
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন প্লেয়ার্স লিস্টে নাম উঠিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ম্যাচের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। ছিলেন সেই দিন ৯৯ রানে ব্যাটিংয়ে।
আর মাত্র ১ রান হলেই শততম টেস্টে সেঞ্চুরির বিরল রেকর্ডে ১০ কৃতিমানের পাশে শোভা পাবে মুশফিকুর রহিমের নাম। এমন একটি স্মরণীয় মুহূর্তের স্বাক্ষী হতে দ্বিতীয় দিন বল মাঠে গড়ানোর বেশ আগেই হাজির দর্শক, বিসিবির একদল পরিচালক। তবে সেই একটি রানের জন্য মুশফিককে অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে দ্বিতীয় দিনের নবম বল পর্যন্ত। বাঁ হাতি স্পিনার হামফ্রিসের প্রথম ওভারের ৬টি বলের সব কটি ডট করেছেন মুশফিক। দ্বিতীয় ওভারে পেসার জর্ডান নিল-এর প্রথম বলে লিটন সিঙ্গল নিয়ে প্রান্ত বদল করলে মুশফিকের প্রতীক্ষার অবসান হয়। ১ বল ডট করে পরের বলে
ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগে ঠেলে দিয়ে সিঙ্গল নিয়েই ঢুকে গেলেন টেস্টের আর একটি অভিজাত ক্লাবে। কলিন কাউড্রে, জাভেদ মিয়াদাদ, গর্ডন গ্রীনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট এবং ডেভিড ওয়ার্নারের পর ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি টেস্টে সেঞ্চুরি উদযাপন করেছেন মুশফিক।
ভাবুন তো, যে ক্লাবের সদস্যপদ পাননি ভারত, শ্রীলঙ্কা, নিউ জিল্যান্ডের মতো দেশের কোনো লিজেন্ডারি, সেই ক্লাবে মুশফিকুর রহিম!
সেঞ্চুরি টেস্টে সেঞ্চুরির ইনিংসটি থেমেছে ১০৬ রানে। বাঁ হাতি স্পিনার হামফ্রিসের এক্সট্রা বাউন্স ব্যাকফুটে ডিফেন্স করতে যেয়ে স্লিপে বালবার্নির ডাইভিং ক্যাচে থেমেছেন মুশফিক। ২৮৪ মিনিটের ইনিংসে মেরেছেন তিনি ৫টি বাউন্ডারি। ৪র্থ উইকেট জুটিতে লিটনকে সঙ্গে নিয়ে ১০৭ রানে দিয়েছেন মুশফিক নেতৃত্ব।
মুশফিকুরের ইতিহাসময় টেস্টে লিটন ফিরেছেন ছন্দে। মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্ট ম্যাচটি প্রথম শ্রেনির ক্রিকেটে লিটনের শততম ম্যাচ। এমন ম্যাচে ১১ রান করে ৬ষ্ঠ বাংলাদেশী হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের মধ্যে টেস্টে ৬ষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে পেয়েছেন ৩ হাজারী ক্লাবের সদস্যপদ। স্পিনার গ্যাভিন হোয়ে-কে প্যাডেল সুইপ শটে বাউন্ডারিতে পূর্ণ করেছেন ৫ম টেস্ট সেঞ্চুরি। ১৫ মাস পর তার টেস্ট সেঞ্চুরিটি ১৪ ইনিংস বিরতি দিয়ে। মুশফিকুর রহিমের মতো লিটনকেও থামিয়েছেন হামফ্রিস। এবং যথারীতি লিটনও দিয়েছেন স্লিপে ক্যাচ। ২৭৩ মিনিটের ইনিংসে ১২৮ রানে মেরেছেন লিটন ৮ চার, ৪ ছক্কা। এমন একটি দিনে ফিফটি হাতছাড়া করেছেন মিরাজ। ৪৭ রানের মাথায় লেগ স্পিনার গ্যাভিন হোয়ের বলে হাফ হার্টেড শট নিতে যেয়ে পয়েন্টে দিয়েছেন ক্যাচ মিরাজ। যে ইনিংসে মেরেছেন মিরাজ ৪ চার, ১ ছক্কা।
প্রথম দিন বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৯২/৪। দ্বিতীয় দিন শেষ ৬ জুটি যোগ করেছে ১৮৪ রান। থেমেছে বাংলাদেশ ৪৭৬-এ। দ্বিতীয় দিনের টি ব্রেকের আধ ঘন্টা আগে শেষ হয়েছে বাংলাদেশের ইনিংস।
২ বছর আগে আইরিশ অফ স্পিনার ম্যাকব্রাইন বাংলাদেশের বিপক্ষে মিরপুরে পেয়েছিলেন ইনিংসে ৬ উইকেট (৬/১১৮)। সেটাই ছিল প্রথম ১০ টেস্টে তার একমাত্র ৫ উইকেটের ইনিংস। মিরপুরে ফিরে আবার দেখা পেয়েছেন ৬ উইকেট (৬/১০৯)। আগের দিনের ৪ উইকেটের পাশে দ্বিতীয় দিনের শেষ স্পেলে (২.১-০-৯-২) ম্যাকব্রাইন ২ উইকেট পেয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন।
মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্ট ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখার পথে এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ দল। স্টালির্ংকে রিভিউ আপীলে ফিরিয়ে দিয়ে শুরুটা করেছেন পেসার খালেদ (৬-০-৩০-১)। সময় গড়ানোর সাথে সাথে উইকেটে টার্ন এবং বাউন্স পেয়ে বাংলাদেশের তিন স্পিনার ( হাসান মুরাদ ১০-৩-১০-২, মিরাজ ৩-০-১১-১, তাইজুল ৩-০-৬-১) ছড়িয়েছেন আতঙ্ক। তিন স্পিনারের ঘূর্নিতে রীতিমতো দিশেহারা আয়ারল্যান্ড আরও একটি ইনিংস হারের মুখে। সাড়ে ৭ ঘন্টা ফিল্ডিং করে অতিষ্ঠ আয়ারল্যান্ড টপ এবং মিডল অর্ডার ব্যাটারদের ব্যাটিংয়ে ক্লান্তি ফুটে উঠেছে। ব্যাটিংয়ে নেমে দিনের শেষ ১৬৮ মিনিট হারিয়েছে সফরকারীরা ৯৮ রানে ৫ উইকেট। ফলো অন থেকে বাঁচতে তাদেরকে করতে হবে শেষ ৫ উইকেটে আরও ১৭৯ রান।
No posts available.
১১ মার্চ ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম

বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি গৌতম গম্ভীর, যিনি ক্রিকেটার ও কোচ হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছেন। ভারতের কোচ হিসাবে দু’বছরে দু’টি আইসিসি ট্রফি জেতা ব্যক্তিও তিনি। অথচ সূর্যকুমার যাদবদের কোচ হতে মোটেও আগ্রহী ছিলেন না গম্ভীর। তবে আইসিসির বর্তমান চেয়ারম্যান জয় শাহর অনুরোধে ভারতের দায়িত্ব নেন তিনি।
বিশ্বকাপ জয়ের পর এক সাক্ষাৎকারে গম্ভীর বলেন,
‘‘মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ম্যাচের আগে জয় ভাই আমাকে ফোন করেন। ফোন দিয়ে তিনি আমাকে বলেন, ‘তোমাকে একটা প্রস্তাব দেব, না করতে পারবে না।’ আমি বললাম, ‘কী প্রস্তাব’। জয় ভাই বলল, ‘তোমাকে ভারতীয় দলের প্রধান কোচ হতে হবে।’ সত্যি বলতে, ওই সময় আমি প্রস্তুত ছিলাম না।”
জয় শাহ’র আচমকা প্রস্তাবে দ্বিধায় পড়ে যান গম্ভীর। কিছুটা অবাকও হয়ে যান তিনি। কারণ, বিশ্বকাপজয়ী একটি দলের কোচ হওয়া এতটা সহজ ব্যাপার নয়। বরং এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া।
গম্ভীর বলেন,
‘আমি অবাক হয়েছিলাম। আমার মতে, ভারতীয় দলের কোচ হওয়া সম্মানের। কারণ, কত জন আবার ভারতীয় দলের জার্সি পরে ওই সাজঘরে যাওয়ার সুযোগ পায়। আমাকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছিল।’
কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পুরো কৃতিত্ব জয়কেই দিয়েছেন গম্ভীর। তিনি বলেন,
‘আমাকে বলুন, কত জন সাবেক ক্রিকেটার কোচ হতে পারে। সংখ্যাটা খুবই কম। জয় ভাই বলেছিল, আমি না করতে পারব না। আমি নাতাশার (গম্ভীরের স্ত্রী) সঙ্গে কথা বললাম। কিন্তু জয় ভাইয়ের কথাতেই দায়িত্ব নিয়েছিলাম। সাংবাদিক বৈঠকেও সেটা বলেছি।’

ভারতের ট্রফি অর্জনের মধ্য দিয়ে পর্দা নামল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০২৬ কুড়ি কুড়ির টুর্নামেন্টের ঠিক দুই দিন পরই কে কত প্রাইজমানি পাচ্ছে, জানাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা—আইসিসি।
আইসিসি জানিয়েছে, ২০ দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে মোট ১১.২৫ মিলিয়ন ডলার বণ্টন করা হবে। ২০২৪ সালে আইসিসি যে ঘোষণা দিয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে।
নিউ জিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারানোর পর ভারতের পুরস্কার হিসেবে পাচ্ছে ২,৬৩৯,৪২৩ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩১ কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার ৭৬০ টাকা। রানার্সআপ পাচ্ছে ১৪ লাখ ২২ হাজার ৬৯২ ডলার।
সেমি-ফাইনালে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকা ১০ লাখ ৫ হাজার ৫৭৭ ডলার এবং ইংল্যান্ড পাচ্ছে ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৩ ডলার।
সুপার এইটে খেলা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫ লাখ ৩৮ হাজার ২৬৯ ডলার, পাকিস্তান ৫ লাখ ২২ হাজার ৬৯২ ডলার, জিম্বাবুয়ে ৪ লাখ ৯১ হাজার ৫৩৮ ডলার এবং সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা পাচ্ছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৯৬২ ডলার।
গ্রুপ পর্বে ভালো পারফরম্যান্স করা যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং আফগানিস্তান প্রত্যেকেই ৩ লাখ ৯ হাজার ৮০৮ ডলার করে পাবে।
একটি ম্যাচ জেতা স্কটল্যান্ড পাচ্ছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৬৫৪ ডলার এবং আয়ারল্যান্ড পাবে ২ লাখ ৭১ হাজার ৭৩১ ডলার। বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নিয়ে জয় পাওয়া ইতালি পেয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ১৫৪ ডলার। একই অঙ্ক পেয়েছে নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও নেপাল। অন্যদিকে কানাডা, নামিবিয়া ও ওমান—এই তিন দল প্রত্যেকে ২ লাখ ২৫ হাজার ডলার করে পাচ্ছে । যা ছিল অংশগ্রহণের ভিত্তি পুরস্কার।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ার খুব একটা বড় নয় শন টেইটের। তবে অজি লিজেন্ডারি পেসার জেফ থমসনের স্টাইলে বোলিং করতেন। অনবরত ঘন্টায় ১৫৫ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারতেন। স্পিড গান-এ ২০১০ সালে একটি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে ঘন্টায় ১৬০.৭ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন শন টেইট। ২০২৫ সালের মে মাসে শন টেইটকে ২ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দিয়ে বাংলাদেশের পেসারদের গতিকে সমীহ করার পর্যায়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন বিসিবির তৎকালীন সভাপতি ফারুক আহমেদ। এক সময়ে ব্রেট লি'র গতির সঙ্গে তুলনা করা হতো যাকে, সেই শন টেইটকে পেয়ে তরুণ পেসার নাহিদ রানা অনেক বেশি ভয়ংকর রূপ ছড়াচ্ছেন।
এই অজি বোলার কোচ হয়েও বন্ধুর মতো, সবসময়ে উদ্বুদ্ধকরণ কথা বলেন। বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে সেরা বোলিং করে (৫/২৪) সংবাদ সম্মেলনে তেমনটাই বলেছেন নাহিদ রানা-
‘কোচ হিসেবে উনি আউটস্যান্ডিং। উনি কোচ হয়েও ফ্রেন্ডের মতো বিহ্যাব করেন। যখন যে জিনিসটা দরকার, সেই জিনিসটা দেন। উনি বলেন, তোমরা তোমাদের স্ট্রেন্থ অনুযায়ী খেলো। তোমরা খেলবে মাঠে, আমি তোমাদেরকে প্লান দিব। তোমরা শুধু মাঠে করে দেখিও। উনি সব সময়ে উদ্বুদ্ধকরণ কথা বলেন।’
দলে মোস্তাফিজ-তাসকিনের মতো অভিজ্ঞ এবং বিশ্বমানের পেসার আছেন বলেই তাদের ছায়ায় পরিণত হতে চাইছেন নাহিদ রানা। বুধবার এই দুই সিনিয়রের টিপস কাজে লাগিয়েছেন বলে জানিয়েছেন নাহিদ রানা-
তাসকিন ভাই, ফিজ ভাই-এর সাথে কথা বলছিলাম, উনারা বলছিলেন বল উইকেটে জায়গামত হিট করতে। সেটাই করেছি। আমি যখন উইকেট পাচ্ছিলাম, আমার বল খেলতে সমস্যা হচ্ছিল, তাই লম্বা সময় বল করেছি। ক্যাপ্টেন, শান্ত ভাইয়ের প্লান ছিল, মাঠের মধ্যে তাদের হেল্প নিয়েছি।’
মাঠে এবং মাঠের বাইরে বাংলাদেশ দলের সবাই ভাই-ব্রাদার, একটা পরিবারের মতো। তেমনটাই জানিয়েছেন নাহিদ রানা-
‘আসলে আমরা ভাই-ব্রাদার, অন দ্য ফিল্ড যতোটা হাসিখুশি থাকি, অফ দ্য ফিল্ড আরও বেশি হাসিখুশি থাকি।’

শুরুর আগে আরও একবার বদলে নারী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (ডব্লিউবিপিএল) ক্রিকেটের সূচি। তিন মাস পিছিয়ে আগামী জুলাইয়ে হবে প্রথম নারী বিপিএল। নতুন ভেন্যু হিসেবে যুক্ত হয়েছে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার রাতে এই খবর জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রাথমিকভাবে আগামী ৪ এপ্রিল শুরু করে ১৪ এপ্রিল ফাইনাল ম্যাচের সূচি ঘোষণা করেছিল বোর্ড। তবে এখন সেই ভাবনা সরে এসেছে তারা।
বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সম্ভাব্য ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শের পর, দলগুলোর প্রস্তুতির সময় দেওয়া যেমন স্কোয়াড গঠন, বিদেশি ক্রিকেটার আনা ও পরিকল্পনা সাজাতে সুবিধার জন্য টুর্নামেন্টটি জুলাই মাসে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিবর্তিত এই সূচি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যালেন্ডারের সঙ্গেও ভালোভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশেষ করে চলতি বছরের জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর নারী বিপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের সুযোগ আরও বাড়বে।
নতুন পরিকল্পনা অনুয়ায়ী, ডব্লিউবিপিএলের প্রথম আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও ঢাকাতেও ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ ২১ জুলাই ঢাকার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
টুর্নামেন্টের ফ্র্যাঞ্চাইজি, খেলোয়াড় তালিকা ও স্পন্সরের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে।

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে একাদশে তিন পেসার নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা—তিনজনই নামের মতো পারফরম্যান্স করেছেন। সবচেয়ে সফল ছিলেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। ২৪ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন তিনি।
নাহিদ বোলিংয়ে আসার আগ পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। তার হাতে যখন মেহেদী হাসান মিরাজ বল তুলে দেন, তখন থেকেই তুরুপের তাসের মতো উইকেট পড়তে থাকে পাকিস্তানের। শেষ পর্যন্ত ১২৪ রানে থেমে যায় অতিথিদের যাত্রা।
উইকেটে সদ্ব্যব্যহার করে পেসের সঙ্গে বাউন্স এবং বুদ্ধি খাটিয়ে পাকিস্তানের প্রথম সারির পাঁচ ব্যাটারকে ফেরান নাহিদ। পাকিস্তানে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ থেকে পিছিয়ে পড়ার পেছনে বড় ভূমিকা নাহিদের। ম্যাচ শেষে তাকে নিয়ে অতিথি দলের কোচ মাইক হেসন জানা, নাহিদের ভবিষ্যত উজ্বল। সে বেশ সম্ভবনাময়।
পাকিস্তানের কোচ বলেন,
‘আসলে তাকে সরাসরি বোলিং করতে আজই প্রথম দেখলাম। টিভিতে অবশ্য অনেকবার দেখেছি। ওয়ার্ম-আপেও তাকে বেশ ভালো লাগছিল। সে উইকেটে জোরে বল করে, সিম ভালোভাবে ব্যবহার করে এবং ক্রস-সিমেও বল করে। আমার কাছে সে খুবই সম্ভাবনাময় এক বোলার মনে হয়েছে। আর আজ একদিনের ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়া তো সত্যিই বিশেষ একটি পারফরম্যান্স। তাই সে যে স্বীকৃতি পাচ্ছে, সেটার পুরোপুরি যোগ্য।’