
টুর্নামেন্টের শুরু থেকে ধারাবাহিক বোলিংয়ে এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড গড়েছেন শরিফুল ইসলাম। তার হাতেই উঠেছে বিপিএলের এবারের আসরের সেরা বোলারের পুরস্কার।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের হয়ে ১২ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়েছেন শরিফুল, ইকোনমি ৫.৬০। মাত্র ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট এবারের বিপিএলে শরিফুলের সেরা বোলিং।
ফাইনাল ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়ে তালিকার দুই নম্বরে উঠে এসেছেন বিনুরা ফার্নান্দো। ১১ ম্যাচে তার শিকার ১৮ উইকেট। ফাইনালে নেওয়া ৯ রানে ৪ উইকেটই তার এবারের সেরা।
তালিকার তিনে রয়েছেন সিলেট টাইটানসের স্পিনার নাসুম আহমেদ। ১২ ম্যাচে নিয়েছেন ১৮ উইকেট, ইকোনমি ৫.৯৭। ৭ রানে ৫ উইকেট তার সেরা বোলিং।
এক হ্যাটট্রিকসহ ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে তালিকার চার নম্বরে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের পেসার রিপন মন্ডল। ১৩ রানে ৪ উইকেট রিপনের সেরা বোলিং।
তালিকার পাঁচ নম্বরে রয়েছেন নোয়াখালীর পেসার হাসান মাহমুদ। ১০ ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার, নজরকাড়া ইকোনমি ৬.০০! ২৬ রানে ৪ উইকেট তার সেরা বোলিং।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বার বিপিএলের এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন শরিফুল। ২০২৩ সালে টুর্নামেন্টের ২২ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছিলেন তিনি।
বিপিএলের প্রতি আসরে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি
১. ইলিয়াস সানি (ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস) - ১২ ম্যাচে ১৭ উইকেট, সেরা বোলিং ১৭ রানে ৩ উইকেট (প্রথম আসর)
২. আলফনসো থমাস (ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস) - ১২ ম্যাচে ২০ উইকেট, সেরা বোলিং ১৯ রানে ৩ উইকেট (দ্বিতীয় আসর)
৩. কেভন কুপার (বরিশাল বুলস) - ৯ ম্যাচে ২২ উইকেট, সেরা বোলিং ১৫ রানে ৫ উইকেট (তৃতীয় আসর)
৪. ডোয়াইন ব্রাভো (ঢাকা ডায়নামাইটস) - ১৩ ম্যাচে ২১ উইকেট, সেরা বোলিং ১০ রানে ৩ উইকেট (চতুর্থ আসর)
৫. সাকিব আল হাসান (ঢাকা ডায়নামাইটস) - ১৩ ম্যাচে ২২ উইকেট, সেরা বোলিং ১৬ রানে ৫ উইকেট (পঞ্চম আসর)
৬. সাকিব আল হাসান (ঢাকা ডায়নামাইটস) - ১৫ ম্যাচে ২৩ উইকেট, সেরা বোলিং ১৬ রানে ৪ উইকেট (ষষ্ঠ আসর)
৭. মোস্তাফিজুর রহমান (রংপুর রেঞ্জার্স) - ১২ ম্যাচে ২০ উইকেট, সেরা বোলিং ১০ রানে ৩ উইকেট (সপ্তম আসর)
৮. মোস্তাফিজুর রহমান (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স) - ১১ ম্যাচে ১৯ উইকেট, সেরা বোলিং ২৭ রানে ৫ উইকেট (অষ্টম আসর)
৯. তানভির ইসলাম (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স) - ১২ ম্যাচে ১৭ উইকেট, সেরা বোলিং ৩৩ রানে ৪ উইকেট (নবম আসর)
১০. শরিফুল ইসলাম (দুর্দান্ত ঢাকা) - ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট, সেরা বোলিং ২৪ রানে ৪ উইকেট (দশম আসর)
১১. তাসকিন আহমেদ (দুর্বার রাজশাহী) - ১২ ম্যাচে ২৫ উইকেট, সেরা বোলিং ১৯ রানে ৭ উইকেট (একাদশ আসর)
১২. শরিফুল ইসলাম (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) - ১২ ম্যাচে ২৬ উইকেট, সেরা বোলিং ৯ রানে ৫ উইকেট (দ্বাদশ আসর)
No posts available.
২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:২১ পিএম
২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৩:০৮ পিএম
২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম

ক্যারিয়ারে প্রথমবার বিগ ব্যাশ লিগ খেলতে গিয়ে নজর কাড়লেন রিশাদ হোসেন। টুর্নামেন্টের ১৫তম আসরে স্পিনারদের মধ্যে সর্বোচ্চ (যৌথভাবে) উইকেটশিকারি হিসেবে নিজের পথচলা শেষ করেছেন বাংলাদেশের লেগ স্পিনার।
চ্যালেঞ্জার ম্যাচে আজ সিডনি সিক্সার্সের বিপক্ষে দুই উইকেট নেন রিশাদ। হোবার্ট হারিকেনসের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৫৭ রানে হেরে ফাইনালের আগেই বিদায় নিয়েছে দলটি। রোববার ফাইনালে পার্থ স্কর্চার্সের মুখোমুখি হবে সিডনি সিক্সার্স।
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৯৮ রান তোলে সিডনি সিক্সার্স। ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন রিশাদ। জবাবে হোবার্ট ১৭.২ ওভারে গুটিয়ে যায় ১৪১ রানে।
সিক্সার্সের হয়ে স্টিভ স্মিথ ৪৩ বলে ৬৫ এবং জোয়েল ডেভিস ১২ বলে ২৭ রান করেন। হোবার্টের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান আসে বেন ম্যাকডারমটের ব্যাট থেকে। শেষ দিকে রিশাদ করেন ৮ বলে ১১ রান।
চলতি মৌসুমে ১১ ইনিংসে ১৫ উইকেট নিয়েছেন রিশাদ। স্পিনারদের মধ্যে এই সংখ্যায় যৌথভাবে শীর্ষে আছেন তিনি। পার্থ স্কর্চার্সের কুপার কনলিও ১০ ইনিংসে নিয়েছেন ১৫ উইকেট। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টের উইকেট শিকারিদের তালিকায় রিশাদের অবস্থান সপ্তম।
বিগ ব্যাশে রিশাদের আগে বাংলাদেশি হিসেবে খেলা একমাত্র ক্রিকেটার ছিলেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন রিশাদ।
সাকিব তাঁর দুই মৌসুমের বিগ ব্যাশ ক্যারিয়ারে মোট ৯ উইকেট নিয়েছেন। নিজের প্রথম মৌসুমেই বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ককে ছাড়িয়ে গেলেন এই লেগস্পিনার।

বিগ ব্যাশে দারুণ উজ্জ্বল রিশাদ হোসেন। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সিডনি সিক্সার্সের বিপক্ষে গুছানো বোলিংয়ে দুই উইকেট নিয়েছেন হোবার্ট হারিকেনসের বাংলাদেশি লেগস্পিনার।
আজ সিডনিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ১৯৮ রান করেছে সিডনি সিক্সার্স। ৪ ওভারে ৩৩ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়েছেন রিশাদ।
সিডনির ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে আসেন রিশাদ। প্রথম ওভারে খরচ করেন ৬ রান। অষ্টম ওভারে নিজের দ্বিতীয় ওভারের জন্য আসেন রিশাদ, এই ওভারে দেন ৮ রান।
ইনিংসের ১৩তম ওভারে বোলিংয়ে এসে জোড়া আঘাত হানেন রিশাদ। ওভারের প্রথম বলেই ৬৫ রানে থাকা সিক্সার্সের অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে ফেরান। শেষ বলে শিকার হন মোয়েসেস হেনরিকস।
১৭তম ওভারে মাত্র ৪ রান দেন রিশাদ। তাঁর শেষ ওভারে কোন বাউন্ডারি বের করতে পারেননি সিডনি সিক্সার্সের ব্যাটাররা। ৩৩ রানে দুই উইকেট নিয়ে বোলিংয়ের কোটা শেষ করেন রিশাদ।
চলতি বিগ ব্যাশে ১১ ইনিংসে ১৫ উইকেট নিয়েছেন রিশাদ। স্পিনারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিদের তালিকায় সবার উপরে এই লেগস্পিনার। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিদের মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন রিশাদ।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের স্বপ্ন ভেঙে বিপিএলের ১২তম আসরের চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবারের ফাইনাল ম্যাচে চট্টগ্রামকে ৬৩ রানে হারাল তারা।
আগে ব্যাট করে তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরির সৌজন্যে ১৭৪ রানের পুঁজি পায় রাজশাহী। জবাবে ১৩ বল বাকি থাকতে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম।
টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে নিজের তৃতীয় সেঞ্চুরিতে ঠিক ১০০ রানের ইনিংস খেলেন তামিম। ৬২ বলের ইনিংসে ৬ চারের সঙ্গে মারেন ৭টি ছক্কা। বিপিএলের ফাইনালে তৃতীয় সেঞ্চুরি এটি।
এছাড়া আর কেউই তেমন বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ৩০ রান করতে ৩০ বল খেলেন সাহিবজাদা ফারহান ও কেন উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে আসে ১৫ বলে ২৪ রান।
চট্টগ্রামের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও শরিফুল ইসলাম।
পরে রান তাড়ায় চট্টগ্রামের পক্ষে কেউই তেমন কিছু করতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৩৯ রানের ইনিংস খেলতে ৩৬ বল নেন মির্জা তাহির বেগ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করেন আসিফ আলি।
বল হাতে মাত্র ৯ রানে ৪ উইকেট নেন বিনুরা ফার্নান্দো। বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ১৫ রানে নেন ৩ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ২০ ওভারে ১৭৪/৪ (সাহিবজাদা ৩০, তানজিদ ১০০, উইলিয়ামসন ২৪, নিশাম ৭*, শান্ত ১১; শরিফুল ৪-০-৩৩-২, মুকিদুল ৪-০-২০-২, তানভির ৩-০-১৭-০, মেহেদি ৪-০-৪৮-০, মির্জা ১-০-১৩-০, জামাল ৪-০-৪৩-০)
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৭.৫ ওভারে ১১১ (মির্জা ৩৯, নাঈম ৯, জয় ০, নাওয়াজ ১১, জাহিদুজ্জামান ১১, মেহেদি ৪, আসিফ ২১, আমির ৮, শরিফুল ০, তানভির ১*, মুকিদুল ১ ; বিনুরা ৩-০-৯-৪, নিশাম ৪-০-২৪-২, তানজিম ৩-০-৩৭-০, সাকলাইন ৩.৫-০-২৪-১, মুরাদ ৪-০-১৫-৩)
ফল: রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৬৩ রানে জয়ী

শ্রীলঙ্কাকে ৬-৩ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর এবার আরও বড় জয় পেল বাংলাদেশ। সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে এবার সাবিনা খাতুনদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে রীতমতো বিধ্বস্ত হলো পাকিস্তান।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককের ননথাবুরি হলে আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯-১ গোলের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশে। চারগোল করেছেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। জোড়া গোল পেয়েছেন কৃষ্ণা রানী সরকার ও নৌশিন জাহান। অন্য গোলটি নিলুফা ইয়াসমিন নীলার।
প্রতিযোগিতায় এ নিয়ে পাঁচ ম্যাচে চতুর্থ জয়ে শিরোপার আরও কাছে পোঁছে গেল বাংলাদেশ। ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান পোক্ত করল সাবিনারা। দুইয়ে থাকা ভারতের পয়েন্ট ৯।
রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে হওয়া এই টুর্নামেন্টে আজ ভুটানের বিপক্ষে ভারত হারলেই চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশে মেয়েরা। অথবা মালদ্বিপের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচে জয় পেলেই সর্বোচ্চ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ।
গুছিয়ে উঠতে শুরুতে খানিকটা সময় নেয় বাংলাদেশ। ৭ মিনিটে শুরু হয় পাকিস্তানের জালে বল পাঠানোর উৎসব। মাতসুশিমা সুমাইয়ার বাড়ানো বল থেকে গোল করেন সাবিনা খাতুন। কৃষ্ণার পাস ধরে ডান দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা মাতসুশিমা সুমাইয়া বল বাড়ান গোলমুখে। ফাঁকায় থাকা সাবিনা নিখুঁত ট্যাপে বল জড়িয়ে দেন জালে। পরের মিনিটেই ব্যবধান ২-০ করেন নীলা। ১০ মিনিটে আরেক দফা পাকিস্তানের জালে বল পাঠায় বাংলাদেশ, এবার গোলদাতা নৌশিন। দুই মিনিট পর নিজের জোড়া আর দলের চতুর্থ গোলটি করেন তিনি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে এক মিনিটের মধ্যে আরও দুই গোল করে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করে ফেলে বাংলাদেশ। সুমাইয়ার পাস প্রথম স্পর্শে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে, জায়গা বানিয়ে বাম পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন কৃষ্ণা। এরপর নীলার পাসে বাম পায়ের প্লেসিং শটে জাল খুঁজে নেন সাবিনা। সাফ নারী ফুটসালে এবারের আসরে প্রথমার্ধে ৬ গোল করতে পারেনি আর কোনো দলই।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের বেগ কিছুটা কমায় বাংলাদেশ। ২৭ মিনিটে গোলও হজম করতে পারত। তবে সে যাত্রায় জাল অক্ষুণ্ণ রেখে ৩২ মিনিটে কৃষ্ণা রাণীর গোলে ব্যবধান দাড়ায় ৭-০। তাঁর শট প্রথমবার পাকিস্তানের গোলকিপার, তবে ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে না পারায় বল পেয়ে জাল খুঁজে নেন কৃষ্ণা।
৩৩ মিনিটে গোল একমাত্র গোলটি হজম করে বাংলাদেশ। পরের মিনিটেই সুমাইয়ার একটি শট বক্সের বাইরে এসে হাত দিয়ে ঠেকিয়ে লাল কার্ড দেখেন পাকিস্তানের গোলকিপার। এরপর ফ্রি কিক থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন সাবিনা। শেষ মিনিটে আরও একটি গোল করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।

ক্রিকেট উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোর করতে একটি সমঝোতা স্বারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা (সিএসএ)।
প্রিটোরিয়ায় বাংলাদেশ হাই-কমিশন চ্যান্সারিতে গত ১৬ জানুয়ারি আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিসিবির পক্ষে স্বাক্ষর করেন দক্ষিণ আফ্রিকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার শাহ আহমেদ শফি এবং সিএসএর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ফোলেতেসি মোসেকি।
চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের উদীয়মান ক্রিকেটাররা প্রিটোরিয়ায় সিএসএর সেন্টার অব এক্সিলেন্সে উঁচুমানের প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি আম্পায়ার ও কিউরেটরদের জন্য প্রশিক্ষণের সঙ্গে বিনিময় কর্মসূচি রাখা হয়েছে চুক্তিতে। নারী ও পুরুষ উভয় দলেরই দ্বিপাক্ষিক সফর বাড়ানোর ব্যাপারটিও সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে কোচিং উন্নয়ন, কারিগরি জ্ঞান বিনিময় ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে দুই বোর্ড একসঙ্গে কাজ করবে। চুক্তির মেয়াদ তিন বছর। সংশ্লিষ্টদের আশা, দুই দেশের ক্রিকেপ সম্পর্ককে আরও পোক্ত করবে এই চুক্তি।