
মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ, দুজনেই লম্বা সময়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেটে সার্ভিস দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলকে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন মুশফিক ২০২২ সালে, মাহমুদউল্লাহ সেখানে থেমেছেন ২০২৪ সালে। টোয়েন্টি-২০ ক্রিকেটে দুজনের রান ৬ হাজারের ঘরে, মুশফিক ২৮৮ ম্যাচে ৬০০৪ রান, মাহমুদউল্লাহর রান ৩৪৮ ম্যাচে ৬২৭৭।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শুরু থেকে দুই ভায়রা নিয়মিত। বিপিএলে শীর্ষ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তামিমের (১১৮ ম্যাচে ৩৮৩৫) পরের স্থানটি মুশফিকুর রহিমের (১৪০ ম্যাচে ৩৫.৪৬ গড় এবং ১৩১.৫২ স্ট্রাইক রেটে ৩৪৪৬ রান)। শীর্ষ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় সেখানে ৪র্থ স্থানে আছেন মাহমুদউল্লাহ ( ১৩৩ ম্যাচে ২৪.৫৬ গড় এবং ১১৯.৬৫ স্ট্রাইক রেটে ২৭৭৬ রান)।
বাংলাদেশের একমাত্র ফ্রাঞ্চাইজি টি-২০ ক্রিকেটে যাদের এতোটা অবদান, বিপিএলের দ্বাদশ সংস্করণের নিলামে তাদের অবিক্রিত থাকাকে দুর্ভাগ্যই বলবে যে কেউ। সেই দুর্ভাগ্যই বরণ করতে বসেছিলেন তারা। রোববার হোটেল রেডিসন ব্লু-তে নিলাম ঘরে ক্যাটাগরি 'বি'-তে প্রথম রাউন্ডের ডাকে অবিক্রিত এই দুই লিজেন্ডারি শেষ পর্যন্ত অবিক্রিত থাকেননি। দ্বিতীয় রাউন্ডের ডাকে বিক্রি হয়েছেন মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ। তবে তাকে কিনতে নিলামের আইন বদলে ফেলতে হয়েছে।
অবিক্রিত ক্রিকেটারকে পরবর্তী রাউন্ডে পুনরায় বিক্রির জন্য উঠলে তার ক্যাটাগরি অবনমন হবে, পরের ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্যে ডাক উঠবে-এটাই ছিল বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের প্লেয়ার্স অকশন ল। এই আইন অনুযায়ী ক্যাটাগরি 'বি'-তে ৩৫ লাখ ভিত্তিমূল্য থেকে অবনমিত হয়ে ক্যাটাগরি 'সি' তে ২২ লাখ টাকার ভিত্তিমূল্যে দ্বিতীয় রাউন্ডে তাদের নিলামে তোলার কথা। তবে নিলাম ঘরে রংপুর রাইডার্সের কর্ণধার ইশতিয়াক সাদেকের প্রস্তবনায় বদলে গেছে আইন। সকল ফ্রাঞ্চাইজির উদ্দেশ্যে ইশতিয়াক সাদেকের আহ্বান-
'মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে জাতীয় দলকে সার্ভিস দিয়েছেন। ওনাদের দুজনের সম্মানের কথা ভেবে ভিত্তিমূল্য অপরিবর্তিত রেখে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওনাদেরকে নিলামে তোলার প্রস্তাব করছি। আশা করছি আপনারা সবাই এই প্রস্তাবে সম্মতি দিবেন।'
ইশতিয়াক সাদেকের এমন মানবিক প্রস্তাবে সঙ্গে সঙ্গে সম্মতি দিয়েছেন সবাই। 'বি' ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ৩৫ লাখ টাকায় মাহমুদউল্লাহকে কিনেছে ইশতিয়াক সাদেকের দল রংপুর রাইডার্স। একই ভিত্তিমূল্যে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স কিনেছে মুশফিকুর রহিমকে।
এই দুই ক্রিকেটারের প্রতি মানবিক আবেদনের কারণ জানিয়েছেন রংপুর রাইডার্সের কর্ণধার ইশিতিয়াক সাদেক-
'কেনো ওনারা প্রাপ্য আয় থেকে বঞ্চিত হবেন ? কেনো ১০-১২ লাখ টাকা ( হবে ১৩ লাখ টাকা) কম পাবেন ? ওনাদের যেনো আমরা সম্মান দেখাতে পারি, এজন্যই এই প্রস্তাব রেখেছিলাম।'
সুযোগ পেয়েও ১৩ লাখ টাকা কমে মাহমুদউল্লাহকে নিতে চাননি রংপুর রাইডার্সের ইশতিয়াক সাদেক। মুশফিকুর রহিমকেও কম টাকায় অন্য ফ্রাঞ্চাইজিকে নিতে দেননি তিনি। একটি মানবিক প্রস্তাবে নিলামের আইন পাল্টে যাওয়ার এমন ব্যতিক্রর্মী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে প্রশংসিত হয়েছেন ইশতিয়াক সাদেক।
No posts available.
৩০ নভেম্বর ২০২৫, ৮:৩২ পিএম

সব জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে অবশেষে আজ হয়ে গেল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ক্রিকেটের দ্বাদশ আসরের নিলাম। যেখান থেকে দর কষাকষি করে অংশগ্রহণকারী ছয়টি দল গুছিয়ে নিয়েছে নিজেদের স্কোয়াড।
এক নজরে দেখে নিন বিপিএলে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজির দল গোছাল যেমন হলো-
রংপুর রাইডার্স
সরাসরি চুক্তি: নুরুল হাসান সোহান, মোস্তাফিজুর রহমান, খাজা নাফে, সুফিয়ান মুকিম
নিলাম থেকে: লিটন কুমার দাস (৭০ লাখ), তাওহীদ হৃদয় (৯২ লাখ), নাহিদ রানা (৫৬ লাখ), রকিবুল হাসান (৪২ লাখ), আলিস আল ইসলাম (২৮ লাখ), মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি (১৮ লাখ), নাঈম হাসান (১৮ লাখ), মেহেদী হাসান সোহাগ (১১ লাখ), মাহমুদউল্লাহ (৩৫ লাখ), আব্দুল হালিম (১১ লাখ), এমিলো গে (১০ হাজার ডলার), মোহাম্মদ আখলাক (১০ হাজার ডলার)
ঢাকা ক্যাপিটালস
সরাসরি চুক্তি: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান, উসমান খান, অ্যালেক্স হেলস
নিলাম থেকে: শামীম হোসেন পাটোয়ারী (৫৬ লাখ), মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন (৬৮ লাখ), মোহাম্মদ মিঠুন (৫২ লাখ), তাইজুল ইসলাম (৩০ লাখ), সাব্বির রহমান (২৮ লাখ), নাসির হোসেন (১৮ লাখ), তোফায়েল আহমেদ (১৮ লাখ), ইরফান শুক্কুর (১৮ লাখ), আব্দুল্লাহ আল মামুন (১৪ লাখ), মারুফ মৃধা (১৪ লাখ), জায়েদ উল্লাহ (১১ লাখ), দাসুন শানাকা (৫৫ হাজার ডলার), জুবাইরউল্লাহ আকবর (২০ হাজার)।
সিলেট টাইটানস
সরাসরি চুক্তি: নাসুম আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ আমির
নিলাম থেকে: পারভেজ হোসেন ইমন (৩৫ লাখ), সৈয়দ খালেদ আহমেদ (৪৭ লাখ), আফিফ হোসেন ধ্রুব (২২ লাখ), রনি তালুকদার (২২ লাখ), জাকির হাসান (২২ লাখ), রুয়েল মিয়া (২৩ লাখ), আরিফুল ইসলাম (২৬ লাখ), ইবাদত হোসেন চৌধুরী (২২ লাখ), শহিদুল ইসলাম (১৪ লাখ), রাহাতুল ফেরদৌস জাভেদ (১৪ লাখ), তৌফিক খান তুষার (১৪ লাখ), মুমিনুল হক (২২ লাখ), রবিউল ইসলাম রবি (১১ লাখ), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস (৩৫ হাজার ডলার), অ্যারন জোন্স (২০ হাজার ডলার)।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
সরাসরি চুক্তি: নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিম, সাহিবজাদা ফারহান, মোহাম্মদ নওয়াজ
নিলাম থেকে: তানজিম হাসান সাকিব (৬৮ লাখ), ইয়াসির আলী চৌধুরী (৪৪ লাখ), আকবর আলী (৩৪ লাখ), রিপন মন্ডল (২৫ লাখ), জিসান আলম (১৮ লাখ), হাসান মুরাদ (১৮ লাখ), আব্দুল গাফফার সাকলাইন (৪৪ লাখ), এসএম মেহেরব হাসান (৩৯ লাখ), ওয়াসি সিদ্দিকী (১৯ লাখ), মোহাম্মদ রুবেল (১১ লাখ), মুশফিকুর রহিম (৩৫ লাখ), দুশান হেমান্থ (২৫ হাজার ডলার), জাহানদাদ খান (২০ হাজার ডলার)।
চট্টগ্রাম রয়্যালস
সরাসরি চুক্তি: শেখ মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম, আবরার আহমেদ
নিলাম থেকে: মোহাম্মদ নাঈম শেখ (১ কোটি ১০ লাখ), শরিফুল ইসলাম (৪৪ লাখ), আবু হায়দার রনি (২২ লাখ), মাহমুদুল হাসান জয় (৩৭ লাখ), মাহমুদুল হাসান জয় (২২ লাখ), সুমন খান (৩২ লাখ), জিয়াউর রহমান (৩০ লাখ), আরাফাত সানি (১৮ লাখ), মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ (৩৩ লাখ), সালমান হোসেন (১৪ লাখ), শুভাগত হোম (১৪ লাখ), জাহিদুজ্জামান সাগর (১১ লাখ), নিরোশান ডিকভেলা (৩৫ হাজার ডলার), অ্যাঞ্জেলো পেরেরা (২০ হাজার ডলার)।
নোয়াখালী এক্সপ্রেস
সরাসরি চুক্তি: হাসান মাহমুদ, সৌম্য সরকার, জনসন চার্লস, কুশল মেন্ডিস
নিলাম থেকে: জাকের আলী অনিক (৩৫ লাখ), মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (৩৫ লাখ), হাবিবুর রহমান সোহান (৫০ লাখ), নাজমুল ইসলাম অপু (১৮ লাখ), আবু হাশিম (১৮ লাখ), মুশফিক হাসান (১৮ লাখ), শাহাদাত হোসেন দীপু (১৮ লাখ), রেজাউর রহমান রাজা (১৮ লাখ), মেহেদী হাসান রানা (১৪ লাখ), সৈকত আলি (১৪ লাখ), সাব্বির হোসেন (১৪ লাখ), ইহসানউল্লাহ (২৮ হাজার ডলার), হায়দার আলী (২৫ হাজার ডলার)।

নিলামের প্রথম ধাপে দল পাননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম। দুজনই তালিকায় 'বি' ক্যাটাগরিতে ছিলেন। তবে নিলামের দ্বিতীয় ডাকে দল পেলেন দুজনই।
৩৫ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যে মাহমুদউল্লাহকে দলে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স। মুশফিককে ভিড়িয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ডাকে অবিক্রিত থাকলে দ্বিতীয় নিলামে সে ক্রিকেটাররা এক ক্যাটাগরি নিচে যাবেন।
সে হিসেবে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ 'সি' ক্যাটাগরিতে নেমে যাওয়ার কথা ছিল। তবে দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের প্রতি সম্মান জানিয়ে রংপুর ও রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজি 'বি' ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্যেই তাঁদের দলে ভিড়িয়েছে।
রংপুর রাইডার্সের কর্ণধার ইশতিয়াক সাদেক বিপিএল গভর্নিং বডির কাছে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহকে বিশেষ সম্মান জানিয়ে, ক্যাটাগরি অবনমন না করার পরামর্শ দেন। বিপিএল গভর্নিং বডি সেই পরামর্শ গ্রহণ করে।
বিপিএলের সবশেষ সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালে খেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেও ঘরোয়া লিগে আলো ছড়ান ব্যাটে। মুশফিক অবশ্য জাতীয় দলে টেস্ট সংস্করণ চালিয়ে যাচ্ছেন। দারুণ ছন্দেও রয়েছেন ব্যাট হাতে।

বিপিএল নিলামের প্রথম ধাপে দল পেলেন না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। 'বি' ক্যাটাগরিতে থাকা বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক এই অলরাউন্ডারের ভিত্তিমূল্য ছিল ৩৫ লাখ টাকা। তবে তাঁর প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কোনো দল।
বিপিএলের সর্বশেষ সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালে খেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেও ঘরোয়া লিগে আলো ছড়ান ব্যাটে।
মাহমুদউল্লাহর মতো মুশফিকুর রহিমও নিলামের প্রথম ধাপে অবিক্রিত রয়ে গেলেন। সাবেক অধিনায়কের জন্যও আগ্রহ দেখায়নি কোনো দল।
দেশি ক্রিকেটারদের নিলাম শেষে আলাদা নিলামে আবার উঠতে পারে তাদের নাম। সেখানে এক ধাপ করে কমে যাবে তাঁদের ক্যাটাগরি।

১২তম বিপিএলে নিলামে আজ প্রথম নামটি ওঠে নাঈম শেখের। 'এ' গ্রেডে থাকা এই ব্যাটারের ভিত্তিমূল্য ছিল ৫০ লাখ টাকা। তবে নিলামে সবাইকে রীতিমতো ভড়কে দিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাড়াকাড়ির এক পর্যায়ে তাঁর দাম ওঠে কোটি টাকার বেশি।
গত বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক নাঈমকে নিয়ে চলল সিলেট টাইটানস, রংপুর রাইডার্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের চতুর্মুখী লড়াই। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় তাঁকে দলে ভিড়িয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
জাতীয় দলে ছন্দ না পেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যাট হাসে নাঈমের। বিপিএল দিয়ে আবারও দলে ফেরার সুযোগ ২৬ বছর বয়সি ব্যাটারের সামনে।
নিলাম দ্বিতীয় নামটি ওঠে লিটন দাসের। শনিবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ঝড়ো ফিফটি করেছিলেন এই ওপেনার।
আলোচনা হচ্ছিল, নিলামে লিটনকে নিয়েই কাড়াকাড়ি হতে পারে। তবে তাঁকে নেওয়ার তৌড়ে ফ্যাঞ্চাইজিদের মধ্যে খুব বড় প্রতিযোগিতা দেখা যায়নি। ৭০ লাখ টাকায় উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে দলে ভিড়িয়েছে রংপুর রাইডার্স।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম আজ দ্বিতীয় নামটি ওঠে লিটন দাসের। গতকাল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ঝোড়ো ফিফটি করেছিলেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।
আলোচনা হচ্ছিল, নিলামে লিটনকে নিয়েই কাড়াকাড়ি হতে পারে। তবে তাঁকে নেওয়ার দৌড়ে ফ্যাঞ্চাইজিদের মধ্যে খুব বড় প্রতিযোগিতা দেখা যায়নি। ৭০ লাখ টাকায় তাঁকে দলে ভিড়িয়েছে রংপুর রাইডার্স।
লিটন সবশেষ বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের অধিনায়ক ছিলেন। কিপিং, ব্যাটিং, লিটনের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা- সব মিলিয়ে শুরুতেই যেন নিলামে ছক্কা মারল রংপুর।
লিটনের পর তাওহীদ হৃদয়কে দলে নেয় রংপুর রাইডার্স। দর হাঁকাহাঁকি করে ৩৫ লাখ ভিত্তিমূল্যের হৃদয়কে ৯২ লাখ টাকায় নিয়েছে রংপুর। 'এ' গ্রেডের লিটনের ভিত্তিমূল্য ছিল ৫০ লাখ।
রংপুর রাইডার্স এর আগে সরাসরি চুক্তিতে ভিড়ায় মোস্তাফিজুর রহমান ও নুরুল হাসান হোসানকে। বিদেশিদের মধ্যে তারা ভিড়িয়েছিল খাজা নাফে ও সুফিয়ান মুকিমকে।