২২ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম

ব্যাট হাতে লড়াই করলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। তবু বাকিদের ব্যর্থতায় মিলল না বড় পুঁজি। অল্প রান নিয়েও বল হাতে চেষ্টা করলেন নাহিদা আক্তার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পক্ষে এলো না ফল। অনায়াস জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল শ্রীলঙ্কা।
রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বুধবার সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা নারী ক্রিকেট দল। আগে ব্যাট করে ১৬৫ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। জবাবে ৭০ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জেতে লঙ্কানরা।
এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে শ্রীলঙ্কা। একই মাঠে আগামী শনিবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে লড়বে দুই দল।
ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল বেশ বাজে। মাত্র ৪ রানের মধ্যে ফিরে যান জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা (২) ও আগের ম্যাচের নায়ক শারমিন আক্তার সুপ্তা (২)।
প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ৪৫ রানের জুটি গড়েন শারমিন সুলতানা ও জ্যোতি। আশা জাগিয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি শারমিন (২৬)। আগের ম্যাচে ভালো ব্যাটিং করা সোবহানা মোস্তারিও (৫) এদিন টিকতে পারেননি।
পরে আর কাউকে সঙ্গী হিসেবে পাননি জ্যোতি। একপ্রান্ত আগলে রেখে রয়েসয়ে ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের নবম ফিফটি করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত ৪ চারে ১০১ বলে ৫৮ রান করে আউট হন অভিজ্ঞ এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
এছাড়া নাহিদা (২০), স্বর্ণা আক্তার (১৭) ও রাবেয়া খানরা (১৫) ছোট ছোট অবদান রাখেন।
শ্রীলঙ্কার পক্ষে ৩৬ রানে ৩ উইকেট নেন অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন মালকি মাদারা, ইনোকি রানাভিরা ও নিমাশা মিপাগে।
রান তাড়ায় পঞ্চাশের আগে দুই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের পথে রাখেন আতাপাত্তু। ৮ চারে ৩৯ বলে ৪০ রানের ইনিংস আসে তার ব্যাট থেকে। ৭৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় লঙ্কানরা।
এরপর চতুর্থ উইকেটে ৭৭ রানের জুটিতে সফরকারীদের এগিয়ে দেন হার্শিতা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুনারত্নে। তারা জয় থেকে মাত্র ১০ রান দূরে থাকতে নাটকীয়তার জন্ম দেন নাহিদা। দুই ওভারে তিনি নিয়ে নেন ৩ উইকেট।
তবে জয় পেতে সমস্যা হয়নি শ্রীলঙ্কার। হার্শিতা ৫০ ও হানসিমা করেন ৪০ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে ২১ রানে ৪ উইকেট নেন নাহিদা।
No posts available.
১৩ মে ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম
১৩ মে ২০২৬, ৯:২৫ পিএম
১৩ মে ২০২৬, ৬:১০ পিএম
১৩ মে ২০২৬, ৪:২১ পিএম

ইংল্যান্ডের সাবেক নারী উইকেটকিপার সারাহ টেইলরকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজের জন্য ইংল্যান্ড পুরুষ টেস্ট দলের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর এর মধ্য দিয়ে প্রথম নারী হিসেবে ইংল্যান্ডের কোনো পুরুষ জাতীয় দলের কোচ হয়ে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন তিনি।
৩৬ বছর বয়সী টেইলর ২০০৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন ২২৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা উইকেটকিপার মনে করা হয় তাকে। এর আগে সাসেক্স, ম্যানচেস্টার অরিজিনালস এবং গত শীতকালীন মৌসুমে ইংল্যান্ড লায়ন্সের হয়ে পুরুষ ক্রিকেটে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।
ইংল্যান্ড পুরুষ ক্রিকেটের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রব কি বলেন,
‘নিজের কাজে তিনি এই মুহূর্তে সেরাদের একজন।’ টেইলরের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘তিনি অসাধারণ পারফর্ম করেছেন। ইংল্যান্ড লায়ন্সের প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ এবং পারফরম্যান্স ডিরেক্টর এড বার্নির সঙ্গে তিনি অনেক কাজ করেছেন। তারা সারাহর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আমাদের দৃষ্টিতেও তিনি এই পেশার অন্যতম সেরা ব্যক্তিত্ব।’
কার্ল হপকিনসন বর্তমানে আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের দায়িত্বে থাকায় এই সুযোগটি পেয়েছেন সারাহ টেইলর। হপকিনসন চলতি বছরের শুরুর দিকে ইংল্যান্ডের সাদা বলের ক্রিকেটে ফিরেছিলেন। ইংল্যান্ডের ছেলেদের ক্রিকেটের ডিরেক্টর রব কি আভাস দিয়েছেন, টেইলর এবং হপকিনসন—উভয়েই ভবিষ্যতে দলের সঙ্গে কাজ করা চালিয়ে যাবেন।
এর আগে বিবিসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে টেইলর বলেছিলেন,
‘আমি এখনো এমন কেউ নই যে প্রচারের আলোয় থাকতে চায়; আমি শুধু আমার কাজে সেরা হতে চাই। আমি আসলে এভাবেই আমার কোচিং ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে চাই।’
তিনি আরও যোগ করেন,
‘আমি মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু না হয়েও পথপ্রদর্শক হতে ভালোবাসি। আমি দেখতে চাই আমি কতদূর যেতে পারি এবং সেরা খেলোয়াড়দের সাথে কাজ করতে চাই।’
পুরুষদের খেলাধুলায় নারীদের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নিয়োগের মধ্যে রয়েছে গত এপ্রিলে বুন্দেসলিগার দল ইউনিয়ন বার্লিনের অন্তর্বর্তীকালীন বস হিসেবে মারি-লুইস ইটার নিয়োগ। ২০২৩ সালে ফরেস্ট গ্রিনের কেয়ারটেকার ম্যানেজার হিসেবে হ্যানা ডিংলির সংক্ষিপ্ত সময় এবং ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সাবেক ব্রিটিশ টেনিস কিংবদন্তি অ্যান্ডি মারের কোচ হিসেবে আমেলি মরেসমোর দায়িত্ব পালন।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ৪ জুন লর্ডসে। অ্যাশেজে শোচনীয় পরাজয়ের পর এটিই হতে যাচ্ছে এই ফরম্যাটে তাদের প্রথম ম্যাচ। সেই অ্যাশেজ অভিযানে অতিরিক্ত মদ্যপানের অভিযোগসহ দলের পেশাদারিত্ব, কৌশলগত অবস্থান এবং রব কি ও কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালামের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।
গত জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজের সময় চালু করা সান্ধ্য আইন (কারফিউ) নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্যও বহাল থাকবে। গত মার্চে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে বিরতিতে থাকা কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম আবারও দলের সাথে যোগ দিচ্ছেন। ২৫ মে থেকে লাফবরোতে শুরু হতে যাওয়া তিন দিনের অনুশীলন ক্যাম্পে প্রথম টেস্টের স্কোয়াডের সাথে উপস্থিত থাকবেন তিনি। এই ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন বোলার অলি রবিনসন এবং এখনও আন্তর্জাতিক অভিষেক না হওয়া তিন তরুণ ক্রিকেটার—জেমস রিউ, এমিলিও গে ও সনি বেকার।

আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে এবং টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ম্যাচের সূচিও এখন চূড়ান্ত। বিশ্বকাপ শুরুর ৩০ দিন আগে প্রস্তুতি ম্যাচের সূচি প্রকাশ করেছে আইসিসি। আগামী ৬ থেকে ১০ জুনের মধ্যে হবে ১২টি ম্যাচ। গত আসরের ফাইনালিস্ট নিউ জিল্যান্ড ও বাছাই পেরিয়ে আসা আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
ডার্বি, লফবরো এবং কার্ডিফে মোট ১২টি প্রস্তুতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। লাফবরায় আগামী ৬ জুন নিউ জিল্যান্ড ও এর তিন দিন পর আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। নিগার সুলতানার নেতৃত্বাধীন দল এবারের বিশ্বকাপে 'এ' গ্রুপে লড়বে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।
আসর শুরু হবে ১২ জুন। বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ১৪ জুন বার্মিংহামে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। এরপর ১৭ জুন লিডসে খেলা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে, ২০ জুন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পাকিস্তানের বিপক্ষে, একই মাঠে পরের ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে এবং ২৮ জুন লর্ডসে লড়াই দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে।
বিশ্বকাপের আগে স্কটল্যান্ডে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজও খেলবে বাংলাদেশ। দেশ ছাড়বেন তারা আগামী ২৫ মে।
নেদারল্যান্ডস, বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ড—এই চারটি দল নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্লোবাল কোয়ালিফায়ার খেলে মূল আসরে জায়গা করে নিয়েছে। মূল মঞ্চের লড়াইয়ে নামার আগে নিজেদের শেষবারের মতো ঝালিয়ে নিতে এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে প্রস্তুতি ম্যাচগুলো কার্যকর মহড়া হিসেবে কাজ করবে।

মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ১০৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। সিরিজের প্রথম টেস্টে এই হারের পর পাকিস্তান দলের নেতৃত্বের মান নিয়ে কড়া সমালোচনা করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ব্যাটার আহমেদ শেহজাদ।
২৬৮ রান তাড়া করতে নেমে চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তান মাত্র ১৬৩ রানে গুটিয়ে যায়। এই হারের পর কেবল মাঠের পারফরম্যান্স নয়, বরং দলের নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং অধিনায়ক হওয়ার মাপকাঠি নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।
পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে কথা বলার সময় সাবেক ক্রিকেটার আহমেদ শেহজাদ পাকিস্তান ক্রিকেটে অধিনায়ক নিয়োগের মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, অধিনায়ক হওয়ার ক্ষেত্রে মাঠের পারফরম্যান্স কি আদৌ এখন প্রধান বিবেচ্য বিষয় কি না।
শেহজাদ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন,
‘আপনারা যদি ৩০ গড়ের ওপর ভিত্তি করে অধিনায়ক নিয়োগ দেন, তবে ভালো ইংরেজি বলতে পারাকেই’ একমাত্র যোগ্যতা হিসেবে ঘোষণা করে দিন।’
শেহজাদ ব্যঙ্গ করে আরও যোগ করেন যে, অধিনায়ক হওয়ার তালিকায় এখন সম্ভবত ব্যক্তিত্ব এবং বাহ্যিক রূপকেও অন্তর্ভূক্ত করা যেতে পারে। শেহজাদের ভাষায়, ‘হয়তো আমরা এখন আসল ক্রিকেটীয় প্রতিভার কথা ভুলেই যেতে পারি।’
শেহজাদ আরও মন্তব্য করেন, তরুণ ক্রিকেটাররা এখন হয়তো ভাবছে নেতৃত্বের সুযোগ পাওয়ার জন্য ক্রিকেটীয় দক্ষতার চেয়ে যোগাযোগ দক্ষতা (ইংরেজি বলা) বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শেহজাদ বলেন,
‘এখন আমাদের উচিত বাচ্চাদের এটা শেখানো যে, পাকিস্তান দলের অধিনায়ক হতে চাইলে শুধু ইংরেজি বলা শিখলেই হবে। কারণ ক্রিকেটীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর বাইরে আর কিছুরই এখন আর গুরুত্ব নেই।’
পাকিস্তানের এই হারের ম্যাচে অধিনায়ক শান মাসুদ রান তাড়ায় নেমে দ্রুত আউট হওয়ার আগে করেছেন মাত্র ২ রান। বিপরীতে বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। পাঁচ উইকেট শিকার করে পাকিস্তানের মিডল অর্ডার তছনছ করে দেন তিনি। বিশেষ করে চা-বিরতির পর এক বিধ্বংসী স্পেলে সৌদ শাকিল, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও নোমান আলীকে ড্রেসিংরুমের পাঠান গতি তারকা নাহিদ।
এই জয়ের ফলে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ, আর পাকিস্তান নেমে গেছে সপ্তম স্থানে। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট আগামী ১৬ মে থেকে সিলেটে শুরু হবে।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) ক্রিকেটের চতুর্থ রাউন্ডে দাপট দেখালেন বোলাররা। আগুনঝরা বোলিংয়ে ৬ উইকেট নিলেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। বাঁহাতি স্পিনের মায়াজালে আবাহনী লিমিটেডের মাহফুজুর রহমান রাব্বির শিকার ৫ উইকেট।
পিকেএসপিতে মৃত্যুঞ্জয়ের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৮০ রানে গুটিয়ে গেছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স। পরে ১০ উইকেটেই ম্যাচ জিতে নিয়েছে মোহামেডান। সব মিলিয়ে ম্যাচে খেলা হয়েছে মোটে ৩২ ওভার।
ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে মাত্র ২২ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা মৃত্যুঞ্জয়। এর আগের ম্যাচেও ৪১ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন বাঁহাতি এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার।
বসুন্ধরার পক্ষে সর্বোচ্চ ২৯ রান করতে পারেন অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। ছোট লক্ষ্যে ৮.১ ওভারে জিতে যায় মোহামেডান। ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ২৮ বলে ৫০ রান করেন এনামুল হক বিজয়। মোহাম্মদ নাঈম শেখ করেন ২১ বলে ৩১ রান।
লিগের চার ম্যাচের সবকটি জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে মোহামেডান।
বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে রুপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে আবাহনী লিমিটেড। আগে ব্যাট করে ১৪৭ রানে গুটিয়ে যায় রুপগঞ্জ টাইগার্স। জবাবে ২৫.৪ ওভারে জিতে যায় লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
রুপগঞ্জ টাইগার্সের ব্যাটারদের নাচিয়ে ১০ ওভারে ২ মেডেনসহ মাত্র ২৫ রান খরচ করে ৫ উইকেট নেন মাহফুজুর রাব্বি। লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে এটি তার দ্বিতীয় ৫ উইকেট।
শাকির হোসেন শুভ্র দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন। এছাড়া কালাম সিদ্দিকি এলিনের ব্যাট থেকে আসে ৩৪ রান।
রান তাড়ায় ভালো শুরু করেও ৩০ বলে ২৯ রান করে আউট হয়ে যান জিসান আলম। ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৭৬ বলে ৬৫ রান করেন সৌম্য সরকার। জাকের আলি অনিক ১ চার ও ৩ ছক্কায় ৪০ বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন।
চার ম্যাচে আবাহনীর এটি দ্বিতীয় জয়। পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে উঠে এসেছে তারা।

পরপর দুই বলে সালমান হোসেন ও মাহফুজুল ইসলামকে বোল্ড করে সম্ভাবনা জাগালেন আলিস আল ইসলাম। ওভার শেষ হয়ে যাওয়ায় বাড়ল অপেক্ষা। তবে নতুন ওভার শুরু করে কোনো ভুল করলেন না আলিস। আরিদুল ইসলাম আকাশকে বোল্ড করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করলেন এই রহস্য স্পিনার।
ইউ ল্যাব ক্রিকেট মাঠে বুধবার প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে শুধু হ্যাটট্রিকই নয়, সব মিলিয়ে ৬ উইকেট নেন আলিস। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) চতুর্থ রাউন্ডে তার রহস্য স্পিনে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ১৯৮ রানে জিতেছে প্রাইম ব্যাংক।
ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩০৩ রানের পুঁজি পায় প্রাইম ব্যাংক। জবাবে আলিসের রহস্যে কাবু হয়ে ১০৫ রানের বেশি করতে পারেনি গাজী গ্রুপ। ৯.২ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ২১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক আলিস।
আরও পড়ুন
| বিসিবি নির্বাচনের জন্য তিন সদস্যের কমিশন |
|
লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করা বাংলাদেশের ১৫তম বোলার আলিস। আর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে তাকে নিয়ে হ্যাটট্রিকের স্বাদ পাওয়া বোলার হলেন মোট ১১ জন। এদের মধ্যে শুধু মোহাম্মদ শরীফের রয়েছে একাধিক হ্যাটট্রিকের রেকর্ড।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই ১৪৬ রান যোগ করেন প্রাইম ব্যাংকের দুই ওপেনার শাহাদাত হোসেন দীপু ও আজিজুল হাকিম তামিম। ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৮ বলে ৭১ রান করেন দীপু। তামিমের ব্যাট থেকে আসে ৩টি করে চার-ছক্কায় ১০৭ বলে ৭৮ রান।
এরপর চার নম্বরে নেমে দলকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব সামলান শামীম হোসেন পাটোয়ারী। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৫ বলে ৫১ রান করেন তিনি।
শেষ দিকে আবু হায়দার রনি ২ চার ও ৫ ছক্কায় মাত্র ১৭ বলে ৪২ রান করলে তিনশ পার করে প্রাইম ব্যাংক।
৫১ রানে ৪ উইকেট নেন মাহফুজুল ইসলাম।
পরে আলিসের স্পিনে কাবু হয়ে জয়ের কোনো সম্ভাবনাই জাগাতে পারেনি গাজী গ্রুপ। ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে হ্যাটট্রিকসহ ৬ উইকেট নিয়ে দলকে জেতান ২৯ বছর বয়সী রহস্য স্পিনার।
এ নিয়ে চার ম্যাচের সবকটিই জিতল প্রাইম ব্যাংক। নেট রান রেটে পিছিয়ে থেকে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে তারা। সমান ম্যাচে ২ জয়ে পাঁচ নম্বরে গাজী গ্রুপ।