২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৩:৩৬ পিএম

২০২২ বিশ্বকাপের আগে চোটে পড়া লো সেলসোর জায়গায় দলে জায়গা পেয়েছিলেন অ্যালেক্সিস ম্যাক-অ্যালিস্টার। পরে লিওনেল মেসির সঙ্গে মিলে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ে রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
জাতীয় দলে দীর্ঘ দিন সতীর্থ হিসেবে পাওয়া মেসিকেই সেরা মনে করেন লিভারপুল তারকা। সম্প্রতি টিএনটি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, বিশ্বকাপ জেতার আগেই মেসি প্রমাণ করেছেন তিনি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর চেয়ে ভালো।
“আমি মনে করি, এই বিষয়ে কখনও কোনো বিতর্ক ছিলই না, এমনকি (মেসি) বিশ্বকাপ জেতার আগেও না। হয়তো আমি আর্জেন্টাইন বলে এমনটা বলছি। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে অনেক শ্রদ্ধা করি। কিন্তু আমার কাছে মেসিই সেরা এবং ওর মতো আর কেউ আসবে না।”
আরও পড়ুন
| ফুটবলকে বিদায় জানালেন বিশ্বকাপজয়ী জার্মান ডিফেন্ডার |
|
মেসির সঙ্গে বিশ্বকাপ জেতার আনন্দময় মুহূর্তের কথাও মনে করেন ম্যাক-অ্যালিস্টার।
“মেসি আমার দেখা সেরা খেলোয়াড় এবং আমি নিশ্চিত এটি কখনও বদলাবে না। আমরা একসঙ্গে বিশ্বকাপ জিতেছি, এটা আমার জীবনের অন্যতম গর্বের মুহূর্ত। ও শুধু মাঠে নয়, মাঠের বাইরেও একজন অসাধারণ মানুষ।”
বর্তমানে মেজর লিগ সকারের দল ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন মেসি। ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে থাকা এই মহাতারকা অবসরের পর কোচ হবেন না বলে মনে করেন ম্যাক অ্যালিস্টার।
“যতটুকু শুনেছি, সে নিজেই বলেছে তার কোচ হওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। আমি মনে করি না, সে অবসরের পর ফুটবলের সঙ্গে আর যুক্ত থাকবে।”
ম্যাক অ্যালিস্টার আর্জেন্টিনার হয়ে মোট ৩৯টি ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ৪টি। ২০২৩ সালে তিনি লিভারপুলে যোগ দেন। রেড ডেভিলদের হয়ে ৭১ ম্যাচে ১০ গোল করেছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা।
No posts available.
১৮ মার্চ ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম

অস্ট্রেলিয়ায় নারী এশিয়ান কাপ চলাকালে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছিল ইরানের নারী ফুটবলাররা। নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে মত পরিবর্তন করে দলের অধিকাংশ সদস্য তেহরানে ফিরেছেন। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, তুরস্ক হয়ে বাসে করে ইরানি সীমান্তে পৌঁছে তারা, যেখানে সরকারি কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার ঠিক আগে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছিল দলটি। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে জাতীয় সংগীতের সময় নীরব থেকে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসেন ইরানি ফুটবলাররা। পরে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাদেরকে যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক হিসেবে আখ্যা দেয়।
এশিয়ান কাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় প্রাথমিকভাবে ৫ জন খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন। পরবর্তীতে আরও ২ জন তাদের সঙ্গে যোগ দেন। তবে দীর্ঘ নাটকীয়তা শেষে ফাতিমা পাসানদিদেহ ও আতেফে রামাজানজাদেহ বাদে বাকি ৫ জন সদস্য তাদের আবেদন প্রত্যাহার করে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
আশ্রয় নেওয়া দুই খেলোয়াড় ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়ার এ-লিগ ক্লাব ব্রিসবেন রোরের সাথে অনুশীলন শুরু করেছেন। ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই কঠিন সময়ে খেলোয়াড়দের জন্য একটি সুরক্ষিত ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং অস্ট্রেলিয়ার ইরানি প্রবাসী গোষ্ঠীগুলো খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে। তবে ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা গত সপ্তাহে খেলোয়াড়দের আশ্বস্ত করে বলেন— ইরান তাঁর সন্তানদের স্বাগত জানায় এবং সরকারই তাদের পূর্ণ নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিচ্ছে। এরপরই আজ দেশে ফিরলেন ইরানের বেশিরভাগ খেলোয়াড়।

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে বাংলাদেশ দল। দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র তিন দিনের পর্যবেক্ষণেই ফুটবলারদের মধ্যে দারুণ সম্ভাবনা খুঁজে পেয়েছেন নতুন আইরিশ কোচ মার্ক কক্স। তাঁর বিশ্বাস, মানসিক দৃঢ়তা ও ট্যাকটিক্যাল বোঝাপড়া আরও উন্নত করতে পারলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই তরুণরা নিজেদের প্রমাণ করবে।
ইউয়েফা ‘এ’ লাইসেন্সধারী এই কোচ বাফুফের (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন) পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় খেলোয়াড়দের সক্ষমতা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,
‘এই দলের সঙ্গে মাত্র তিন দিন কাজ করেছি। এর আগে খেলোয়াড়দের নিয়ে কিছুটা গবেষণা করেছি এবং অন্যান্য কোচদের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। তাদের পারফরম্যান্স দেখে মনে হয়েছে, এই দল এবং বাংলাদেশের ফুটবলে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।‘
খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়েও সন্তুষ্ট কক্স,
‘ওরা দল হিসেবে ভালো খেলছে। এখন আমাদের লক্ষ্য হলো ওদের টেকনিক্যাল দক্ষতার সঙ্গে কৌশলগত বোঝাপড়াটা ঝালিয়ে নেওয়া। শারীরিকভাবে যথেষ্ট ফিট; তবে আমি এটাও দেখতে চাই তারা সামাজিকভাবে কেমনভাবে একে অপরের সঙ্গে মিশে, কারণ দল হিসেবে সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মানসিক দিকটাও গুরুত্বপূর্ণ। ওদেরকে এই পর্যায়ের আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলতে প্রয়োজনীয় সেই অতিরিক্ত ১০ শতাংশ উন্নতিটুকু এনে দেওয়াই মূল লক্ষ্য।‘
সাফের শিরোপা ধরে রাখার মিশন বাংলাদেশের। সেই লক্ষ্যেই কঠোর অনুশীলনে ব্যস্ত ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। মিডফিল্ডার মোলতাজিম আলম হিমেল জানিয়েছেন, কোচদের নির্দেশনায় প্রতিদিনই অনুশীলনে বাড়তি দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।
হিমেল বলেন,
‘দলের অবস্থা বর্তমানে অনেক ভালো। গত তিন দিন খুব ভালো ট্রেনিং করেছি। ২৪ মার্চ আমাদের প্রথম ম্যাচ, সে অনুযায়ী কোচেরা আমাদের দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। সবাই খুব পরিশ্রম করছে এবং ম্যাচের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হচ্ছে।'
২৩ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত মালদ্বীপে হবে এবারের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ। গ্রুপ ‘বি’-তে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত ও পাকিস্তান। ২৪ মার্চ পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার পর ২৮ মার্চ ভারতের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে।

২০২৬ এএফসি নারী এশিয়ান কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে উঠেছে জাপান। সিডনির স্টেডিয়াম অস্ট্রলিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়াকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে শিরোপার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেল ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
প্রায় ১৭ হাজার দর্শকের সামনে আজ জাপানের গতির কাছে পাত্তাই পায়নি গত আসরের রানার্স আপরা। ১৫ মিনিটে ফুকা নাগানোর দারুণ পাস থেকে রিকো উয়েকি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। এই টুর্নামেন্টে এটি ছিল তাঁর ষষ্ঠ গোল। এরপর ২৫ মিনিটে দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় ব্যবধান বাড়ান মাইকা হামানো।
দ্বিতীয়ার্ধে দক্ষিণ কোরিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও জাপানের আক্রমণের সামনে টিকতে পারেনি। ৭৫ মিনিটে কর্নার থেকে সাকি কুমাগাইয়ের হেডে আসে তৃতীয় গোল। তিন মিনিট পর ক্যাং চা-রিম একটি গোল শোধ করলেও তা কেবল সান্ত্বনাই হয়ে থাকে। ম্যাচের ৮১ মিনিটে রেমিনা চিবা গোল করে জাপানের বড় জয় নিশ্চিত করেন।
এই জয়ের ফলে পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠল জাপান। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। গতকাল প্রথম সেমিফাইনালে টুর্নামেন্টের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন চীনকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।

মাঠের লড়াইয়ে জেতা মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট এখন টেবিলের সিদ্ধান্তে হাতছাড়া। মঙ্গলবার রাতে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে (আফকন) সেনেগালের জেতা শিরোপা কেড়ে নিয়ে মরক্কোকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ) এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সেনেগালের তারকা সাদিও মানে এবং দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।
নিজের ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মানে,
‘যা ঘটেছে তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এটি সেই ফুটবল নয় যার জন্য আমরা লড়াই করি, কিংবা সেই আফ্রিকা নয় যাকে আমরা বিশ্বাস করি। আমাদের খেলায় দুর্নীতির প্রভাব অনেক বেশি, যা মহাদেশের লক্ষ লক্ষ ভক্তের আবেগ ও ভালোবাসাকে মেরে ফেলছে।‘
আল নাসর ফরোয়ার্ড আরও বলেন,
‘খেলোয়াড়রা মাঠে তাদের সবটুকু উজাড় করে দেয়, কিন্তু মাঠের বাইরের সিদ্ধান্তগুলো ম্যাচের ফলাফল ও শিরোপা নির্ধারণ করে দিচ্ছে। আফ্রিকান ফুটবল এবং সমর্থকরা এর চেয়ে ভালো কিছু, স্বচ্ছতা ও সম্মান পাওয়ার যোগ্য।‘
মাঠের লড়াইয়ে জয়ী হওয়া সেনেগালিজ ফুটবলাররা সিএএফের এই সিদ্ধান্তকে উপহাস করতেও ছাড়েননি। দলটির মিডফিল্ডার পাথে সিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) নিজের মেডেল ও ট্রফিসহ ছবি পোস্ট করে ব্যাঙ্গাত্মক সুরে লিখেছেন,
‘ওই কান্নাকাটি করাদের (মরক্কো) চাইলে আরও তিন গোল দিয়ে দাও।‘
গত ১৮ জানুয়ারি ফাইনালে মরক্কোকে ১-০ গোলে পরাজিত করে সেনেগাল। চরম নাটকীয়তায় ঠাসা সেই ফাইনালের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে পেনাল্টি পায় মরক্কো। প্রতিবাদে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান সেনেগালের ফুটবলাররা। প্রায় ১৭ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর সাদিও মানের অনুরোধে তারা মাঠে ফেরেন।
পুনরায় শুরু হলে ব্রাহিম দিয়াজ সেই পেনাল্টি মিস করেন। অতিরিক্ত সময়ে পেপ গুইয়ের জয় নিশ্চিত করে শিরোপা উল্লাস করেছিল সেনেগাল।
তবে দুই মাস পরে এসে আফ্রিকার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখন সেই ফলাফল পাল্টে দিয়েছে। সিএএফ তাদের রায়ে জানিয়েছে, পেনাল্টির আগে সেনেগাল দলের আচরণ টুর্নামেন্টের ৮২ ও ৮৪ নম্বর ধারার লঙ্ঘন। ফলে ম্যাচটি সেনেগালের জন্য পরিত্যক্ত ধরা হয়েছে এবং মরক্কোকে ৩-০ ব্যবধানে বিজয়ী ও চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে।
সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন (এফএসএফ) এই রায়ের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল আবদুলায়ে সিদু সো বলেন,
‘আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ করছি। আমরা থামব না, কারণ আইন আমাদের পক্ষেই আছে।‘

আফ্রিকা কাপ অব নেশনস (আফকন) ফুটবলের শিরোপা নিয়ে নজিরবিহীন বিতর্কে জড়িয়েছে সেনেগাল ও মরক্কো। টুর্নামেন্টের ফাইনালের ফলাফল পাল্টে দিয়ে মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেছে আফ্রিকান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ক্যাফ)। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে সেনেগাল।
মঙ্গলবার রাতে ক্যাফ জানায়, ফাইনালে বিতর্কিত একটি পেনাল্টির সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে মাঠ ছাড়ায় সেনেগালকে ম্যাচটি ‘ফরফিট’ করা হয়েছে। এর ফলে ম্যাচের ফল ৩-০ ব্যবধানে মরক্কোর পক্ষে দেওয়া হয়। দুই মাস আগে সেই ফাইনালের পর্যালোচনা করে ক্যাফের আপিল বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নেয়, যা আফকনের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
এই সিদ্ধান্তকে 'অন্যায্য, নজিরবিহীন ও অগ্রহণযোগ্য' বলে উল্লেখ করেছে সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, আফ্রিকান ফুটবলের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং নিজেদের অধিকার রক্ষায় তারা দ্রুতই কোট অব অরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট (সিএএস) আপিল করবে।
সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুলায়ে সেইদু সো দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমকে বলেন, 'আমরা পিছু হটব না। আইন আমাদের পক্ষেই আছে।' তিনি এই রায়কে 'আফ্রিকার জন্য লজ্জাজনক' বলেও মন্তব্য করেন।
ফাইনাল ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষ দিকে মরক্কো পেনাল্টি পায়, যা ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। সেই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সেনেগালের খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে গেলে ম্যাচে দীর্ঘ সময়ের বিরতি পড়ে। পরে খেলা পুনরায় শুরু হলে মরক্কোর পেনাল্টি নিতে গিয়ে গোল করতে ব্যর্থ হন, তার শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক । এরপর অতিরিক্ত সময়ে গোল করে সেনেগালকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন । তবে ম্যাচের পর থেকেই উত্তেজনা ও বিতর্ক চলতে থাকে।
ঘটনার পর সেনেগালের খেলোয়াড়দের প্রতিক্রিয়াও ছিল তীব্র। সেনেগালের তারকা ফুটবলার সাদিও মানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, 'বিশ্ব জানে প্রকৃত চ্যাম্পিয়ন কারা।' অন্য খেলোয়াড়রাও বিভিন্ন পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ক্যাফের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে মরক্কো ফুটবল ফেডারেশন। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, প্রতিযোগিতার নিয়মকানুনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করাই ছিল তাদের লক্ষ্য। একই সঙ্গে তারা আফকনের এই আসরে অংশ নেওয়া সব দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
সব মিলিয়ে ফাইনালের ফল পাল্টে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত আফ্রিকান ফুটবলে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়, সিএএসে আপিলের পর এই নাটকীয় ঘটনার শেষ পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।