৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২:১২ পিএম

সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) দেখেছে ইতিহাসের অন্যতম সেরা দর্শক সমাগম। মাঠের ক্রিকেটও ছিল দুর্দান্ত। তবে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নিয়ে বেশ কিছু ঘটনা ভুল কারণে বারবার শিরোনামে এনেছে বিপিএলকে। টুর্নামেন্ট শেষ হতেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী সব খেলোয়াড়দের তাদের প্রাপ্য অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
শনিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিসিবি বিপিএল প্লেয়ার ড্রাফট থেকে স্বাক্ষরিত সব আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ের চুক্তির অর্থ এবং ম্যাচ ফি-এর জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করবে এবং সময়োপযোগী ও স্বচ্ছ অর্থ প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
এছাড়া নিজ নিজ ফ্র্যাঞ্চাইজির খেলা শেষের পরপরই বিদেশী খেলোয়াড়দের তাদের গন্তব্যগুলোতে মসৃণ প্রত্যাবর্তনের জন্য সমস্ত লজিস্টিকাল ব্যবস্থা তদারকি করবে বিসিবি।
পাশাপাশি বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিসিবি বিপিএলের সাত ফ্র্যাঞ্চাইজির সাথে কঠোর আর্থিক প্রোটোকল স্থাপন, খেলোয়াড়দের স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং অর্থ প্রদানের প্রক্রিয়াগুলোকে সহজতর করার জন্য নিবিড়ভাবে সহযোগিতা করবে।
এই প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ তুলে ধরেছেন তাদের অবস্থান।
“এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে বিসিবি বিপিএলের অখণ্ডতা বজায় রাখা এবং দেশী ও আন্তর্জাতিক সব খেলোয়াড়ের জন্যই একটি পেশাদার অভিজ্ঞতা প্রদানের প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার দিকে নজর রাখবে। লিগের অপারেশনাল এবং আর্থিক দিকগুলি শক্তিশালী করতে বিসিবি সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সাথে একত্রে কাজ করবে।”
No posts available.
৪ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম

বয়স কেবলই সংখ্যা মাত্র- ক্রিকেটে প্রায়ই বলা হয় এই কথা। সেটি যেন আরও একবার প্রমাণ দিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। চল্লিশ ছুঁইছুঁই বয়সে এসেও পরপর দুই ম্যাচে করলেন ধারাবাহিক ব্যাটিং। ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে চাপের মুখে ফিফটি করে তিনি গড়লেন রেকর্ড।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার সন্ধ্যার ম্যাচে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান করেছে রংপুর। এতে বড় অবদান মাহমুদউল্লাহর। পাঁচ নম্বরে নেমে ৫১ রানের ইনিংস খেলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার।
৩৯ বছর ৩৩৪ দিন বয়সে এই ম্যাচটি খেলতে নেমে ফিফটি করলেন মাহমুদউল্লাহ। যার সৌজন্যে এখন বিপিএলে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সে ফিফটির রেকর্ড তার। আগের রেকর্ডও অবশ্য মাহমুদউল্লাহর।
গত বছরের জানুয়ারিতে ৩৮ বছর ৩৫৩ দিন বয়সে ৪৫ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। এই তালিকায় বাংলাদেশিদের মধ্যে পরের নামটি মুশফিকুর রহিমের। চলতি বিপিএলে ৩৮ বছর ২৩১ দিন বয়সে ৩১ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলেছেন অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
সব মিলিয়ে বিপিএলে সবচেয়ে বেশি বয়সে ফিফটি করার তালিকায় মাহমুদউল্লাহর সামনে আছেন তিন জন বিদেশি ব্যাটার- ক্রিস গেইল (৪২ বছর ১৪০ দিন), মিসবাহ উল হক (৪১ বছর ১৭৮ দিন) ও শোয়েব মালিক (৪০ বছর ৩৫৬ দিন)।
ঢাকার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একদমই ভালো হয়নি রংপুরের। তৃতীয় ওভারে কট বিহাইন্ড হয়ে ফেরেন কাইল মায়ার্স। পরে পাওয়ার প্লে শেষ ওভারে লাগে জোড়া ধাক্কা। জিয়াউর রহমানের পরপর দুই বলে আউট হন লিটন কুমার দাস ও তাওহিদ হৃদয়।
পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেটে মাত্র ৩৪ করতে পারে রংপুর। ওই চাপের মুখে ব্যাট করতে নামেন মাহমুদউল্লাহ। রয়েসয়ে শুরু করে সেখান থেকে স্ট্র্যাটেজিক টাইম আউটের ৯ ওভার পর্যন্ত স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৪১ রান।
এরপর দাভিদ মালানকে নিয়ে মাহমুদউল্লাহর পাল্টা আক্রমণের শুরু। পরের ৩২ বলে ৬৩ রান করে ফেলে রংপুর। ১৫তম ওভারে পূর্ণ হয় দলের একশ রান। ইমাদ ওয়াসিমের বলে ছক্কা মেরে পরের বলেই আউট হয়ে যান ৩৩ বলে ৩৩ রান করা মালান।
কিছুক্ষণ পর ৪০ বলে বিপিএলে নিজের ১৫তম ও সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ২৬তম ফিফটি করেন মাহমুদউল্লাহ। পঞ্চাশ করেই অবশ্য আউট হয়ে যান অভিজ্ঞ ব্যাটার। ৭ চারে তার ব্যাট থেকে আসে ৪১ বলে ৫১ রান।
শেষ দিকে তাণ্ডব চালান খুশদিল শাহ। ৪ চার ও ২ ছক্কায় তার ২১ বলে ৩৮ রানের সৌজন্যে দেড়শ পার করে রংপুর।
ঢাকার পক্ষে ২টি উইকেট নেন জিয়াউর রহমান শরিফি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রংপুর রাইডার্স: ২০ ওভারে ১৫৫/৫ (মায়ার্স ১১, লিটন ৬, মালান ৩৩, হৃদয়, ০, মাহমুদউল্লাহ ৫১, খুশদিল ৩৮*, সোহান ৭*; ইমাদ ৪-০-২০-১, তাসকিন ৪-০-৩৫-১, সাইফ উদ্দিন ৪-০-২৯-১, জিয়াউর ৪-০-৩৫-২, নাসির ৩-০-১৫-০, সাইফ ১-০-১৪-০)

আগামী মাসে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাঠে কোনো ম্যাচ খেলতে চায় না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরই মধ্যে আইসিসিকে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বিসিবি। এখন আইসিসির কাছ থেকে দ্রুত উত্তর পাওয়ার আশায় দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোববার সন্ধ্যায় সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে নেওয়া সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বিসিবি।
বিসিবির পূর্ণাঙ্গ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি নিচে দেওয়া হলো
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর পরিচালনা পর্ষদের একটি জরুরি সভা আজ বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজিত হতে যাওয়া আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬কে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
গত ২৪ ঘণ্টার ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায় নিয়ে বোর্ড বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে এবং ভারতে নির্ধারিত ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের অংশগ্রহণ নিয়ে সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।
বর্তমান পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের পর বাংলাদেশ দলের ভারতে অবস্থানকালে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ ও বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে পরিচালনা পর্ষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বাংলাদেশ জাতীয় দল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য ভারতে সফর করবে না।
এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে, ইভেন্ট কর্তৃপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে, যাতে বাংলাদেশের সবগুলো ম্যাচ ভারতের বাইরে কোনো ভেন্যুতে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।
বোর্ডের বিশ্বাস, এই পদক্ষেপটি গ্রহণ করা জরুরি- যাতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়, দলের কর্মকর্তাবৃন্দ, বোর্ড সদস্য ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা যায় এবং দলটি একটি নিরাপদ ও উপযুক্ত পরিবেশে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আশা করছে, আইসিসি পরিস্থিতিটি যথাযথভাবে অনুধাবন করবে এবং এই বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাবে।

ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে কয়েনভাগ্য পাশে পেলেন না নুরুল হাসান সোহান। টস জিতলেন ঢাকা ক্যাপিটালস অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। রংপুর রাইডার্সকে আগে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানালেন ঢাকার অধিনায়ক।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববারের দ্বিতীয় ম্যাচে লড়বে ঢাকা ও রংপুর।
নিজেদের একাদশে এক জোড়া পরিবর্তন এনেছে রংপুর। বাদ পড়েছেন ফাহিম আশরাফ ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি। তাদের জায়গায় এসেছেন আকিফ জাভেদ ও রকিবুল হাসান।
অন্য দিকে তিন জন বিদেশি নিয়ে খেলতে নামছে ঢাকা
রংপুর রাইডার্স একাদশ
লিটন কুমার দাস, দাভিদ মালান, তাওহিদ হৃদয়, কাইল মায়ার্স, নুরুল হাসান সোহান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, খুশদিল শাহ, রকিবুল হাসান, আলিস আল ইসলাম, আকিফ জাভেদ, মোস্তাফিজুর রহমান।
ঢাকা ক্যাপিটালস একাদশ
রহমানউল্লাহ গুরবাজ, সাইফ হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ মিঠুন, নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান, শামীম হোসেন, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, জিয়া উর রহমান শরিফি।

২০২৫ সালটা চমৎকার কেটেছে ভারতীয় তারকা বিরাট কোহলির। ভারতের জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের পাশাপাশি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে জিতেছেন দীর্ঘ প্রতীক্ষার আইপিএল শিরোপাও।
গত মাসে বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলতে নেমে ভেঙেছেন শচীন টেন্ডুলকারের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম ১৬ হাজার রানের রেকর্ড। ভারতের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি জার্সি তুলে রাখলেও ২০২৬ সালে আরও কয়েকটি বড় অর্জনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন কোহলি।
নতুন বছরে যে পাঁচটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেন কোহলি-
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক
৫৫৬ ম্যাচে ২৭ হাজার ৯৭৫ রান নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তিন নম্বরে রয়েছেন বিরাট কোহলি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কুমার সাঙ্গাকারাকে ছাড়িয়ে যেতে তার প্রয়োজন আর ৪২ রান। শীর্ষে থাকা শচীন টেন্ডুলকারের সংগ্রহ ৩৪ হাজার ৩৫৭ রান।
দেড়শ হাফ সেঞ্চুরি
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলির মোট হাফ সেঞ্চুরির সংখ্যা ১৪৫টি- টেস্টে ৩১টি, ওয়ানডেতে ৭৬টি এবং টি-টোয়েন্টিতে ৩৮টি। টেস্ট, টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিলেও ওয়ানডে খেলতে থাকায় ২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৫০তম হাফ সেঞ্চুরি ছোঁয়ার সুযোগ রয়েছে কোহলির।
আইপিএলে ৯ হাজার রান
আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বিরাট কোহলি। টুর্নামেন্টে ২৫৯ ইনিংসে তার রান ৮ হাজার ৬৬১। ২০২৬ মৌসুমে ৩৩৯ রান করলেই আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৯ হাজার রান পূর্ণ করবেন কোহলি।
ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রান
ওয়ানডে ক্রিকেটে কোহলির বর্তমান রান ১৪ হাজার ৫৫৭। ২০২৫ সালে এই ফরম্যাটে ১৩ ইনিংসে ৬৫১ রান করেন তিনি। নতুন বছরে ১৫ হাজার রানে পৌঁছাতে তার প্রয়োজন ৪৪৩ রান। ওয়ানডেতে কোহলির চেয়ে বেশি রান রয়েছে কেবল শচীন টেন্ডুলকারের (১৮ হাজার ৪২৬ রান)।
আইপিএলে ৩০০ ছক্কা
আইপিএলে এখন পর্যন্ত ২৯১টি ছক্কা মেরেছেন কোহলি। ৩০০ ছক্কার ক্লাবে ঢুকতে তার প্রয়োজন আরও ৯টি ছক্কা। এই তালিকায় কোহলির সামনে আছেন ক্রিস গেইল (৩৫৭) ও রোহিত শর্মা (৩০২)।
মাঠে নামার আগে দল পরিচালনার অপরাগতা জানিয়ে বিসিবিকে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস ফ্রাঞ্চাইজি। বাধ্য হয়ে বিসিবির ঘাড়ে এই দলটির দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। এমন একটা দল তো শুরুতেই ছন্নছাড়া হয়ে পড়ার কথা। অথচ, এই দলটিই কী না একটার পর একটা বড় জয়ে প্রতিপক্ষদের চমকে দিচ্ছে। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৬৫ রানে জয়ে শুরু, দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের কাছে ৭ উইকেটে হেরে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ৪৮ ঘন্টা আগে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ১০ উইকেটে জয়ের পর রোববার সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ৯ উইকেটে জয়।
দুই ওপেনার নাঈম শেখ-অ্যাডাম রসিংটনের মধ্যে বোঝাপড়াটা দারুণ। ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ১২৩ রান তাড়া করে ৪৪ বল হাতে রেখে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ১০ উইকেটে জয়ের নেপথ্যে এই দুই ওপেনারের অবিচ্ছিন্ন পার্টনারশিপ। রোববার ১২৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে এই জুটির অবদান ৮২ বলে ১১৫! এই জুটির কল্যানে ২৪ বল হাতে রেখে ৯ উইকেটে জিতেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
শুক্রবারে ম্যাচের মতোই রোববারের ম্যাচেও চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই দুই ওপেনার জোড়া ফিফটি উপহার দিয়েছেন। বিপিএলের সর্বশেষ আসরে সর্বোচ্চ ৫১১ রান করেছেন নাঈম শেখ। গতবারের এই পারফরমেন্স দেখে নিলামে সর্বোচ্চ ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছেন। ফ্রাঞ্চাইজিহীন দলের ওপেনার নাঈম শেখ এখন দিয়ে চলেছেন আস্থার প্রতিদান।
গত ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে করেছিলেন হার না মানা ৫৪ রান। রোববার রাহাতুল ফেরদৌসের বলে লং অনে ক্যাচ দেয়ার আগে ৩৭ বলে ৪ চার, ৩ ছক্কায় করেছেন ৫২ রান। দলকে জয়ের বন্দরে পৌছে দিয়েই থেমেছেন নাঈম।
তার ব্যাটিং পার্টনার ইংলিশ ক্রিকেটার অ্যাডাম রসিংটন ছিলেন ৫৩ বলে ৮ চার, ২ ছক্কায় ৭৩ রানে অপরাজিত।
এই ম্যাচে টসে জিতে সিলেট টাইটান্সকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রন জানানোটা ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস বোলার-ফিল্ডারদের জন্য বাড়তি অ্যাডভানটেজ। শেখ মেহেদী (২-০-৪-২) এবং মির্জা বেগ (০.৪-০-৫-২) এর প্রথম স্পেলে এলোমেলো সিলেট টাইটান্সের স্কোর ছিল ব্যাটিং পাওয়ার প্লে-তে ৩৪/৫। সেখান থেকে দলকে তিন অঙ্কে টেনে নিয়ে গেছে যথাক্রমে ৭ম, ৮ম জুটির যথাক্রমে ৪৬ বলে ৪৩, ৩১ বলে ৩৪ রান। দ্বিতীয় পাওয়ার প্লে'র ৯ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৫৩ রান, শেষ পাওয়ার প্লে'র ৫ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৩৯ রান-কোনেটাই টি-টোয়েন্টির আদর্শ ব্যাটিং বলা যাবে না। ১২০টি ডেলিভারি ফেস করতে এসে ৫৪টি ডট করেও নিজেদের সামর্থহীনতার জানান দিয়েছে সিলেট টাইটান্স।
লোয়ার অর্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাই লড়াই করেছেন একাই। শরীফুলের বলে লং অনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে আসার আগে করেছেন ৪১ বলে ৪ চার, ১ ছক্কায় ৪৪ রান।