
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এবং শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের মধ্যকার বসুন্ধরা ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) ম্যাচ চলাকালীন গুরুতর অসুস্থ বোধ করায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ককে।
বিকেএসপির ৩ নম্বর চলমান ম্যাচের টসের পরই অসুস্থতা দেখা দেয় তামিমের। এরপর ফিল্ডিংয়ের সময় বুকে ব্যথা অনুভব করার সাথে সাথেই মাঠ ছাড়েন অভিজ্ঞ এই ওপেনার।
তামিমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দ্রুত একটি হেলিকপ্টারও চলে আসে বিকেএসপিতে, যাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় নিয়ে আসা যায়। তবে ডাক্তাররা জানান, হেলিকপ্টার ভ্রমণে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে।
এরপর তামিমের অসুস্থতার তীব্রতা দেখে দেরি না করে বিকেএসপির নিকটস্থ কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগ পর্যন্ত বিকেএসপির মেডিকেল সেন্টারে দেওয়া হয় প্রাথমিক চিকিৎসা।
হাসপাতালে মোহামেডানের কর্মকর্তারা আছেন তামিমের সাথে। অন্যদিকে মিরপুরে হতে যাওয়া বিসিবির আজকের বোর্ড মিটিং বাতিল করা হয়েছে।
No posts available.
১০ মার্চ ২০২৬, ৫:৩২ পিএম
১০ মার্চ ২০২৬, ৪:৩৬ পিএম
১০ মার্চ ২০২৬, ৩:৫৯ পিএম

বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তানের ১৫ সদস্যের দলে ছয় জনই নতুন। এদের মধ্যে অন্তত তিনজনের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে অভিষেকের অপেক্ষায়। সাহিবজাদা ফারহানের বিষয়টি একটু বেশিই স্পষ্ট। বিশ্বকাপে পাকিস্তান ডুবলেও ব্যাট হাতে সফল ছিলেন এই তরুণ ওপেনার। দুই সেঞ্চুরিতে ৩৮৩ রান করে হয়েছেন টুর্নামেন্টসেরা।
মঙ্গলবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি জানিয়েছেন, ছয় নতুন মুখের মধ্যে অন্তত তিনজন অভিষেকের অপেক্ষায়।
আফ্রিদি বলেন,
‘সম্ভবত তিনজনের অভিষেক হবে সিরিজের প্রথম ম্যাচে। সাহিবজাদা ফারহান থাকবে। টি–টোয়েন্টি, ওয়ানডে ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে সে ভালো করেছে। শামিল হুসেইন ওপেন করবে এবং মাজ সাদাকাত ওয়ান ডাউনে খেলবে। মোট তিনজন অভিষেক হতে পারে। আশা করি তারা নিজেদের খেলাটা খেলবে এবং দক্ষতা দেখাবে। আমরা সবাই তাদের দেখতে মুখিয়ে আছি। শুধু এই সিরিজের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্যও তারা গুরুত্বপূর্ণ।’
পাকিস্তান দলটি অভিজ্ঞ ও তারুণ্য মিশেলে। দলের তিনভাগের একভাগ নতুন। নতুনদের কাছে নিশ্চয়ই প্রত্যাশা রয়েছে দলের।
শাহিন আফ্রিদি বলেন,
‘অবশ্যই। এক ম্যাচে তো ১৫ জন খেলতে পারে না। ১১ জনই খেলবে, সেটা দলের প্রয়োজন ও উইকেটের অবস্থা দেখে ঠিক করা হবে। আজ আমাদের আরেকটি অনুশীলন সেশন আছে। এরপর আমরা চূড়ান্ত একাদশ ঠিক করব।’

নতুন চেহারার দল নিয়ে বাংলাদেশে সিরিজ খেলতে আসছে পাকিস্তান। শাহিন শাহ আফ্রিদির নেতৃত্বে সফরকারী দলে জায়গা হয়নি অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান বাবর আজম ও তরুণ অলরাউন্ডার সাইম আইয়ুবের। এখনও পর্যন্ত ওয়ানডে ক্রিকেটে না খেলা ৬ জন ক্রিকেটার রয়েছেন এই স্কোয়াডে।
বাবর আজমের দলে না থাকার বিষয়টি বেশ সমালোচনা জন্ম দিয়েছে। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনি খুব ভালো করতে পারেননি। তবে ওয়ানডেতে বাবরের রেকর্ড দারুণ। শেষ সিরিজেও সেঞ্চুরি করেছেন। নির্বাচকেরা তাকে দলে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—এটা কীভাবে দেখছেন আফ্রিদি?
বুধবার থেকে শুরু হতে যাওয়ার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচের আগে মঙ্গলবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এমনই এক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন আফ্রিদি।
পাকিস্তান অধিনায়ক বলেন, ‘দেখুন, এই সিরিজের জন্য কাউকে বাদ দেওয়া হয়নি। আমরা শুধু তরুণদের সুযোগ দিতে চাই। তারাও আমাদের ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজে তাদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সময় এলে সবাই নিজেদের ভূমিকা বুঝবে। আমরা আসলে বিশ্বকাপের জন্য দলকে প্রস্তুত করছি। তরুণদের জন্য এটা নিজেদের দক্ষতা দেখানোর ভালো সুযোগ।’
বিশ্বকাপের পর পরই ওয়ানডে সিরিজে খেলতে নামছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপে ব্যর্থ মিশনের পর বাংলাদেশের মাটিতে কতটা সফল হবে সফরকারীরা, সেটা নিয়েই কথা হচ্ছে। কারণ, ঘরের মাঠে বাংলাদেশ বেশ কঠিন প্রতিপক্ষ।
শাহিন আফ্রিদি বলেন, ‘অবশ্যই। যে কোনো দলই নিজেদের মাঠে শক্তিশালী থাকে। বাংলাদেশও ভালো দল এবং ঘরের মাঠে তারা ভালো ক্রিকেট খেলে। তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও হারিয়েছে। তবে আমরা প্রস্তুত। দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ দুই ওয়ানডে সিরিজে আমরা ভালো খেলেছি। সেই ধারাই ধরে রাখতে চাই।’

দুই দিন আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনকে অবৈধ ঘোষণা করার দাবি তোলেন একদল ক্লাব সংগঠক। তাঁরা নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সহায়তা চান।
আজ বিসিবির পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নানা অসঙ্গতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সংগঠকেরা। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের কাছে আবেদন করেছেন জেলা ও বিভাগীয় সংগঠকেরা। এ আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন ক্যাটাগরি ৩–এর দুজন কাউন্সিলরও।
প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত না থাকায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) চেয়ারম্যানের একান্ত সচিবের কাছে দুটি পৃথক আবেদনপত্র জমা দেন তাঁরা।
বিসিবির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ১৬ দিন পর ক্যাটাগরি-১ (জেলাও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা) এ কাউন্সিলর পরিবর্তন করে বিসিবির গঠণতন্ত্রের ১২.৭ ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে। বিনা বাধায় সভাপতি পদে আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে নির্বাচিত করতে এবং নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে পরিচালক পদে নির্বাচিত করতে এমন অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছিলেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, লিখিত অভিযোগে তা উল্লেখ করেছেন জেলাও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠকেরা।
অভিযোগপত্র জমা দিয়ে বিসিবির সাবেক পরিচালক এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘চারটি বিশেষ কারণ ছাড়া ৪ বছরের মধ্যে কাউন্সিলর পরিবর্তনের সুযোগ নেই। অথচ এমন ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে। এনএসসি কোটায় ফারুক ভাইকে মনোনয়ন করে সভাপতি করা, পরবর্তীতে ফারুক ভাইকে বাদ দিয়ে সেখানে বুলবুল ভাইকে এনএসসি কোটা থেকে কাউন্সিলর মনোনয়ন দিয়ে সভাপতি করা, এটা বিসিবি এবং এনএসির গঠণতন্ত্র পরিপন্থী।’
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর যথাসময়ের মধ্যে জেলাও বিভাগ থেকে যেসব কাউন্সিলরের নাম যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে বিসিবিতে জমা পড়েছে, ১৬ দিন পর সেই তালিকা থেকে ৫৪ জনকে বাদ দিয়ে তাদের স্থলে জেলাও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাসমূহের অ্যাডহক কমিটি থেকে নাম পাঠানো হয়েছে। তাও আবার অ্যাডহক কমিটিতে রদবদল এনে ঢাকা বিভাগীয় অ্যাডহক কমিটিতে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে এবং ঢাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি থেকে সাথিরা জাকির জেসিকে বাদ দিয়ে বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে ঢুকিয়ে নির্বাচনী তফসিল লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে সাংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর, ‘এসব কারণেই নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি তুলছি আমরা। তদন্ত কমিটি গঠিত হলে বিসিবির নির্বাচনের সঙ্গে সর্ম্পৃক্ত সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত ঘটনা উঠে আসবে। আমরা চাই নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্য, ক্রীড়া উপদেষ্টার পিএস, এপিএসকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। তদন্ত রিপোর্ট জনসমক্ষে আসুক, এই দাবিও করছি।’
জেলাও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার প্যাডে প্রেরিত কাউন্সিলরদের নাম বাতিল করে অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর মনোনয়নে যুবও ক্রীড়া সচিবকে দেয়া বিসিবি সভাপতির চিঠির কার্যকরিতা বাতিলে ৪ ক্রীড়া সংগঠকের রিট মামলা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। বুলবুলের ওই চিঠির কার্যকরিতার উপর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের কিছুক্ষণ পর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার জজ আদালত। সেই স্থগিতাদেশ পেয়েই বিসিবির নির্বাচন হয়েছে। আদালতে মামলাটি যখন বিচারাধীন, তখন কেনো এই ইস্যুতে যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জেলাও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠকরা? এর উত্তরে রিটকারীদের একজন অ্যাডভোকেট আলী ইমাম তপনের জবাব, ‘এদেশের ক্রীড়াঙ্গন পরিচালিত হয় এনএসসির নির্দেশনায়। যেকোনো প্রয়োজনে এনএসসি সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’
এনএসসির হস্তক্ষেপের পাশাপাশি আইনী প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিসিবির সাবেক পরিচালক আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদোয়ান, 'সাবেক যুবও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার স্বেচ্ছাচারিতা, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ক্ষমতা অপব্যবহারের প্রমান আজ এনএসসিতে জমা দিয়েছি। এর পাশাপাশি আইনী প্রক্রিয়াও চালিয়ে যাব। আশা করছি সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিসিবির নির্বাচন বাতিল হবে এবং যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিসিবির সুষ্ঠু, সুন্দর এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ বের করবেন।’

বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেছেন, পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে দল এখন ‘ট্রু উইকেটে’ খেলতে প্রস্তুত- এমনকি ঘরের মাঠেও। বুধবার মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে এই সিরিজ।
গত বছরের অক্টোবরে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে স্পিন সহায়ক উইকেট তৈরি করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে মিরাজ নিশ্চিত করেছেন, এবার সেই ধরনের কঠিন পরিস্থিতির উইকেটে ফিরছে না বাংলাদেশ।
কারণ এখন থেকেই ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করতে চায় বাংলাদেশ দল, যা হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়াতে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে উইকেট সম্পর্কে ধারণা দেন মিরাজ।
“আমরা অবশ্যই ট্রু উইকেটে খেলব। তবে আমার মনে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে আমরা যা করেছি, সেটি প্রতিটি দলই নিজেদের মাঠে করে থাকে। পৃথিবীর যেকোনো দলই ঘরের মাঠে খেলে নিজেদের সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে।”
গত বছরের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের উইকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“আমরা যেহেতু হোম অ্যাডভান্টেজ নিতে চেয়েছিলাম এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলে দুইজন স্পিনার ছিল, তাই সেই অনুযায়ী উইকেট প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু এখন আমরা অবশ্যই ট্রু উইকেটে খেলতে চাই, যাতে ব্যাটসম্যানরা আত্মবিশ্বাস পায়, বেশি রান করতে পারে- আমরা সামনে এভাবেই এগোতে চাই।”
আরও পড়ুন
| আইসিসির প্রাইজমানির চেয়েও বেশি অর্থ সূর্যকুমারদের দিচ্ছে ভারত |
|
হোম অ্যাডভান্টেজ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির মধ্যে ভারসাম্য রাখার বিষয়টিও ব্যাখ্যা করেন মিরাজ।
“বিশ্বকাপে সাধারণত খুব ভালো উইকেটেই খেলা হয়। তাই আমরা এখন থেকেই সেই ধরনের উইকেটে অভ্যস্ত হতে চাই। ২০২৭ বিশ্বকাপের আগে আমাদের এখনও অনেক ওয়ানডে ম্যাচ বাকি আছে। যত বেশি সম্ভব ট্রু উইকেটে খেলতে পারলে সেটা আমাদের জন্য ভালো অভিজ্ঞতা হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“একই সঙ্গে আমাদের এটাও মনে রাখতে হবে যে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই যদি এমন কোনো দল থাকে যাদের বিপক্ষে আমরা হোম কন্ডিশনের সুবিধা নিতে পারি, তাহলে অবশ্যই সেই ধরনের উইকেট তৈরি করার চেষ্টা করব। তবে পাশাপাশি আমরা চাই যত বেশি সম্ভব ম্যাচ ভালো ও ট্রু উইকেটে খেলতে।”
শেষে মিরাজ বলেন,
“আর হোম কন্ডিশন বলতে এটা বোঝায় না যে আমরা খুব খারাপ বা বাজে উইকেট দেব। না, আমরা ভালো উইকেটই দেব- শুধু চাইব যাতে একটু হলেও ঘরের মাঠের সুবিধা নিতে পারি।”

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের মাঝেও গভীর শোক বয়ে বেড়াচ্ছেন ভারতের ক্রিকেটার রিঙ্কু সিং। বিশ্বকাপ জয়ের কয়েক দিন আগেই মারা গেছেন তাঁর বাবা। তাই শিরোপা জয়ের মুহূর্তেও বাবার কথা ভেবেই আবেগাপ্লুত হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে বাবাকে স্মরণ করে একটি আবেগঘন বার্তাও লিখেছেন তিনি।
ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখে ভারত। একাদশে না থাকলেও বিশ্বকাপজয়ী দলে ছিলেন রিঙ্কু সিংও। তবে দলের সঙ্গে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেননি তিনি, কারণ ফাইনালের কয়েক দিন আগেই বাবাকে হারান এই ক্রিকেটার।
ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে রিঙ্কু লিখেছেন, জীবনে কখনো এত দিন বাবার সঙ্গে কথা না বলে থাকেননি তিনি। সামনে বাবাকে ছাড়া জীবন কীভাবে চলবে, তা এখনো বুঝে উঠতে পারছেন না।
হিন্দিতে লেখা সেই বার্তায় রিঙ্কু লিখেছেন, ‘আপনার সঙ্গে কথা না বলে এত দিন কখনো কাটেনি। সামনে আপনার ছাড়া জীবন কীভাবে চলবে জানি না… কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপে আপনার প্রয়োজন হবে। আপনি আমাকে শিখিয়েছিলেন—দায়িত্বই সবার আগে। তাই মাঠে নেমে শুধু আপনার স্বপ্ন পূরণের কথাই ভাবছিলাম। এখন সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে… কিন্তু মনে হয়, যদি আপনি পাশে থাকতেন।’
জীবনের ছোট–বড় প্রতিটি আনন্দের মুহূর্তে বাবার অভাব অনুভব করবেন রিঙ্কু, ‘আপনাকে খুব মিস করব, বাবা… অনেক বেশি।’
জানা গেছে, রিঙ্কুর বাবা লিভার ক্যানসারে ভুগছিলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বাবার স্বপ্ন পূরণ করতেই বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন রিঙ্কু। শিরোপা জয়ের পর সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পেলেও বাবাকে পাশে না পাওয়ার কষ্টই এখন সবচেয়ে বেশি অনুভব করছেন তিনি।