূর্ণকালীন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন তিনি।
শৈশবের ক্লাব ল্যাঙ্কাশায়ারে অধিনায়কত্ব করবেন অ্যান্ডারসন। গত মৌসুমে দুইবার অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। কিটন জেনিংসের পদত্যাগের পর এবার অ্যান্ডারসনকে স্থায়ীভাবে নেতৃত্বের দায়িত্ব দিয়েছে ক্লাবটি।
২০২৪ সালে ৭০৪ টেস্ট উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান অ্যান্ডারসন। তবে নিজের শেকড় ল্যাঙ্কাশায়ারে খেলা থামাননি। ২০০২ সালে শুরু হওয়া তার ল্যাঙ্কাশায়ার ক্যারিয়ার এখনো চলছে। গত মৌসুমে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ৬ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৭ উইকেট।
অধিনায়কত্ব পেয়ে উচ্ছ্বসিত অ্যান্ডারসন বলেন,
‘ল্যাঙ্কাশায়ারের অধিনায়ক হওয়া বিশাল সম্মানের। আমাদের দলে অভিজ্ঞতা ও তরুণদের দুর্দান্ত মিশেল আছে। লক্ষ্য একটাই- প্রথম ডিভিশনে ফেরার লড়াইয়ে সফল হওয়া।’
২০২৬ সালের ৩ এপ্রিল ল্যাঙ্কাশায়ার তাদের চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযান শুরু করবে।