
সান্তোসের অনুশীলন
মাঠে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটল। সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র তরুণ প্রতিভা রবিনহো জুনিয়রের
সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন। তবে উত্তেজনার রেশ মাঠেই
শেষ হয়েছে, পরবর্তী সময়ে নিজের আচরণের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড।
ওয়ান ফুটবল
ও ট্রিবিউনার প্রতিবেদন, সান্তোসের গত ম্যাচে মূল একাদশে ছিলেন না নেইমার ও রবিনহো
জুনিয়র। স্থানীয় সময় সোমবার দলের অনিয়মিত সদস্যদের নিয়ে এক বিশেষ অনুশীলন সেশনে অংশ
নেন তাঁরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, অনুশীলনের একপর্যায়ে তরুণ রবিনহো জুনিয়র
ড্রিবলিং করে নেইমারকে কাটিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। এতেই কিছুটা বিরক্ত হন নেইমার।
নেইমার তাঁকে
উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘একটু সাবধানে খেলো’। কিন্তু বিষয়টি সেখানেই থেমে
থাকেনি। মুহূর্তের মধ্যেই দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা
হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে রূপ নেয়। জানা গেছে, কথা চলার মাঝখানে নেইমার এই তরুণ খেলোয়াড়কে
ল্যাং মেরে ফেলেও দেন।
এই ঘটনা নিয়ে
সান্তোস ক্লাব কর্তৃপক্ষ কিংবা খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক
বিবৃতি দেওয়া হয়নি। নেইমারের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এই বিষয়ে
তাদের কাছে বিশেষ কোনো তথ্য নেই।
মাঠের উত্তেজনা
অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অনুশীলনের শেষ দিকে নেইমার নিজেই উদ্যোগী হয়ে রবিনহো জুনিয়রের
কাছে এগিয়ে যান এবং নিজের মেজাজ হারানোর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। দুজনের মধ্যে বিষয়টি
মিমাংসা হয়ে যাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটিতে।
সান্তোসের প্রধান
কোচ কুকা সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, দলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এখন স্বাভাবিক। কোপা
সুদামেরিকানা প্রতিযোগিতার পরবর্তী ম্যাচের স্কোয়াডে নেইমারকে রাখা হচ্ছে বলেও তিনি
জানিয়েছেন।
No posts available.

সহজ সমীকরণ মাথায় গেঁথে
নেমেছিল ইন্টার মিলান। পার্মার বিপক্ষে ড্র কিংবা জয়ে নিশ্চিত হয়ে যাবে শিরোপা, হারলে
বাড়বে অপেক্ষা। সান সিরোতে জয়ই সঙ্গী করেছে ইতালির জায়ান্টরা। তাতে তিন ম্যাচ আগে শিরোপা
নিশ্চিত হয়েছে তাদের। একই সঙ্গে ইতালির শীর্ষ লিগে নিজেদের ২১তম শিরোপা জিতল ইন্টার
মিলান।
রবিবার ঘরের মাঠে পার্মাকে
২-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে এক মৌসুম পর আবারও সেরি আ চ্যাম্পিয়ন হলো ইতালি।
ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ
করা সময়ে মার্কাস থুরামের দারুণ সাইড-ফুট ফিনিশিংয়ে করা গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার। এরপর
দ্বিতীয়ার্ধে ৮০তম হেনরিখ মেখিতারিয়ানের গোল শিরোপা নিশ্চিত করে দলটির।
লিগে ৩৫ ম্যাচে ২৬ জয় ও
চার ড্রয়ে ইন্টারের পয়েন্ট ৮২। সমান ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে নাপোলি। এসি
মিলান ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে তিনে, জুভেন্টাস ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে। পাঁচ নম্বরে কোমোর
পয়েন্ট ৬২।

কর্নেলা এল প্রাতে রবিবারের রাতের ম্যাচ শুধুই রিয়াল মাদ্রিদ আর এস্পানিওলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং পাখির চোখে ম্যাচটির দিকে তাকিয়ে ছিল বার্সেলোনা। একটা নিখুঁত ফয়সালার ক্ষণ হয়েই যেতে পারত - যদি ম্যাচটিতে রিয়াল মাদ্রিদ হারত কিংবা ড্র করত। তাতেই ৪ ম্যাচ হাতে রেখে টানা দ্বিতীয় লা লিগা নিশ্চিত হয়ে যেত হান্সি ফ্লিকের দলের।
কিন্তু রিয়াল তো রিয়ালই। শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা জমিয়ে রাখা যাদের চিরচেনা অভ্যাস, তাদের কাছে এসপানিওল হয়ে ওঠেছিল সহজ এক প্রতিপক্ষ। লা লিগায় শেষ মুহূর্তে আরও একটু নাটক জমা রাখল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাব। এই নাটকের মহানায়ক ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে জিতে ঘরে ফিরল রিয়াল।
৩৪ ম্যাচে ২৪ জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। ১১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা। ম্যাচের দুটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে।
প্রথমার্ধে বলার মতো ২৩তম মিনিটে এস্পানিওলের ডিফেন্ডার এল হিলালিকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ভিনি। দুই মিনিট পর নিজেই ফাউলের শিকার হন। ফলে প্রথমে সরাসরি লাল কার্ড দেথেন এল হিলালি। পরে অবশ্য ভিএআরের সাহায্যে সিদ্ধান্ত বদলে তাকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।
প্রথমার্ধে দুই দলই একের পর এক লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেয়। ৪৩তম মিনিটে ভালো একটা সুযোগ পায় রেয়াল। ডি-বক্সে প্রথম ছোঁয়ায় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরাল শট নেন ব্রাহিম দিয়াস, সেটাও ক্রসবারের একটু ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়।
বিরতির পর দশ মিনিট পার হতেই চেনা ছন্দে ফিরে রিয়াল। বিশেষ করে ভিনিসিয়ুস যেন প্রথম হলুদ কার্ড আর সুযোগ মিসের প্রতিশোধ নেওয়ার মিশনে নামেন। ফেদে ভালভার্দের কাছ থেকে বল পেয়েই ভেতরে ঢুকে পড়েন ব্রাজিল ফরোয়াড। বদলি নামা গনজালো গার্সিয়ার সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু খেলে দুই ডিফেন্ডারকে ছিটকে দেন চোখের পলকে। এরপর বল জড়ান জালে।
দশ মিনিট পরেই ভিনির দ্বিতীয় ঝলক। জুড বেলিংহামের ক্রসের সূত্র ধরে ডিবক্সের কোণ থেকে জোরালো এক বুলেট গতির শটে স্কোরলাইন ২-০ করেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। দিমিত্রোভিচ ঝাঁপিয়েও সেই গতির হদিস পাননি।

ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের টিকিট পেতে ড্র করলেই হতো। তবে জয়ের ক্ষুধায় খেলতে নামা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ১৪ মিনিটেই করে ফেলল দুই গোল। পরে লিভারপুল ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করল রেড ডেভিলরা।
ঘরের মাঠে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে রোববার রাতে লিভারপুলকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। প্রথমার্ধে ইউনাইটেড জোড়া গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে দুটিই শোধ করে লিভারপুল। পরে কোবি মাইনুর গোলে নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের জয়।
এই জয়ে ৩৫ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিন নম্বর স্থান আরেকটু পোক্ত করল ইউনাইটেড। আর সমান ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে চারে লিভারপুল।
অল রেডদের বিপক্ষে দারুণ এই জয়ে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের টিকিটও নিশ্চিত হয়ে গেছে মাইকেল ক্যারিকের শিষ্যদের। দুই মৌসুম বাইরে থাকার পর আবার ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্টে খেলবে ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।
প্রতিপক্ষের মাঠে বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়েই ছিল লিভারপুল। ৬১ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখে গোলের জন্য ১২টি শট করতে পারে তারা। এর মধ্যে ৪টি ছিল লক্ষ্য বরাবর। বিপরীতে ঘরের মাঠে ১৭টি শট করে ৫টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় ইউনাইটেড।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে ম্যাথিউস কুনহার গোলে লিড নেয় স্বাগতিকরা। পরে ১৪তম মিনিটে বেনজামিন সেসকোও জালের ঠিকানা খুঁজে নিলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা। প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ব্যবধান কমাতে সময় নেয়নি লিভারপুল। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে স্বাগতিকদের জাল কাঁপান ডমিনিক সবোসলাই। পরে ৫৬ মিনিটে কোডি হাকপোও স্কোরশিটে নাম তুললে ম্যাচে ফিরে আসে সমতা। মনে হচ্ছিল, হয়তো ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পই লিখবে লিভারপুল।
তবে সেটি হতে দেননি কোবি মাইনু। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে তার গোলে আবার এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পরে আর গোল শোধ করতে পারেনি লিভারপুল। ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন ২১ বছর বয়সী মিডফিল্ডার মাইনু।

ইউয়েফা নারী চ্যাম্পিয়নস লিগে দাপুটে ফুটবলের ধারা অব্যাহত রেখে আরও একবার ফাইনালের টিকিট কাটল বার্সেলোনা ফেমেনি। সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বায়ার্ন মিউনিখকে উড়িয়ে ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের আসরে ফাইনালে উঠল বার্সেলোনার মেয়েরা।
নিজেদের ঘরের মাঠে রোববার রাতে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে বায়ার্নকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। এর আগে বায়ার্নের মাঠে প্রথম লেগে ১-১ গোলে ড্র ছিল দুই দলের লড়াই। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৩ গোলে এগিয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নাম লেখাল বার্সেলোনা।
এ নিয়ে টানা ষষ্ঠবার ও সব মিলিয়ে সপ্তমবার ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠল বার্সেলোনা ফেমেনি। এর আগে খেলা ছয় ফাইনালে তিনটিতে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। গত আসরের ফাইনালে আর্সেনালের কাছে তৃতীয়বার রানার্স-আপ হয় বার্সেলোনা।
সেই হতাশা ভুলে এবার চতুর্থ শিরোপার খোঁজে ফাইনাল খেলতে নামবে কাতালান ক্লাবটি। আগামী ২৩ মে হবে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল ম্যাচ। যেখানে বার্সেলোনার প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৮ বারের চ্যাম্পিয়ন অলিম্পিক লিঁও।
২০২২ সালের ফাইনালে বার্সেলোনাকে হারিয়েই নিজেদের অষ্টম ও সবশেষ শিরোপা জিতেছিল লিঁও। এবার নিশ্চিতভাবেই সেই পরাজয়ের বদলা নিয়ে চতুর্থ শিরোপা জিততে চাইবে বার্সেলোনা।
ফাইনালে ওঠার পথে বায়ার্নের বিপক্ষে সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে দাপুটে ফুটবল খেলে বার্সেলোনা। ম্যাচের ১৪ মিনিটে সালমা পারালুয়েলোর গোলে এগিয়ে যায় তারা। তবে ৪ মিনিটের মধ্যে লিন্ডা দালমানের গোলে সমতা ফেরায় বায়ার্ন।
এরপর শুরু হয় বার্সেলোনার ঝড়। ২৩ মিনিটে অ্যালেক্সিয়া পুতিয়াস আবার এগিয়ে দেন দলকে। পরে ৫৬ মিনিটে ইওয়া পাজোরের গোলে ৩-১ হয় স্কোরলাইন। আর ৫৯ মিনিটে পুতিয়াস আবার গোল করলে অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় বার্সেলোনার জয়।
তবে ৭২ মিনিটে পার্নিল হারডার গোল করলে ম্যাচে ফেরার আভাস দেয় বায়ার্ন। এরপর ৮৬ মিনিটেও বল জালে জড়ায় তারা। তবে ভিএআর দেখে গোল বাতিল করে দেন রেফারি। তাই আর দেখা মেলেনি ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পের, ফাইনালে উঠে আয় বার্সেলোনা।

গত মৌসুমেও তারা খেলছিল দ্বিতীয় বিভাগে। সেখান থেকে ধারাবাহিক ফুটবল খেলে ৫ বছর ফিরল সুইস সুপার লিগে। আর শীর্ষ পর্যায়ে এসে রূপকথার গল্প লিখে ইতিহাস গড়ে ১২৮ বছরের অপেক্ষা ঘুচিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো এফসি থুন।
সুইজারল্যান্ডের সুইস সুপার লিগে তিন রাউন্ড বাকি থাকতে শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে এফসি থুন। ঘরের মাঠে রোববার এফসি বাসেলকে ৩-১ গোলে হারায় তারা। আর অন্য ম্যাচে সেইন্ট গ্যালেন হেরে যাওয়ায় নিশ্চিত হয় এফসি থুনের শিরোপা।
দীর্ঘ ১২৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম বড় কোনো শিরোপা জিতল এফসি থুন। শুধু তাই নয়, সুইস সুপার লিগের ইতিহাসে প্রথম ক্লাব হিসেবে দ্বিতীয় বিভাগ থেকে শীর্ষ লিগে আসার পর প্রথম মৌসুমেই চ্যাম্পিয়ন হলো কোনো দল।
এখন পর্যন্ত ৩৩ ম্যাচে ৭৪ পয়েন্ট পেয়েছে এফসি থুন। সমান ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে রয়েছে সেইন্ট গ্যালেন। বাকি তিন ম্যাচ জিতলেও থুনকে টপকাতে পারবে না গ্যালেন। তাই আগেভাগেই নিশ্চিত হয়ে গেল চ্যাম্পিয়নশিপ।
গত অক্টোবর থেকেই পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ছিল এফসি থুন। ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শিরোপা সম্ভাবনা আগেই জাগিয়ে তোলে তারা। কিন্তু সবশেষ কিছু ম্যাচে হেরে যাওয়ায় বাড়তে থাকে তাদের উদযাপনের অপেক্ষা।
শেষ পর্যন্ত নিজেদের ম্যাচে জয় ও সেইন্ট গ্যালেনের পরাজয়ে শুরু হয়ে যায় এফসি থুনের বাধনহারা উল্লাস।
সুইস সুপার লিগে এর আগে এফসি থুনের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল দ্বিতীয় হওয়া। ২০০৫-০৬ মৌসুমে লিগে দ্বিতীয় হয়ে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও খেলেছিল ক্লাবটি। এবার প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আবার ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের আসরে দেখা যাবে এফসি থুন ক্লাব।