
২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে ৪০ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছেন উজবেকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার ফ্যাবিও ক্যানাভারো। বিশ্বকাপের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন ক্যাম্পের জন্য এই দল চূড়ান্ত করা হয়েছে। ৬ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত তাসখন্দে তিন সপ্তাহের ক্যাম্প হবে।
তালিকায় থাকা ১১ জন খেলোয়াড় রয়েছেন যাঁরা রাশিয়ার প্রিমিয়ার লিগ বা রুশ ক্লাবগুলোতে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তাঁদের মধ্যে আছেন তারকা ফরোয়ার্ড এলদোর শমুরোদভ, আব্বোসবেক ফয়জুল্লায়েভ ও ওস্টন উরুনভ। ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্ডার আবদুকোদির খুসানভও আছেন স্কোয়াডে। অধিনায়ক এলদোর শোমুরোদভ।
২১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড নোদির আবদুরাজ্জাকভ ও প্রতিভাবান মিডফিল্ডার শেরজোদ এসানভসহ বেশ কয়েকজন অনভিষিক্ত খেলোয়াড় চূড়ান্ত দলে জায়গা পেতে নিজেদের প্রমাণ করতে চাইবেন।
চোট কাটিয়ে ফেরার পথে থাকা কয়েকজন খেলোয়াড়কেও দলে রেখেছেন ক্যানাভারো। যার মধ্যে ফরোয়ার্ড খুসাইন নরচায়েভ ও জালোলিদ্দিন মাশারিপভও আছেন।
কোচ ক্যানাভারো আপাতত হাতে থাকা সব বিকল্প যাচাই করে দেখার সুযোগ নিতেই এই বড় তালিকার করেছেন। তবে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে যাওয়ার আগে নিয়ম অনুযায়ী এই তালিকা থেকে ২৩ থেকে ২৬ জন খেলোয়াড়কে চূড়ান্ত স্কোয়াডের জন্য রাখা হবে। বর্তমান দলের একটি বড় অংশকে মূল টুর্নামেন্টের আগে বাদ পড়তে হবে।
উজবেকিস্তানের প্রথম বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ১৭ জুন মেক্সিকো সিটিতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে। এরপর ছয় দিন পর হিউস্টনে পর্তুগালের মুখোমুখি হবে তারা এবং ২৭ জুন আটলান্টায় কঙ্গো ডিআরের বিপক্ষে গ্রুপ পর্ব শেষ করবে।
কোচ: ফ্যাবিও ক্যানাভারো
গোলকিপার
ভ্লাদিমির নাজারভ, উৎকির ইউসুপভ, বতিরালি এরগাশেভ, আবদুভোখিদ নেমাতভ
ডিফেন্ডার
ইব্রোখিমখালিল ইউলদোশেভ, আভাজবেক উলমাসালিয়েভ, জাখঙ্গির উরোজভ, রুস্তমজন আশুরমাতভ, মুখাম্মাদকোদির হামরালিয়েভ, উমারবেক এশমুরোদভ, আবদুকোদির খুসানভ, আবদুল্লাহ আবদুল্লাহয়েভ, ফারুখ সায়ফিয়েভ, খোজিয়াকবার আলিজোনভ, শেরজোদ নাসরুল্লায়েভ, মুহাম্মাদরাসুল আবদু মাজিদভ, বেহরুজ করিমভ, দিয়র ওরতিকবোয়েভ
মিডফিল্ডার
কুভান্দিক রুজিয়েভ, শেরজোদ এসানভ, নদিরবেক আবদুরজোকভ, ওদিলজন খামরোবেকভ, উমারালি রাখমোনালিয়েভ, আলিশের ওদিলভ, সাদরোরবেক বাখরোমভ, আকমাল মজগোভয়, ওতাবেক শুকুরভ, জামশিদ ইস্কান্দারভ, জাসুরবেক জালোলিদ্দিনভ, আজিজজন গানিয়েভ
ফরোয়ার্ড
আব্বোসবের ফায়জুল্লায়েভ, জালোলিদ্দিন মাশারিপভ, দোস্তনবেক খামদামভ, ওস্টন উরুনভ, রুসলানবেক জিয়ানভ, আজিজবেক আমোনভ, খুসাইন নরচায়েভ, শেরজোদ তেমিরভ, ইগর সের্গিয়েভ, এলডোর শমুরোদভ।
No posts available.
৬ মে ২০২৬, ৬:০৪ পিএম

বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার আগেই দুই ম্যাচ নিষিদ্ধের খবর শুনতে হলো জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নিকে। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলে ডাক পেলে বেনফিকার এই ফরোয়ার্ড মিস করতে পারেন দুটি ম্যাচ। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সঙ্গে বর্ণবাদী আচরণের দায়ে নিষিদ্ধ হয়েছেন আর্জেন্টাইন এই ফুটবলার।
প্রেস্তিয়ান্নি গত ফেব্রুয়ারিতে চ্যাম্পিয়নস লিগের এক ম্যাচে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সঙ্গে তর্কে জড়ান। সে সময় ভিনিসিয়ুস তাঁর বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ আনলেও প্রেস্তিয়ানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২৪ এপ্রিল প্রেস্তিয়ানিকে তাঁর আচরণের জন্য ছয় ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয় ইউয়েফা।
ছয় ম্যাচের এই শাস্তির মধ্যে তিনটি ম্যাচ আগামী দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। শুরুতে এই নিষেধাজ্ঞা কেবল উয়েফার প্রতিযোগিতার জন্য কার্যকর ছিল। উয়েফার অনুরোধে ফিফা এই নিষেধাজ্ঞা এখন বিশ্বজুড়ে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে, আর্জেন্টিনার এই তরুণ ফরোয়ার্ডের আসন্ন বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে মাঠে নামা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এর আগে গত ২৫শে ফেব্রুয়ারি মাদ্রিদের বিপক্ষে প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে তদন্ত চলাকালীন ‘সতর্কতামূলক’ ব্যবস্থার কারণে প্রেস্তিয়ানি খেলতে পারেননি—যাকে শাস্তির এক ম্যাচ হিসেবে ধরা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর উয়েফা জানায়, তারা ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাকে এই শাস্তি বিশ্বব্যাপী কার্যকর করার অনুরোধ করেছে। বুধবার ফিফার এক মুখপাত্র জানান, ‘ফিফা ডিসিপ্লিনারি কমিটি বেনফিকা খেলোয়াড় জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানির ওপর উয়েফার দেওয়া ছয় ম্যাচের এই নিষেধাজ্ঞা বিশ্বব্যাপী কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
এই নিষেধাজ্ঞার শাস্তির ফলে আর্জেন্টিনা যদি প্রেস্তিয়ান্নিকে আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো বিশ্বকাপের স্কোয়াডে রাখে, তবে আলজেরিয়া এবং অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে তিনি মাঠে নামতে পারবেন না। ২০ বছর বয়সী এই ফুটবলার বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হয়ে এ খন পর্যন্ত মাত্র এক ম্যাচ খেললেও গত মার্চে মৌরিতানিয়া ও জাম্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে দলের সঙ্গে ছিলেন।
অবশ্য ‘বিশ্বব্যাপী নিষেধাজ্ঞা’ কেবল ফিফার অফিশিয়াল বা প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ায় প্রেস্তিয়ানি তাঁর ক্লাব বেনফিকার হয়ে পর্তুগিজ লিগের শেষ দুই ম্যাচ (ব্রাগা ও এস্তোরিল প্রেইয়ার বিপক্ষে) খেলতে পারবেন। এমনকি আগামী ৭ই জুন হন্ডুরাসের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রীতি ম্যাচেও তার অংশ নিতে কোনো বাধা নেই।
বর্ণবাদের ওই ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১৭ ফেব্রুয়ারি, বেনফিকার মাঠ এস্তাদিও দা লুজ-এ চ্যাম্পিয়নস লিগ প্লে-অফ রাউন্ডের প্রথম লেগের ম্যাচে। ম্যাচ শেষে এক বিবৃতিতে প্রেস্তিয়ানি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি কখনোই ভিনি জুনিয়রকে উদ্দেশ্য করে কোনো বর্ণবাদী গালি দিইনি। দুর্ভাগ্যবশত সে যা শুনেছে বলে মনে করছে, তা ভুল বুঝেছে। আমি কারোর সাথেই কখনো বর্ণবাদী আচরণ করিনি। উল্টো রিয়াল মাদ্রিদ খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আমি যে ধরনের হুমকি পেয়েছি, তার জন্য আমি লজ্জিত।’
মাঠে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সঙ্গে কথা বলার পর রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেটেক্সিয়ার তার দুই হাত মাথার ওপর আড়াআড়ি করে ফিফার ‘বর্ণবাদ বিরোধী প্রোটোকল’ শুরুর সংকেত দেন। এর ফলে ম্যাচটি প্রায় আট মিনিট বন্ধ থাকে। ম্যাচ শেষে রিয়ালের কিলিয়ান এমবাপে দাবি করেন, তিনি নিজে প্রেস্তিয়ানিকে অন্তত পাঁচবার ভিনিসিউসকে ‘বানর’ বলতে শুনেছেন।
বৈষম্যমূলক আচরণের ক্ষেত্রে ইউয়েফার নিয়ম বেশ কঠোর। ইউরোপীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতিমালায় বলা আছে— গায়ের রঙ, জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ বা যৌন অভিমুখিতার ভিত্তিতে কেউ যদি কোনো ব্যক্তির মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেন, তবে তাকে কমপক্ষে ১০ ম্যাচ বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে।

সান্তোসের অনুশীলন মাঠে সতীর্থ রবিনহো জুনিয়রের সঙ্গে তর্কে জড়ানোর ঘটনায় মুখ খুলেছেন নেইমার। নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমাও চেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।
গত মঙ্গলবারের দেপোর্তিভো রিকোলেতার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে সান্তোস। ম্যাচে গোল করার পর সাইডবেঞ্চে থাকা রবিনহো জুনিয়রকে জড়িয়ে ধরে সেই গোলের উদযাপন করেন নেইমার। ম্যাচ শেষে সাংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নেইমার নিজের ভুল স্বীকার করেন। পাশপাশি সবকিছু মিটমাট করার কথাও বললেন।
নেইমার বলেন, ‘তারা (রবিনহো জুনিয়রের প্রতিনিধিরা) যদি সংবাদমাধ্যমের কাছে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা চেয়ে থাকে, তবে এই যে আমি ক্ষমা চাইছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে ইতিমধ্যেই রবিনহো এবং তার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। স্বীকার করছি, সেদিন আমি একটু বেশিই প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে ফেলেছিলাম; পরিস্থিতিটা অন্যভাবেও সামলানো যেত, কিন্তু আমি মেজাজ হারিয়ে ফেলেছিলাম।’
নেইমার আরও যোগ করেন, ‘মানুষ মাত্রই ভুল করে; এটা আমার ভুল ছিল, তারও ভুল ছিল, তবে আমার ভুলের পাল্লাটা একটু বেশিই ভারী ছিল। গত সোমবার আমরা আবারও সবাই একত্রিত হয়েছিলাম। আমি পুরো দলের সামনে তার কাছে ক্ষমা চেয়েছি, সবার সঙ্গে কথা বলেছি। সে-ও ক্ষমা চেয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম বিষয়টি সেখানেই মিটে গেছে।’
গত রবিবারের অনুশীলন সেশনে নেইমারকে ড্রিবল করে কাটিয়ে যাওয়ায় রবিনহো জুনিয়রকে শারীরিক লাঞ্ছনা করেছেন—এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে সান্তোস। সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটি ফরোয়ার্ড রবিনহোর ছেলে রবিনহো জুনিয়র গত মঙ্গলবার জানান, এজেন্টের উপস্থিতিতে 'প্রচণ্ড রাগের মাথায়' তিনি নেইমারের বিরুদ্ধে ক্লাবে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, নেইমার তাকে উদ্দেশ্য করে কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ করেন, ল্যাং মেরে ফেলে দেন এবং সজোরে গালে চড় মারেন।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রবিনহো জুনিয়র বলেন, ‘হ্যাঁ, এটাই ঘটেছিল (গালে চড় মারার ঘটনা)। তবে সে তখনই বুঝতে পেরেছিল যে সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এরপর সে বারবার আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছে এবং আমি ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছি যে আমি তার ক্ষমা গ্রহণ করেছি।’
১৮ বছর বয়সী রবিনহো জুনিয়র অবশ্য এই অভিযোগের পেছনে ক্লাব ছাড়ার কোনো উদ্দেশ্য থাকার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন। নিজের আইডল বা শৈশবের নায়কের কাছ থেকে এমন আচরণ পেয়ে রবিনহো জুনিয়র যে বেশ মর্মাহত, তা তার কথাতেই স্পষ্ট, ‘বিষয়টি আমাকে খুব কষ্ট দিয়েছে, কারণ ছোটবেলা থেকেই নেইমার আমার আদর্শ। আমাদের আশেপাশের মানুষ এমন অনেক কথা বলছে যা সত্যি নয়; পুরো বিষয়টা এই পর্যায়ে গড়িয়েছে দেখে খারাপ লাগছে। তবে আমি এখন ঠিক আছি। আমি তাকে খুব পছন্দ করি, আমাদের কথা হয়েছে এবং সব মিটে গেছে।’
বিপরীতে নেইমার মনে করেন, তাঁর নামের ভারের কারণেই বিষয়টিকে তিল থেকে তাল করা হয়েছে, ‘অবশ্যই এটি অতিরঞ্জিত করা হয়েছে। বিশেষ করে এখানে ব্রাজিলে, যেখানে প্রতিদিন আমার নাম আলোচিত হয়। যারা ফুটবল খেলে তারা জানে যে এমন ঘটনা হরহামেশাই ঘটে—ঝগড়া, হাতাহাতি বা চড়-থাপ্পড়, যা-ই বলুন না কেন। এটাই ফুটবল, এটা খেলারই অংশ। মাঝে মাঝে বাইরের মানুষ যখন নাক গলায়, তখন তারা বিষয়টিকে বাস্তবতার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে... যা শেষ পর্যন্ত নেতিবাচকভাবে বড় আকার ধারণ করে।’
সান্তোস কোচ কুকা অবশ্য দুই খেলোয়াড়ের এই দ্বন্দ্বে ক্লাবের মনোযোগ নষ্ট হওয়ায় বেশ বিরক্ত। গত মঙ্গলবার তিনি বলেন, ‘যা ঘটেছে তা ঠিক হয়নি। যদিও এমনটা হতে পারে, তবে এটি এড়ানো যেত। আমরা এটাকে ফুটবলের স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দিতে পারি না, কারণ এটি মোটেও স্বাভাবিক নয়। এখানে কে সঠিক? কেউ না। এমন পরিস্থিতিতে আসলে সবারই ক্ষতি হয়।’
কোচ আরও যোগ করেন, ‘সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে সান্তোসের, যার নাম ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সমর্থকরা চায় দল জিতুক, ভালো খেলুক এবং গোল করুক; তারা এসব নেতিবাচক খবর অনুসরণ করতে চায় না।’
বিতর্কের মধ্যে সাম্প্রতিক মাঠের পারফরম্যান্সও যাচ্ছেতাই নেইমারের দলের। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচে জয়ের মুখ দেখেনি সান্তোস।

আসন্ন নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে আজ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ জনের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে এবার লাল-সবুজের দলকে নেতৃত্ব দেবেন আফঈদা খন্দকার প্রান্তি। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের প্রস্তুতি, প্রত্যাশা এবং সাম্প্রতিক সমালোচনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। নিজের ফর্ম এবং দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আফঈদা বলেন,
‘আমাদের দেশে কেউ ভালো খেললে তাঁর অনেক প্রশংসা করা হয়, আবার একটু খারাপ করলে অনেক বেশি সমালোচনা হয়।’
সিনিয়র পর্যায়ে নিজের পারফরম্যান্সের উত্থান-পতন এবং ফর্মে ফেরার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আফঈদা বলেন,
'আসলে একজন খেলোয়াড়ের সব সময় ভালো সময় যায় না। আমাদের দেশে কেউ ভালো খেললে তাঁর অনেক প্রশংসা করা হয়, আবার একটু খারাপ করলে অনেক বেশি সমালোচনা করা হয়। আমি চাই মানুষের এই চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আসুক, তারা যেন খেলোয়াড়দের সবসময় উৎসাহিত করেন।’
এবারের সাফের দলে বয়সভিত্তিক পর্যায় থেকে উঠে আসা বেশ কিছু নতুন মুখ রয়েছে। তার মধ্যে আছেন মমিতা খাতুন এবং অর্পিতা বিশ্বাস অর্পিতা। গত সাফের ২৩ জনের স্কোয়াডে থাকা এবারের সফরে এসেছে বড় পরিবর্তন। নতুন করে এই সাফে যাচ্ছেন ১০জন ফুটবলার। বড় মঞ্চে এই তরুণদের নিয়ে প্রত্যাশার চাপ কতটা, এমন প্রশ্নের জবাবে অধিনায়ক বেশ আত্মবিশ্বাসী। তিনি জানান, দলে নতুন বলতে আসলে কিছু নেই। খেলোয়াড়রা অনেকদিন ধরে একসঙ্গে নিবিড় অনুশীলন করছেন এবং নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়াও দারুণ। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভালো কিছু করার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।
টানা দুইবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ এবার ভারতের গোয়ায় মাঠে নামবে শিরোপা ধরে রাখার কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে। স্বাগতিক ভারত নিজেদের মাটিতে নিশ্চিতভাবেই চাইবে বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা রুখে দিতে। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতের লক্ষ্য শিরোপা পুনরুদ্ধার। ভারত চ্যালেঞ্জ নিয়ে আফঈদা জানান,
‘সাফে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল তিনটি দলই অনেক শক্তিশালী। ভারত চাইবে না বাংলাদেশ হ্যাটট্রিক করুক, তবে দল তাদের হারানোর পুরো প্রস্তুতি নিয়েই যাচ্ছি আমরা। যেকোনো দেশের মাটিতেই হোক না কেন, নিজেদের সেরাটা দিয়ে জেতার চেষ্টা থাকবে আমাদের।’
শিরোপা ধরে রাখার বাড়তি কোনো মানসিক চাপ নেই জানিয়ে আফঈদা বলেন,
‘মাঠে নামার পর হ্যাটট্রিকের চিন্তা মাথায় থাকে না। প্রত্যাশার চাপ ওরকম কিছু না। আমরা যখন মাঠে নামি তখন আমাদের মাথায় থাকে না যে হ্যাটট্রিক করতে হবে। আমরা জেতার জন্যই মাঠে নামি। বাকিটা উপরওয়ালার হাতে।’
সম্প্রতি এএফসি কাপে দলের রক্ষণভাগের দুর্বলতা নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়েছে। বিশেষ করে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ ১৫ মিনিটে ৩ গোল হজম করার তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের। এই ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়ে আফঈদা বলেন,
‘হার-জিত খেলার অংশ এবং এএফসিতে খেলার অভিজ্ঞতা থেকে দল শিখেছে যে, এই পর্যায়ের ফুটবলে পুরোটা সময় একাগ্রতা ধরে রাখা কতটা জরুরি। একাগ্রতা হারানোর কারণেই থাইল্যান্ডের বিপক্ষে গোলগুলো হজম করতে হয়েছিল।’
এবার
ছোট ছোট ভুল শুধরে সাফের
মঞ্চে নিজেদের নতুন করে প্রমাণ
করতে মুখিয়ে আছে বাংলাদেশ।

ইউরোপীয় ফুটবলের মানচিত্রে আজ রাতটি হয়তো হতে যাচ্ছে এক মহাকাব্যিক লড়াইয়ের সাক্ষী। পার্ক দে প্রাঁসে ফুটবলপ্রেমীরা যা দেখেছি, তাকে ফুটবল নয় বরং এক রোলারকোস্টার রাইড বলাই শ্রেয়। ৫-৪ গোলের সেই শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই কেবলই ছিল এক রোমাঞ্চকর নাটকের প্রথমাংশ।
চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম লেগের সেই রোমাঞ্চকর স্মৃতি সতেজ থাকতেই আজ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ফিরতি লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে দুই ফুটবল পরাশক্তি। মাত্র ৬৮ মিনিটে ৯ গোলের সেই মহোৎসব ফুটবল বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছে, রক্ষণের খোলসে বন্দি না থেকে বুক চিতিয়ে আক্রমণ করাই বায়ার্ন মিউনিখ-পিএসজির ডিএনএ। ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্যের প্রতিযোগিতায় গোল উন্মাদনায় মেতেই ফাইনাল নিশ্চিতের মঞ্চ কাঁপাতে মুখিয়ে আছে দুই দল।
২০২২ সাল থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগে কোনো ‘অ্যাওয়ে গোল’ নিয়ম নেই। এর অর্থ হলো, ফাইনালে যেতে বায়ার্নকে দ্বিতীয় লেগে অন্তত দুই গোলের ব্যবধানে জিততে হবে; অথবা এক গোলের ব্যবধানে জিতে টাইব্রেকারে পিএসজিকে হারাতে হবে। যদি ম্যাচটি ড্র হয় কিংবা বায়ার্ন হেরে যায়, তবে পিএসজি সরাসরি ফাইনালে পৌঁছে যাবে এবং বিদায়ঘন্টা বাজবে বায়ার্নের।
দ্বিতীয় লেগ কি প্রথম লেগের মতোই আক্রমণাত্মক হবে? ভিনসেন্ট কম্পানির বার্তা ছিল বেশ ভীতিকরই— ‘আরও বেশি, আরও আক্রমণাত্মক।’ বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নরা মূলত অন্য কোনো ঢঙে খেলতে অভ্যস্তই নয়; প্রতি ম্যাচেই তারা তাদের আক্রমণভাগের পূর্ণ শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। অন্যদিকে, পিএসজিও তাদের ধরনে খুব একটা বদল আনবে বলে মনে হয় না। এগিয়ে থাকায় লুইস এনরিকের শিষ্যরা কিছুটা রক্ষণাত্মক হওয়ার বিলাসিতা দেখাতে পারলেও, মিউনিখে তারা যে বিধ্বংসী গতিতেই খেলবে তা নিশ্চিত।
ফাইনালে যাওয়ার এই লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকলেও বায়ার্নকেই অনেকে এগিয়ে রাখছেন। ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনার গগনবিদারী সমর্থন বড় প্রভাব ফেলবে, যেখানে চলতি মৌসুমে মাত্র তিনটি ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি বাভারিয়ানরা। বুধবারের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে দুই দলের মধ্যে এই হোম অ্যাডভান্টেজই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
প্রথম লেগের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পিএসজি জয় পেলেও মাঠের পরিসংখ্যানে কিন্তু বায়ার্ন মিউনিখের দাপটই ছিল বেশি স্পষ্ট। পুরো ম্যাচে ৫৭ শতাংশ সময় বল দখলে রাখা বাভারিয়ানরাই গোলের সুযোগ বেশি তৈরি করেছে। বিশেষ করে পিএসজির রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত রেখে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে রেকর্ড ৫২ বার বল স্পর্শ করেছে বায়ার্ন।
মিউনিখের জন্য সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা তাদের ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনা। চ্যাম্পিয়নস লিগের গত ২৯টি হোম ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে হারের রেকর্ড থাকা বায়ার্ন নিজেদের দুর্গে এক অদম্য শক্তি। যেখানে চলতি মৌসুমের ২৩ ম্যাচের ২০টিতেই তারা মাঠ ছেড়েছে বিজয়ী বেশে।
বায়ার্নের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে পারেন হ্যারি কেইন। ইউরোপীয় গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার শীর্ষে থাকা এই ইংলিশ স্ট্রাইকার চলতি মৌসুমে ৪৭ ম্যাচে করেছেন অবিশ্বাস্য ৫৪ গোল। বিপরীতে পিএসজির হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ গোলসংখ্যা মাত্র ১৮। পাশপাশি ডানপাশে ঝড় তোলার জন্য মাইকেল ওলিসে তো আছেনই। ২০২৫-২৬ মৌসুমে ৫২ গোলে অবদান রাখা ফরাসি এই উইঙ্গার মুহূর্তেই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে একাই তছনছ করে দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন।
লিগ শিরোপা আগেই নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় বুন্দেসলিগায় হেইডেনহাইমের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্র হওয়া গত ম্যাচে মূল খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দেওয়ার বিলাসিতা দেখাতে পেরেছে বায়ার্ন। পিএসজির বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে নতুন কোনো চোটের সমস্যাও নেই তাদের শিবিরে।
অবশ্য রাফায়েল গেরেইরো এবং সার্জ গ্যানাব্রি এখনও মাঠের বাইরে রয়েছেন। গ্যানাব্রি তো ছিটকে গেছেন পুরো মৌসুম এবং এমনকি বিশ্বকাপ থেকেও। এছাড়া তরুণ উদীয়মান প্রতিভা লেনার্ট কার্লের খেলা নিয়ে পেশির চোটের কারণে কিছুটা সংশয় রয়েছে। প্যারিসে হারের তেতো স্বাদ পাওয়া সেই একাদশে খুব একটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই ছয়বারের চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ীদের। তাদের সেই বিধ্বংসী আক্রমণভাগ আরও একবার রক্ষণভাগে ত্রাস ছড়াতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
তবে পিএসজি প্রথম লেগ থেকে পুরোপুরি অক্ষত ফিরতে পারেনি। ম্যাচের শেষ দিকে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েছেন আশরাফ হাকিমি, আর এই চোটই মরক্কোর এই ফুল-ব্যাককে মিউনিখ সফর থেকে ছিটকে দিয়েছে। এই মরক্কান তারকার জায়গায় দেখা যেতে পারে মাঝমাঠের ওয়ারেন জায়ের-এমেরি খেলবেন, এই মৌসুমে নিয়মিতই রাইট ব্যাক পজিশনের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।
জায়ের-এমেরি রক্ষণভাগে চলে আসলে মাঝমাঠ ফিরছেন ফাবিয়ান রুইজ। চোট কাটিয়ে ফেরা এই স্প্যানিশ তারকা গত সপ্তাহে লরিয়েন্টের বিপক্ষে ড্র হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই মাঠে ছিলেন। এছাড়া প্রথম লেগের একাদশে আর কোনো বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, ফলে পিএসজির সেই তারকাখচিত আক্রমণভাগ অপরিবর্তিতই থাকছে।
বায়ার্ন মিউনিখ বনাম পিএসজি—লড়াইটা এখন আভিজাত্যের। ২০১৯-২০ এর ফাইনালে পিএসজিকে ১-০ গোলে হারিয়ে বায়ার্ন জয়োল্লাস করলেও, পিএসজি এখন আর সেই 'আন্ডারডগ' দল নেই। গত বছরের মে মাসে মিউনিখের এই মাঠেই ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের প্রথম ইউরোপীয় শিরোপা ঘরে তুলেছে প্যারিসের ক্লাবটি। অনেক ফুটবল বোদ্ধাদের মতে, এই সেমিফাইনালটি কার্যত 'অঘোষিত ফাইনাল'; কারণ আজ যারা শেষ হাসি হাসবে, তাদের হাতেই টুর্নামেন্টের শিরোপা দেখার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

নারী সাফে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। এবার মেয়েদের সামনে হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতার সুযোগ। ২০২২ এবং ২০২৪ সালে নেপালে জেতা সাফ টুর্নামেন্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন স্বপ্না রানী মন্ডল। সর্বশেষ সাফে খেলেছেন মুনকি আক্তারও। এবার ভারতে হতে যাওয়া সাফে নেই এই দুই মিডফিল্ডার। পারফরম্যান্সের কারণে বাদ পড়েছেন তাঁরা।
এছাড়া বাদ পড়েছেন সিনিয়র দল খেলা নিয়মিত মুখ আরেক মিডফিল্ডার পূজা দাস। ইনজুরির কারণে জায়গা হয়নি নবিরণ খাতুনের। নতুন করে দলে ঢুকেছেন মমিতা খাতুন এবং ডিফেন্ডার অর্পিতা বিশ্বাস। দুজনেই বয়সভিত্তিক দলে পারফরম্যান্স করে দলে জায়গা করে নিয়েছেন। দলে সুযোগ পাওয়াদের নিয়ে আজ সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বলেন, ‘নতুন বলতে কিছু নেই, কারণ আমরা অনেকদিন ধরে একসঙ্গে অনুশীলন করছি। সবার মধ্যে বোঝাপড়া খুব ভালো। আশা করি সবাই মিলে ভালো কিছুই করতে পারব।’
বাদ পড়া স্বপ্না এবং মুনকি আক্তারকে নিয়ে কোচ বাটলার বলেছেন, ‘স্বপ্না এবং মুনকির ক্ষেত্রে কারণ হলো, খারাপ পারফরম্যান্স। তারা সেই পর্যায়ে পারফর্ম করেনি, কথা শোনেনি এবং আশা করি একদিন তারা তাদের ভুল বুঝতে পারবে। আশা করি তারা উপলব্ধি করবে যে আমি তাদের ভালোর জন্যই এটি করছি। তাই তাদের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তারা দলের সঙ্গে অনুশীলন করছে না, এমনকি প্রশিক্ষণ দলেও নেই। আর এর কারণ স্পষ্ট- খারাপ পারফরম্যান্স।’
২০২৪ সালের সাফের স্কোয়াড থেকে এবার সাফে নেই মোট ১০ জন। সাবিনা খাতুন, মাসুরা পারভীন, সুমাইয়া মাতসুশিমা, কৃষ্ণা রানী সরকার ও সানজিদা আক্তার ছিলেন সাফজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। মিয়ানমারে হওয়া এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের পর থেকেই তারা আর বাটলারের বিবেচনায় নেই। এছাড়াও ওই আসরে খেলেছেন নিলুফা ইয়াসমিন নিলা, গোলকিপার ইয়ারজান বেগম, আইরিন খাতুন, স্বপ্না রানী ও মুনকি আক্তার।
গত সাফে ছিলেন না এবার দলে ঢুকেছেন তারা হলেন- সুরমা জান্নাত, হালিমা আক্তার, সুরভী আক্তার আরফিন, উন্নতি খাতুন, অর্পিতা বিশ্বাস, মমিতা খাতুন, উমেহ্লা মারমা, আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী, সৌরভী আকন্দ প্রীতি এবং স্বর্না রানী মন্ডল।
সাফের জন্য ২৩ সদস্যের বাংলাদেশ দল: রুপনা চাকমা, মিলি আক্তার, সুরমা জান্নাত, হালিমা আক্তার, সুরভী আক্তার আরফিন, উন্নতি খাতুন, অর্পিতা বিশ্বাস, মোসাম্মৎ মমিতা খাতুন, উমেহ্লা মারমা, আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী, সৌরভী আকন্দ প্রীতি, স্বর্না রানী মন্ডল, আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু, শামসুন্নাহার জুনিয়ার, শামসুন্নাহার সিনিয়র, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, শাহেদা আক্তার রিপা, ঋতুপর্ণা চাকমা, মোসাম্মৎ সাগরিকা, তহুরা খাতুন, শিউলি আজিম।