
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অন্যরকম প্রতিবাদ জানাল দেশটির ফুটবলাররা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মিনাব শহরের শাজারে তাইয়েবা নামের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বিমান হামলা করে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় অন্তত ১৬৮ জন শিশু এবং ১৪ জন শিক্ষক ও স্কুলের কর্মচারী নিহত হয়েছেন।
ইরানের খেলোয়াড়রা তুরস্কে আজ নাইজেরিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের আগে জাতীয় সঙ্গীত চলার সময় কালো আর্মব্যান্ড পরিধান করেন এবং হাতে স্কুলব্যাগ ধরে রাখেন। দলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার প্রথম দিনে স্কুলছাত্রীদের হত্যা নিয়ে প্রতিবাদ হিসাবে করা হয়েছিল।
ইরান পুরুষ দলের খেলোয়াড়রা ম্যাচের আগে গোলাপি ও বেগুনি রঙের ব্যাগ হাতে ধরেছিলেন, যেগুলিতে ফিতা লাগানো ছিল— শাজারেহ তাইয়েবে স্কুলে হামলার স্মরণে করা হয়েছিল এটি। তেহরান জানিয়েছে, এই হামলায় প্রথম দিনে ১৭৫-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে শিশু ও শিক্ষকও রয়েছেন।
একজন ইরানি দলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘খেলোয়াড়রা স্কুলব্যাগগুলো হৃদয়ের কাছে ধরে রেখেছে, নিহত ১৬৫ ইরানি ছাত্রীদের স্মরণে, যাদের হত্যার দায় মার্কিন সেনারা নিয়েছে।’
মার্কিন সামরিক তদন্তকারীরা মনে করছেন, নৃশংস এই হামলায় সম্ভবত নিজেদের বাহিনী দায়ী, তবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি বা তদন্ত সম্পন্ন হয়নি।
চলতি মাসের শুরুতে, ইরানের মহিলা ফুটবল দলের কয়েকজন সদস্য এশিয়ান কাপের একটি ম্যাচে জাতীয় সঙ্গীত চলাকালে নীরব ছিলেন, যা তেহরানের রাষ্ট্রীয় টিভি `জাতি-বিরোধী’ বলে আখ্যায়িত করেছিল।
ইরানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়েও আছে সংশয়। দেশটির ফুটবল ফেডারেশন চেয়েছিল, বিশ্বকাপে তাদের জাতীয় দলের ম্যাচগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে সরানো হোক, কিন্তু ফিফা তা প্রত্যাখ্যান করেছিল। ইরানের জাতীয় দলকে যুক্তরাষ্ট্রে খেলার জন্য স্বাগত জানানো হলেও, তাদের ‘জীবন ও নিরাপত্তার’ জন্য এটি যথোপযুক্ত নাও হতে পারে।
বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তুরস্কের বেলেক শহরে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের পর মঙ্গলবার তুরস্কের বিপক্ষে আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে তারা। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি তারা ২-১ গোলে হারে।
No posts available.
২৭ মার্চ ২০২৬, ৭:০৪ পিএম
২৭ মার্চ ২০২৬, ৪:৫১ পিএম
২৭ মার্চ ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম

ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রীতি ৪৫ মিনিটে মাঠ ছাড়েন রাফিনিয়া। বার্সেলোনার তারকা এই উইঙ্গার পেশীর চোটে পড়েছেন। আর এই চোটে বার্সার সঙ্গে উৎকণ্ঠায় ব্রাজিলও।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস জানিয়েছে, বার্সায় পৌঁছানো রাফিনহার চোটের প্রাথমিক তথ্য খুবই উদ্বেগজনক। ২৯ বছর বয়সী উইঙ্গার তাঁর ডান পায়ের বাইসেপস ফেমোরিসে চোট পেয়েছেন—একই পায়েই এই মৌসুমে চোট পেয়েছিলেন তিনি। এই চোটে দুই মাস মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি।
রাফিনিয়ার চোটের এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। যদি পরীক্ষায় পেশীর চিড় দেখা যায়, তবে রাফিনিয়া প্রায় নিশ্চিতভাবেই চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচ মিস করবেন এবং সম্ভবত দেড় মাস পর এল ক্লাসিকোতেও দর্শক হয়ে থাকতে হতে পারে তাকে।
যদি এই চোট শুধু পেশীর ক্লান্তি বা ছোট চিড় হয়, রাফিনিয়ার পুর্নবাসনের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। এরপরও অবশ্য ৪ এপ্রিলের লা লিগায় আতলেতিকোর বিপক্ষে ম্যাচে তাকে না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বার্সার। বার্সা ও ব্রাজিলের চিন্তা বাড়ছে একই হামস্ট্রিংয়ে ব্যথা অনুভব করেছেন রাফিনিয়া। বাইসেপস ফেমোরিস, হামস্ট্রিংয়ের তিনটি পেশীর একটি, এই চোটের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া জটিল এবং পুনরায় আঘাতের উচ্চ ঝুঁকি আছে।
এরপরও অবশ্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মধ্যে একটি ইতিবাচক খবর আছে। ব্যথা অনুভব করার পরই রাফিনিয়াকে মাঠ থেকে তুলে নেয় ব্রাজিল। তাঁর পরিবর্তে দ্বিতীয়ার্ধে লুইজ হেনরিকে নামানো হয়েছে। আশার বিষয় এই তুলনামূলক ছোট হতে পারে এবং মাঠের বাইরে থাকার সময় হয়তো কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সীমিত থাকবে।
চলতি মৌসুম অনেকটা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রাফিনিয়া। চোট থেকে ফেরার পর ক্লাবের জার্সিতে দারুণ ছন্দে ফিরতে শুরু করেছিলেন তিনি। বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে বার্সার ৭-২ জয়ে দুর্দান্ত জয়ে দারুণ অবদান রেখেছিলেন। দুই গোল করার সঙ্গে সতীর্থদের গোলেও ছিল তাঁর অবদান।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এ মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে ৩১ ম্যাচে রাফিনিয়ার গোল ১৯টি, অ্যাসিস্ট সাতটি।

ফিফার সর্বশেষ র্যাঙ্কিং হালনাগাদে এক ধাপ পিছিয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে আর্জেন্টিনা। আন্তর্জাতিক বিরতির ম্যাচ না খেলেই অবস্থান হারিয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
র্যাঙ্কিংয়ে অবনমন হয়েছে বাংলাদেশ ও ব্রাজিলেরও। আন্তর্জাতিক বিরতিতে ভিয়েতনামের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হারের পর দুই ধাপ নিচে নেমে গেছে বাংলাদেশ। ১৮০ থেকে এখন তাদের অবস্থান ১৮২তম।
ফ্রান্সের বিপক্ষে হারের পর এক ধাপ নিচে নেমেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তালিকায় পাঁচ থেকে ছয় নম্বরে কার্লো আনচেলত্তির দল। গতকাল ফরাসিদের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে তারা।
ম্যাচ না খেলেও আর্জেন্টিনার অবনমনের কারণ ব্রাজিলের বিপক্ষে ফ্রান্সের জয়। তাদের মোট পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১৮৭৩.৯৬, যা আর্জেন্টিনার ১৮৭৩.৩৩ পয়েন্টকে ছাড়িয়ে গেছে। দুই নম্বরে এখন ফ্রান্স। মোরাতানিয়ার বিপক্ষে কাল জিতলে আবারও হয়তো ফ্রান্সকে ছাড়িয়ে যাবে আলবিসেলেস্তেরা।
শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে স্পেন। ব্রাজিলের পতনের সুযোগ নিয়ে পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে বড় কোনো পরিবর্তন না হলেও চতুর্থ নম্বরে রয়েছে ইংল্যান্ড। এ ছাড়া সাত থেকে ১০ নম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মরক্কো, বেলজিয়াম ও জার্মানি।
দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে চিলি। প্রীতি ম্যাচে কেপ ভার্দেকে হারিয়ে তারা তিন ধাপ এগিয়ে ৫২ নম্বরে উঠে এসেছে। তবে আন্তর্জাতিক বিরতির সব ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ফিফার চূড়ান্ত র্যাঙ্কিং নির্ধারিত হবে।

আনহেল দি মারিয়ার ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। ২০২৪ কোপা জিতে আর্জেন্টিনাকে বিদায় বলেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার। তবে ক্লাব ফুটবলে এখনো আগের মতোই জাদু দেখিয়ে চলেছেন এই উইঙ্গার। এতেই আলোচনা ২০২৬ বিশ্বকাপে কি আবারও দেখা যেতে পারে দি মারিয়াকে?
এই আলোচনা নাকচ করে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাঁর মতে, দি মারিয়ার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অধ্যায় ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে।
দেশে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে নামার আগে মরিতানিয়া ও জাম্বিয়ার বিপক্ষে—সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি এ বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন। তিনি জানান, দি মারিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এখনো ভালো, তবে জাতীয় দলে ফেরার কোনো পরিকল্পনা নেই।
স্কালোনি বলেন, ‘তার (দি মারিয়া) সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। সে আমাকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছে। কিন্তু বিষয়টি পরিবেশ ও পরিস্থিতির সঙ্গে জড়িত। আমার মনে হয়, এই অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে। আমরা বিষয়টি সেভাবেই দেখি।’
২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা জয়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন দি মারিয়া। সেই টুর্নামেন্টে তাঁর অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। স্কালোনির অধীনে আর্জেন্টিনা যে চারটি শিরোপা জিতেছে, তার পেছনে দি মারিয়ার ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।
জাতীয় দলের জার্সিতে ১৪৫ ম্যাচ খেলা এই তারকা ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকে স্বর্ণপদকসহ মোট পাঁচটি শিরোপা জিতেছেন। অবসরের আগে চিলির বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে তাঁকে সংবর্ধনা জানানো হয়, যেখানে পরিবার, সতীর্থ ও হাজারো সমর্থকের উপস্থিতিতে আবেগঘন বিদায় নেন তিনি।
সম্প্রতি ক্লাব ফুটবলে রোসারিও সেন্ট্রালে দারুণ পারফরম্যান্সের পর অনেক সমর্থকই আশা করেছিলেন, হয়তো জাতীয় দলে ফেরার সিদ্ধান্ত বদলাতে পারেন দি মারিয়া। তবে স্কালোনির মন্তব্যে সেই সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গেছে।
তবে কোচ জানিয়েছেন, ক্লাব ফুটবলে দি মারিয়ার বর্তমান পারফরম্যান্সে তিনি খুশি এবং আশা করেন, তিনি একইভাবে খেলা চালিয়ে যাবেন।

দলটি সবশেষ প্রতিযোগিতামূলক কোনো ম্যাচ খেলেছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়েও নেই তাদের উপস্থিতি। দীর্ঘ ৭ বছরের বিরবির পর অবশেষে মাঠে ফিরেছে তারা। বলা হচ্ছে পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়ার কথা। বুধবার রাতে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের বাছাইপর্বে তারা মুখোমুখি হয় এসওয়াতিনি (সাবেক সোয়াজিল্যান্ড)-এর। আর এই ম্যাচটিই হয়ে থাকল ঐতিহাসিক।
নামিবিয়ার বিপক্ষে ইরিত্রিয়ার ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের ওই ম্যাচটি ছিল ২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের। দুই লেগ মিলিয়ে নামিবিয়ার কাছে হেরে যায় তারা। এরপর ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইসহ বিভিন্ন প্রীতি ম্যাচ থেকেও সরে দাঁড়ায় দেশটি। দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়মিত এই সরে দাঁড়ানোর পেছনে বড় কারণ হলো—দেশটির খেলোয়াড়রা বিদেশে খেলতে গেলে রাজনৈতিক আশ্রয় (অ্যাসাইলাম) চেয়ে বসতে পারেন, এমন আশঙ্কা।
জাতিসংঘের হিসেবে, ২০০৭ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ জন খেলোয়াড় ও কোচ দেশত্যাগ করেছেন। ১৯৯৩ সাল থেকে প্রেসিডেন্ট ইসাইয়াস আফওয়ারকির শাসনে রয়েছে দেশটি।
তবে ২০২৫ সালের মে’তে নীরবে ফেরার সূচনা করে ইরিত্রিয়া। সে সময় ১৯৯৩ সালে ইথিওপিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভের স্মরণে নাইজারের বিপক্ষে কয়েক দিনের ব্যবধানে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল তারা।
নাইজারের পূর্ণ শক্তির আন্তর্জাতিক দল না খেলায় ম্যাচটি ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের হিসেবে ধরা হয়নি। তবে ইরিত্রিয়া দারুণভাবে ফিরে আসে—এসওয়াতিনিকে ২-০ গোলে হারিয়ে। ম্যাচের শেষ দিকে গোল করেন ১৮ বছর বয়সী অভিষিক্ত খেলোয়াড় সিয়েম আইয়োব-আব্রাহা (শেফিল্ড ইউনাইটেড) এবং মিশরে খেলা আলি সুলেইমান। এটি ছিল ২০০৮ সালের পর আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের বাছাইপর্বে ইরিত্রিয়ার প্রথম অংশগ্রহণ। ৩১ মার্চ এসওয়াতিনির মাঠে দ্বিতীয় লেগ খেলবে তারা।
প্রথম লেগটি অনুষ্ঠিত হয় মরক্কোর মেকনেসে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে, কারণ ইরিত্রিয়ার নিজস্ব কোনো উপযুক্ত স্টেডিয়াম নেই।
আরও পাঁচটি দলের সঙ্গে এই প্রাথমিক পর্বের জয়ীরা পরবর্তী ধাপে উঠবে, যেখানে ১২টি চার-দলের গ্রুপে বিভক্ত হয়ে লিগ পদ্ধতিতে খেলা হবে। র্যাঙ্কিংয়ে ১ থেকে ৪২ নম্বরে থাকা দলগুলো সরাসরি গ্রুপ পর্বে সুযোগ পেয়েছে, আর ৪৩ থেকে ৫৪ নম্বর দলগুলোকে এই প্রাথমিক পর্ব খেলতে হচ্ছে। কেনিয়া, উগান্ডা ও তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আফকনের ৭০তম আসরকে সামনে রেখে এই বাছাই প্রক্রিয়া চলছে।
ইরিত্রিয়া কখনোই বিশ্বকাপ বা আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সে খেলেনি। দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকায় ফিফার ২১১টি দেশের মধ্যে বর্তমানে একমাত্র র্যাঙ্কবিহীন দল তারা, এবং র্যাঙ্কিংয়ে তাদের জন্য আলাদা একটি বিভাগ রাখা আছে।
আগামী ৬ এপ্রিল ফিফার পরবর্তী র্যাঙ্কিং হালনাগাদ প্রকাশিত হবে। সেখানে ‘রেড সি ক্যামেলস’ নামে পরিচিত ইরিত্রিয়া ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো আবার র্যাঙ্কিংয়ে ফিরতে পারে—সর্বশেষ তখন তাদের অবস্থান ছিল ২০০।

ফ্রান্সের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড ছুঁতে আর মাত্র এক গোল দূরে আছেন কিলিয়ান এমবাপে। গতরাতে ব্রাজিলের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের জিলেট স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের বিপক্ষে গোল করেই এমন রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ফ্রান্স ফরোয়ার্ড।
এই গোল নিয়ে ক্যারিয়ারে ৫৬তম গোল পেলেন এমবাপে। এর জন্য তাঁকে খেলতে হয়েছে ৯৪ ম্যাচ। এমবাপের সামনে কেবল অলিভার জিরুদ। দুইবারের চ্যাম্পিয়নদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ গোল করেছেন জিরুদ। এই গোল করতে ১৩৭ ম্যাচ খেলেছেন বর্তমানে লিলের হয়ে খেলা বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড।
এদিন ম্যাচের ৬৬ মিনিটে মার্কাস থুরামের বদলি হিসেবে তুলে নেওয়া হয় ২৭ বছর বয়সী এমবাপেকে। এরপর আরও বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ মিস করে ফ্রান্স। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা মাঠে থাকলে হয়ত রেকর্ডটা এদিনই স্পর্শ করা হয়ে যেতো তাঁর।
এর আগে বেশ কিছুদিন ধরে ইনজুরির সঙ্গে লড়াই করছিলেন এমবাপে। অবশেষে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে মাঠের লড়াইয়ে ফেরেন তিনি। এরপর জাতীয় দলের হয়ে ছন্দ ফিরে পেয়েছেন ২০১৭ সালে ফ্রান্সের হয়ে অভিষেক হওয়া এই তারকা।
ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ ৮ গোলদাতা:
অলিভার জিরুদ - ১৩৭ ম্যাচে ৫৭ গোল।
কিলিয়ান এমবাপে - ৯৪ ম্যাচে ৫৬ গোল।
থিয়েরি হেনরি - ১২৩ ম্যাচে ৫১ গোল।
আতোয়ান গ্রিজম্যান - ১৩৭ ম্যাচে ৪৪ গোল।
মিচেল প্লাতিনি - ৭২ ম্যাচে ৪১ গোল।
কারিম বেনজেমা - ৯৭ ম্যাচে ৩৭ গোল।
ডেভিড রেজেগুয়েট - ৭১ ম্যাচে ৩৪ গোল।
জিনেদিন জিদান - ১০৬ ম্যাচে ৩১ গোল।