২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ৩:০০ এম

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। সেটা পুরনো খবর। তবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর নাম। বিশ্বকাপের মত বড় মঞ্চে দলের সহ-অধিনায়ক হয়ে গর্বিত শান্ত।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আজকের ম্যাচেই প্রথম বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিলেন শান্ত। ব্যাটিংটা দুর্দান্ত করলেও ম্যাচ জিতেনি বাংলাদেশ। ফলে অধিনায়ক হিসেবে শুরুটা খুব বেশি ভাল হয়নি। তবে তরুণ এই তারকার উপরই ভরসা রাখছে বাংলাদেশ দল।
বিশ্বকাপে দলের সহ-অধিনায়ক হয়ে শান্ত বলছেন,’ আমার মনে হয় এটা অনেকের প্রাউডের ব্যাপার। এনজয় করবো পুরো সিচ্যুয়েশনটা। আগেরদিনও বলেছি আমার পরিবারের জন্যও এটা অনেক প্রাউডের।‘
ওদিকে বিশ্বকাপের আগে শেষ তিন ম্যাচেই অর্ধশতক আছে নাজমুল হোসেন শান্তর। এরমধ্যে একটা সেঞ্চুরিও আছে। তবে অর্ধশতক গুলো বড় করতে না পারার আক্ষেপ আছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে শান্ত বলেন,’ নেক্সট আফ সেঞ্চুরি গুলোকে সেঞ্চুরি বানাবো ইনশাআল্লাহ।‘
No posts available.
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:০৪ পিএম

পাকিস্তানের বর্তমান পেস সেনশনের লিস্ট করলে এক-দুইয়ে থাকবেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। একে একে সালমান মির্জা ও মোহাম্মদ ওয়াসিমদের নাম আসবে। পাকিস্তানের এই পেসারদের নিশ্চয়ই একজন আইডল আছেন।
থাকলে তাঁরা কারা?
শাহিন সেদিন ঘটা করেই বলে দিলেন, মিচেল স্টার্ক তাঁর পছন্দের অন্যতম। অস্ট্রেলিয়ান পেসারদের দেখেই তিনি ক্রিকেটে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। সম্প্রতি টেস্ট ক্রিকেটে বাঁহাতি পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড নিজের দখলে নিয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী স্টার্ক। এরপরই শাহিন জানান, স্টার্ক তরুণদের জন্য আদর্শ।
স্টার্ককে পছন্দের আরও কারণ আছে। অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট বাঁহাতি পেসার। ৪৩৩ উইকেট তাঁর। গ্লেন ম্যাকগ্রার উইকেট ৫৬৩। ধারাবাহিক পারফর্মে এই রেকর্ডটাও নিশ্চয়ই টপকে যাবেন স্টার্ক।
আজ শেষ হওয়া অ্যাশেজে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি স্টার্ক। ১০ ইনিংসে তাঁর উইকেটসংখ্যা ৩১টি। সিরিজে দুটি ফিফটি রয়েছে তাঁর। প্রাণবন্ত এমন পারফরম্যান্সর সুবাধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের মাসসেরার তালিকায় রয়েছেন স্টার্ক।
অথচ ক্রিকেটে ৩৫ বর্ষী স্টার্কের উত্থান হয়েছিল একজন উইকেটকিপার হিসেবেই। এই ভূমিকাটি হয়তো তাঁর মধ্যে সাফল্যের জন্য প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলা ও মনোযোগ গড়ে তুলেছিল। উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো এক কিশোর থেকে নিজের সময়ের অন্যতম রোমাঞ্চকর ফাস্ট বোলারে পরিণত হওয়ার এই রূপান্তরটি অস্ট্রেলীয় ক্রীড়ার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিকাশগাথাগুলোর একটি।
২০১৫ বিশ্বকাপের টুর্নামেন্ট সেরা ছিলেন স্টার্ক। ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার টাইটেল জয়ের অন্যতম সারথী ছিলেন। ২০১৭ সালে শেফিল্ড শিল্ডে টাইটাইল জেতান। টুর্নামেন্টে এক ম্যাচে জোড়া হ্যাটট্রিক করেছেন তিনি।
স্টার্কের এমন ধারাবাহিকতার মূলে সময়ানুবর্তিতা ও কঠোর পরিশ্রম। বেসবল কিংবদন্তী নোলান রায়ানকে সুক্ষ্ণভাবে অনুসরণ করেছেন তিনি। রায়ান তাঁর ক্যারিয়ার ২৭বছর পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছেন। সে পথেই স্টার্ক।
স্টার্ক হোম জিম তৈরি করেছেন এবং নিজের ওজন ও শক্তি অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। যার ফলে এখন ১৫০ কিলোমিটার বেগে বল ছুঁড়তে পারেন তিনি। ব্যাট হাতেও কম যান না স্টার্ক। ব্রিসবেন টেস্টে ৭ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭৭ রানের ইনিংস কিংবা অ্যাডিলেডে ৫৫ রান। বারবারই প্রমাণ করে দেয় স্টার্ক দলের জন্য কতটা নিবেদিত প্রাণ।

অ্যাশেজে আগুন ঝরা বোলিংয়ে ইংল্যান্ডকে ধসিয়ে আইসিসির মাসসেরার মনোনয়ন পেলেন মিচেল স্টার্ক। অস্ট্রেলিয়ার এই ফাস্ট বোলার আজই হয়েছিলেন অ্যাশেজের সিরিজসেরা। এবার দুর্দান্ত বোলিংয়ের আরও একটি স্বীকৃতির লড়াইয়ে নির্বাচিত হলেন স্টার্ক।
আজ আইসিসির ঘোষিত ডিসেম্বরের মাস সেরার মনোনয়নে তিন জনের তালিকায় স্টার্কের সঙ্গে আছেন নিউ জিল্যান্ডের পেসার জ্যাকব ডাফি ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস বোলিং অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রিভস।
সদ্য সমাপ্ত অ্যাশেজ সিরিজে রীতিমতো ত্রাস ছড়িয়ে ৩২ উইকেট নিয়েছেন। এর মধ্যে ডিসেম্বরে তিনটি টেস্টে বাঁহাতি এই পেসার নিয়েছেন ১৬টি উইকেট। প্রথম তিন ম্যাচে ব্যাট হাতেও ১৩৯ রান করে দলের জয়ে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ব্রিসবেন টেস্টে ৮ উইকেট নেওয়ার সঙ্গে ৭৭ রান করে হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। এছাড়াও সিরিজ নির্ধারণী অ্যাডিলেড টেস্টে ৩৫ বছর বয়সী ক্রিকেটারের ব্যাট থেকে আসে ৫৪ রানের অসাধারণ এক ইনিংস।
মাসসেরার দৌড়ে থাকা আরেক পেসার জ্যাকব ডাফিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিংয়ে হন সিরিজসেরা। ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে ঘরের মাঠে কিউই এই পেসার নিয়েছেন ২৩ উইকেট।
একই সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবিশ্বাস্য ড্রয়ের অন্যতম নায়ক জাস্টিন গ্রিভসও আছেন সেরা হওয়ার লড়াইয়ে। ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে এই ব্যাটার খেলেন ২০২ রানের অনবদ্য এক ইনিংস। সিরিজের মোট তিনটি টেস্টে ৫৬.৬০ গড়ে ২৮৩ রানের সঙ্গে বল হাতে শিকার করেন পাঁচ উইকেট।
মেয়েদের বিভাগে মাসসেরার মনোনয়ন পেয়েছেন লরা উলভার্ট, সুনে লুস ও শেফালি বর্মা। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার উলভার্ট আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডেতে ২৫৫ রান করেন (স্ট্রাইক রেট ১১১.৮৪)। এছাড়া দু’টি টি-টোয়েন্টিতে ১৯০ স্ট্রাইকরেটে ১৩৭ রান করেন তিনি। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে খেলেন ১১৫ রানের অপরাজিত ইনিংস। ওয়ানডে সিরিজে ১২৪ ও ১০০* রান করে হন প্লেয়ার অফ দ্যা সিরিজ।
দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক ক্রিকেটার সুনে লুস আয়ারল্যান্ড সিরিজে তিনটি ওয়ানডেতে ২০৫ রান ও ৪ উইকেট নেন। আর কুড়ি ওভারের সিরিজে ১১৮ রান ও ৪ উইকেট সংগ্রহ করেন।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ে ব্যাট হাতে দারুণ অবদান রেখে সিরিজ সেরা হন শেফালি বর্মা। ঘরের মাঠে এই সিরিজে ১৮১.২০ স্ট্রাইকরেটে তিন ফিফটিতে মোট ২৪১ রান করেন তিনি।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। মেগা এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ভারতের সাবেক ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরকে ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে শ্রীলঙ্কা।
১৮ জানুয়ারি দলের সঙ্গে যোগ দেবেন রাঠোর। ২২ তারিখ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার সাদা বলের সিরিজ দিয়ে এসাইনমেন্ট শুরু তাঁর। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ১০ মার্চ দায়িত্ব ছাড়বেন রাঠোর।
কোচিং ক্যারিয়ারে রাঠোরের অভিজ্ঞতা বেশ সমৃদ্ধ। ২০১৯ থেকে জুলাই ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভারত ক্রিকেট দলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তাঁর কোচিংয়ে ভারত ২০২৩ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয় এবং ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে। আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের প্রধান সহকারী কোচ হিসেবেও কাজ করছেন রাঠোর।
ভারতের জার্সিতে ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে ছয়টি টেস্ট ও সাতটি ওয়ানডে খেলেছেন রাঠোর। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অত্যন্ত সফল ছিলেন এই উইকেট কিপার ব্যাটার। ১৪৬টি ম্যাচে তিনি প্রায় ৪৯.৬৬ গড়ে ১১,৪৭৩ রান করেন।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য সমর্থনের কোনো কমতি নেই। সিলেটে খেলা হলেও সুদূর নোয়াখালী থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বাস বা গাড়ি ভাড়া করে খেলা দেখতে মাঠে হাজির হন দর্শকরা।
কিন্তু তাদের এই সমর্থন বা ভালোবাসার কোনো প্রতিদানই দিতে পারেনি নোয়াখালী। বিপিএলের এখন পর্যন্ত ছয় ম্যাচের সবকটিই হেরেছে তারা। একের পর এক ম্যাচ হেরে তাই এখন সমর্থকদের কাছে সরি বললেন দলের ওপেনার সৌম্য সরকার।
টানা ছয় ম্যাচ হেরে পয়েন্ট টেবিলে সবার নিচে থাকা দলটির সামনে সবার আগে বাদ পড়ে যাওয়ার শঙ্কা। সবশেষ তারা হেরেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে। তবে এদিন ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন সৌম্য। তিনি খেলেছেন ৪৩ বলে ৫৯ রানের ইনিংস।
পরে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে নোয়াখালী তুমুল সমর্থনের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে সরি বলেন বাঁহাতি ওপেনার।
“তাদের (সমর্থক) জন্যও তো খারাপ লাগে। কিন্তু উনারা আমাদের খারাপ লাগাটা দেখছে কিনা এটা জানি না। আমরাও চেষ্টা করছি তাদের, তাদেরকে হ্যাপি করার জন্য। হ্যাঁ! আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। এটা তাদের কাছে আমরা সরিই বলবো, যে তারা এত কষ্ট করে খেলা দেখতে আসে কিন্তু আমরা...”
“আমরা চেষ্টা করছি। তাদেরকে, একচুয়েলি দর্শকরা তো রানের জন্যই খেলা দেখে। তারা এনজয়মেন্টটা অনেক আশা করে যে মাঠে রান হবে, উইকেট পড়বে। কিন্তু আমরা সেটা দিতে পারছি না। এটা আমাদের টিমেরই একটা ব্যর্থতা, ব্যাটসম্যানদের একটা ব্যর্থতা বলতে পারেন।”
পারিবারিক কারণে প্রথম তিন ম্যাচে দলের সঙ্গে ছিলেন না সৌম্য। ওই তিন ম্যাচ হারে নোয়াখালী। তিনি যোগ দেওয়ার পরও অবস্থা বদলায়নি। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার বললেন, আপাতত একটি জয়ের জন্য মরিয়া পুরো দল।
“আমি লাস্ট যে কয়েকটা ম্যাচ আমি খেলছি এখানে সবাই একটা ম্যাচ জিতার জন্য অনেক মরিয়া হয়ে আছে। সবাই চেষ্টা করছে এবং সবাই সবার বেস্টটা দেওয়ারও চেষ্টা করছে। কিন্তু হয়তোবা কোনো কারণে ওইটা আমরা ক্লিক করতে পারছি না।”

ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিভার ছাপ রেখে জাতীয় দলে ডাক পেয়ে গেলেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। সামনের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশ নারী দলে একমাত্র নতুন মুখ তরুণ এই ব্যাটার।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার বাছাইপর্বের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। জুয়াইরিয়া ছাড়া স্কোয়াডে তেমন চমক নেই কোনো। দলের বাকি সবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ অভিজ্ঞ ও অনেক দিন ধরেই জাতীয় দলের আশপাশে রয়েছেন।
গত নভেম্বরে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে জাতীয় ক্রিকেট লিগে রংপুর বিভাগের হয়ে ৭ ইনিংসে ১৮৯ রান করেছিলেন জুয়াইরিয়া। তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৩১.২৫! টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে মোস্ট প্রমিজিং ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি।
সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেলেন তরুণ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। তাকে দলে নেওয়ার পেছনের ভাবনা জানালেন নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদ শিপন।
“ও (জুয়াইরিয়া) অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলেছে। মোটামুটি পারফর্ম করেছে। প্রিমিয়ার লিগে মোটামুটি পারফর্ম করেছে। পরে এনসিএলে ভালো পারফর্ম করেছে। রানের হিসেবে এক থেকে তিনের মধ্যে ছিল।”
“ওয়ে যেটা ইম্পরট্যান্ট, সেটা হচ্ছে গিয়ে ওর ইন্টেন্টটা ভালো। পাওয়ার প্লেতে খুব ভালো। পাওয়ার প্লেটা কাজে লাগাতে পারে ভালো। পাওয়ার প্লেটা ইউটিলাইজ করতে পারে ভালো। এইটার জন্যই আমরা ওকে নিয়েছি।”
গত বছরের জানুয়ারির পর আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেনি বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওই সিরিজের দলে থাকা অভিজ্ঞ লতা মন্ডল, তাজ নেহার, মুর্শিদা খাতুনরা নেই এবার বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের দলে।
এছাড়া গত অক্টোবরে ভারতে হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপের দলে জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনাকে বাদ দেওয়া নিয়ে হয়েছিল তুমুল আলোচনা। তার জায়গায় সুযোগ পেয়েছিলেন তরুণ স্পিনার নিশিতা আক্তার। কিন্তু এবার বাছাইয়ের দলে দুজনের কাউকেই রাখা হয়নি।
স্পিন বিভাগে সুলতানা খাতুন ও সানজিদা আক্তার মেঘলার সঙ্গে থাকছেন তিন অলরাউন্ডার ফাহিমা খাতুন, স্বর্ণা আক্তার ও রাবেয়া খান। পেস বিভাগে মারুফা আক্তার ও ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণার সঙ্গে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রিতু মনি।
স্ট্যান্ডবাই তালিকায় রাখা হয়েছে পাঁচ ক্রিকেটার- শারমিন সুলতানা, ফারজানা ইয়াসমিন, শরিফা খাতুন, ফাতেমা জাহান সোনিয়া, হাবিবা ইসলাম পিঙ্কি।
নেপালে আগামী ১৮ জানুয়ারি শুরু হবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব। বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া ও পাপুয়া নিউগিনি।
বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ১৮ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। ২০ জানুয়ারি পাপুয়া নিউগিনি, ২২ জানুয়ারি নামিবিয়ার এবং ২৪ জানুয়ারি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ ২৬ জানুয়ারি।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ স্কোয়াড
নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার, সোবহানা মোস্তারি, ফারজানা হক, শারমিন সুপ্তা, দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, রিতু মনি, ফাহিমা খাতুন, স্বর্ণা আক্তার, রাবেয়া খান, মারুফা আক্তার, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, সানজিদা আক্তার মেঘলা, সুলতানা খাতুন।
স্ট্যান্ডবাই: শারমিন সুলতানা, ফারজানা ইয়াসমিন, শরিফা খাতুন, ফাতেমা জাহান সোনিয়া, হাবিবা ইসলাম পিঙ্কি