
রাঞ্চিতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আগে ব্যাটিং করে ভারত তুলেছিল ৩৪৯ রান। যা অতিথি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একদিনের ফরম্যাটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এই রান তাড়া করে জয় বন্দরে পৌঁছতে রীতিমতো রেকর্ড গড়তে হতো এইডেন মার্করামদের।
অথচ একটা পর্যায়ে মনে হচ্ছিল, সব হিসেব চুকিয়ে দেবেন করবি বশ। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে শেষ পর্যন্ত সফরকারীদের আশা বাঁচিয়ে রাখেন এই পেস অলরাউন্ডার। তবে ৪৯.২ ওভারে কুলদ্বীপ যাদবের বলে ক্যাচ তুলে ফেরালে ১৭ রানের জয় পায় ভারত।
বুধবার টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়ালকে হারায়। এরপর রোহিত শর্মার সঙ্গে জুটি বাঁধেন বিরাট কোহলি। অভিজ্ঞ দুই ব্যাটারের ব্যাটে দিশা খুঁজে পায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় উইকেটে ১৩৬ রানের জুটি বাধেন তাঁরা। রোহিত ৫৭ রানে ফিরলে এই জুটি ভাঙে।
এর আগে ১৮তম ওভারে ছক্কা মেরে অর্ধশতরান করেন কোহলি। পরের ওভারে রোহিতও অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। হিটম্যান এইদিন তিনটি ছক্কা হাঁকান এবং পাকিস্তানের সাবেক স্পিন অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদির রেকর্ড ভেঙে দেন। ওয়ানডেতে আফ্রিদির ৩৫১টি ছক্কা ছিল, বর্তমানে রোহিতের ছক্কা ৩৫২টি।
২১তম ওভারে রোহিত ফিরে গেলেও কোহলি ফেরেন ৪৩তম ওভারে। যাওয়ার আগে আদায় করেন ক্যারিয়ারের ৫২তম সেঞ্চুরি, যা ক্রিকেটের এক সংস্করণে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গত ফেব্রুয়ারির পর এটিই তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি। এর আগের সেঞ্চুরি করেছিলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে।
এদিন নান্দ্রে বার্গারের বলে ক্যাচ তুলে সাজঘরে ফেরার আগে মোট ১২০ বল মোকাবিলা করেন কোহলি। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৩৫ রান, ১১টি চার ও ৭টি ছক্কা। স্ট্রাইকরেট ১১২।
কোহলি ফিরে যাওয়ার পর দায়িত্ব বুঁজে নেন কেএল রাহুল। ৫৬ বলে ৬০ রানের ইনিংস উপহার দেন ভারতের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। এতে ৩৪৯ রানের বড় সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা।
বড় লক্ষ্য তাড়ায় নেমে মাত্র ১১ রানে টপঅর্ডারের তিন ব্যাটার — রায়ান রিকেলটন, কুইন্টন ডি কক ও এইডেন মার্করামকে হারিয়ে বসে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাথু ব্রিটজকে ও টোনি ডি জর্জি মিলে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে কুলদ্বীপ যাদবের বলে ডি জর্জি এলবিডব্লিউ হয়ে মাঠ ছাড়েন।
জর্জি ফেরার পর ডিওয়াল্ড ব্রেভিসকে নিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা চালান ব্রিটজকে। তাদের এই জুটি ১৩০ রান পর্যন্ত টিকে থাকে। ব্রেভিস ফেরার পর মার্কো জেনসেন ও ব্রিটজকে মিলে ২০০ রান পার করেন। এরপর জেনসেন (৩৮ বলে ৭০) ও ব্রিটজকে (৮০ বলে ৭২) ফেরেন, তবে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করেন করবি বশ। ৩৩২ রানে থামে প্রোটিয়ারা।
No posts available.
৩০ নভেম্বর ২০২৫, ৮:৩২ পিএম

নিলামের প্রথম ধাপে দল পাননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম। দুজনই তালিকায় 'বি' ক্যাটাগরিতে ছিলেন। তবে নিলামের দ্বিতীয় ডাকে দল পেলেন দুজনই।
৩৫ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যে মাহমুদউল্লাহকে দলে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স। মুশফিককে ভিড়িয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ডাকে অবিক্রিত থাকলে দ্বিতীয় নিলামে সে ক্রিকেটাররা এক ক্যাটাগরি নিচে যাবেন।
সে হিসেবে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ 'সি' ক্যাটাগরিতে নেমে যাওয়ার কথা ছিল। তবে দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের প্রতি সম্মান জানিয়ে রংপুর ও রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজি 'বি' ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্যেই তাঁদের দলে ভিড়িয়েছে।
রংপুর রাইডার্সের কর্ণধার ইশতিয়াক সাদেক বিপিএল গভর্নিং বডির কাছে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহকে বিশেষ সম্মান জানিয়ে, ক্যাটাগরি অবনমন না করার পরামর্শ দেন। বিপিএল গভর্নিং বডি সেই পরামর্শ গ্রহণ করে।
বিপিএলের সবশেষ সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালে খেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেও ঘরোয়া লিগে আলো ছড়ান ব্যাটে। মুশফিক অবশ্য জাতীয় দলে টেস্ট সংস্করণ চালিয়ে যাচ্ছেন। দারুণ ছন্দেও রয়েছেন ব্যাট হাতে।

বিপিএল নিলামের প্রথম ধাপে দল পেলেন না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। 'বি' ক্যাটাগরিতে থাকা বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক এই অলরাউন্ডারের ভিত্তিমূল্য ছিল ৩৫ লাখ টাকা। তবে তাঁর প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কোনো দল।
বিপিএলের সর্বশেষ সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালে খেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেও ঘরোয়া লিগে আলো ছড়ান ব্যাটে।
মাহমুদউল্লাহর মতো মুশফিকুর রহিমও নিলামের প্রথম ধাপে অবিক্রিত রয়ে গেলেন। সাবেক অধিনায়কের জন্যও আগ্রহ দেখায়নি কোনো দল।
দেশি ক্রিকেটারদের নিলাম শেষে আলাদা নিলামে আবার উঠতে পারে তাদের নাম। সেখানে এক ধাপ করে কমে যাবে তাঁদের ক্যাটাগরি।

১২তম বিপিএলে নিলামে আজ প্রথম নামটি ওঠে নাঈম শেখের। 'এ' গ্রেডে থাকা এই ব্যাটারের ভিত্তিমূল্য ছিল ৫০ লাখ টাকা। তবে নিলামে সবাইকে রীতিমতো ভড়কে দিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাড়াকাড়ির এক পর্যায়ে তাঁর দাম ওঠে কোটি টাকার বেশি।
গত বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক নাঈমকে নিয়ে চলল সিলেট টাইটানস, রংপুর রাইডার্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের চতুর্মুখী লড়াই। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় তাঁকে দলে ভিড়িয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
জাতীয় দলে ছন্দ না পেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যাট হাসে নাঈমের। বিপিএল দিয়ে আবারও দলে ফেরার সুযোগ ২৬ বছর বয়সি ব্যাটারের সামনে।
নিলাম দ্বিতীয় নামটি ওঠে লিটন দাসের। শনিবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ঝড়ো ফিফটি করেছিলেন এই ওপেনার।
আলোচনা হচ্ছিল, নিলামে লিটনকে নিয়েই কাড়াকাড়ি হতে পারে। তবে তাঁকে নেওয়ার তৌড়ে ফ্যাঞ্চাইজিদের মধ্যে খুব বড় প্রতিযোগিতা দেখা যায়নি। ৭০ লাখ টাকায় উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে দলে ভিড়িয়েছে রংপুর রাইডার্স।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম আজ দ্বিতীয় নামটি ওঠে লিটন দাসের। গতকাল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ঝোড়ো ফিফটি করেছিলেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।
আলোচনা হচ্ছিল, নিলামে লিটনকে নিয়েই কাড়াকাড়ি হতে পারে। তবে তাঁকে নেওয়ার দৌড়ে ফ্যাঞ্চাইজিদের মধ্যে খুব বড় প্রতিযোগিতা দেখা যায়নি। ৭০ লাখ টাকায় তাঁকে দলে ভিড়িয়েছে রংপুর রাইডার্স।
লিটন সবশেষ বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের অধিনায়ক ছিলেন। কিপিং, ব্যাটিং, লিটনের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা- সব মিলিয়ে শুরুতেই যেন নিলামে ছক্কা মারল রংপুর।
লিটনের পর তাওহীদ হৃদয়কে দলে নেয় রংপুর রাইডার্স। দর হাঁকাহাঁকি করে ৩৫ লাখ ভিত্তিমূল্যের হৃদয়কে ৯২ লাখ টাকায় নিয়েছে রংপুর। 'এ' গ্রেডের লিটনের ভিত্তিমূল্য ছিল ৫০ লাখ।
রংপুর রাইডার্স এর আগে সরাসরি চুক্তিতে ভিড়ায় মোস্তাফিজুর রহমান ও নুরুল হাসান হোসানকে। বিদেশিদের মধ্যে তারা ভিড়িয়েছিল খাজা নাফে ও সুফিয়ান মুকিমকে।

সব জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে সকল অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ক্রিকেটের দ্বাদশ আসরের নিলাম। যেখান থেকে দর কষাকষি করে অংশগ্রহণকারী ছয়টি দল গুছিয়ে নেবে নিজেদের স্কোয়াড।
রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেল র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে বসেছে ক্রিকেটার বেচা-কেনার মেলা। এই নিলাম উপলক্ষ্যে নিলামের ভেন্যু যেন পরিণত হয়েছে সাবেক-বর্তমান ক্রিকেটারদের মিলনমেলায়।
নিলামের আগে অংশগ্রহণকারী ছয় দলের সামনে সুযোগ ছিল দুজন করে দেশি ও বিদেশি ক্রিকেটারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করার। চট্টগ্রাম রয়্যালস শুধু দলে নিয়েছে একজন বিদেশি। বাকি সবাই নিজেদের কোটা পূরণ করেছে।
অর্থাৎ নিলামের আগে চূড়ান্ত হয়েছে ২৩ ক্রিকেটারের ঠিকানা। নিলাম থেকে আরও প্রায় ৮০ জন দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারের দল নিশ্চিত হবে।
পরে নিলাম থেকে নিজেদের দল গুছিয়ে নিয়েছে সবাই। দেখে নিন সব দলের স্কোয়াড
রংপুর রাইডার্স
সরাসরি চুক্তি: নুরুল হাসান সোহান, মোস্তাফিজুর রহমান, খাজা নাফি, সুফিয়ান মুকিম
নিলাম থেকে: লিটন কুমার দাস (৭০ লাখ), তাওহিদ হৃদয় (৯২ লাখ), নাহিদ রানা (৫৬ লাখ), রকিবুল হাসান (৪২ লাখ), আলিস আল ইসলাম (২৮ লাখ), মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি (১৮ লাখ), নাঈম হাসান (১৮ লাখ),, মেহেদি হাসান সোহাগ (১১ লাখ), মাহমুদউল্লাহ (৩৫ লাখ), আব্দুল হালিম (১১ লাখ), এমিলো গে (১০ হাজার ডলার), মোহাম্মদ আখলাক (১০ হাজার ডলার)
ঢাকা ক্যাপিটালস
সরাসরি চুক্তি: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান, উসমান খান, অ্যালেক্স হেলস
নিলাম থেকে: শামীম হোসেন পাটোয়ারী (৫৬ লাখ), মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন (৬৮ লাখ), মোহাম্মদ মিঠুন (৫২ লাখ), তাইজুল ইসলাম (৩০ লাখ), সাব্বির রহমান (২৮ লাখ) , নাসির হোসেন (১৮ লাখ), তোফায়েল আহমেদ (১৮ লাখ), ইরফান শুক্কুর (১৮ লাখ), আব্দুল্লাহ আল মামুন (১৪ লাখ), মারুফ মৃধা (১৪ লাখ), জায়েদ উল্লাহ (১১ লাখ), দাসুন শানাকা (৫৫ হাজার ডলার), জুবাইরউল্লাহ আকবর (২০ হাজার)
সিলেট টাইটান্স
সরাসরি চুক্তি: নাসুম আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ আমির
নিলাম থেকে: পারভেজ হোসেন ইমন (৩৫ লাখ), সৈয়দ খালেদ আহমেদ (৪৭ লাখ), আফিফ হোসেন ধ্রুব (২২ লাখ), রনি তালুকদার (২২ লাখ), জাকির হাসান (২২ লাখ), রুয়েল মিয়া (২৩ লাখ), আরিফুল ইসলাম (২৬ লাখ), ইবাদত হোসেন চৌধুরি (২২ লাখ), শহিদুল ইসলাম (১৪ লাখ), রাহাতুল ফেরদৌস জাভেদ (১৪ লাখ), তৌফিক খান তুষার (১৪ লাখ), মুমিনুল হক (২২ লাখ), রবিউল ইসলাম রবি (১১ লাখ), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস (৩৫ হাজার ডলার), অ্যারন জোন্স (২০ হাজার ডলার),
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
সরাসরি চুক্তি: নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিম, সাহিবজাদা ফারহান, মোহাম্মদ নওয়াজ
নিলাম থেকে: তানজিম হাসান সাকিব (৬৮ লাখ), ইয়াসির আলি চৌধুরি (৪৪ লাখ), আকবর আলি (৩৪ লাখ), রিপন মন্ডল (২৫ লাখ), জিসান আলম (১৮ লাখ), হাসান মুরাদ (১৮ লাখ), আব্দুল গাফফার সাকলাইন (৪৪ লাখ), এসএম মেহেরব হাসান (৩৯ লাখ), ওয়াসি সিদ্দিকি (১৯ লাখ), মোহাম্মদ রুবেল (১১ লাখ), মুশফিকুর রহিম (৩৫ লাখ), দুশান হেমান্থ (২৫ হাজার ডলার), জাহান্দাদ খান (২০ হাজার ডলার)
চট্টগ্রাম রয়্যালস
সরাসরি চুক্তি: শেখ মেহেদি হাসান, তানভির ইসলাম, আবরার আহমেদ
নিলাম থেকে: মোহাম্মদ নাঈম শেখ (১ কোটি ১০ লাখ), শরিফুল ইসলাম (৪৪ লাখ), আবু হায়দার রনি (২২ লাখ), মাহমুদুল হাসান জয় (৩৭ লাখ), মাহমুদুল হাসান জয় (২২ লাখ), সুমন খান (৩২ লাখ), জিয়াউর রহমান (৩০ লাখ), আরাফাত সানি (১৮ লাখ), মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ (৩৩ লাখ), সালমান হোসেন (১৪ লাখ), শুভাগত হোম (১৪ লাখ), জাহিদুজ্জামান সাগর (১১ লাখ), নিরোশান ডিকভেলা (৩৫ হাজার ডলার), অ্যাঞ্জেলো পেরেয়া (২০ হাজার ডলার)
নোয়াখালী এক্সপ্রেস
সরাসরি চুক্তি: হাসান মাহমুদ, সৌম্য সরকার, জনসন চার্লস, কুশল মেন্ডিস
নিলাম থেকে: জাকের আলি অনিক (৩৫ লাখ), মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (৩৫ লাখ), হাবিবুর রহমান সোহান (৫০ লাখ), নাজমুল ইসলাম অপু (১৮ লাখ), আবু হাশিম (১৮ লাখ), মুশফিক হাসান (১৮ লাখ), শাহাদাত হোসেন দীপু (১৮ লাখ), রেজাউর রহমান রাজা (১৮ লাখ), মেহেদি হাসান রানা (১৪ লাখ), সৈকত আলি (১৪ লাখ), সাব্বির হোসেন (১৪ লাখ), ইহসানউল্লাহ (২৮ হাজার ডলার), হায়দার আলি (২৫ হাজার ডলার)