
টি-টোয়েন্টিতে তিন অঙ্কের ম্যাজিকাল ফিগার যেন হারিয়েই গিয়েছিল বাবর আজমের ব্যাটে। দীর্ঘ ৬৭ ইনিংসের সেই মরুভূমি পাড়ি দিয়ে অবশেষে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ব্যাটার। ইনিংসের শেষ বলে যখন দুই রান প্রয়োজন, তখন স্নায়ুচাপ সামলে ঠিকই লক্ষ্যভেদ করলেন পেশোয়ার জালমি অধিনায়ক। প্রায় দুই বছর পর কুড়ি-কুড়ির ফরম্যাটে বাবর-শো দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। আর সেই সাথে বড় হার দেখল কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স।
ইনিংসের শেষ বলে বৃত্ত ভাঙার চ্যালেঞ্জে দাঁড়ানো বাবর উৎরেছেন অসীম পরীক্ষা। ইনিংসের শেষ বলে জোড়া রান তুলে পূর্ণ করেন স্বীকৃতি টি-টোয়েন্টিতে ১১তম শতক। সবশেষ ২০২৪ সালে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে ৬৩ বলে অপরাজিত ১১১ রান করেছিলেন পেশোয়ার জালমি অধিনায়ক।
রবিবার ইনিংস শুরু করতে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন বাবর। ৫২ বলে পৌঁছেন শতকের ঘরে। তার নান্দনিক ইনিংসে চারটি ছক্কা ও ছয়টি চারের মার ছিল। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এটি বাবরের দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০২১ সালে ৪৯ বলে শতক ছুঁয়েছিলেন তিনি।
বাবরের শতক ও মেন্ডিসের চমৎকার ইনিংসে ৩ উইকেট ২৫৫ রান করে পেশাওয়ার। পিএসএলে যা তাদের সর্বোচ্চ। সব মিলিয়ে এই টুর্নামেন্টে এই রান তৃতীয় সর্বোচ্চ। রান তাড়ায় নেমে কোয়েটা করতে পারেন কেবল ১৩৭ রান। অর্থাৎ বড় জয়ে আরও একটি ম্যাচ রাঙাল কোয়েটা।
No posts available.
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৫৫ পিএম

২০০৯-১০ মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে মোহামেডানের সর্বশেষ ট্রফি জয়ে অবদান রেখেছেন লুৎফর রহমান বাদল। চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বড় অংক পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন তিনি। সেই থেকে ঢাকা ক্রিকেট লিগে ক্রিকেটারদের সম্মানির অংক হু হু করে বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে এই সংগঠক। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পরিচালনা পরিষদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় মোহামেডান ছেড়ে ২০১১-১২ মৌসুমে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রিকেট টিম গঠনে। সাকিব-তামিমকে দলে ভিড়িয়ে, সেই দলকে দিয়েছেন ক্রিকেট লিগের ট্রফি।
২০১৩-১৪ ক্রিকেট মৌসুমে গাজী ট্যাংক ক্রিকেটার্সের মালিকানা কিনে সেই দলটিকেও দিয়েছেন ট্রফি উপহার। লিস্ট 'এ' মর্যাদার ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের অভিষেক শিরোপা জয়ের পর এই ক্লাবটির নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ নাম। নতুন নামকরণের ক্লাবের একটি ট্রফি জয়ে প্রতিবারই দল গঠনে কাগজে-কলমে সেরাদের কাতারে থেকেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি। এবার তাই ছেড়ে দিয়েছিলেন এই ক্লাবের ওপর আশা। প্রথমে ক্রিকেট টিম গঠন করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। ছেড়ে দিয়েছেন জাকের আলী অনিক, সৌম্য সরকার, আকবর আলী, আলিস আল ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, তানজিম হাসান সাকিবের মতো ক্রিকেটারকে। তবে শেষ পর্যন্ত নিশ্চুপ থাকতে পারেননি লুৎফর রহমান বাদল। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের জোর অনুরোধে সাড়া দিয়ে মাঝারি মানের দল গঠন করেছেন এই সংগঠক।
দলের পুরোনো ১০ ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়ে নিয়েছেন ১২ ক্রিকেটারকে। আগামী ৮ থেকে ২০ মে ঘরের মাঠে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ওই সিরিজ চলাকালে লিটন দাস এবং মেহেদী হাসান মিরাজকে পাওয়া যাবে না প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে। তা জেনেও বাংলাদেশ দলের টি-২০ এবং ওয়ানডে অধিনায়ককে নিজের অর্থায়নে পরিচালিত ক্লাব লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জে নিয়েছেন। গুলশান ক্রিকেট ক্লাব থেকে লিটন দাস এবং মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব থেকে মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল গঠন করেছেন। লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জে যোগ দিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে লিটন দাস বলেছেন- ‘আমরা তো বাদল ভাইকে চিনি। বরাবরের মতো উনি ভাল টিম বানানোর চেষ্টা করেছেন। আমরা দুজন যে মানের প্লেয়ার, চেষ্টা করব ভাল কিছু করতে। যে কটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাই, টিমটাকে যেনো সাহায্য করতে পারি, সে চেষ্টা করব।’
মিরাজ, লিটন ছাড়াও এই দলে আছেন বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। মোহামেডান থেকে যোগ দিয়েছেন তিনি লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জে। আছেন ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক আশিকুর রহমান শিবলি। ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব থেকে আনা হয়েছে তাঁকে। এ ছাড়া ব্রাদার্স ইউনিয়ন থেকে সফর আলী ও এইচ মোল্লা, প্রাইম ব্যাংক থেকে ইরফান শুকুর, পারটেক্স থেকে রবিউল ইসলাম রবি, ধানমন্ডি স্পোর্টস থেকে হাবিবুর রহমান সোহান, রূপগঞ্জ টাইগার্স থেকে আহমেদ শরীফ এবং বিকেএসপি থেকে শাহরিয়ার আহমেদকে নিয়েছে লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।
সিসিডিএম-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দুই দিনের এই দল-বদলে মোট ১৩৫ ক্রিকেটার নতুন ঠিকানা খুঁজে নিয়েছেন। যার মধ্যে ৬৬ জন অনলাইনে দল-বদল করেছেন। সশরীরে দল-বদল করেছেন ৬৯ জন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়া রুবেল হোসেনকে সম্মাননা জানানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সোমবার সন্ধ্যায় এক বার্তায় দেশীয় ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মঙ্গলবার বাংলাদেশ-নিউ জিল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে দেশের হয়ে ১৯৩ উইকেট শিকারি এই ফাস্ট বোলারকে সম্মাননা জানানো হবে।
গত বুধবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন রুবেল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, এখন থেকে কেবল ঘরোয়া ক্রিকেট চালিয়ে যাবেন।
২০২১ সালের এপ্রিলে সর্বশেষ নিউ জিল্যান্ড সফরের দলে জায়গা হয়েছিল রুবেলের। এরপর আর তাকে লাল সবুজ জার্সিতে আর দেখা যায়নি। ২০২০ সালের পর থেকে তিনি আর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেননি। খেলেননি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ আসরেও। এর আগের বছর প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে ছয় ম্যাচে ৮ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি।
সবশেষ বিপিএলের নিলামে রুবেলের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কোনো দল। স্বীকৃত ক্রিকেটে তিনি সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন ২০২৫ সালের বিপিএলে। খুলনা টাইগার্সের হয়ে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে ওই ম্যাচে উইকেটশূন্য ছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়া রুবেল হোসেনকে সম্মাননা জানানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সোমবার সন্ধ্যায় এক বার্তায় দেশীয় ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মঙ্গলবার বাংলাদেশ-নিউ জিল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে দেশের হয়ে ১৯৩ উইকেট শিকারি এই ফাস্ট বোলারকে সম্মাননা জানানো হবে।
গত বুধবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন রুবেল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, এখন থেকে কেবল ঘরোয়া ক্রিকেট চালিয়ে যাবেন।
২০২১ সালের এপ্রিলে সর্বশেষ নিউ জিল্যান্ড সফরের দলে জায়গা হয়েছিল রুবেলের। এরপর আর তাকে লাল সবুজ জার্সিতে আর দেখা যায়নি। ২০২০ সালের পর থেকে তিনি আর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেননি। খেলেননি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ আসরেও। এর আগের বছর প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে ছয় ম্যাচে ৮ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি।
সবশেষ বিপিএলের নিলামে রুবেলের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কোনো দল। স্বীকৃত ক্রিকেটে তিনি সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন ২০২৫ সালের বিপিএলে। খুলনা টাইগার্সের হয়ে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে ওই ম্যাচে উইকেটশূন্য ছিলেন তিনি।

একে তো দ্বিতীয় সারির নিউ জিল্যান্ড দল। তার ওপর নিজেদের ঘরের মাঠে খেলা। তাই স্বাভাবিকভাবেই পাল্লা ছিল বাংলাদেশের দিকে। তবে প্রথম ওয়ানডেতে একদম প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি স্বাগতিক দল। ফলে সামনে এখন সিরিজ হেরে যাওয়ার আশঙ্কা।
আর এই আশঙ্কা আরও জেঁকে বসবে ইতিহাসের দিকে তাকালে। ওয়ানডেতে এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচের সিরিজের মধ্যে ৪১টিতে প্রথম ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। এর ৩৯টিতে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। হেরে গেছে সিরিজ। যেখানে ২৮টিতেই তারা হয় হোয়াইটওয়াশ।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৯ সালে এবং ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলা সিরিজ দুইটি শুধু ছিল ব্যতিক্রম। ওই দুই সিরিজে প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ার পরও বাকি দুই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প লিখেছিল বাংলাদেশ দল।
মাঝের ১১ বছরে আরও ১৮টি সিরিজে প্রথম ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। কিন্তু কোনোটিতেই প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখা হয়নি তাদের। এবার নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষেও একই অবস্থায় পড়ে গেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, শরিফুল ইসলামরা।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে কিউইদের ২৪৭ রানে আটকে রাখলেও ম্যাচ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ২২১ রানে গুটিয়ে এরই মধ্যে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছে তারা।
তবে এতেই সব কিছুর শেষ দেখছেন না প্রথম ম্যাচে দারুণ বোলিং করা শরিফুল ইসলাম। বাঁহাতি এই পেসারের মতে, বাকি দুই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বাংলাদেশ।
“আমাদের মাত্র একটা ম্যাচ গেছে। তো আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে যে, কামব্যাক করব ইনশাআল্লাহ। সেরা ক্রিকেটটা কিন্তু আমরা প্রথম ম্যাচে খেলতে পারিনি। সেরা ক্রিকেটটা খেললে আমরা ইনশাআল্লাহ কামব্যাক করতে পারব, সিরিজও জিততে পারব ইনশাআল্লাহ।”
অথচ আইপিএল ও পিএসএলের ব্যস্ততায় নিউ জিল্যান্ড দলে নেই তাদের মূল ক্রিকেটারদের ১৬-১৭ জন। যে কারণে দ্বিতীয় সারির স্কোয়াড নিয়েই বাংলাদেশে এসেছে তারা। তবু কিউইদের বিপক্ষে সুবিধা করতে পারেনি স্বাগতিকরা।
শরিফুলের বিশ্বাস, প্রথম ম্যাচের ভুল আর পরেরটিতে করবে না বাংলাদেশ।
“একটা ম্যাচে আমরা হয়তো ভুল করেছি। তারা অবশ্যই ভালো দল। আমরাও ভালো দল। ইনশাআল্লাহ পরের ম্যাচে আমরা ঘুরে দাঁড়াব। এটা তো গোল বলের খেলা, যেকোনো সময় যেকোনো কিছু হতে পারে।”
পাশাপাশি ২৪ বছর বয়সী পেসার এটিও জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব দলই মূল দল।
“আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনো সময় দ্বিতীয় সারির দল বা এই সব বলে কিছু হয় না। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করেই তারা আন্তর্জাতিক দলে এসেছে। আমরা এক ম্যাচ হেরেছি। এখনও হাতে দুই ম্যাচ আছে। ঐ সামর্থ্য আমাদের ভেতর আছে যে ইনশাআল্লাহ আমরা ঘুরে দাঁড়াবো। দেখা যাক, পরের ম্যাচে ইনশাআল্লাহ ফিরে আসব।”
মিরপুরে সোমবার বেলা ১১টায় শুরু হবে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের জার্সিতে এক দশক ধরে একসঙ্গে খেলছেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে কখনও একসঙ্গে খেলা হয়নি জাতীয় দলের দুই অধিনায়কের। এবার ফুরোচ্ছে সেই অপেক্ষা।
প্রিমিয়ার লিগের সামনের মৌসুমে লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জে নাম লিখিয়েছেন মিরাজ ও লিটন। দুজনই প্রথমবার খেলবেন রূপগঞ্জের জার্সিতে। আর প্রথমবার দলটিতে যোগ দিয়ে ক্লাবের ট্রফি কেবিনেটে প্রথম ট্রফি এনে দেওয়ার লক্ষ্য লিটন-মিরাজের।
লম্বা সময় ধরে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেললেও কখনও শিরোপা জিততে পারেনি রূপগঞ্জ। ২০১৮-১৯ ও ২০২১-২২ মৌসুমে রানার্স-আপ হওয়াই তাদের সেরা সাফল্য। এবার দলটিকে শিরোপা জেতানোর আশা মিরাজ ও লিটনের।
রূপগঞ্জের হয়ে নাম লেখানোর পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের লক্ষ্যের কথা পরিষ্কার করেন মিরাজ।
“অবশ্যই লক্ষ্য থাকবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য। কারণ দলটা অনেক ভালো করেছে। আশা করি, দলের সবাই যদি একসঙ্গে বন্ডিং ধরে রেখে খেলতে পারি, অবশ্যই চ্যাম্পিয়ন হতে পারব।”
একই কথা শোনা যায় লিটনের কণ্ঠেও।
“অবশ্যই সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে তো আমরা চেষ্টা করবোই। তবে আপনারা জানেন, আমাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি হচ্ছে জাতীয় দলের দায়িত্ব। এরপর সেখান থেকে বের হয়ে যে কয়টা ম্যাচ আমরা সুযোগ পাব, চেষ্টা করব ক্লাবকে কীভাবে সাহায্য করা যায়।”
তবে জাতীয় দলের খেলা থাকায় দুজনের কেউই প্রিমিয়ার লিগের পুরোটা খেলতে পারবেন না। সর্বোচ্চ ৪ ম্যাচ হয়তো রূপগঞ্জের জার্সিতে দেখা যেতে পারে তাদের। তাই দলের অধিনায়কত্বের জন্য অন্য কাউকে বেছে নিতে হবে রূপগঞ্জের।
ক্লাবটির কর্ণধার লুৎফর রহমান বাদল দিলেন তেমনই আভাস।
“এখনও (অধিনায়কের বিষয়ে) সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের তো দুইজনই (লিটন-মিরাজ) অধিনায়ক। ওরাই সিদ্ধান্ত ডিসিশন নেবে কে অধিনায়কত্ব করবে। ওরা না থাকলে এদের বাইরে যারা এভেইলেবল আছে... জাতীয় দলের আরও ক্রিকেটার আছে। নাসুম আছে, শেখ মেহেদী আছে, শরিফুল আছে। তাদের মধ্যে থেকে একজন অধিনায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।”
মিরাজ-লিটন ছাড়াও দলটিতে নাম লেখানো ক্রিকেটারদের তালিকায় আছেন সাইফ হাসান, শেখ মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, ইরফান শুক্কুর, হাবিবুর রহমান সোহান, শরিফুল ইসলামদের মতো ঘরোয়া ক্রিকেটের পরীক্ষিতরা।
এর বাইরে আশিকুর রহমান শিবলি, সামিউন বশির রাতুল, স্বাধীন ইসলামের মতো তরুণ ও সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদেরও নিয়েছে রূপগঞ্জ।