
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর মাঠে গড়াবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি। এখনও দিন-তারিখ বা পূর্ণ সূচি নির্ধারিত হয়নি। তবে জানা গেছে, ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট।
গত মঙ্গলবার বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সভা শেষে জানানো হয়, ১২তম আসরে অংশ নেবে পাঁচটি দল। যার অন্যতম হলো নাবিল গ্রুপ মালিকানাধীন রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজি। আগামী পাঁচ মৌসুমের জন্য রাজশাহীর মালিকানা পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে এবারই প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘রাজশাহী ওয়ারিয়র্স’ নামেই মাঠে নামবে তারা।
মালিকানা পাওয়ার পরপরই নতুন কোচ নিয়োগ দিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বিপিএলের আসন্ন মৌসুমে দলটির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন হান্নান সরকার।
এরই মধ্যে জাতীয় দলের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে দলে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা এগিয়েছে। প্লেয়ার্স ড্রাফটের আগেই সরাসরি চুক্তিতে বাঁহাতি এই ব্যাটারকে দলে ভেড়াতে পারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
বিপিএলের দল পেতে আবেদন করেছিল ১১টি প্রতিষ্ঠান। প্রাথমিক পর্যালোচনায় বাদ দেওয়া হয় দুটি প্রতিষ্ঠানকে। বাকি ৯টি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয় পাঁচটি প্রতিষ্ঠান।
এবারের বিপিএলে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও রংপুর—এই পাঁচ শহরের দল অংশ নেবে। এর মধ্যে ঢাকার মালিকানা পেয়েছে চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস, রংপুরের মালিকানা টগি স্পোর্টস, চট্টগ্রামের টাইএঙ্গেল স্পোর্টস, সিলেটের ক্রিকেট উইথ সামি, আর রাজশাহীর মালিকানা পেয়েছে নাবিল গ্রুপ।
No posts available.
২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২৪ পিএম
২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:০১ পিএম
২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৫:৩১ পিএম
২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৩:৫০ পিএম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম সংস্করণ মাঠে গড়াবে দুই সপ্তাহ পর। তার আগে বড় ধাক্কা খেল দক্ষিণ আফ্রিকা। চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন টনি ডি জর্জি ও ডোনোভান ফেরেইরা। এই দুই প্রোটিয়া ব্যাটারের পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন রায়ান রিকেলটন ও ট্রিস্টান স্টাবস।
আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড (সিএসএ) জানিয়েছে, জর্জি গত ডিসেম্বরে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় প্রত্যাশিত উন্নতি না হওয়ায় বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না তাঁর।
এসএ টি-টোয়েন্টিতে ফিল্ডিং করার সময় ফেরেইরার কাঁধের হাড় ভেঙে যায়। গুরুতর এই চোটের কারণে তিনিও বিশ্বকাপ স্কোয়াডে।
আরও কয়েকজন ক্রিকেটারের ফিটনেস নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে। ডেভিড মিলার অ্যাডাক্টর পেশির চোটে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে পারবেন না। বিশ্বকাপে তাঁর অংশগ্রহণ নির্ভর করছে ফিটনেস পরীক্ষার ফলাফলের ওপর।
এ ছাড়া পেসার লুঙ্গি এনগিডি ও অলরাউন্ডার ডেওয়াল্ড ব্রেভিসও চোট সমস্যায় ভুগছেন।সিএসএ জানিয়েছে, মিলারের চোট নিয়েই সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
নিয়মানুযায়ী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ঘোষিত বিশ্বকাপ দলে যে কোনো কারণে পরিবর্তন আনতে পারবে দলগুলো। তবে এই সময়ের পর কোনো পরিবর্তন করতে হলে আইসিসির ইভেন্ট টেকনিক্যাল কমিটির বিশেষ অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি কানাডার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে দক্ষিণ আফ্রিকা।
দক্ষিণ আফ্রিকা দল:
এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), করবিন বোশ, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, কুইন্টন ডি কক, মার্কো জানসেন, জর্জ লিন্ডে, কেশব মহারাজ, কোয়েনা মাফাকা, ডেভিড মিলার, লুঙ্গি এনগিদি, আনরিখ নরকিয়া , কাগিসো রাবাদা, রায়ান রিকেলটন, জেসন স্মিথ ও ট্রিস্টান স্টাবস।

ব্যাটারদের সম্মিলিত অবদানে লড়াইয়ের পুঁজি পেল বাংলাদেশ। তিন স্পিনার সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খান ও ফাহিমা খাতুন মিলে স্পিনের জাদুতে নাচিয়ে ছাড়লেন প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের। অনায়াস জয়ে সুপার সিক্সে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ দল।
নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ম্যাচে নামিবিয়াকে ৮০ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে ১৪৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। জবাবে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যায় নামিবিয়া।
টানা তিন ম্যাচে তিন জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে এখন বাংলাদেশ। একইসঙ্গে নিশ্চিত হয়েছে সুপার সিক্সের টিকেট। গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে শনিবার আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে তারা।
বৃহস্পতিবারের ম্যাচে বাংলাদেশের পক্ষে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কেউই। সোবহানা মোস্তারির ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ২৭ রান। দিলারা আক্তার খেলেন ১৭ বলে ২৫ রানের ইনিংস। ১৮ বলে ২৩ রান করেন স্বর্ণা আক্তার।
রান খরায় ভুগতে থাকা অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ২১ রান করতে খেলে ফেলেন ২৯ বল।
নামিবিয়ার হয়ে ২টি করে উইকেট নেন সাইমা তুহাদেলেনি ও সিলভিয়া শিহেপো।
রান তাড়ায় নামিবিয়ার পক্ষে দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেন শুধু অধিনায়ক সুন উইটমান (১৯) ও উইকেটকিপার মার্কজারলি গোরাসেস (১২)।
বাঁহাতি স্পিনের জাদুতে ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রানে ৪ উইকেট নেন মেঘলা। ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে তিনিই জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। এছাড়া লেগ স্পিনার রাবেয়া খান ৫ রানে ৩টি ও ফাহিমা খাতুন ১২ রানে নেন ৩টি উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৪৪/৭ (দিলারা ২৫, জুয়াইরিয়া ৯, শারমিন ১৩, জ্যোতি ২১, সোবহানা ২৭, স্বর্ণা ২৩, রিতু ৬, রাবেয়া ১১*, ফাহিমা ১*; সাইমা ৪-০-৩৪-২, কেজারুকুয়া ২-০-১৯-০, উইলকা ৪-০-১৪-১, সিলভিয়া ৪-০-২১-২, উইটমান ২-০-১৭-০, জুরিয়েন ৪-০-৩৫-১)
নামিবিয়া: ১৭.৫ ওভারে ৬৪ (উইটমান ১৯, ইয়াসমিন ৫, গ্রিন ৩, গোরাসেস ১২, উইলকা ৯, নাওমি ২, মিকেল ২, জুরিয়েন ০, সিলভিয়া ১, কেজারুকুয়া ০, সাইমা ৬*; তৃষ্ণা ৩-০-১৮-০, মেঘলা ৪-১-১৪-৪, রাবেয়া ৪-১-৫-৩, রিতু ২-০-৮-০, ফাহিমা ৩.৫-০-১২-৩, স্বর্ণা ১-০-৫-০)
ফল: বাংলাদেশ ৮০ রানে জয়ী

নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে গেলে কী কী ক্ষতি হতে পারে সেটিও বিবেচনা করার আহ্বান জানালেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন,, বিশ্বকাপ না খেললে কী ক্ষতি হবে এর চেয়ে বড় বিষয় হলো, বিশ্বকাপ খেললে কী কী ক্ষতি হতে পারে।
ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলার ইস্যুতে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আসিফ নজরুল। প্রায় দেড় ঘণ্টার আলোচনা শেষে তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ।
আইসিসির একটি বৈশ্বিক আসর না খেললে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এছাড়া দুই বছর পর ২০২৮ সালের বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নেওয়ার সুযোগও হারাতে পারে তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুলকে এসব ক্ষতির ইঙ্গিত দিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি পাল্টা প্রশ্নে বিশ্বকাপ খেলতে গেলে সম্ভাব্য ক্ষতির প্রশ্ন তোলেন।
“বিশ্বকাপ খেললে বাংলাদেশে কী ক্ষতি হবে সেটাও আপনাদের বিবেচনায় নেওয়া উচিত। মাথা নত করে নিজের দেশের মানুষকে নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যে ফেলে, এই আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা না করে একটা জেনুইন রিস্কের মধ্যে নিজের দেশের শুধু খেলোয়াড় না, দর্শক এবং সাংবাদিকদেরকে ঠেলে দিলে কী ক্ষতি হতে পারে সেটাও আপনাদের সবার বিবেচনায় নেওয়া উচিত।”
গত ৩ জানুয়ারি মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে শুরু হয় সব ঘটনা। পরদিন বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ। এরপর প্রায় আড়াই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও, ক্রিকেটারদের সঙ্গে এই বিষয়ে কোনো আলোচনা করেনি ক্রিকেট বোর্ড।
তবে এই প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেছেন ভিন্ন কথা।
“আমি একটা কথা স্পষ্ট করে বলি, খেলোয়াড়দের সঙ্গে বোর্ডের সবসময় যোগাযোগ ছিল। ঠিক আছে? আর আপনাদের আমি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেই, এই যে সিকিউরিটি রিস্কের কথা বিবেচনা করে ভারতে বিশ্বকাপ না খেলা, এটা আমাদের সরকারের সিদ্ধান্ত। কোনো একটা দেশের মানুষ অন্য একটা দেশে গেলে সিকিউরিটি রিস্ক আছে কিনা সেটা সরকার বিবেচনা করে দেখে। এটা অন্য কারো বিবেচনার স্কোপ নাই।”

জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টার বৈঠকের পর বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আবারও সাফ জানিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ। এছাড়া আইসিসির সভায় সুবিচার না পাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার পর জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে বিশ্বকাপ সম্পর্কে কথা বলতে বৈঠক ডাকেন আসিফ নজরুল। সেখান ক্রিকেটারদের পাশাপাশি টিম ম্যানেজমেন্ট সদস্যদের কথাও শোনেন তিনি।
প্রায় দেড় ঘণ্টার বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত আরও একবার জানিয়ে দেন আসিফ নজরুল। এই প্রসঙ্গে তার পুরো বার্তা নিচে দেওয়া হলোঃ
“আসসালামু আলাইকুম। বাংলাদেশের জাতীয় দলের যে ক্রিকেট প্লেয়াররা আছেন, তাদের সঙ্গে বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুল ভাই, বোর্ডের সিনিয়র কর্মকর্তা (নাজমুল আবেদীন) ফাহিম ভাই, আমাদের সচিবকে নিয়ে বসেছিলাম। আমি ব্যক্তিগতভাবে ক্রিকেটের অনেক বড় একজন ভক্ত। আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমে লিটন আছে, মিরাজ আছে, নাজমুল আছে, সোহান, তামিম সবারই ভক্ত।”
“তো স্বাভাবিকতই আমরা সবাই চেয়েছি আমরা যেন বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলতে পারি, আমরা যেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারি। কারণ আমাদের ক্রিকেটাররা একটা কষ্ট করে অর্জন করেছে। কিন্তু আমাদের যে নিরাপত্তা ঝুঁকি ভারতে খেলার ক্ষেত্রে, সেই নিরাপত্তা ঝুঁকি পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।”
“আমাদের যে নিরাপত্তা ঝুঁকির যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, এটা কোনো বায়বীয় বিশ্লেষণ বা ধারণা থেকে হয় নাই। এটা একটা সত্যিকারের ঘটনা থেকে হয়েছে। যেখানে আমাদের দেশের একজন সেরা প্লেয়ারকে (মোস্তাফিজুর রহমান) উগ্রবাদীদের কাছে মাথা নত করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাকে ভারত থেকে বের করে দিচ্ছিল... সোজা কথা, বের করে দিতে বলেছে। তো এখন আইসিসির যে টুর্নামেন্টটা, এটা তো ভারতেই হবে। আইসিসি আমাদেরকে যতই বলুক নিরাপত্তা আশঙ্কা নেই, আইসিসির নামে তো আলাদা কোনো দেশ নাই। যেই দেশে আমার একটা প্লেয়ার নিরাপত্তা পায় নাই, যেই দেশে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সরকারের একটা এক্সটেন্ডেড পার্ট, তারাই আমার প্লেয়ারকে উগ্রবাদীদের চাপে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ বা অনিচ্ছুক হয়েছে, ব্যর্থ বা অনিচ্ছুক হয়েছে, সেই দেশেই খেলা হচ্ছে।”
“সেই দেশের পুলিশ, সিকিউরিটি এজেন্সিরই দায়িত্ব হবে ক্রিকেটারদেরকে নিরাপত্তা দেওয়া। তো আমরা তাহলে ওই ঘটনার পরে কী এমন চেঞ্জ হয়েছে ভারতের যে আমরা ভাবতে পারব যে ভারতে আবার কোনো উগ্রবাদী আস্ফালন হবে না? বা ভারত আমাদেরকে, মোস্তাফিজকে নিরাপত্তা দিতে পারে নাই তো কী হয়েছে? আমাদের ক্রিকেটারদের, আমাদের সাংবাদিকদের, আমাদের দর্শকদের সবাইকে নিরাপত্তা দিতে পারবে। এটা আমরা কিসের থেকে কনভিন্সড হবো?”
“আমাদের এই বিষয়ে কনভিন্স করার জন্য আইসিসি কোনো চেষ্টা করেনি। আইসিসি আসল যে ঘটনা, সেটা বাদ দিয়ে তার স্ট্যান্ডার্ড যে সিকিউরিটি প্রসিডিউর সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছে। যেখান থেকে ঘটনাটা শুরু, সেই ঘটনা নিয়ে আইসিসি কোনো স্ট্যান্ড নেয় নাই ঠিকমতো। এমনকি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে যে আমাদের কনভিন্স করার চেষ্টা করা যে যেই ঘটনাটা ঘটেছে মুস্তাফিজের ক্ষেত্রে এটা একটা আইসোলেটেড ঘটনা বা আমরা এটার জন্য সরি, আমরা এই ব্যবস্থা নিচ্ছি, তোমাদের দর্শক, তোমাদের সাংবাদিক, তোমাদের খেলোয়াড়দের জন্য কোনো রকম যোগাযোগের চেষ্টা করে নাই, কোনো রকম কনভিন্স করার চেষ্টা করে নাই।”
“ফলে আমাদের ডিসিশন পরিবর্তন হওয়ার কোনো রকম স্কোপ নাই। আমরা এখনো আশা করব, আমরা মনে করি আমরা আইসিসি থেকে সুবিচার পাইনি। আমরা এখনও আশা করব আইসিসি সুবিচার করবে। আমাদের যে বিশ্বকাপ খেলার যে অধিকার, যেটা শ্রীলঙ্কাতে আমাদের খেলার সুযোগ রয়েছে, এরকম বহু নজির পৃথিবীতে আছে যে অন্য একটা ভেন্যুতে সিকিউরিটি রিস্কের কারণে খেলা হচ্ছে।”
“আমাদের এখানে জেনুইন সিকিউরিটি রিস্ক আছে। আমরা এখনও আশা ছাড়ি নাই। আমরা আশা করব আইসিসি আমাদের জেনুইন সিকিউরিটি রিস্কটা সুবিবেচনার সাথে নিয়ে আমাদেরকে শ্রীলঙ্কায় খেলার সুযোগ করে দেবে বিশ্বকাপ। আমরা সেই আশাবাদ নিয়ে এখনো অপেক্ষা করছি। ধন্যবাদ।”
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার ইস্যুতে বুধবার বিকেলে অনলাইন সভা ডেকেছিল আইসিসি। ওই সভায় ভোটাভুটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ ভারতের মাঠেই খেলতে হবে। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান জানানোর জন্য বিসিবিকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছিল আইসিসি। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সিদ্ধান্তে এখন আগামী মাসে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যে নেমে এলো বলাই যায়।

বিপিএলে এখন পর্যন্ত দুইবার ফাইনাল খেলেছে চট্টগ্রামের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। তবে কখনও ট্রফি তুলে ধরতে পারেনি চট্টগ্রামের কোনো দল। এবার আরেকবার দেশের এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। দলের অধিনায়ক শেখ মেহেদি হাসান বললেন, শিরোপার স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নামবেন তারা।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে লড়বে চট্টগ্রাম। তাদের প্রতিপক্ষ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এর আগে ২০১৩ ও ২০২৫ সালের ফাইনালে খেলেছে চিটাগং কিংস। কিন্তু দুবারই রানার্স-আপ হয়ে থেমে গেছে তাদের বিপিএল।
চট্টগ্রামের তৃতীয়বারের চেষ্টায় শিরোপা নিজেদের করে নেওয়ার স্বপ্ন শেখ মেহেদি, শরিফুল ইসলামদের। ম্যাচের আগের দিন দলের অনুশীলনের পর সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন অধিনায়ক মেহেদি।
“ফাইনালে যেহেতু উঠেছি, শিরোপার স্বপ্ন কেন দেখব না ভাই? সবাই দেখবে। তবে আগামীকালের দিনটা যাদের ওপর থাকবে, তারাই ভালো ক্রিকেট খেলবে। সব ডিপার্টমেন্টে যারা ভালো করবে তারাই শিরোপা জিতবে। তবে আমার মনে হয় প্রত্যেকটা ক্রিকেটারই চায় শিরোপা জিততে। সবার ভিতরে সেই ক্ষুধাটা আছে। হোপ ফর দা বেস্ট! দেখা যাক, কী হয় কালকে।”
আরও পড়ুন
| সরকার ও বিসিবি যা চাইবে, তা-ই করা উচিত: শেখ মেহেদি |
|
টুর্নামেন্টের এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম। প্রথম পর্বের দুই ম্যাচে দুই দলের জয় ছিল একটি করে। পরে কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহীকে হারিয়ে সবার আগে ফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করে ফেলেছে চট্টগ্রাম।
সেই অভিজ্ঞতা থেকে আরেকটি লড়াইয়ে নামার আগে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে পূর্ণ অভিজ্ঞতা থাকার কথা বললেন শেখ মেহেদি।
“বিপিএলে ওয়ান অব দা বেস্ট দল আমার মনে হয় রাজশাহী। খুব ভারসাম্যপূর্ণ দল। সব ডিপার্টমেন্টে রাজশাহীর খুব ভালো প্লেয়ার আছে। তারা পুরা বিপিএলে ভালো ক্রিকেট খেলেছে। রাজশাহী দল সব চেয়ে বেশি ভালো লেগেছিল এই বছর।”
“রংপুরও ভালো ছিল সব দিক থেকে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা উঠতে পারেনি ফাইনালে। তবে রাজশাহী ওয়ান অফ দা বেস্ট টিম আমার কাছে মনে হয়। রাজশাহীর সঙ্গে আমাদের তিনটা ম্যাচ খেলা হয়েছে, তাদের সম্পর্কে ভালো পড়াশোনা করা হয়েছে। দেখা যাক কাল যদি ভালোভাবে এপ্লাই করতে পারি, আমাদের ফেভারেও আসতে পারে।”