
আত্মবিসর্জন, প্রজ্ঞা আর হার নামা মানা মানসিকতা; ক্রীড়ায় ক্যারিয়ার টেনে-টানিয়ে তুলতে এমন অনেক ‘গুণ’ থাকা চাই। অনেকে তো বুড়িয়ে যাওয়ার আগেই ফুরিয়ে যান। ক্রীড়ায় একটু বেশিই শোনা যায় ‘বুড়িয়ে গেলেন, ফুরিয়ে গেলেন’। এই অঙ্গনে বিশেও বুড়িয়ে যান কেউ কেউ। অর্থ বৃত্ত আর রঙিন মোহে অল্পতেই তলিয়ে যান অনেকেই। তবে কারও কাছে বয়স কেবল সংখ্যা—চল্লিশেও তারা চালশে। ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাস গুণে ক্যারিয়ারের ঊষালগ্নেও তারা থাকেন সতেজ, ছুটেন অবিরাম।
যখন দল ধুঁকছে, স্বপ্ন খাদের কিনারায়। একজন নায়কের প্রয়োজন পড়েছিল খুবই। যিনি আসবেন, উদ্বার করবেন সম্প্রদায়। যার আগমনে হাসবে-খেলবে মৃতপ্রায় জাতি। যার পরিচয় হয়ে ওঠবে হিরো, আনসাং হিরো। যার কৃতিত্ব-কীর্তি যুগ যুগ স্মরণে রাখবেন সহযোদ্ধারা। যুদ্ধ মাঠ-ঘাট মাড়িয়ে গেলেও তিনি রেখে যাবেন অমর চিহ্ন। আফগানিস্তানের সেই নায়ক হতে গতকাল আবু ধাবির শেখ আবু জায়েদ স্টেডিয়ামে আর কী কী করা লাগতো মোহাম্মদ নবিকে!
এশিয়া কাপের সুপার ফোরে গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে রূপকথা নামিয়ে এনেছিলেন নবি। ৪০ ছুঁয়ে ফেলা ডানহাতি এই ব্যাটার একাই কাঁধে তুলে নেন দলের দায়িত্ব। ২২ বলে ৬০ রান—প্রথম বল থেকেই ছিলেন আগ্রাসী, তবে আসল জাদু জমিয়ে রাখেন ইনিংসের শেষ ওভারের জন্য। দুনিথ ভেল্লালাগের করা ২০তম ওভারটা যেন সিনেমার দৃশ্য। একে একে পাঁচটি ছক্কা! ছয় বলে ৩২ রান তুলে নিলেন নবি, যা টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে শেষ ওভারে সর্বোচ্চ রান। ভাঙলেন বাটলারের রেকর্ডও।
মাত্র ২০ বলে অর্ধশতক তুলেন নবি, ইনিংস সাজানো ছিল ৬ ছক্কা আর ৩ বাউন্ডারিতে। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন দেশের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। কিন্তু রেকর্ডের চাইতেও বড় ছিল মুহূর্তটা—বাঁচা-মরার লড়াইয়ে দলের হাল ধরার দৃশ্যটা।
এদিন একটা সময় আফগান ইনিংস ছিল দোদুল্যমান, ১১.২ ওভারে স্কোরবোর্ডে জমা পড়েছিল কেবল ৭১ রান। সেখানে ১৯তম ওভারে চামিরাকে টানা তিন বাউন্ডারি, আর শেষ ওভারে ছক্কার বৃষ্টি—তুলে দিলেন দলীয় স্কোর ১৭৯-এ। হয়তো আফগানিস্তান আর এগোয়নি, সুপার ফোরে ওঠেনি, মন ভেঙেছে তাদের। কিন্তু কান্দাহার থেকে কাবুল পর্যন্ত মানুষ ভুলতে পারেনি সেই রাত।
নবির ক্যারিয়ার এখন শেষ প্রান্তে। টেস্ট-ওয়ানডে ছেড়েছেন, কুড়ি কুড়িতেও হয়তো খুব বেশি দিন আর থাকবেন না। নতুনদের জায়গা করে দিতে হবে সহসা। নিজের ছেলে ইজাজও জাতীয় দলে সুযোগের অপেক্ষায়। তবু, নিভে যাওয়ার আগে যে দ্যুতিতে জ্বলে উঠলেন নবি তা অনুকরণীয়, অনন্য।
নম্বর সেভেন জার্সি গায়ে জড়ানো সেই আফগান স্বপ্নদ্রষ্টা আবারও মনে করিয়ে দিলেন তিনি জন্মগতই যোদ্ধা। বয়স তাকে বুড়িয়ে দিতে পারেনি, পারেনি ফুরিয়ে দিতে। চল্লিশেও তিনি চালশে। আফগান মাটির অমলিন কিংবদন্তি। পরাজয়ের পরও উচ্চারিত হচ্ছে-হবে তার নাম। যেমনটা উচ্চারণ করেছেন রশিদ খান। ম্যাচ শেষ আফগান অধিনায়ক বলেছেন, ‘নবির ব্যাটিং জাদুতে আমরা যেভাবে ইনিংস শেষ করলাম, সেটা সত্যিই বিশেষ কিছু।’
সমীকরণের মারপ্যাঁচে ভাগ্য সুপ্রসন্ন না হলেও আফগানরা যে লড়াই করতে জানে, সেটা দেখা গেছে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। কুড়ি কুড়ির নবম মেলায় অস্ট্রেলিয়াকে বাস্তবতা দেখিয়েছিল তারা। তার আগে একই প্রতিপক্ষের কাছে ওয়ানডেতে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হেরে স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছিল নবিদের। বছর না ঘুরতেই ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। লেখেছিলেন নতুন দিনের কাব্য। যে কাব্যের নাম আফগান মহাকাব্য। তারা ছুটছে, ছুটে চলাতেই নবিদের আনন্দ।
No posts available.
২ মার্চ ২০২৬, ১০:০০ পিএম
২ মার্চ ২০২৬, ৪:১৬ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান ইরান ও ইসরায়েল সংঘাতের প্রভাবে পাকিস্তান নারী ক্রিকেটারদের দেশে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তেল আবিব ও ওয়াশিংটনের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে লাগাতার পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে তেহরান। এই পরিস্থিতিতে দুবাই, সৌদি আরব, ওমানসহ কয়েকটি দেশের বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
যুদ্ধের সংঘাত এবং বিমান বন্দর সাময়িক বন্ধ থাকায় দেশে ফিরতে বিলম্ব হচ্ছে পাকিস্তান নারী দলের ক্রিকেটারদের। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ শেষে সোমবার রাতে ডারবান থেকে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল ফাতিমা সানাদের। কিন্তু বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা। বর্তমানে তারা ডারবানেই অবস্থান করছেন।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানিয়েছে, আকাশসীমা পুনরায় খোলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়ার পরই দল দেশে ফেরার পথে রওনা দেবে। পিসিবি সতর্ক করেছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত খেলোয়াড়রা দক্ষিণ আফ্রিকাতেই থাকবেন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় পাকিস্তান নারী দল তিনটি টি-টোয়েন্টি এবং তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে, যেখানে উভয় সিরিজই ২-১ ব্যবধানে জিতেছে স্বাগতিক দল।

ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। ওমরাহ শেষে শনিবার জেদ্দা থেকে দুবাই হয়ে দেশে ফেরার কথা ছিল জাতীয় দলের উইকেটকিপার ব্যাটারের। তবে ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতে আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রাপথে বিঘ্ন ঘটে মুশফিকের। তবে সোমবার নিরাপদে দেশে ফিরেছেন তিনি।
সোমবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে জাতীয় দলের ক্রিকেটারের ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তারই সহধর্মিণী জান্নাতুল কিফায়েত মন্ডি।
তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, মুশফিক নিরাপদে বাসায় ফিরে এসেছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা তার জন্য সবকিছু সহজ করে দিয়েছেন। যারা আমার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং আমাকে মানসিক সমর্থন দিয়েছেন, সকল আপনজনকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’
যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুশফিকের স্ত্রী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক যেন হয়, এ জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন তিনি, ‘আমরা দোয়া করি, ইন শা আল্লাহ, পৃথিবীর পরিস্থিতি খুব শিগগিরই শান্ত ও স্বাভাবিক হয়ে উঠুক।’
রবিবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছিলেন ইসরায়েল-ইরানের সংঘাতে জেদ্দা বিমানবন্দরে আটকে পড়া মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছেন তিনি। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, রবিবার রাতের ফ্লাইটে মুশফিক দেশে ফিরে আসবেন।

আগামীকাল মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ফাইনালে নর্থ জোনের বিপক্ষে মাঠে নামবে সেন্ট্রাল জোন। তার আগে সোমবার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন সেন্ট্রাল জোনের অলরাউন্ডার সাইফ হাসান। এসময় তিনি দলের লক্ষ্য এবং ব্যক্তিগত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
আগামী সপ্তাহে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে। ফলে বিসিএল আসন্ন সিরিজের আগে দেশের ক্রিকেটারদের জন্য ভালো প্রস্তুতির মঞ্চ হতে পারে। সাইফ হাসানও বলছেন সে কথা।
সাইফ বলেন, 'যেহেতু আমরা ফাইনালে উঠেছি এবং একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ বেড়েছে। ওয়ানডে সিরিজের আগে এটা ভালো একটা প্রস্তুতি আমাদের জন্য। আশা করি কালকের ম্যাচটায় আরও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারবো।'
'গত এক-দেড় বছর ওরকম ওয়ানডে খেলার সুযোগ পাইনি। কিছু ওয়ানডে আমরা পেয়েছি তাও টি-টোয়েন্টির মাঝখানে। এখন যেগুলাই ওয়ানডে সিরিজ আছে অবশ্যই প্রস্তুতিটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে।'-যোগ করেন তিনি।
বিসিএলে বাদবাকি ম্যাচগুলো বগুড়া ও রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হলেও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে মিরপুর। শিরোপার মঞ্চে ব্যক্তিগত লক্ষ্য জানাতে গিয়ে সাইফ বলেন,
'বগুড়া-রাজশাহীতে সাধারণত খুব ভালো উইকেট থাকে। আর মিরপুরে কালকে যেহেতু দিবা-রাত্রির ম্যাচ, আশা করি ভালো উইকেট থাকবে। একটা সিরিজের আগে যদি ম্যাচ অনুশীলন থাকে, অবশ্যই খুবই ভালো ব্যাটসম্যান হিসেবে যদি বলি। তাই ম্যাচটি যেখানেই খেলি না কেন, নিজের শতভাগ দেয়ার চেষ্টা করি।'
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হয়নি বাংলাদেশ দলের। চলতি বছরেও কোনো আইসিসি ইভেন্ট নেই। যদিও আগামী বছর রয়েছে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ। যেখানে সরাসরি খেলবে টাইগাররাও।
সাইফ বলেন, ‘সবাই আসলে মন খারাপ করেছে (বিশ্বকাপ খেলতে না পেরে)। এখানে অস্বীকার করার কিছু নেই। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়াটাই জরুরি।’

সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ঠিকই হারিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু রান রেটের সমীকরণ মেলাতে ব্যর্থ সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। তাতেই সালমান আলী আগাদের সেমি-ফাইনাল স্বপ্ন চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। পাকিস্তানকে টপকে গ্রুপের দ্বিতীয় সেরা দল হয়ে শেষ চার নিশ্চিত করে নিউ জিল্যান্ড। তিনটি ম্যাচই জিতে গ্রুপ সেরা হয়েছে ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তানের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে শনিবার। এখনও থামেনি সমালোচনার ঝড়। শূলে চড়ানো হচ্ছে নির্বাচক, কোচিং স্টাফদের সদস্যদেরও। শোনা গেছে, বিশ্বকাপে ব্যর্থতায় জরিমানা করা হয়েছে ক্রিকেটারদের। জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হচ্ছে কোচিং স্টাফদের। ইতোমধ্যে বৈশ্বিক আসরে ব্যর্থতায় পিসিবিতে ফাটল ধরেছে।
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে দেশটির জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন সাবেক আন্তর্জাতিক আম্পায়ার আলিম দার। পাকিস্তানের সামা টিভি এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে আজ।
এক প্রতিবেদনে তারা জানায়, জাতীয় দলের ধারাবাহিক বাজে ফলের কারণে সৃষ্ট উদ্বেগ থেকেই আলিম দার পদত্যাগপত্র জমা দেন। এতে দল পরিচালনা ও নির্বাচকদের ওপর চাপ যে বাড়ছে, সেটিও স্পষ্ট হয়েছে।
বিশ্বকাপে মাঠের ব্যর্থতার পর নির্বাচক প্যানেলে এটিই প্রথম বড় পরিবর্তন। তবে তাঁর স্থলাভিষিক্ত কে হবেন বা কমিটিতে আরও কোনো পরিবর্তন আসছে কি না—এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচই পাকিস্তান খেলেছে শ্রীলঙ্কায়। তাদের গ্রুপ পর্বের লড়াইগুলো হয়েছে কলম্বোয়। সুপার এইটের দুটি ম্যাচ খেলেছে তারা পাল্লেকেলেতে।
গত বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও শেষ চারে খেলতে পারেনি পাকিস্তান। আসরে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি তারা। আর এবার এই ব্যর্থতা।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে অন্যান্য দেশেও। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে এই সিরিজের সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
এদিকে, বিসিবির সূত্র বলছে, এই বিষয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে এখনও কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।
৫০ ওভারের তিনটি ম্যাচ খেলতে ৯ মার্চ ঢাকায় আসার কথা রয়েছে পাকিস্তানের। শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ১১, ১৩ এবং ১৫ মার্চ হওয়ার কথা ম্যাচগুলো। অনিশ্চয়তার মধ্যে সিরিজটি আলোর মুখ এখন না-ও দেখতে পারে। তবে সূত্র বরাতে জিও সুপার বলেছে ভ্রমণ ঝুঁকি, নিরাপত্তা উদ্বেগ যদি না বাড়ে তবে পাকিস্তান অবশ্যই সফর করবে।
আরও পড়ুন
| নতুন মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে ভারত |
|
এদিকে আসন্ন সিরিজে দল নিয়ে এই সপ্তাহে বসার কথা পাকিস্তান ম্যানেজমেন্টের। সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর তারা ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে মনোযোগ দিচ্ছে। আগামী বছর সাদা বলের লঙ্গার ভার্সনের বিশ্বকাপ হবে জিম্বাবুয়ে, নামিবিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকায়।
সূত্র জানায়, ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে বাংলাদেশের বিপক্ষে সফর দিয়েই ব্যাপক পরিবর্তন আনতে চায় পাকিস্তান। বাবর আজম, মোহাম্মদ নওয়াজ ও সাইম আইয়ুবদের মতো প্রথম পছন্দের ক্রিকেটাররা বাদ পড়তে পারেন। তাদের জায়গায় তরুণদের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে পাকিস্তানের নির্বাচক প্যানেল। এছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকা আরও ৫-৬ জন ক্রিকেটার বাদ পড়তে পারেন বলে জানায় সূত্র।
বাংলাদেশে আসার আগে সর্বশেষ গত নভেম্বরে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল পাকিস্তান। সেবার ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে শ্রীলঙ্কাকে আতিথেয়তা দেয় পাকিস্তান। রাওয়ালপিন্ডিতে হওয়া তিন ম্যাচেই জয়লাভ করে পাকিস্তান।