
সর্বশেষ ১২ ম্যাচে ৯ হার—বড়ই বাজে সময় যাচ্ছিল লিভারপুলের। উপায়ন্ত না পেয়ে আজ দলের বড় তারকা মোহাম্মদ সালাহকে ছাড়াই একাদশ সাজান আর্নে স্টল। ফলও মিলেছে তাতে।
মিশরীয় ফরোয়ার্ড সালাহর অনুপস্থিতিতে ওয়েস্ট হ্যামকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। পর পর ব্যর্থতার পর লন্ডনের এই জয় যেন তপ্ত মরুভূমিতে এক ফোঁটা জল। জয়ের স্বস্তির পাশাপাশি আশার ঝিলিকও দেখছে লিভারপুল—ভির্টস ও ইসাক হয়তো অবশেষে নিজেদের খুঁজে পেতে শুরু করেছেন।
লিভারপুলের স্ট্রাইকার আলেকসান্দার ইসাক স্কাই স্পোর্টসকে বলেন,
"আমাদের সাম্প্রতিক ফর্মের পর জয় ফিরে পাওয়া কঠিনই হবে জানতাম। আমরা জিতেছি—এটা ভেবে ভালো লাগছে। একই সঙ্গে স্কোরশিটেও নাম উঠেছে।"
প্রথমার্ধ গোলশূন্য ড্র নিয়ে বিরতিতে যায় দুদল। এ অর্ধে বেশ কিছু সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি লিভারপুল। ইসাক বলেন,
"যখন দল কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যায়, তখন লড়াই করাই মূল বিষয়। সবাই সত্যিই দারুণ লড়াই করেছে।"
লিভারপুলের হয়ে তার প্রথম প্রিমিয়ার লিগ গোল নিয়ে ইসাক বলেন,
"আমি জানি, এই গোলটা আসতে অনেক সময় লেগেছে। আমি সেরা ফর্মে ফেরার চেষ্টা করেছি। এখনও সে পথেই আছি। আর গোল পেয়ে অবশ্যই ভালো লাগছে।"
তিনি আরও বলেন,
"আজকের সেরা অনুভূতি হলো আমরা ম্যাচ জিতেছি—এটাই দলের মধ্যে ভালো মনোভাব ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে বড় দিক। তবে আমি একজন স্ট্রাইকার, তাই গোল পাওয়া আমাকে সবসময়ই সাহায্য করবে। আমাদের এই জয়টাকে কাজে লাগাতে হবে, তবে একই সঙ্গে বিনয়ী থাকতে হবে। মনোযোগ ধরে রেখে কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে, যাতে এই গতি বজায় থাকে।"
No posts available.
৩০ নভেম্বর ২০২৫, ৮:৪৭ পিএম
৩০ নভেম্বর ২০২৫, ৬:৫০ পিএম

আন্তর্জাতিক বিরতি (তৃতীয়) থেকে ফেরার ম্যাচে এভারটনের কাছে ধাক্কা খায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে (লিগের ১৩তম ম্যাচ) ঘুরে দাঁড়িয়েছে রুবেন আমোরিমের দল। ক্রিস্টাল প্যালেসের ঘরের মাঠ থেকে পয়েন্ট ভাগিয়ে এনেছে রেড ডেভিলসরা।
সেলহার্স্ট পার্কে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যার ম্যাচে ডাবল টাচের সুবিধা নিয়ে প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকা দ্য ঈগলসদের দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গোল ঠুকে দেয় অতিথিরা। জশুয়া জিরকজির পর দ্বিতীয় গোলটি করেন ম্যাসন মাউন্ট। দুটি গোলের সহযোগী ছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেস।
এই জয়ে পয়েন্ট টেবলে বড়সড় লাফ দিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ১৩ ম্যাচে ষষ্ঠ জয়ে ছয়ে উঠে এসেছে ইংল্যান্ড ভিত্তিক ক্লাবটি।
এদিন ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণ শানায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। দিয়েগো দালতের থ্রো থেকে একপ্রকার লিডের সুযোগ তৈরি হয়। পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে শট নিয়েছিলেন ক্যাসিমিরো, তবে ব্রাজিল ফরোয়ার্ডের শট রুখে দেন ক্রিস্টাল প্যালেসের গোলকিপার ডিন হেন্ডারসন।
৬ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের কর্নার শটও দুর্দান্তভাবে ক্লিয়ার করেন হেন্ডারসন। ১৮৮ সেন্টিমিটারের এই ইংলিশ গোলকিপার লাফ দিয়ে দুর্দান্ত এক পাঞ্চে বিপদমুক্ত করেন।
দশম মিনিটে সেটপিস থেকে ফ্রি-কিক নেন ব্রুনো। ডান প্রান্ত দিয়ে তার শটে লাফিয়ে মাথা লাগান ক্যাসিমিরো, তবে তাতেও গোল আদায় করতে পারেননি তিনি। হতাশ হয়ে মাটিতে হাত দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায় ব্রাজিল মিডফিল্ডারকে।
২০তম মিনিটে ক্রিস রিচার্ডসের কর্নার শট সেনে লামেন্স রুখে দিলেও ২৪তম মিনিটে ক্রিস্টাল প্যালেস আক্রমণের মুখে পড়ে। ৩১ মিনিটে লেনি ইয়োরো মাতেতাকে পেনাল্টি বক্সে ফেলে দেন। রেফারির সিদ্ধান্তে ফ্রান্স ফরোয়ার্ড সফল স্পট কিকে গোল করেন।
তবে প্রশ্ন ওঠে পেনাল্টি শুট নিয়ে। ভিএআর চেকে দেখা যায়, বলটিতে ডাবল টাচ করেছিলেন মাতেতা। প্রথম গোল বাতিল হয়। রেফারি দ্বিতীয়বার শট নেওয়ার সুযোগ দিলে দলকে উল্লাসে মাতান তিনি। দ্বিতীয়বার শটে হেন্ডারসনের পাশ কাটিয়ে বল জালে জড়ান মাতেতা।
গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড জুলিয়ান আলভারেজের ডাবল টাচ নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। লিগের শেষ ষোলোতে তার পেনাল্টি বাতিল হয়। এরপর ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) নতুন নিয়ম প্রবর্তন করে। ১ জুলাই থেকে কার্যকর এই নিয়ম অনুযায়ী, দুর্ঘটনাবশত ডাবল টাচ হলে এবং শটটি সফল হলে পেনাল্টি পুনরায় নেওয়া যাবে।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে সমতায় ফেরান ২৪ ম্যাচ ধরে গোল না করা ডাচ ফরোয়ার্ড জশুয়া জিরকজি। ফার্নান্দেসের ফ্রি-কিক বাম প্রান্ত থেকে আসার পর জিরকজি বলটি বুকের ওপর নিয়েই নিয়ন্ত্রণ করে হেন্ডারসনের পাশ কাটিয়ে জালে জড়ান। এটি ছিল তার আসরের প্রথম গোল।
এরপর সেট ফ্রি-কিক নেন ব্রুনো ফার্নান্দেস। হালকা ছোঁয়ায় বল এগিয়ে দেন তিনি। সেখান থেকে সফল শটে গোল করেন ম্যাসন মাউন্ট। ৬২ মিনিটে সমতা থেকে লিডে যায় সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত স্কোর ২-১ থাকে।

'এই ম্যাচে আমাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে। চীন অনেক শক্তিশালী দল, ওরা অনেক হাই প্রেসিং ফুটবল খেলে। তাদের বিপক্ষে খেলে আমরা আমাদের লেভেল বুঝতে পেরেছি।'
খেলা শেষ হওয়ার পর তাতক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সাল এমনটাই বলেন।
চীনের সঙ্গে পরাজয়টা এক প্রকার অনুমিতই ছিল।তবে আগের চারটি ম্যাচ টানা জিতে প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। চীনের বিপক্ষে জিতলে খুলে যাবে এশিয়ান কাপ দরজা। কিন্তু এমন ম্যাচে এসে আর পারল না লাল সবুজের কিশোররা।
রোববার চীনের তংলিয়াং লং স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চীনের বিপক্ষে ৪-০ গোলে হারে বাংলাদেশ। তাতে বাছাই অভিযানও শেষ হলো সফরকারীদের।
স্বাগতিকদের বিপক্ষে বেশ কিছু ঝলক দেখা গেলেও একাধিক ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে গোলাম রব্বানী ছোটনের দলকে।
অষ্টম মিনিটে গোলকিপার আলিফ রহমানের ভুলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। নিজেদের অর্ধ থেকে বল উড়িয়ে মারেন চীনের ডিফেন্ডার জিন ইউচেন। কুয়াং ঝাওলি পেছন থেকে দৌড়ে এসে ব্যাক পাস দিতে চাইলে ইকরামুলের পায়ে লেগে বলের গতি পরিবর্তন হয়; বলের লাইনে থেকে অবশ্য ধরার অপেক্ষায় ছিলেন আলিফ। কিন্তু নিচু বল তিনি ধরার আগেই পেছন থেকে এসে বল জালে পাঠিয়ে দেন চীনের ফরোয়ার্ড শুয়াই ওয়েহাও।
১৮ মিনিটে মাঝ মাঠ থেকে কয়েকজনেক কাটিয়ে একাই বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন ইহসান হাবিব রিদুয়ান। এই ডিফেন্ডারের বা পায়ের জোড়ালো শট বাম দিকে ঝাপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন চীনের গোলকিপার কিন জিনিউ।
২৫ মিনিটে অল্পের জন্য বিপদ ঘটেনি। বাংলাদেশের রক্ষণ চিঁড়ে বেরিয়ে পরা বল পায়ে নিয়ে কয়েকজনকে কাটান শুয়াই ওয়েহাও। বক্সে জটলার মধ্য থেকে শেষে এই ফরোয়ার্ডের নেওয়া নিচু শটে বল বেরিয়ে যায় পোস্ট ঘেঁষে।
৩৮ মিনিটে আরও একবার বাংলাদেশের ভুল, তাতে লিড দ্বিগুণ করে চীন। নিজেদের বক্সের সামনে বল পায়ে কাকে দেবেন করতে করতে কামাল মৃধা ব্যাক পাস দিয়ে বসেন দূরে থাকা গোলকিপার আলিফের কাছে। সেই বল আলিফ ক্লিয়ার করার আগেই ছো মেরে জালে পাঠিয়ে দেন চীনের শুয়াই ওয়েহাও। তাঁর জোড়া গোলেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় চীন।
বিরতির পর দ্রুতই ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় চীন। ডান দিকের কর্নারের কাছ থেকে আসা লং বলে মাথা ছুঁয়ে ম্যাচে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ফরোয়ার্ড শুয়াই ওয়েহাও। গোলমুখের সামনে বাংলাদেশের তিন ডিফেন্ডার পারেননি তাঁকে রুখতে। নির্ধারিত সময়ের দুই মিনিট আগে ঝাও সংইউয়ান কাঁপান জাল। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ সেলহার্স্ট পার্কে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে আতিথেয়তা দেয় ক্রিস্টাল প্যালেস। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে জাঁ-ফিলিপ মাতেতার পেনাল্টি থেকে আদায় করা গোলে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় ঈগলসরা।
ফরাসি ফরোয়ার্ডের এই গোল নিয়ে বেশ কথা হচ্ছে। তাঁর প্রথম শটের গোল বাতিল হওয়ার পর দ্বিতীয় শট থেকে গোল আদায় করেন তিনি। ম্যাচের ৩১তম মিনিটে লেনি ইয়োরো মাতেতাকে ফেলে দেন পেনাল্টি বক্সে। রেফারির সিদ্ধান্তে সফল স্পট কিকে লক্ষ্যভেদ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। মুহূর্তেই স্কোরবোর্ডে ১-০ গোল লেখা ওঠে।
প্রশ্ন ওঠে পেনাল্টিশুট নিয়ে। ভিএআর চেকে দেখা যায়, বলে ডাবল টাচ করেছিলেন মাতেতা। তাতেই বাতিল হয় গোল।
তবে স্বাগতিকদের হতাশায় ডুবতে দেননি তিনি। রেফারি তাকে দ্বিতীয়বার শট নেওয়ার সুযোগ দেন। সেই সুযোগে ম্যান ইউনাইটেড গোলকিপার লামেন্সকে বোকা বানিয়ে ডান দিকে নিচু শটে জালে বল জড়ান মাতেতা। ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় ক্রিস্টাল প্যালেস।
ডাবল টাচ নিয়ে আগের আইন:
বলের প্রথম স্পর্শের পর পেনাল্টি যিনি নিয়েছেন, তিনি অন্য কোনো খেলোয়াড় বল স্পর্শ করার আগ পর্যন্ত আবার বল স্পর্শ করতে পারবেন না।
গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেসের ডাবল টাচ নিয়ে বড় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। শেষ ষোলোতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে তার নেওয়া পেনাল্টি ডাবল টাচের কারণে বাতিল হয়। সেবার পিছিয়ে পড়ায় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদেরই ভোগান্তি বাড়ে।
নতুন আইন: দুর্ঘটনাবশত ডাবল টাচে পেনাল্টি আবার নেওয়া যাবে
ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (আইএফএবি) নতুন নিয়ম অনুযায়ী মাতেতাকে পেনাল্টি আবার নিতে দেওয়া হয়। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর এই নিয়মে বলা হয়— দুর্ঘটনাবশত ‘ডাবল টাচ’ হলে এবং শটটি সফল হলে পেনাল্টি আবার নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে মাতেতা প্রথম শটেই গোল করেছিলেন, তাই তিনি সুবিধাভোগী।
ডাবল টাচে প্রথম শট সফল না হলে:
• শট সফল না হলে, ম্যাচ চলাকালে ডিফেন্ডিং দলকে ইনডাইরেক্ট ফ্রি-কিক দেওয়া হবে।
• পেনাল্টি শুটআউটে এমন হলে সেটি মিস হিসেবে গণ্য হবে।
গত মার্চে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ–রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচে জুলিয়ান আলভারেজের পেনাল্টি দুর্ঘটনাবশত দুইবার বল ছোঁয়ার কারণে বাতিল হওয়ায় বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এরপরই এই নতুন নিয়ম যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় আইএফএবি।

আগের চার ম্যাচের চারটিতে জয়। এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে পেরুতে চীনের বিপক্ষে জয় ছাড়া বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমন ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে বাংলাদেশের কিশোররা।
রোববার চীনের তংলিয়াং লং স্টেডিয়ামে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে চীনের বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের বিপক্ষে বেশ কিছু ঝলক দেখা গেলেও একাধিক ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে গোলাম রব্বানী ছোটনের দলকে।
অষ্টম মিনিটে গোলকিপার আলিফ রহমানের ভুলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। নিজেদের অর্ধ থেকে বল উড়িয়ে মারেন চীনের ডিফেন্ডার জিন ইউচেন। কুয়াং ঝাওলি পেছন থেকে দৌড়ে এসে ব্যাক পাস দিতে চাইলে ইকরামুলের পায়ে লেগে বলের গতি পরিবর্তন হয়; বলের লাইনে থেকে অবশ্য ধরার অপেক্ষায় ছিলেন আলিফ। কিন্তু নিচু বল তিনি ধরার আগেই পেছন থেকে এসে বল জালে পাঠিয়ে দেন চীনের ফরোয়ার্ড শুয়াই ওয়েহাও।
১৮ মিনিটে মাঝ মাঠ থেকে কয়েকজনেক কাটিয়ে একাই বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন ইহসান হাবিব রিদুয়ান। এই ডিফেন্ডারের বা পায়ের জোড়ালো শট বাম দিকে ঝাপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন চীনের গোলকিপার কিন জিনিউ।
২৫ মিনিটে অল্পের জন্য বিপদ ঘটেনি। বাংলাদেশের রক্ষণ চিঁড়ে বেরিয়ে পরা বল পায়ে নিয়ে কয়েকজনকে কাটান শুয়াই ওয়েহাও। বক্সে জটলার মধ্য থেকে শেষে এই ফরোয়ার্ডের নেওয়া নিচু শটে বল বেরিয়ে যায় পোস্ট ঘেঁষে।
৩৮ মিনিটে আরও একবার বাংলাদেশের ভুল, তাতে লিড দ্বিগুণ করে চীন। নিজেদের বক্সের সামনে বল পায়ে কাকে দেবেন করতে করতে কামাল মৃধা ব্যাক পাস দিয়ে বসেন দূরে থাকা গোলকিপার আলিফের কাছে। সেই বল আলিফ ক্লিয়ার করার আগেই ছো মেরে জালে পাঠিয়ে দেন চীনের শুয়াই ওয়েহাও। তাঁর জোড়া গোলেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় চীন।

২০১৫ সালে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন পাকিস্তানের অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি। নামের পাশে এতদিন রেখেছিলেন ওয়ানডেতে সর্বাধিক ছয় মারার রেকর্ডটি। দশ বছর পর আফ্রিদিকে হটিয়ে ওয়ানডেতে সর্বাধিক ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ডটি এখন ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মার।
আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে আফ্রিদির রেকর্ড ভেঙ্গে ৩৫২ টি ছক্কার
মালিক হন রোহিত। ৩৫১ টি ছয় মেরে ওয়ানডেতে সর্বাধিক ছক্কা মারার রেকর্ডটি এতদিন ছিল
পাকিস্তান অলরাউন্ডারের।
আফ্রিদির চেয়ে কম ইনিংসে
খেলে রেকর্ডটি গড়েছেন রোহিত। ৩৬৯ ইনিংসে ৩৫১ টি ছয় মেরেছেন আফ্রিদি। অন্যদিকে রোহিত
৩৫২ টি ছয় মারতে খেলেছেন মাত্র ২৬৮ ইনিংস। সর্বাধিক ছয়ের রেকর্ড তালিকায় ৩৩১ টি ছয়
মেরে তিনে রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল। ২৭০ টি ছয় মেরে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন
সনাথ জয়সুরিয়া। ভারতের মহেন্দ্র সিং ধোনি ২২৯ টি ছয় মেরে রয়েছেন পাঁচ নম্বরে। তবে এই
তালিকায় রোহিত একমাত্র ব্যাটার যিনি এখনো অবসর নেননি।
ওয়ানডে ক্রিকেটে ৭ মাস পর ফিরে সময়টা ভালোই যাচ্ছে রোহিতের। কদিন আগেই ওয়ানডে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন। আজ ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বাধিক ছয়ের রেকর্ডটি করলেন নিজের নামে।