
পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগ ঘিরে আলোচিত ঘটনায় নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে লাহোর কালান্দার্স। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি জানিয়েছে, ২৮ মার্চের ঘটনাটি নিয়ে তারা গুরুত্ব সহকারে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চালিয়েছে এবং বাস্তবতা যাচাই করেছে।
তদন্ত শেষে লাহোর কালান্দার্স নিশ্চিত করেছে, দলীয় হোটেলে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছিল। তবে সেটি জনপরিসরে যেভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, তা অতিরঞ্জিত এবং প্রকৃত প্রেক্ষাপটের বাইরে চলে গেছে বলে মনে করছে তারা।
গত শনিবার টিম হোটেলে সিকান্দার রাজার কাছের বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের টিম হোটেলে আগমন ঘিরে মূল ঘটনা। এই বিষয়ে জিম্বাবুয়ের তারকা এই অলরাউন্ডার বলেছেন, দায় মূলত তার নিজের। এক্ষেত্রে আফ্রিদির কোনো দায় নেই।
তবে ঘটনায় জড়িত থাকার কারণে দলের অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করেছে লাহোর ফ্র্যাঞ্চাইজি। পুরো ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও নিজেদের পর্যবেক্ষণও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছে পাঠিয়েছে তারা।
লাহোর কালান্দার্স তাদের বিবৃতিতে নিরাপত্তাকর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও দর্শকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেছে দলটি।
ফ্র্যাঞ্চাইজিটি বলেছে, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো নিয়ম ভাঙার চেষ্টা ছিল না; বরং ভুল বোঝাবুঝি থেকেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা প্রোটোকল সম্পর্কে আরও স্পষ্টতা ও সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছে তারা।
একই সঙ্গে এই ঘটনাকে ঘিরে অতিরিক্ত প্রচার-প্রচারণায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে লাহোর কালান্দার্স। তাদের মতে, বিষয়টি অপ্রয়োজনীয়ভাবে বড় করে দেখা হয়েছে, যা ফ্র্যাঞ্চাইজি ও পিএসএল- দুটিরই ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
No posts available.
৩০ মার্চ ২০২৬, ৭:৩৭ পিএম
৩০ মার্চ ২০২৬, ৭:২২ পিএম
৩০ মার্চ ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম
৩০ মার্চ ২০২৬, ১:০৩ পিএম
৩০ মার্চ ২০২৬, ১২:১০ পিএম

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচের ঘাটতি শুধু খেলোয়াড়দের নয়, ক্ষতিগ্রস্ত করছে ম্যাচ রেফারিদের উন্নয়নও- এমনটাই মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এলিট আম্পায়ার ও বিসিবির আম্পায়ার প্রশিক্ষক সাইমন টফেল। তার মতে, আন্তর্জাতিক মানের ম্যাচ রেফারি গড়ে তুলতে দেশের ভেতরে আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট আয়োজন জরুরি।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মিডিয়া সেন্টারে দুই দিনের একটি ইনডাকশন কোর্স শেষে সোমবার এসব নিয়ে কথা বলেন টফেল। এই কর্মশালার লক্ষ্য ছিল দেশের ম্যাচ রেফারিদের দক্ষতা, ধারাবাহিকতা ও সামগ্রিক মান উন্নয়ন।
বর্তমান মৌসুমে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো বেশ কিছু সমস্যার মুখে। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে নতুন বিসিবি প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকার কয়েকটি ক্লাব বিভিন্ন প্রতিযোগিতা বয়কট করেছে। ফলে ম্যাচের সংখ্যা কমে গেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
টফেলের মতে, এই পরিস্থিতি খেলোয়াড়দের মতো ম্যাচ কর্মকর্তাদের উন্নয়নও থামিয়ে দিচ্ছে। নিয়মিত ম্যাচ না থাকলে তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও ধারাবাহিকতা গড়ে ওঠে না।
ম্যাচ কর্মকর্তাদের মান উন্নয়নে একটি বড় পরিকল্পনার কথাও জানান টফেল। তার মতে, বড় প্যানেল না রেখে ছোট কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক প্যানেল গঠন করাই কার্যকর।
“প্যানেল বড় হলে মান নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যায়। তাই আমরা চাই মানের দিকে বেশি নজর দিতে। প্যানেল ছোট হলে কর্মকর্তারা বেশি ম্যাচ পাবেন, যা তাদের উন্নয়নে সহায়ক হবে।”
বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও বেশি আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি দেখতে চান টফেল। তার মতে, ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের মতো ম্যাচ অফিসিয়ালরা তৃতীয় একটি দল- যাদের মান উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
“আমরা চাই বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি প্রতিনিধি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাক- আম্পায়ার, রেফারি, স্কোরার- সবাই।”
টফেল জোর দিয়েছেন ধারাবাহিক শেখা ও ফিডব্যাকের ওপর। প্রতিটি ম্যাচ থেকে শেখার মানসিকতা তৈরি করাই একজন ভালো ম্যাচ অফিসিয়ালের মূল চাবিকাঠি।
“প্রতিটি ম্যাচ শেখার সুযোগ। পরিকল্পনা, প্রস্তুতি আর বাস্তবায়নের পর সঠিক ফিডব্যাক দরকার- তবেই উন্নতি সম্ভব। উন্নতির কোনো শেষ নেই। প্রতিবারই আরও ভালো করার চেষ্টা থাকতে হবে।”

ক্রিকেট মাঠে ব্যাট-বল নিয়ে নাটকীয় বা অবিশ্বাস্য ঘটনা দেখা যায় অনেক। এবার ব্যাট-বল ছাড়াই এক অভূতপূর্ব ঘটনার জন্ম দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার বেয়ার্স সোয়েনপোল। ফ্লাইট ধরতে হবে দেখে ফাইনাল ম্যাচের মাঝেই মাঠ ছেড়ে চলে গেলেন এই অলরাউন্ডার।
ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া প্রভিনশিয়াল ওয়ানডে চ্যালেঞ্জ কাপের ফাইনালে। রোববার ওই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে সোয়েনপোলের লায়ন্স ও টাইটান্স। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে মাঠ ছেড়ে ফ্লাইট ধরতে চলে যান সোয়েনপোল।
আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৪৮ রান করেছিল লায়ন্স। পরে টাইটান্সের ইনিংসের ৪৩ ওভারের মধ্যে নিজের কোটার ১০ ওভার করে ফেলেন সোয়েনপোল। চমৎকার বোলিংয়ে ২ মেডেনসহ ৪৪ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন তিনি।
নিজের ১০ ওভার শেষ হতেই ইংল্যান্ডের ফ্লাইট ধরার জন্য মাঠ ছেড়ে যান সোয়েনপোল। তখন জয়ের জন্য টাইটান্সের প্রয়োজন ৬০ রান, হাতে ছিল ৫ উইকেট। কিন্তু উপযুক্ত কারণ না দেখানোয়, বাকি ৭ ওভারের জন্য লায়ন্সকে বদলি ফিল্ডার নামাতে দেননি আম্পায়াররা।
ফলে ম্যাচের শেষ ৭ ওভারে ১০ জন নিয়েই ফিল্ডিং করতে হয় লায়ন্সের। সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে যায় টাইটান্স। একইসঙ্গে পেয়ে যায় ওয়ানডে কাপের ট্রফি।
পরে জানা যায়, কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার জন্য ইংল্যান্ডের ফ্লাইট ধরার জন্য ছিল সোয়েনপোলের তাড়াহুড়ো। তাই ম্যাচ শেষ না করেই চলে যান তিনি। কাউন্টিতে উর্স্টারশায়ারের হয়ে খেলার কথা ২৭ বছর বয়সী অলরাউন্ডারের।
এই ঘটনায় এরই মধ্যে সোয়েনপোলের বিপক্ষে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে লায়ন্স কর্তৃপক্ষ। মাঠে নিজের সতীর্থদেরও কিছু না জানিয়ে চলে গিয়েছিলেন সোয়েনপোল। একদম শেষ মুহূর্তে গিয়ে দলের কোচদের এই বিষয়ে জানান তিনি। কিন্তু তখন আর কিছুই করার ছিল না।

পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) ক্রিকেটে নিরাপত্তা প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগ ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রে সিকান্দার রাজা ও শাহিন শাহ আফ্রিদি। তবে পুরো ঘটনার দায় নিজের কাঁধেই নিলেন রাজা। সতীর্থ ও অধিনায়ক আফ্রিদিকে নির্দোষ দাবি করলেন তারকা অলরাউন্ডার।
শনিবার রাতে লাহোরে টিম হোটেলে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় পাঞ্জাব পুলিশের একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, লাহোর কালান্দার্সের দুই ক্রিকেটার অনুমতি ছাড়াই কিছু অতিথিকে রাজার কক্ষে নিয়ে যান।
শুধু তাই নয়, চিঠিতে বলা হয়, পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে জোরপূর্বক তাদের রুমে নিয়ে যান আফ্রিদি ও রাজা। যেখানে মূল দায় দেওয়া হয় শাহিন আফ্রিদিকে। তবে পুলিশের এই বর্ণনার সঙ্গে সরাসরি দ্বিমত পোষণ করেছেন রাজা।
“শাহিন কাউকে জোর করেনি। আমার বন্ধুবান্ধব ও পরিবার এসেছিল। আমার অনুরোধেই শাহীন তাদের ওপরে নিয়ে আসে। যদি এটা নিয়মবহির্ভূত হয়ে থাকে, তাহলে সেটা আমার ভুল। শাহীন শুধু আমাকে সাহায্য করেছে।”
“এখানে আমি দোষী, শাহিন আফ্রিদি নয়। সে আমার অনুরোধেই নিচে গিয়েছিল। কারণ তারা (অতিথি) আমার পরিবার ও বন্ধুবান্ধব ছিল। তাদের সঙ্গে আমি বিজনেস সেন্টারে দেখা করতে চাইনি। ওপরে আমরা ৪০ মিনিটের মতো ছিলাম।"
এসময় রাজা আরও জানান, দীর্ঘ ১৯ বছরের পুরোনো বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরা আসায় তিনিই মূলত দেখা করতে চেয়েছিলেন। ব্যস্ত সূচিতে বছরের বেশিরভাগ সময় পরিবার-পরিজনের সঙ্গে তেমন দেখা হয় না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অন্য দিকে পুলিশের চিঠিতে দাবি করা হয়, ওই সাক্ষাৎ প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলেছিল। এছাড়া পিসিবির নিরাপত্তা ও অ্যান্টি-করাপশন বিভাগের আপত্তি সত্ত্বেও এই ঘটনা ঘটেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
লাহোর কালান্দার্সের ভেতরের সূত্রগুলো ঘটনাটির মূল দিকগুলো নিশ্চিত করলেও, ‘জোরপূর্বক’ কাউকে প্রবেশ করানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মিডিয়া বিভাগের প্রধান উমর ফারুক জানিয়েছেন, বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে এবং পাকিস্তান সুপার লিগ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে।
পাঞ্জাব পুলিশের চিঠিতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত পিসিবি বা পিএসএলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

বিপদ যেন কাটছেই না কলকাতা নাইট রাইডার্সের। চোটের মিছিলে একাধিক ফাস্ট বোলারকে হারানোর পর এবার পেস বোলিং অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের বোলিংয়েও পড়েছে নিষেধাজ্ঞা। প্রায় দুই সপ্তাহ বোলিং করতে পারবেন না কলকাতার এই অস্ট্রেলিয়ান তারকা।
অথচ নিলাম থেকে ২৫ কোটি ২০ লাখ রুপিতে গ্রিনকে দলে নিয়েছে কলকাতা। যা কিনা আইপিএলে বিদেশি কোনো ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ দাম। কিন্তু টুর্নামেন্টের শুরু থেকে তার ব্যাটিং-বোলিং একসঙ্গে পাবে না তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রোববার রাতের ম্যাচে তিন নম্বরে নেমে ১০ বলে ১৮ রান করেন গ্রিন। পরে ২২০ রানের পুঁজি নিয়ে ফিল্ডিংয়ে নামার পর বোলিং করেননি ২৬ বছর বয়সী অলরাউন্ডার। ম্যাচে মোট ৬ জন বোলার ব্যবহার করলেও, গ্রিনকে আনেননি অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে।
ম্যাচ শেষে তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, গ্রিনকে কেনো বোলিং করানো হলো না? এই প্রশ্নে কলকাতা অধিনায়ক রাহানে সরাসরি বলেন, ‘ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে জিজ্ঞেস করুন।’
আরও পড়ুন
| সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মঙ্গলবার কিছু একটা হবে, বললেন সমিত |
|
রাহানের এই মন্তব্যের পর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, সামান্য পিঠের সমস্যার কারণে আপাতত ১০ থেকে ১২ দিন বল করবেন না গ্রিন। ২৬ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার ২০২৪ সালের শেষ দিকে বড় ধরনের পিঠের অস্ত্রোপচারও করিয়েছিলেন।
এক বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড জানায়, গ্রিন বর্তমানে ভারতে নিজের বোলিং লোড ধীরে ধীরে বাড়াচ্ছেন। আশা করা হচ্ছে, ১০-১২ দিনের মধ্যে তিনি আবার বল করতে পারবেন। পাশাপাশি তারা নিশ্চিত করেছে, বিষয়টি কলকাতা ফ্র্যাঞ্চাইজিকেও জানানো হয়েছে।
গ্রিন ছাড়াও এবারের আইপিএলে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও কাজের চাপ নিয়েও বাড়তি নজর রয়েছে। জশ হ্যাজেলউড এখনও পুরোপুরি ম্যাচ-ফিট নন। মিচেল স্টার্ক জানিয়েছেন কাঁধ ও কনুইয়ের চোট থেকে সেরে উঠছেন। প্যাট কামিন্স লাম্বার স্ট্রেস সমস্যার কারণে বাইরে।
এছাড়া নাথান এলিস ও জ্যাক এডওয়ার্ডস চোটের কারণে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে গেছেন। সব মিলিয়ে, আইপিএলের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ান শিবিরে ইনজুরির ছায়া স্পষ্ট।

প্রায় দেড় মাসের ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরে রোববার সশরীরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাজ শুরু করে দিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। প্রথম দিনই জাতীয় দলের ফিটনেস ক্যাম্পের খোঁজখবর নিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। এছাড়া সেরেছেন অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রম।
এর মাঝেই রোববার দুপুরে প্রথম আলো, সমকালসহ উপস্থিত সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন বুলবুল। যেখানে গত মাসে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলা নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি।
“(বিশ্বকাপ না খেলা ভুল ছিল কি না) এ নিয়ে কিছু না বলি। তবে খুব চেষ্টা করেছি (বিশ্বকাপ খেলার)। দিন শেষে আমিও তো একজন ক্রিকেটার। (বিশ্বকাপ না খেলা নিয়ে তদন্ত কমিটির আলোচনা) ওটার ব্যাপারে আমার ধারণা নেই, কিছু শুনিনি। পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি।”
“অনুসন্ধান তো সরকার করতেই পারে। তাদের কথা আমরা শুনব, শুনছি। আবারও বলছি, (নাজমুল আবেদীন) ফাহিম ভাইসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জাতীয় দলের স্কোয়াড ঠিক করেছিল। আমাদের যাওয়ার প্রস্তুতিও ছিল, কোথায় খেলবে, না খেলবে- সবই নির্ধারিত ছিল। তবে সরকারের সিদ্ধান্তকে সম্মান করতেই হবে।”
আরও পড়ুন
| ক্রীড়াবিদদের জন্য নতুন দিগন্ত: বেতন কাঠামো ও ক্রীড়া কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী |
|
সামনের দিনগুলোতে বুলবুলের জন্য হয়তো বেশ কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। কারণ স্থবির হয়ে আছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট টুর্নামেন্ট ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। এটি আবার চালুর ব্যবস্থা নিতে হবে তার।
এছাড়া জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষ থেকে বিসিবি নির্বাচনের অনিয়ম তদন্তের জন্য বিশেষ কমিটি করা হয়েছে। সেই কমিটির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বসতে হবে বিসিবি সভাপতির। এর সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে বোর্ডের দুই পরিচালক ইশতিয়াক সাদেক ও আমজাদ হোসেনের পদত্যাগ।
সব মিলিয়ে বাইরে থেকে একরকম সংকটময় পরিস্থিতিই মনে হচ্ছে বিসিবিতে। তবে বোর্ড সভাপতি বুলবুলের চোখে সংকটের কিছু নেই বিসিবিতে।
“আমি কোথাও কোনো সংকট দেখছি না। বোর্ড নিজস্ব নিয়মে স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। জাতীয় দল খেলছে আর মেয়েদের দল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সামগ্রিকভাবে সব কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে। কোথাও কোনো সংকট নেই। এটা তো নির্বাচিত কমিটি। সাড়ে পাঁচ মাস ধরে বোর্ড চলছে। এ ধরনের প্রশ্ন আমরা আশা করি না।”